বাংলাদেশ-আরব আমিরাত যৌথ বিজনেস কাউন্সিল গঠনে তাগিদ
নিজস্ব প্রতিবেদক
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, 6:16 PM
নিজস্ব প্রতিবেদক
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, 6:16 PM
বাংলাদেশ-আরব আমিরাত যৌথ বিজনেস কাউন্সিল গঠনে তাগিদ
বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে দ্রুত যৌথ বিজনেস কাউন্সিল গঠনের তাগিদ দিয়েছেন দুবাই ও উত্তর আমিরাতে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মো. রাশেদুজ্জামান। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।
গতকাল মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুবাইয়ে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মো. রাশেদুজ্জামানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হক। এ সময় বাংলাদেশ ইউএই যৌথ বিজনেস কাউন্সিল গঠনসহ দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে কনসাল জেনারেল বলেন, বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে যৌথ বিজনেস কাউন্সিল গঠনের প্রস্তাবটি অনেক দিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে। তবে বর্তমানে ইউএইর ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়ানো এবং যৌথ বিজনেস কাউন্সিল গঠনের বিষয়ে নতুন করে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।
তিনি বলেন, যৌথ বিজনেস কাউন্সিল গঠিত হলে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বাড়বে। একই সঙ্গে ভিসাসংক্রান্ত জটিলতা দ্রুত নিরসনের ক্ষেত্রেও এটি ভূমিকা রাখতে পারে।
জবাবে এফবিসিসিআই প্রশাসক মো. ফজলুল হক বিজনেস কাউন্সিল গঠনে সংগঠনের পক্ষ থেকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
ঠকে মধ্যপ্রাচ্যসহ বৈশ্বিক হালাল পণ্যের বাজারে বাংলাদেশের প্রবেশাধিকার এবং রপ্তানি সম্প্রসারণের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। মুসলিম দেশগুলোতে বাংলাদেশি হালাল পণ্য রপ্তানিতে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের সহযোগিতা চান এফবিসিসিআই প্রশাসক। এ বিষয়ে দুই পক্ষ সমন্বিতভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে।
দুবাইয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর আশিষ কুমার সরকার উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএর উদ্যোগে বাংলাদেশে অনুষ্ঠেয় তৈরি পোশাক মেলায় অংশ নিতে দুবাইয়ের একাধিক শীর্ষ প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এসব প্রতিষ্ঠানকে আয়োজকদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মেলায় আমন্ত্রণ জানানোর পরামর্শ দেন তিনি।
এদিকে বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এফবিসিসিআই প্রশাসক মো. ফজলুল হকের সঙ্গে দুবাইয়ের শীর্ষ বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বাড়ানো এবং নতুন বাণিজ্যিক সুযোগ তৈরির বিষয়ে আলোচনা হয়।