ঢাকা ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা : হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল ব্যাগ ধরে টান ছিনতাইকারীর, রিকশা থেকে পড়ে প্রধান শিক্ষিকার মৃত্যু হামের উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু নেপালে বন্যা : এক সেকেন্ডে ১৬৫ ফুট পথ পেরিয়েছে কাদা-পাথরের স্রোত নেপালে হৃদয়বিদারক পরিস্থিতি, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৪৭ জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থাকবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী দামি সবজি শিম, সবচেয়ে কমদামি পেঁপে, মাছ ও মাংসের দাম অপরিবর্তিত জানাজা শেষে নওগাঁর ৭ জনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর জানুয়ারিতে বাংলাদেশ সফরে আসতে পারে ভারত নভেম্বরে তুরস্ক সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

পদ্মানদীতে জব্দকৃত অবৈধ ড্রেজার ইউএনওর কাছ থেকে ছিনতাই

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

৩০ আগস্ট, ২০২৩,  11:44 AM

news image

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে পদ্মানদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতে গেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) তাপসী রাবেয়াকে ঢাকা জেলার দোহার উপজেলায় নিয়ে যায় অবৈধ বালু ব্যবসায়ীরা। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে চারটায় হরিরামপুর উপজেলার আজিমনগর ধূলসুড়া ইউনিয়নের শেষ পয়েন্ট (ঢাকা জেলার দোহারের শুরু) এলাকার পদ্মানদীতে এ ঘটনা ঘটে। 

হরিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) তাপসী রাবেয়া বলেন, উর্ধ্বতন স্যারদের অনুমতি নিয়ে ধুলশুরা ইউনিয়নের ভাঙন কবলিত এলাকার পাশে অবৈধ বালু ব্যাবসায়ীদের ধরতে তিনজন পুলিশ সদস্য, আনসারসহ একটি টিম নিয়ে হরিরামপুর উপজেলার আজিমনগর ধূলসুড়ার শেষ পয়েন্ট পদ্মা নদীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে যাই। গিয়ে দেখি হরিরামপুর উপজেলার সীমনায় এসে বালু কাটছে দোহারের অবৈধ বালু ব্যাবসায়ীরা। এসময় অবৈধ বালু ব্যাবসয়ীদের ড্রেজার ও বাল্কহেড জব্দ করি। পরে ড্রেজার ও বাল্ক হেড আনার সময় দোহার থেকে স্পীড বোট ও নৌকা নিয়ে দেড় শতাধিক লোক আমাদের ঘিরে ফেলে। এসময় ড্রেজার (বালু কাটার) তারা নিয়ে যায়। তবে বালু ভর্তি বাল্কহেড আমি ছাড়িনি। বাল্কহেডসহ তারা আমাদের ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার মৈনট ঘাট এলাকায় নিয়ে যায়। পরে মানিকগঞ্জের ডিসি স্যার ঢাকা জেলার ডিসি স্যারকে জানালে দোহারের এসিল্যান্ড মৈনট ঘাটে আসেন। আমি দোহারের এসিল্যান্ডকে বাল্কহেড বুঝিয়ে দিয়ে হরিরামপুর চলে আসছি।

দোহারের এসিল্যান্ড এসএম মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে মৈনট ঘাটে যাই। হরিরামপুর উপজেলা ভারপ্রাপ্ত ইউএনও মহোদয় একটি বাল্কহেড মৌখিকভাবে দিয়ে যান। তবে বাল্ক হেড লিখিতভাবে বুঝিয়ে দেননি। সিনিয়র স্যারদের সাথে কথা বলে বাল্ক হেডের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: মনিরুজ্জামান মনির