ঢাকা ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ওয়াশিংটন পোস্টে ব্যাপক ছাঁটাই, চাকরি হারিয়েছেন ৩০০ সাংবাদিক ভারত ম্যাচ বয়কট : পাকিস্তানকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ শ্রীলঙ্কার সিকিমে সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ১৩টি ভূমিকম্প, আতঙ্ক বাংলাদেশেও ৯ম পে-স্কেলের গেজেট দাবিতে যমুনা ঘেরাও সরকারি কর্মচারীদের পে স্কেল গেজেট দিতে বাধা নেই—তবু কেন ভয়- মনিরুজ্জামান মনির চট্টগ্রাম বন্দরে এবার লাগাতার কর্মবিরতির ঘোষণা ক্ষমা ও মুক্তির মহিমান্বিত রাত শবে বরাত শবে বরাতে পুরান ঢাকায় বাহারি হালুয়া-রুটির পসরা, নেই আগের মতো আমেজ র‌্যাবের নতুন নাম হবে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স’ ব্যবহৃত মোবাইল হস্তান্তর বা বিক্রির আগে নিবন্ধন বাতিল করতে হবে: বিটিআরসি

বঙ্গোপসাগরে বাড়ছে ঘূর্ণিঝড়ের ঝুঁকি

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

৩১ আগস্ট, ২০২২,  12:00 PM

news image

বৈশ্বিক জলবায়ুর আরও একটি অস্বাভাবিক ঘটনা সামনে আসছে। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর থেকে প্রশান্ত মহাসাগরের ওপর বিরাজমান ‘লা নিনা’ পা রাখছে তৃতীয় বছরে। লা নিনা হলো একটি জলবায়ু প্যাটার্ন যাতে শীতল সমুদ্র স্রোতের প্রভাব দেখা যায়।

ভারতের আবহাওয়া বিভাগের তথ্য অনুসারে, ১৯৫০ সালের পর থেকে লা নিনার প্রভাবের স্থায়ীত্ব একবারে দু’বছরের বেশি হয়েছে মাত্র ছয়বার।

মধ্য ও নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলে সমুদ্র পৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ঠান্ডা হওয়াকে মূলত লা নিনা বলা হয়ে থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, লা নিনা ভারতীয় অঞ্চলে গ্রীষ্মকালীন বৃষ্টিপাতের জন্য সহায়ক। তবে লা নিনার বিপজ্জনক দিকটি হলো- এটি আটলান্টিক মহাসাগর এবং বঙ্গোপসাগরে ঘন ঘন ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির জন্যও দায়ী।

৩০ আগস্ট পর্যন্ত এ বছর ভারতে ৭৪০ দশমিক ৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে; যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৭ শতাংশ বেশি। ভারতের ৩৬টি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে ৩০টিতে স্বাভাবিক বা অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত হয়েছে।

লা নিনার বিপরীত অবস্থা হলো এল নিনো। এতে উষ্ণ সামুদ্রিক জলস্রোতের প্রভাব দেখা যায়।

আগস্টের মাঝামাঝি অস্ট্রেলিয়ার ব্যুরো অব মেটিওরোলজি (বিওএম), যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওশেনিক অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফিয়ারিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এনওএএ) এবং ভারতের মনসুন মিশন ক্লাইমেট ফোরকাস্ট সিস্টেমের (এমএমসিএফএস) আবহাওয়াবিদরা নিশ্চিত করেছেন যে, ২০২২ সালের শেষ নাগাদ লা নিনা থাকছে।

চলতি বছরের এপ্রিলে এই সংস্থাগুলোই পূর্বাভাস করেছিল যে, আগস্টের মধ্যে এই লা নিনা পরিস্থিতির সমাপ্তি ঘটবে। 

logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: মনিরুজ্জামান মনির