ঢাকা ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ওয়াশিংটন পোস্টে ব্যাপক ছাঁটাই, চাকরি হারিয়েছেন ৩০০ সাংবাদিক ভারত ম্যাচ বয়কট : পাকিস্তানকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ শ্রীলঙ্কার সিকিমে সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ১৩টি ভূমিকম্প, আতঙ্ক বাংলাদেশেও ৯ম পে-স্কেলের গেজেট দাবিতে যমুনা ঘেরাও সরকারি কর্মচারীদের পে স্কেল গেজেট দিতে বাধা নেই—তবু কেন ভয়- মনিরুজ্জামান মনির চট্টগ্রাম বন্দরে এবার লাগাতার কর্মবিরতির ঘোষণা ক্ষমা ও মুক্তির মহিমান্বিত রাত শবে বরাত শবে বরাতে পুরান ঢাকায় বাহারি হালুয়া-রুটির পসরা, নেই আগের মতো আমেজ র‌্যাবের নতুন নাম হবে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স’ ব্যবহৃত মোবাইল হস্তান্তর বা বিক্রির আগে নিবন্ধন বাতিল করতে হবে: বিটিআরসি

১ কোটি ৩৬ লাখ ডোজ করোনা টিকা ফেলে দিচ্ছে কানাডা

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৭ জুলাই, ২০২২,  11:39 AM

news image

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রোজেনেকার ১ কোটি ৩৬ লাখ ডোজ করোনা টিকা ফেলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কানাডা। সংবাদসংস্থা এপি কানাডা সরকারের এ সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ করেছে। টিকা নেয়ার লোক না থাকা ও কম চাহিদার কারণে এগুলোর মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে।

করোনা সংক্রমণ রুখতে ২০২০ সালে ২০ মিলিয়ন ডোজের জন্য অ্যাস্ট্রোজেনেকার সঙ্গে চুক্তি করে কানাডা। বর্তমানে ২.৩ মিলিয়ন কানাডার মানুষ করোনার প্রথম ডোজ পেয়েছেন। আর সেটা দেয়া হয় ২০২১ সালের মার্চ থেকে জুনের মধ্যে। কিন্তু অ্যাস্ট্রোজেনেকার টিকায় রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে কানাডা প্রশাসন। এরপর দেশটির সরকার করোনা টিকার জন্য ফাইজার ও মর্ডানার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়।

২০২১ সালের জুলাইয়ে ফের নতুন করে করোনা টিকাদানের সূচির কথা ঘোষণা করে কানাডা। যারা প্রথম ডোজ পাননি কিংবা দ্বিতীয় ডোজ নেবেনে এমন ১৭.৭ মিলিয়ন ডোজের প্রয়োজন পড়ে। 

সরকারি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী টিকা দেয়া হলেও দেখা গেছে, ১৩.৬ মিলিয়ন ডোজের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। ফলে সেগুলো ফেলে দেয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই বলে জানানো হয়েছে। এত টিকা নষ্ট হওয়ার মূল কারণ ছিলই অ্যাস্ট্রোজেনেকার প্রতি অনীহা।

এপি আরো জানিয়েছে, কানাডা অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রোজেনেকার কোভিড ভ্যাকসিনের ৮.৯ মিলিয়ান ডোজ ব্যবহার করা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে কানাডায় ৮৫ শতাংশ মানুষের করোনার দ্বিতীয় ডোজ নেয়া সম্পন্ন হয়েছে। সারাবিশ্বে এর পরিমাণ মাত্র ৬১ শতাংশ। আর দরিদ্র দেশগুলোর মাত্র ১৬ শতাংশ মানুষ করোনার দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন।

করোনা সংক্রমণ রুখতে ব্যাপতভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রোজেনেকার কোভিড ভ্যাকসিন। তিনটি ট্রায়াল সম্পন্ন করার পরই দেয়া হয়েছিল ছাড়পত্র। তারপরও কানাডায় কেন অ্যাস্ট্রোজেনেকা ব্যবহার করা হলো না, তা নিয়ে ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে জল্পনা। বর্তমানে করোনা সংক্রমণ রুখতে বের হয়েছে একাধিক টিকা।

logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: মনিরুজ্জামান মনির