ঢাকা ১৭ জুলাই, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানালেন জি কে শামীম পাশার দান উল্টে দিয়ে নবম ব্যালন ডি’অর জয়ের পথে মেসি সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ মার্কিন চাপের মধ্যেই লেবাননে স্থায়ী সেনাপোস্ট করছে ইসরায়েল টানা বৃষ্টিতে বেড়েছে অধিকাংশ সবজির দাম, মরিচের কেজি ২০০ টাকা জীবন দেব, তবু ২৪ হারিয়ে যেতে দেব না : জামায়াত আমির বঙ্গোপসাগরের মিয়ানমার উপকূলে ২ নৌকাডুবি : ৫৩০ রোহিঙ্গা নিহত মৃত্যুর তিন দিন আগে শেষ সাক্ষাৎকারে যা বলেছিলেন শহীদ আবু সাঈদ ভারতের বৃহত্তম পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের তথ্য ফাঁস দেশের ১৯ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির সতর্কতা

লালমনিরহাটে সংযোগ সড়ক বিহীন সেতু, ভোগান্তিতে দুই পাড়ের লোকজন

#

সালমা আক্তার, লালমনিরহাট

২৮ মে, ২০২২,  11:12 AM

news image

লালমনিরহাটে সংযোগ সড়ক না থাকায় প্রায় সাড়ে ৬কোটি টাকায় রতনাই নদীর ওপর নির্মিত সেতু কাজে আসছে না এলাকাবাসীর। সেতু নির্মাণের ২বছর পেরিয়ে গেলেও আজো নির্মিত হয়নি এপ্রোচ রোড বা সংযোগ সেতু।ফলে ভোগান্তিতে রয়েছে পাঁচ গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ।অনেকেই নদী পাড় হয়ে বা বাঁশ ব্যবহার করে সেতু পার হচ্ছেন। এ ব্যাপারে সেতু নির্মাণকারী সরকারী প্রতিষ্ঠান স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সংযোগ সড়ক তৈরি করে দেয়ার কথা বললেও  কার্যত কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেননা। 

সরেজমিনে গেলে দেখা যায়,সেতুর সাথে বাঁশ স্থাপন করে  লালমনিরহাট জেলা সদরের মোগলহাট ইউনিয়নের দুড়াকুঠি গ্রামের রতনাই নদীর ওপর নির্মিত সেতু দিয়ে মানুষ চলাচল করছে। এতে অনেক সময় ঘটছে দূর্ঘটনাও।তারপরেও সময় ও অর্থ বাঁচানোর জন্য ঝুঁকি নিয়ে সেতু পারাপার হচ্ছে মানুষ। ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে রতনাই নদীর ওপর সেতুর কাজ শুরু হয়। ১২০মিটার দৈর্ঘ্যের এ সেতুটির নির্মান ব্যয় ছিল ৬ কোটি ৩০লাখ টাকা।২০১৯ সালের শেষের দিকে সেতুটির নির্মান কাজ শেষ হয়। কিন্তু সেতুটির দুই পাশে সংযোগ সড়ক এখনো নির্মিত হয়নি। ফলে সেতুটি কাজে আসছেনা দুই পাড়ের বাসিন্দাদের।

সেতুটির একপ্রান্তে দুড়াকুঠি গ্রামে রয়েছে হাটবাজার,কলেজ,হাইস্কুল,ভূমি অফিস আর অপরপ্রান্তের  মেঘারাম গ্রামে ইউনিয়ন পরিষদ,কমিউিনিটি ক্লিনিক। উভয়প্রান্তের মানুষের কাজকর্মের সহজ যোগাযোগের জন্য রতনাই নদীর ওপর সেতুটি নির্মিত হয়েছে।কিন্তু কোনকাজে আসছেনা সেতুটি।সংযোগ সড়ক না থাকায় ভোগান্তিতে রয়েছে দুই প্রান্তের লক্ষাধিক মানুষ।

দুরাকুঠি গ্রামের বাসিন্দা মকবুল হোসেন,শিক্ষার্থী তাছলিমা আক্তার বলেন,সেতুটি পারাপারের জন্য সংযোগ সড়ক না থাকায় আমরা তিন কিলোমিটার পথ ঘুরে ইউনিয়ন পরিষদে যাই। এতে আমাদের অর্থ ও সময় অপচয় হচ্ছে।

লালমনিরহাট এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো: মঞ্জুর কাদের এলাহী জানান,সেতুটি আগের দায়িত্বরত নির্বাহী প্রকৌশলী করে গেছেন।আমি নতুন বদলী হয়ে এসেছি।তবে সংযোগসড়ক তৈরির জন্য চেষ্ঠা করছি। যেহেতু ঠিকাদারকে সম্পূর্ণ বিল দেয়া হয়নি।তাই সেখানকার টাকা দিয়ে সড়কের কাজ করাহবে।

 অবিলম্বে সেতুটির দুই পাশে সংযোগ সড়ক তৈরি করে সেতুর ওপর দিয়ে চলাচলের দাবী দুই পাড়ের বাসিন্দাদের।


logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: মনিরুজ্জামান মনির