ঢাকা ৩১ আগস্ট, ২০২৫
সংবাদ শিরোনাম
ঢাকায় হালকা বৃষ্টির আভাস, তাপমাত্রা থাকবে অপরিবর্তিত আন্তর্জাতিক সিরিজের মোড়কে এশিয়া কাপের প্রস্তুতির মঞ্চ পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা জ্ঞান ফিরেছে নুরের, করা হয়েছে সিটি স্ক্যান বায়ুদূষণে বাংলাদেশিদের গড় আয়ু কমছে সাড়ে ৫ বছর গাজা নগরীতে ইসরায়েলের ভয়াবহ বোমাবর্ষণ, নিহত কমপক্ষে ৬১ কঠিন প্রতিপক্ষ পিএসজির, বার্সা-রিয়াল-সিটি কে কাকে পেল নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠতায় কতটা অস্বস্তিতে ভারত

বাবাকে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর ৯৯৯ নম্বরে কল দিলেন মেয়ে

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৮ মে, ২০২৫,  12:46 PM

news image

সাভারে বাবাকে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর ৯৯৯ নম্বরে কল দিয়ে দায় স্বীকার করেছেন মেয়ে। পরে পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার ও ঘাতক মেয়েকে আটক করে।

বৃহস্পতিবার (৮ মে) সকালে সাভার পৌর এলাকার মজিদপুর কাঠালবাগান মহল্লায় আব্দুল কাদেরের মালিকাধীন নূর মোহাম্মদ ভিলার ৫ তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত আব্দুর সাত্তার (৫৬) নাটোরের সিংড়া থানার ভগা গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে। অপরদিকে আটক হয়েছেন নিহতের মেয়ে জান্নাত জাহান শিফা (২৩)।

পুলিশ জানায়, গত ৫ মাস আগে সাভারের মজিদপুর মহল্লায় বাসা ভাড়া নেন জান্নাত। তার কয়েক মাস পরে তার বাবা আব্দুর সাত্তারও তার সঙ্গে থাকা শুরু করে। তবে ২০২২ সালে মেয়ে জান্নাত তার বাবার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করেছিল। সেই মামলায় আব্দুর সাত্তার দীর্ঘ দিন জেলে ছিলেন। কিন্তু জেল থেকে ছাড়া পেয়ে আব্দুর সাত্তার আবার মেয়ের সঙ্গে থাকা শুরু করে। পূর্বের ক্ষোভের জেরে ভোরে মেয়ে ঘুমন্ত আব্দুর সাত্তারকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে।

সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুয়েল মিঞা বলেন, মেয়ে তার বাবাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল করে পুলিশকে জানায়। পরে খবর পেয়ে সাভার মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। তবে প্রাথমিকভাবে জানা যায়, মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে আব্দুর সাত্তার জেল খেটে এসেছেন। ওই পূর্বের ক্ষোভের কারণেই মেয়ে আব্দুর সাত্তারকে হত্যা করতে পারে বলে জানান তিনি।

এ ঘটনায় সাভার মডেল থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: মনিরুজ্জামান মনির