ঢাকা ১৭ জুলাই, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানালেন জি কে শামীম পাশার দান উল্টে দিয়ে নবম ব্যালন ডি’অর জয়ের পথে মেসি সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ মার্কিন চাপের মধ্যেই লেবাননে স্থায়ী সেনাপোস্ট করছে ইসরায়েল টানা বৃষ্টিতে বেড়েছে অধিকাংশ সবজির দাম, মরিচের কেজি ২০০ টাকা জীবন দেব, তবু ২৪ হারিয়ে যেতে দেব না : জামায়াত আমির বঙ্গোপসাগরের মিয়ানমার উপকূলে ২ নৌকাডুবি : ৫৩০ রোহিঙ্গা নিহত মৃত্যুর তিন দিন আগে শেষ সাক্ষাৎকারে যা বলেছিলেন শহীদ আবু সাঈদ ভারতের বৃহত্তম পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের তথ্য ফাঁস দেশের ১৯ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির সতর্কতা

জাতিসংঘের প্রতিবেদন অকাট্য দলিল হিসেবে ব্যবহার করা যাবে

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫,  2:10 PM

news image

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেছেন, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তরের (ওএইচসিএইচআর) তথ্যানুসন্ধান দলের প্রতিবেদনকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে অকাট্য দলিল হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।

আজ (বৃহস্পতিবার) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে জাতিসংঘের প্রতিবেদন ও আয়নাঘর পরিদর্শন বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।  

২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশে সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো বিশ্লেষণ ও গুরুতর আহতসহ অনেক বিক্ষোভকারীর সঙ্গে কথা বলে প্রতিবেদনটি দিয়েছে ওএইচসিএইচআরের তথ্যানুসন্ধান দল। গতকাল বুধবার এই প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। 

তাজুল ইসলাম বলেন, যেহেতু জাতিসংঘ বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং সর্বজন গ্রহণযোগ্য একটা সংস্থা, তাদের এই রিপোর্টটা সম্পূর্ণ ইমপার্শিয়াল (নিরপেক্ষ)। কোনো দলের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে হয়নি। আমাদের সাথেও কথা বলেনি। তারা অপরাধীদের সাথে কথা বলেছেন, ভিক্টিমদের সাথে কথা বলেছেন। যেখানে কথা বলা দরকার সেই জায়গায় কথা বলেছেন। সুতরাং এটা অকাট্য দলিল হিসেবে এই আদালতে ব্যবহার করা যাবে এবং সেটা আমরা ব্যবহার করবো বলে আপনাদের জানাচ্ছি। 

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, অস্ত্রের ব্যবহার এবং আহত-নিহতের পরিসংখ্যান থেকে বোঝা যায় যে, একটা পুরো রাষ্ট্রযন্ত্র একটা জনগোষ্ঠীকে ওয়াইডস্প্রেড এবং সিস্টেমেটিক পদ্ধতিতে তাদের ওপর ঝাপিয়ে পড়েছিল তাদেরকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য। এটা মানবতাবিরোধী অপরাধের পক্ষে একটা সুস্পষ্ট এবং অসম্ভব জোরালো একটা প্রমাণ। এই প্রমাণটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের তদন্ত সংস্থার মাধ্যমে একটা এভিডেন্স (প্রমাণ) হিসেবে ট্রাইব্যুনালে আসবে।

logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: মনিরুজ্জামান মনির