ঢাকা ০৩ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাকের পেছনে প্রাইভেটকারের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৫ ছুটির আমেজ শেষে পুরোনো ছন্দে ফিরছে ঢাকা, বেড়েছে যানচলাচল ‘পাগল-নিমকহারাম’ বলে ফোনে নেতানিয়াহুকে গালাগাল ট্রাম্পের ঈদের পর কমল সোনার দাম আদালতে এসে ন্যায়বিচার চাইলেন রামিসার বাবা দ্বিতীয় দিনের আন্দোলনে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা, সতর্ক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ইসলাম পরিবহনের বাস রোড ডিভাইডার ভেঙে আকাশ বাসে ধাক্কা, ৪ যাত্রী নিহত ইবোলার নতুন ধরন মোকাবিলায় টিকা তৈরি করেছে রাশিয়া তৃতীয় বাংলাদেশি নারী হিসেবে নিম্নির এভারেস্ট জয় একটা ভালো ঈদযাত্রা ম্যানেজ করতে সক্ষম হয়েছি : সড়কমন্ত্রী

পঞ্চগড়ের তাপমাত্রা নামল ৯.৭ ডিগ্রিতে

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৮ ডিসেম্বর, ২০২৩,  12:47 PM

news image

সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় কাঁপছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়। গত তিনদিন ধরে পঞ্চগড়ে বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। শৈত্যপ্রবাহের এ ধারাবাহিকতায় সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় পঞ্চগড়ে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড হয়েছে। তার আগে ভোর ৬টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয় ৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গত তিন দিন ধরেই এ জেলায় বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ।

সকালে প্রথম শ্রেণির তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ জানান, গতকালের চেয়ে তাপমাত্রা আরও কমেছে। ১০ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা রেকর্ড হলে (৮-১০ ডিগ্রি) সে অঞ্চলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ প্রবাহিত হয়। রোববার সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত শনিবার একই সময়ে ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল। 

বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, গত কয়েকদিন ধরেই ভোরে আলোর কিরণ ছড়িয়ে দেখা মেলে সূর্যের। কিন্তু রোদ উঠলেও সকাল ৯টা পর্যন্ত অনুভূত হচ্ছে তীব্র শীত। গ্রামীণ জনপদে নিম্নআয়ের মানুষরা শীত নিবারণ করছেন খড়কুটো জ্বালিয়ে। জীবিকার তাগিদে শীত উপেক্ষা করেই সকাল সকাল কাজে যেতে দেখা যায় এ অঞ্চলে পাথর শ্রমিক, চা শ্রমিক, দিনমজুর থেকে নিম্নআয়ের বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষদের।

গ্রামের গৃহিণীরা জানান, কুয়াশা না থাকলেও খুব ঠান্ডা। রাতে বৃষ্টির ফোটার মতো শিশির ঝরা শব্দ শোনা যায়। ঘরের মেঝে থেকে শুরু করে আসবাপত্র ও বিছানা পর্যন্ত বরফ হয়ে উঠে। সকালে গৃহস্থালী করতে গিয়ে কনকনে ঠান্ডায় হাত-পা অবশ হয়ে আসে।

চা শ্রমিক ও পাথর শ্রমিকরা জানান, কুয়াশা নেই। তবে কনকনে শীত। ভোরে প্রচন্ড হিমশীতের মধ্যেই তারা চা বাগানে পাতা তুলতে এসে হাত-পা অবশ হয়ে আসছে। কিন্তু কী করব, জীবিকার তাগিদে কাজ করতে হচ্ছে। একই কথা বলেন নদীতে পাথর তুলতে যাওয়া শ্রমিকরা।

এদিকে শীতের কারণে বাড়তে শুরু করে বিভিন্ন শীতজনিত রোগব্যাধি। জেলা ও উপজেলার হাসপাতালগুলোতে আউটডোরে ঠান্ডাজনিত রোগী বাড়তে শুরু করেছে। চিকিৎকরা চিকিৎসরা পাশাপাশি শীতজনিত রোগ থেকে নিরাময় থাকতে বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছেন।

জেলা প্রশাসক জহুরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, ‘প্রতি বছর এ জেলায় শীত বেশি থাকে। এবারও শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র বিতরণ শুরু করেছি। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে শীতবস্ত্র চেয়ে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে। প্রকৃত গরিব, অসহায় ও শীতার্তদের মধ্যে এসব শীতবস্ত্র বিতরণ করা হচ্ছে।

logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: মনিরুজ্জামান মনির