ঢাকা ০৬ মার্চ, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ফুড সেফটি মুভমেন্টের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সচিবালয়ে নিজের কক্ষের অর্ধেক লাইট বন্ধ করলেন প্রধানমন্ত্রী ইরানে নিহতের সংখ্যা ১০০০ ছাড়াল : পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ৯ এপ্রিল ঢাকা থেকে বাতিল হলো ২১০ ফ্লাইট প্রাথমিকভাবে ৯ উপজেলায় চালু হচ্ছে কৃষি কার্ড ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধির সঙ্গে বিএনপির বৈঠক ঈদের ছুটি একদিন বেড়েছে বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলি দূতাবাসে হামলার হুমকি ইরানের চাঁদাবাজ-অস্ত্রধারীদের তালিকা করে শিগগিরই সারাদেশে অভিযান

তালায় উর্ধ্বগতির ডিম-মাংসের বাজারঃ দরিদ্ররা দিশেহারা

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৫ মার্চ, ২০২৩,  12:16 PM

news image

সাংসারিক জীবনে আত্মীয়-স্বজনদের সম্মান রক্ষার্থে ও পরিবারের শখ বা চাহিদা পূরণের ক্ষেত্রে ডিম মাংসের গুরুত্ব অপরিসীম। অথচ নানান অজুহতে  সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় গত এক মাসের ব্যবধানে সব ধরনের মুরগির দাম বেড়েছে প্রায় দ্বিগুন। অন্যদিকে এ উপজেলায় সময়ের ব্যবধানে বিলুপ্তি প্রায় দেশি মুরগির চড়া মূল্যের বাজারে এখানকার ক্রেতা সাধারণ হয়ে পড়েছেন দিশেহারা। বেড়েছে ডিম ও গরুর মাংসের দাম। তবে এসকল প্রাণী পালনের ক্ষেত্রে খাবার ও ওষুধের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় ডিম মাংসের দাম বেড়েছে বলে জানা যায়। খোঁজ নিয়ে জানা যায়,উপজেলার হাট বাজার গুলোতে গত এক মাস আগেও ডিম মাংসের দাম ছিল কিছুটা সহনীয় পর্যায়ে। যা বর্তমান সময়ে লাগামহীন ভাবে মূল্য বেড়ে হয়েছে প্রায় দ্বিগুণ। ফলে বেশি সমস্যায় পড়ে গেছেন এখানকার শ্রমজীবী দরিদ্র ক্রেতা সাধারনেররা। এখানে বর্তমানে এক কেজি ব্রয়লার ও সোনালী  মুরগির মাংস বিক্রি হচ্ছে ২ শত ৮০ টাকায়। দেশি ও কয়লার (প্যারিস) জাতের মুরগির কেজি ৪ থেকে ৫ শত টাকা ও গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮ শত টাকা কেজি দরে। এবং খুচরা বাজারে ডিম বিক্রি হচ্ছে প্রতিটি  ১২ টাকা দরে। গতকাল মুরগি ক্রেতা  উপজেলার নোয়াকাটি গ্রামের ইকবাল হোসেন (৩০) জানান,প্রায় এক মাস আগে ১কেজি পোল্টি মুরগির মাংসের দাম ছিল ১শত ৮০  টাকা। আজকে কিনলাম ২শত ৮০ টাকা কেজি। নিত্য পণ্যের যা দাম তা বাজার করার জন্য বাড়ি থেকে হিসেব করে টাকা আনার পর বাজারে আসলে সে হিসাব গরমিল হয়ে যাচ্ছে। এক্ষুনি তাই এই অবস্থা, রমজান মাসে কি যে হবে তা বলা যাচ্ছে না। এ ধরনের অভিযোগ এখানকার বহু ভোক্তা সাধারনের বলে জানা যায়। এদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে ষাটর্দ্ধো বয়সের ডিম ক্রেতা জানান, প্রায় এক বছর মত আগে শুনেছিলাম সরকারি ভাবে এক পিছ ডিমের দাম সম্ভবত  নয় টাকা ৩৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল। অথচ সেই ডিম এখন দোকানদাররা একটা বিক্রি করছে ১২ টাকায়। মাত্র আর কয়েকদিন পর রমজান মাস শুরু। বাজারের এই মালামালের দাম বাড়ার বিষয়টি দেখার কেউ নেই না কি ? উপজেলার পাটকেলঘাটা বাজারের পোল্ট্রি ব্যবসায়ী মফিজুল ইসলাম (৩৫ ) বলেন,আমাদের যেমন কেনা তেমন বিক্রি। খামারিরা মুরগির দাম বাড়ালে আমাদের আর কি করার আছে। আমরাও চাই মুরগির দাম আগের মত হোক। উপজেলার যুগিপুকুরিয়া গ্রামের মুরগির খামার মালিক শহিদুল ইসলাম সরদার (৫৫) দৈনিক সকালের সময়কে জানান, বর্তমানে মুরগির বাচ্চা, খাবার এবং ওষুধের যা দাম সেই তুলনায় মুরগির দাম বাড়েনি। তাছাড়া মালিক মহাজন ধরে ব্যবসা করতে হয়। আর বাকিতে   মালামাল কিনলে দোকানদাররা দাম তো বেশি নিবেই। এব্যবসা এখন আর করার মত নেই, বহু লোক ঋণগ্রস্ত হয়ে খামার বন্ধ করে দিয়েছে। শুধু মুরগী নয় গৃহপালিত পশু গোখাদ্যের দাম ও যে পর্যায়ে পৌঁছেছে। তাতে করে মানুষ গরু কেনার আগে চিন্তা করছেন খাবারের। যা সরজমিনে খোঁজ খবর নিলে অসম্ভব মূল্য বৃদ্ধির বিষয়টির সত্যতা জানা যাবে। সব মিলিয়ে আগত রমজান মাসে সকল নিত্য পণ্যের মূল্য যাতে সহণীয় পর্যায়ে থাকে। সে জন্য  সংশ্লিষ্ট উদ্ধর্তন     কর্তৃপক্ষের আশু সুদৃষ্টি কামনা করেছেন স্থানীয়  সচেতন মহল ।

logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: মনিরুজ্জামান মনির