দিন পেরিয়ে রাতেও শিমুলিয়াঘাটে ঘরমুখো যাত্রীর চাপ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১০:৪৩ PM, ২০ জুলাই ২০২১

রাত পোহালেই পবিত্র ঈদুল আজহা। বাকি আর কয়েক ঘণ্টা। দিন পেরিয়ে রাত নামলেও দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ঘরমুখো মানুষের চাপ কমছে না মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়াঘাটে। লঞ্চ চলাচল বন্ধের পর ফেরিতে ভিড় করছেন যাত্রীরা।

মঙ্গলবার (২০ জুলাই) সকাল থেকে বৃষ্টি উপেক্ষা করে দিনভর যাত্রী ও যানবাহনের উপচেপড়া ঢল ছিল শিমুলিয়াঘাটে। রাত ৮টায় পদ্মায় লঞ্চ চলাচল বন্ধের পর ফেরিতে বাড়ে যাত্রী সংখ্যা।

রাত ৮টার দিকে ঘাটে নদী পারের অপেক্ষায় তিন শতাধিক ব্যক্তিগত গাড়ি ছাড়াও শতশত পণ্যবাহী ট্রাক। এছাড়াও ঘাটের অভিমুখে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতেও যানবাহনের দীর্ঘ সারি। পদ্মায় তীব্র স্রোতে নৌরুটে ফেরি পারাপারে বেশি সময় লাগছে। এতে ঘাটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় পলণ্যবাহী ও ব্যক্তিগত গাড়ি এবং যাত্রীরা।

ঘাট কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, যানবাহন ও যাত্রী পারাপারে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে বর্তমানে ১৫টি ফেরি সচল রয়েছে। আর দিনভর সচল ছিল ৮৬টি লঞ্চ।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) শিমুলিয়াঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. ফয়সাল বলেন, ‘রাত ৮টা থেকে লঞ্চ বন্ধে ফেরিতে যাত্রীরা আসছে। ঘাটে এখনো তিন শতাধিক ব্যক্তিগত গাড়ি পারের অপেক্ষায় রয়েছে। এছাড়া পণ্যবাহী গাড়িও আছে।’

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) শিমুলিয়া লঞ্চঘাটের কর্মকর্তা মো. সোলাইমান  বলেন, ‘আজকে যাত্রী চাপ ছিল সবচেয়ে বেশি। যাত্রী পারাপারে দিনভর ৮৬টি লঞ্চ সচল ছিল। সকাল ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত লঞ্চ চলাচল করেছে। প্রতিটি লঞ্চ পাঁচ-ছয়বার করে ট্রিপ দিয়েছে। আনুমানিক ৫০ হাজার ঈদ যাত্রী লঞ্চ যোগে শিমুলিয়া থেকে বাংলাবাজার ও মাঝিরকান্দি রুটে পদ্মা পাড়ি দিয়েছে।’

আপনার মতামত লিখুন :