ঢাকা ০৬ মার্চ, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ফুড সেফটি মুভমেন্টের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সচিবালয়ে নিজের কক্ষের অর্ধেক লাইট বন্ধ করলেন প্রধানমন্ত্রী ইরানে নিহতের সংখ্যা ১০০০ ছাড়াল : পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ৯ এপ্রিল ঢাকা থেকে বাতিল হলো ২১০ ফ্লাইট প্রাথমিকভাবে ৯ উপজেলায় চালু হচ্ছে কৃষি কার্ড ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধির সঙ্গে বিএনপির বৈঠক ঈদের ছুটি একদিন বেড়েছে বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলি দূতাবাসে হামলার হুমকি ইরানের চাঁদাবাজ-অস্ত্রধারীদের তালিকা করে শিগগিরই সারাদেশে অভিযান

শিবচরে প্রতিটি দোকানে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটার ভিড়

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১২ এপ্রিল, ২০২৩,  12:49 PM

news image

মাদারীপুর শিবচরে প্রতিটি দোকানে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটার ভিড়। রোজার অর্ধেকের বেশি শেষ হয়ে গেছে। এখন ঈদের কেনাকাটায় সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মার্কেটে ভিড় করেন ক্রেতারা। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় দাম এবার বেশি বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।
 
বুধবার (১২ এপ্রিল) সকালে ইলিয়াস আহম্মেদ চৌধুরী  পৌর সুপার মার্কেটের  বিভিন্ন দোকান ও শোরুমে ক্রেতাদের অনেক ভিড় দেখা যায়। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে ক্রেতারা দর-কষাকষি করে ঈদের কেনাকাটা করছেন ক্রেতারা।হিমেল গার্মেন্টস মালিক রোকনুজ্জামান বলেন।   এবার ক্রেতাদের সঙ্গে বেশি কথা বলতে হচ্ছে দাম বেশি হওয়ার কারনে।তবে প্রথম রোজা থেকে ১০ রোজা পযন্ত বেচাকেনা কম ছিলো।এখন বেড়েছে। তবে গত কয়েকদিন ধরে পুরোপুরি জমে উঠেছে ঈদের বাজার। ঈদের সময় ঘনিয়ে আসলে বেচাকেনার চাপ আরও কয়েকগুণ বেড়ে যাবে বলে জানান বিক্রেতারা। 
 
তবে এবছরের  সবচেয়ে বেশি ভিড় লক্ষ্য করা যায় মেয়েদের ও ছোট শিশুদের জামাকাপড়ের দোকানে। তবে এবার পণ্যের দাম বেশি হওয়ায় ক্রেতারা বুঝেশুনে সময় নিয়ে কেনাকাটা করছেন।
 
কাদিরপুরের জিয়াসমিন আক্তার ঈদের কেনাকাটা করতে এসে বলেন। পরিবারের সবার জন্য ঈদের কেনাকাটা করবেন। তবে গত বছরের থেকে এবার প্রায় সকল কিছুরই দাম বেশি বলে অভিযোগ ক্রেতাদের। 
 
দেলোয়ার হোসেন মোল্লা তার দুই ছেলে এক মেয়ে নিয়ে এসেছেন ঈদের কেনাকাটা করতে। তিনি বলেন, মার্কেটে মানুষের অনেক ভিড়। সব জিনিসের দাম দ্বিগুণ। সকালে এসেছি দুই মেয়ে, শ্বশুর, শাশুড়ি ও নিজের জন্য জামা-কাপড় কিনতে।পোশাকের দাম অনেক বেশি। এই পর্যন্ত ঘুরে শুধু মেয় ও ছেলের কেনাকাটা সেরেছি। বিকেলের মধ্যে সবার কেনাকাটা শেষ করে বাড়ি ফিরব। 
 
ক্রেতাদের আরেকজন মস্তাকিম মিরবহর বলেন, আমার নিজের ও দুই ছেলের জন্য কেনাকাটা করতে ৮ হাজার টাকা নিয়ে এসেছিলাম। জামা-কাপড়, জুতার এতটাই দাম, বাচ্চাদের কেনাকাটা করতে গিয়ে সব টাকা শেষ। আর নিজের জন্য কিছুই কিনি নাই।
 
শহরের নাম করা কয়েকটি কাপড়ের দোকানের মধ্যে বনশ্রী ক্লথ ষ্টোর,শিবচর বস্ত্রালয় ও সুমন শাড়ী বিতান, এ সমস্ত দোকান থেকে নিয়মিত শাড়ী কাপুর, গজ কাপড়,থ্রি পিছ কেনেন ক্রেতারা। 
 
 শিক্ষক শিল্পী আক্তার। তিনি বলেন, দুই মাস আগে যে গজ কাপড় ১৫০ টাকায় কিনেছি, সেগুলোর দাম এখন ৩০০ টাকা দাম চাচ্ছে। গত মাসে পাকিস্তানের যেসব থ্রি পিছ ৪ হাজার টাকায় কিনেছিলাম, সেগুলো এখন ৬ হাজার টাকার কম বিক্রি করতে চাচ্ছে না বিক্রেতা।

logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: মনিরুজ্জামান মনির