ঢাকা ২৮ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
দামি সবজি শিম, সবচেয়ে কমদামি পেঁপে, মাছ ও মাংসের দাম অপরিবর্তিত জানাজা শেষে নওগাঁর ৭ জনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর জানুয়ারিতে বাংলাদেশ সফরে আসতে পারে ভারত নভেম্বরে তুরস্ক সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ফের বন্যার আশঙ্কা : উদ্ধারকাজ স্থগিত করল চীন আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে সীমান্ত, আসামিদের সঙ্গে মিলেছে বর্ণনা ছুটির দিনেও সবজিতে অস্বস্তি পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আজ মহানবীর আদর্শ অনুসরণ করে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি

দামি সবজি শিম, সবচেয়ে কমদামি পেঁপে, মাছ ও মাংসের দাম অপরিবর্তিত

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৮ আগস্ট, ২০২৬,  12:47 PM

news image

রাজধানীর কাঁচামালের বাজারে সবচেয়ে দামি সবজি শিম হলেও সবচেয়ে কমদামি সবজি পেঁপে। অন্যান্য সবজি কিনতে হলে গুনতে হবে কমপক্ষে কেজি প্রতি ৮০ টাকা। তবে চলতি সপ্তাহে মাছ, মাংস ও ডিমের দাম প্রায় আগের মতোই। প্রতি কেজি মাছের দাম রাজধানীর বাজারভেদে কোথাও ২০ টাকা কম আবার কোথাও ১০ টাকা বেশি। 

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাজধানীর রায়ের বাজার ও মোহাম্মদপুর কৃষি বাজার ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে। প্রতিটি বাজারেই দামের ১০ থেকে ২০ টাকার পরিবর্তন রয়েছে।  

সরেজমিনে দেখা যায়, বাজারে বেগুন, করলা, বরবটি, ঢেঁড়স, পটল ও কাঁকরোলসহ বেশির ভাগ সাধারণ সবজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে। তবে তুলনামূলক কিছুটা কম দামে শসা ৫০ থেকে ৬০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। তবে দেশি শসা ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

বর্ষা মৌসুমেই বাজারে আসা শীতের আগাম সবজি শিম বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকা কেজিতে। এর মধ্যে সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁপে কেজি ৩০ টাকা।

এদিকে সবজির উচ্চমূল্যের মধ্যে একমাত্র স্বস্তি এসেছে কাঁচা মরিচের বাজারে। কয়েক সপ্তাহ আগে যে কাঁচা মরিচ কেজিপ্রতি ৪০০ টাকায় ঠেকেছিল, সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় তা এখন মানভেদে ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

দাম সবচেয়ে বেশি এমন সবজির মধ্যে লম্বা বেগুন ১০০ টাকা, গোল বেগুন ১২০ টাকা ও টমেটো ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। বরবটি, ঝিঙে ও করলার কেজি ৮০ টাকা। লাউ প্রতি পিচ ৫০ থেকে ৭০টাকা, কচুরমুখি ৮০ টাকা বিক্রি করা হচ্ছে।  
সবজি ক্রেতা আনোয়ার হোসেন বলেন, বেগুন কিনেছি ১০০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ছোট লাউ ৬০ টাকা, একপোয়া মরিচ কিনেছি ৩০টাকায়। সব কিছুর দাম বেশি। আমাদের খাওয়া মতো বাজার নাই। 

অন্যদিকে, বিক্রেতারা দাম বৃদ্ধির পেছনে বৃষ্টি ও আবহাওয়াজনিত কারণকে দায়ী করছেন। ব্যবসায়ী আবু দাউদ বলেন, অতিবৃষ্টির কারণে সবজির দাম বাড়ছে। উৎপাদন বাড়লে সবজির দাম কম থাকে। 

বাজারে আরও ঘুরে দেখা যায়, মুরগির বাজারেও দামে তেমন পরিবর্তন নেই। রাজধানীর বাজারে ব্রয়লার মুরগি কেজি ১৯০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে ডিমের দামও আগের উচ্চমূল্যেই রয়েছে। প্রতি ডজন ১৫০ টাকা ও চারটি ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সপ্তাহে এক ডজন ডিম কিনলে বিক্রেতারা দুই টাকা কম রাখলেও এখন তা হচ্ছে না। ডিম বিক্রেতা মাসুম বলেন, এখন ফার্মের মুরগির ডিম ডজন ১৫০ টাকা বিক্রি করা হচ্ছে।  

এদিকে, মাছের বাজারেরও একই চিত্র। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০, পাঙাস ২৩০ থেকে ২৫০, রুই-কাতল ৩৮০ থেকে ৪২০ এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজর ৩০০ টাকা কেজি। পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ ও ট্যাংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মিগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং সইল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে। মাঝারি আকারের রুই কেনা যাচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে। এ ছাড়া রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা গুনতে হবে। তবে মাছের সাইজ ও জীবিত ও মৃত উপর দাম নির্ভর করে। প্রতিটি বাজারে ১০ থেকে ২০ টাকা কেজিপ্রতি কম বেশি হতে পারে। 

মাছ বিক্রেতা জালাল বলেন, মাছের দাম আগের মতোই আছে। মাছের দাম নিষিদ্ধ করে কেউ বলতে পারবে না। দাম সরবরাহের উপর নির্ভর করে। এখন এক দাম, বিকেলে আরেক দাম। আবার মাছ বেশি আসলেও দাম কমে যায়। আবার ক্রেতা বেশি আসলেও দাম বেড়ে যায়।

logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: মনিরুজ্জামান মনির