১৫ বিজিবির চলমান মাদক ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণে ভারতীয় গাঁজাসহ মাদকদ্রব্য এবং বিভিন্ন সামগ্রী জব্দ
নিজস্ব প্রতিবেদক
২২ এপ্রিল, ২০২৬, 2:13 PM
নিজস্ব প্রতিবেদক
২২ এপ্রিল, ২০২৬, 2:13 PM
১৫ বিজিবির চলমান মাদক ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণে ভারতীয় গাঁজাসহ মাদকদ্রব্য এবং বিভিন্ন সামগ্রী জব্দ
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চলমান গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক চোরাচালান ও মাদক বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে ভিন্ন ভিন্ন বিওপির ০৪টি বিশেষ টহলদল পৃথক অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণে ভারতীয় গাঁজাসহ মাদকদ্রব্য এবং বিভিন্ন সামগ্রী জব্দ করেছে।
বিশ্বস্ত গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়-চোরাকারবারীরা ভারতীয় মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য মালামাল বাংলাদেশে পাচারের চেষ্টা করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে, ২২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ রাত ০০:৪৫ ঘটিকায় গোড়কমন্ডল বিওপির আওতাধীন উত্তরপাড়া, রাত ০০:০৫ ঘটিকায় অনন্তপুর বিওপির আওতাধীন বেন্নীরতল (থানা: ফুলবাড়ী ও জেলা: কুড়িগ্রাম) এবং ২১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ রাত ২১:৩০ ঘটিকায় ঝাউরানী বিওপির আওতাধীন খামারভাতি (থানা- হাতিবান্ধা, জেলা-লালমনিরহাট), দুপুর ০৩:৩০ ঘটিকায় দুর্গাপুর বিওপির আওতাধীন শুটিবাড়ি (থানা-আদিতমারী, জেলা-লালমনিরহাট) নামক স্থানে ০৪টি বিশেষ টহল পরিচালনার সময় কতিপয় সন্দেহজনক ব্যক্তিদের আসতে দেখে তাদের গতিবিধি লক্ষ্য করে ধাওয়া করলে চোরাকারবারীরা তাদের সাথে থাকা মালামাল ফেলে দৌড়ে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের অভ্যন্তরে চলে যায়। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে তল্লাশী করে ভারতীয় গাঁজা ৩৪.২ কেজি, মদ ৩৩ বোতল এবং বিভিন্ন সামগ্রী জব্দ করতে সক্ষম হয়।
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর অধিনায়কের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জব্দকৃত ভারতীয় গাঁজা ৩৪.২ কেজি, যার সিজার মুল্য ১,১৯,৭০০/-, মদ ৩৩ বোতল, যার সিজার মুল্য ৪৯,৫০০/- এবং বিভিন্ন সামগ্রী, যার সিজার মুল্য ১,৩৮,১৫০/- টাকাসহ সর্বমোট সিজার ৩,০৭,৩৫০/- টাকা। এছাড়াও উপরোক্ত ঘটনায় সংশ্লিষ্ট চোরাকারবারীদের পরিচয় শনাক্ত ও তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর কমান্ডিং অফিসার “লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম, পিএসসি” বলেন, সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান দমন ও মানব পাচার প্রতিরোধে বিজিবি সবসময় আপসহীন। চোরাচালানমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। সীমান্তের স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে আমরা গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করেছি এবং ভবিষ্যতেও এধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।