ঢাকা ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা : হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল ব্যাগ ধরে টান ছিনতাইকারীর, রিকশা থেকে পড়ে প্রধান শিক্ষিকার মৃত্যু হামের উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু নেপালে বন্যা : এক সেকেন্ডে ১৬৫ ফুট পথ পেরিয়েছে কাদা-পাথরের স্রোত নেপালে হৃদয়বিদারক পরিস্থিতি, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৪৭ জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থাকবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী দামি সবজি শিম, সবচেয়ে কমদামি পেঁপে, মাছ ও মাংসের দাম অপরিবর্তিত জানাজা শেষে নওগাঁর ৭ জনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর জানুয়ারিতে বাংলাদেশ সফরে আসতে পারে ভারত নভেম্বরে তুরস্ক সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

রাণীশংকৈলে অজ্ঞাত রোগে দুই মাসের ব্যবধানে শতাধিক গরুর মৃত্যু

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১০ মার্চ, ২০২৩,  11:52 AM

news image

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার ধর্মগড় ইউনিয়নের একই গ্রামের ৪ টি পাড়ায় ২ মাসের ব্যবধানে ৮০ টির বেশি প্রায় শতাধিক গরুর মৃত্যু হয়েছে। এসব গরুর বর্তমান বাজার মূল্য আনুমানিক এক কোটি টাকারও বেশি। গ্রামবাসীরা জানায়, জোর পুকুর, ব্যাংকপুকুর, ভেলা পুকুর ও ছয়ঘোড়িয়া এই ৪ পাড়ায় এখন পর্যন্ত অজ্ঞাত রোগে পঁয়ত্রিশ জন খামারীর এসব গরু মারা যায়।

সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল মোতালেব বলেন, ১৫ দিনের ব্যবধানে আমার ৫ টি গরু মারা যায়। প্রথমেই একদিন বিকালে আমার একটি গরু অসুস্থ হয়ে পড়ে। আমি স্থানীয় ভাবে পল্লী চিকিৎসা দেওয়ার ২ ঘন্টার ব্যবধানে গরুটি মারা যায়।

আরেক খামারী মুসলিম উদ্দিন জানান, আমার ২টি গরুর সমস্যা হলে আমি স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক কে জানাই। সে চিকিৎসা দেওয়ার পরেও ভালো না হলে আমি উপজেলা পশু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কথা বলি কিন্তু পল্লী চিকিৎসক জানান, এ রোগের কারণ এখনো কেউ জানে না এবং এ রোগের ওষুধও নেই উপজেলা পশু হাসপাতালে।

স্থানীয় বাসিন্দারা আরো জানান, আমাদের এ ৪ পাড়ায় আতঙ্কে খামারীরা বেশির ভাগ গরু কম দামে বিক্রি করে দিয়েছে। এখনো যাদের ঘরে কিছু গরু রয়েছে তার মধ্যে থেকেই আরো কয়েকটি গরু গত কয়েকদিন এর ব্যবধানে মারা গিয়েছে।

শাহানা পারভীন নামে একজন খামারী দাবি করেন, একই লক্ষণে আমার একটি গরু অসুস্থ। গত বুধবার উপজেলা পশু হাসপাতালে ফোন দিলে তারা জানায় বৃহস্পতিবার সকালে আপনার খামারে আমাদের চিকিৎসক যাবে। তবে বৃহস্পতিবার দুপুর গড়িয়ে গেলেও ভুক্তভোগীর বাসায় কোন চিকিৎসক আসেনি বলে দাবি করেন।

দিনমজুর ও খামারী শহিদুল জানান, গত এ রোগে কয়েকটি গরু মারা গেলে টিকা দেওয়ার জন্য কয়েকজন চিকিৎসক আসে সেসময় তারা টিকা প্রতি ৫০ টাকা দাবি করলে আমার কাছে কোন টাকা না থাকায় আমি আমার গরু গুলোকে টিকা দিতে পারিনি। এর পরে ভয়ে আমার সব গরু বাজার থেকে কমদামে বিক্রি করে দিয়েছি৷ 

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ মোছাঃ মৌসুমী আক্তার বলেন, আমরা বিষয়টি জানার পরে গ্রামটিতে গিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করেছি এবং তরকা ও বদলা রোগের টিকা কার্যক্রম করেছি। কয়টি গরু মারা গিয়েছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন কয়টি গরু মারা গিয়েছে এ ব্যাপারে আমার কাছে কোন তথ্য নেই।

এ বিষয়ে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির স্টিভ জানান, এ বিষয়টি জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। তিনি গত বুধবার এসেছিলেন এবং উনাদের কাছে যতটুকু প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া দরকার তারা দিয়েছেন ও তাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করেছেন। ৫০ টাকার বিনিময়ে ভ্যাকসিন দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাদের এখতিয়ার না থাকলে তো নেওয়ার কথা না।

logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: মনিরুজ্জামান মনির