ঢাকা ০২ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাকের পেছনে প্রাইভেটকারের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৫ ছুটির আমেজ শেষে পুরোনো ছন্দে ফিরছে ঢাকা, বেড়েছে যানচলাচল ‘পাগল-নিমকহারাম’ বলে ফোনে নেতানিয়াহুকে গালাগাল ট্রাম্পের ঈদের পর কমল সোনার দাম আদালতে এসে ন্যায়বিচার চাইলেন রামিসার বাবা দ্বিতীয় দিনের আন্দোলনে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা, সতর্ক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ইসলাম পরিবহনের বাস রোড ডিভাইডার ভেঙে আকাশ বাসে ধাক্কা, ৪ যাত্রী নিহত ইবোলার নতুন ধরন মোকাবিলায় টিকা তৈরি করেছে রাশিয়া তৃতীয় বাংলাদেশি নারী হিসেবে নিম্নির এভারেস্ট জয় একটা ভালো ঈদযাত্রা ম্যানেজ করতে সক্ষম হয়েছি : সড়কমন্ত্রী

মাঝ নদীতে দুই স্পিডবোটের সংঘর্ষ, নিহত বেড়ে ৩

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১১ জানুয়ারি, ২০২৫,  1:36 PM

news image

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় মেঘনা নদীতে দুই স্পিডবোটের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত বেড়ে তিনজনে দাঁড়িয়েছে। এর আগে বাল্কহেডের সঙ্গে স্পিডবোটের সংঘর্ষ হয়েছে বলে ধারণা করা হলেও এখন দুই স্পিডবোটের সংঘর্ষ হয়েছে বলে জানা গেছে।

শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের মেঘনা নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন গজারিয়ার নৌ পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক মো. মাহাবুব আলম।

নিহতদের মধ্যে দুজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন, গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের মামুন ব্যাপারির ছেলে অদুদ বেপারী (৩৫) এবং একই এলাকার মো. বাবুল (৩৮)। অপর নিহতের নাম-পরিচয় এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ।

পুলিশ জানান, অন্ধকার এবং কুয়াশার কারণে একটি স্পিডবোট অন্যটিকে দেখতে না পাওয়ায় স্পিডবোট দুটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। স্থানীয় লোকজন ও জেলেরা সংঘর্ষের শব্দ পেয়ে ঘটনাস্থলে যায়। সংবাদ পেয়ে নৌপুলিশও ঘটনাস্থলে গিয়ে সেখান থেকে বেশ কয়েকজনকে উদ্ধার করে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়।

গজারিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সায়মা আক্তার বলেন, রাত পৌনে ১০টার দিকে তিনজনকে আমাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এদের মধ্যে দুজন মৃত ছিলেন। আবদুল হালীম (৩৪) নামে একজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে গুরুতর অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

গজারিয়ার নৌপুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো.মাহাবুব আলম বলেন, ধারণা করা হচ্ছে রাতে কুয়াশার কারণে দুটি স্পিডবোট চলাচলের সময় একটি আরেকটিকে দেখতে পায়নি। এ ঘটনায় তিনজন মারা গেছে। তবে স্পিডবোট দুটি রাতে এখানে কোথা থেকে এসেছে তা বিস্তারিত জানা যায়নি।

logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: মনিরুজ্জামান মনির