ঢাকা ০৩ মার্চ, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট অ্যালামনাইয়ের নতুন কমিটি ঘোষণা অপ-সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে পোষ্য সোসাইটির প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিবাদ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের মামলায় সম্রাটের ২০ বছরের কারাদণ্ড সেনাবাহিনীর মনোবল ভাঙতেই ৫৭ কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয় : এলজিআরডি মন্ত্রী পিলখানা হত্যাকাণ্ডের যথাযথ বিচার করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন কি না সিদ্ধান্ত সংসদে চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ আরও একজনের মৃত্যু কুমিল্লায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারে নারী-শিশুসহ দগ্ধ ৪ ট্রাম্পের আরোপিত শুল্ক নেওয়া বন্ধ করছে যুক্তরাষ্ট্র ট্রাম্পের আরোপিত শুল্ক নেওয়া বন্ধ করছে যুক্তরাষ্ট্র

গ্রাম ছাড়া ওই নব দম্পতি এবার পুলিশের সহায়তায় ঘরে ফিরলেন

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

৩০ মার্চ, ২০২৩,  3:47 PM

news image

মৌলভীবাজারে গ্রামের মোড়লদের বাঁধায়  ঘর ছাড়া নবদম্পতি এবার পুলিশের সহায়তায় ঘরে ফিরেছেন। মৌলভীবাজার জেলা পুলিশের প্রচেষ্টায় অবশেষে এ নবদম্পতিকে মেনে নিয়েছে গ্রামের মোড়লরা। বিষয়টি নিয়ে গত ২৮ মার্চ "মোড়লদের না জানিয়ে বিয়ে, গ্রাম ছাড়া নব দম্পতি" শিরোনামে বিডি২৪ লাইভসহ  বিভিন্ন গণমাধ্যমে একটি প্রতিবেদন প্রকাশের পরই এ ঘটনা সারাদেশে আলোড়ন সৃষ্টি করে।

বুধবার (২৯ মার্চ) বিকেলে মৌলভীবাজার জেলা পুলিশের একটি দল তাদের বাড়ি পৌঁছে দেয়। এর আগে ওই নবদম্পতি মৌলভীবাজার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়ার সাথে সাক্ষাৎ করেন। পুলিশ সুপার সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। শরীয়ত মতে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেও নিজ বাড়িতে যেতে পারছিলেন না  বিবাহিত স্বামী স্ত্রী।
ঘটনাটি ঘটেছে  মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আপার কাগাবালা ইউনিয়নের উত্তর কাগাবলা গ্রামের।
এ নিয়ে মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর পুলিশের সহায়তায় অবশেষে তারা ঘরে ফিরল।

দম্পতির পারিবারিক সুত্রে জানা যায়,  ইমন মিয়ার সাথে গত ১৯ মার্চ সাতবাক গ্রামের পলি আক্তারের বিয়ে হয়। ধর্মীয় বিধান মেনে চার লক্ষ টাকা কাবিন নির্ধারণ করে নিকাহনামা রেজিষ্টারের মাধ্যমে তাদের বিয়ে সম্পূর্ণ হয়। বিয়ের কথা এলাকায় জানা জানি হওয়ার পর বাঁধা হয়ে দাড়ান স্থানীয় মুরব্বিরা। পরে ২৫ মার্চ পলি আক্তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ বিষয়ে জানিয়ে পোস্ট দেয়ার পর আলোচনায় আসে বিষয়টি। 

বাড়ি ফিরে নবদম্পতি পলি আক্তার ও ইমন মিয়া বলেন, সমাজপতিদের ভয়ে আমরা আত্মগোপনে ছিলাম। আমরা বাড়ি ফিরেছি। সমাজ আমাদেরকে মেনে নিয়েছে। আমি পুলিশ প্রশাসন ও গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। তাদের কারণে আমরা নতুন জীবন ফিরে পেলাম।

আপার কাগাবলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইমন মোস্তফা বলেন, নবদম্পতি তাদের বাড়ি ফিরেছেন। গ্রামের সব পক্ষকে নিয়ে মডেল থানায় বসে বিষয়টি সমাধান করা হয়। সেখানে সবাই একমত হয়েছে, তাদের সংসারে কেউ বাধা দেবেন না। আমরা তাদের মেনে নিয়েছি।

মৌলভীবাজারে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া বলেন, সমাজের সবাই তাদের মেনে নিয়েছেন। বিষয়টির একটি সুন্দর সমাধান হয়েছে। যার কারণে নবদম্পতি বাড়ি ফিরতে পেরেছেন। পুলিশের একটি টিম তাদেরকে বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছে।

logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: মনিরুজ্জামান মনির