ঢাকা ০৩ মার্চ, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট অ্যালামনাইয়ের নতুন কমিটি ঘোষণা অপ-সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে পোষ্য সোসাইটির প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিবাদ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের মামলায় সম্রাটের ২০ বছরের কারাদণ্ড সেনাবাহিনীর মনোবল ভাঙতেই ৫৭ কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয় : এলজিআরডি মন্ত্রী পিলখানা হত্যাকাণ্ডের যথাযথ বিচার করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন কি না সিদ্ধান্ত সংসদে চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ আরও একজনের মৃত্যু কুমিল্লায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারে নারী-শিশুসহ দগ্ধ ৪ ট্রাম্পের আরোপিত শুল্ক নেওয়া বন্ধ করছে যুক্তরাষ্ট্র ট্রাম্পের আরোপিত শুল্ক নেওয়া বন্ধ করছে যুক্তরাষ্ট্র

ট্রাম্পের ইচ্ছায় বদলে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নাম

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

৩১ আগস্ট, ২০২৫,  12:18 PM

news image

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নাম বদলানোর চিন্তা করছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। মূলত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব দেওয়ার পর হোয়াইট হাউস আবারও পুরোনো নাম ‘ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ার’ বা ‘যুদ্ধ মন্ত্রণালয়’ ফিরিয়ে আনার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে রোববার (৩১ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড।
সংবাদমাধ্যমটি বলছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব দেওয়ার পর হোয়াইট হাউস বিষয়টি এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে জানানো হয়, মন্ত্রণালয়ের বর্তমান নাম ডিপার্টমেন্ট অব ডিফেন্স পরিবর্তন করে আবার ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ার নামকরণের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে।
সরকারের সবচেয়ে বড় এই দপ্তরের নাম পরিবর্তন করতে কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন হতে পারে। তবে বিকল্প উপায়ে এটি কার্যকর করার পথও খুঁজছে হোয়াইট হাউস।
ফ্লোরিডার রিপাবলিকান প্রতিনিধি গ্রেগ স্টুব এই পরিবর্তনের পক্ষে বার্ষিক প্রতিরক্ষা নীতিমালা বিলের একটি সংশোধনী দাখিল করেছেন, যা প্রমাণ করে কংগ্রেসের রিপাবলিকানদের মধ্যেও এই ধারণার প্রতি সমর্থন রয়েছে।
হোয়াইট হাউস এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। তবে তারা ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রতি জোর দিয়েছে, যেখানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর আক্রমণাত্মক সক্ষমতার ওপর গুরুত্ব দেন।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যেমন বলেছেন, আমাদের সামরিক বাহিনী শুধু প্রতিরক্ষায় নয়, আক্রমণাত্মক সক্ষমতার দিকেও মনোযোগী হওয়া উচিত। এ কারণেই তিনি পেন্টাগনে ডিইআই ও ‘ওয়োক’ মতাদর্শের পরিবর্তে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত সৈন্যদের অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। অপেক্ষা করুন, আরও আসছে!”
মূলত ডিইআই বলতে বোঝানো হয়েছে বৈচিত্র্য, সমতা ও অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধির উদ্যোগকে।
এর আগে গত সোমবার ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘ওয়ার ডিপার্টমেন্ট’ রাখা হলে এটি আরও শক্তিশালী শোনায়। তার ভাষায়, “আগে একে ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ার বলা হতো এবং তা আরও শক্তিশালী শোনাতো। আমরা প্রতিরক্ষা চাই, তবে আক্রমণও চাই। যখন এটি ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ার ছিল, আমরা সব যুদ্ধে জয়ী হয়েছি। আমার মনে হয়, আমাদের আবার সেই অবস্থায় ফিরে যেতে হবে।”
যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ার ধাপে ধাপে পরিবর্তিত হয়ে ডিপার্টমেন্ট অব ডিফেন্স হয়। ১৯৪৭ সালের ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীকে একীভূত করে ন্যাশনাল মিলিটারি এস্টাবলিশমেন্ট গঠন করে। পরবর্তীতে ১৯৪৯ সালে আইনের সংশোধনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ডিপার্টমেন্ট অব ডিফেন্স নাম চালু হয়, যা এখনও বহাল আছে।
ট্রাম্প ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ সম্প্রতি সামরিক বাহিনীর আরও আক্রমণাত্মক ভাবমূর্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করছেন। এর অংশ হিসেবে তারা শীর্ষ সামরিক নেতৃত্বের মধ্যে পরিবর্তন এনেছেন, যাদের অনেকেই ট্রাম্পের নীতির সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছিলেন।

logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: মনিরুজ্জামান মনির