বাঙালির বাংলাদেশ

আটক ৩ হাজার বিক্ষোভকারী মুক্ত হলেও হেফাজতে অভিজিৎ ও ধ্রুব রাঠীসহ চারজন

আটক ৩ হাজার বিক্ষোভকারী মুক্ত হলেও হেফাজতে অভিজিৎ ও ধ্রুব রাঠীসহ চারজন

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ডাকা কর্মসূচি ঘিরে শনিবার দিল্লিতে ব্যাপক ধরপাকড় করা হয়। এ দিন অন্তত ৩ হাজার বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়।

তবে তারা দিনশেষে মুক্তি পেয়েছেন।

বেশিরভাগ বিক্ষোভকারীকে ছেড়ে দেওয়া হলেও এখনো পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে, ইউটিউবার ধ্রুব রাঠী ও আরও দুজন।

শনিবার দিল্লির বিভিন্ন জায়গায় হাজার হাজার মানুষকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে চারজন সাবেক মুখ্যমন্ত্রীও ছিলেন– আম আদমি পার্টির (আপ) অরবিন্দ কেজরিওয়াল, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বামেদের পিনরাই বিজয়ন ও মানিক সরকার।

এদিন সিজেপি নেতা আশুতোষ রঙ্কা ও সৌরভ দাসের সঙ্গে অভিজিৎ দীপকেও আটক করা হয়। হেফাজতে থাকা অবস্থায় মহারাষ্ট্রে নিজ শহরে অভিজিৎ দীপকের দাদী মারা যান।

সিজেপি নেতারা জানিয়েছেন, দীপকের সঙ্গে ‘অমানবিক’ আচরণ করা হচ্ছে এবং মহারাষ্ট্রের নিজ শহরে তার দাদীর শেষকৃত্যে যাওয়ার জন্য তাকে অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না।

সিজেপির কর্মসূচি ঘিরে দিল্লি পুলিশ ও কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনীর অন্তত ২৫,০০০ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছিল, দিল্লির ৪৫টি মেট্রো স্টেশনের গেট বন্ধ রাখা হয়েছিল, ২৫০টিরও বেশি ট্রেন বাতিল করা হয়েছিল এবং যন্তর মন্তরের ৪ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে ইন্টারনেট পরিষেবা স্থগিত রাখা হয়েছিল। পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, নারী ও প্রবীণ নাগরিকদের প্রথমে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে, তবে রোববারেও এই মোতায়েন বজায় থাকবে।

চেন্নাইয়ে একটি অনুষ্ঠানে থাকা রাহুল গান্ধী এক্সে লিখেছেন, ‘সব নেতাদের গ্রেপ্তার করুন। সব তরুণ-যুবকদের গ্রেপ্তার করুন। আমাদের সবাইকে গ্রেপ্তার করুন। আমরা আপনাদের ঘিরে ফেলছি এবং আমরা পিছু হটব না... ভারতের যুবসমাজ, আমি তোমাদের নিয়ে গর্বিত। প্রতিবাদ চালিয়ে যাও।’

আটক হওয়ার আগে কেজরিওয়াল বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে বলেন, ‘মোদী জি আপনাদের যেখানেই আটকে দেবেন, সেখানেই বসে পড়বেন। সেই জায়গাটিকে যন্তর মন্তরে পরিণত করবেন।’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, পরিস্থিতি ‘জরুরি অবস্থাকেও ছাড়িয়ে গেছে, এটি একটি সুপার ইমার্জেন্সিতে পরিণত হয়েছে।’

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

আটক ৩ হাজার বিক্ষোভকারী মুক্ত হলেও হেফাজতে অভিজিৎ ও ধ্রুব রাঠীসহ চারজন
0:00 0:00
1.0x
বাঙালির বাংলাদেশ

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬


আটক ৩ হাজার বিক্ষোভকারী মুক্ত হলেও হেফাজতে অভিজিৎ ও ধ্রুব রাঠীসহ চারজন

প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ডাকা কর্মসূচি ঘিরে শনিবার দিল্লিতে ব্যাপক ধরপাকড় করা হয়। এ দিন অন্তত ৩ হাজার বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়।

তবে তারা দিনশেষে মুক্তি পেয়েছেন।

বেশিরভাগ বিক্ষোভকারীকে ছেড়ে দেওয়া হলেও এখনো পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে, ইউটিউবার ধ্রুব রাঠী ও আরও দুজন।

শনিবার দিল্লির বিভিন্ন জায়গায় হাজার হাজার মানুষকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে চারজন সাবেক মুখ্যমন্ত্রীও ছিলেন– আম আদমি পার্টির (আপ) অরবিন্দ কেজরিওয়াল, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বামেদের পিনরাই বিজয়ন ও মানিক সরকার।

এদিন সিজেপি নেতা আশুতোষ রঙ্কা ও সৌরভ দাসের সঙ্গে অভিজিৎ দীপকেও আটক করা হয়। হেফাজতে থাকা অবস্থায় মহারাষ্ট্রে নিজ শহরে অভিজিৎ দীপকের দাদী মারা যান।

সিজেপি নেতারা জানিয়েছেন, দীপকের সঙ্গে ‘অমানবিক’ আচরণ করা হচ্ছে এবং মহারাষ্ট্রের নিজ শহরে তার দাদীর শেষকৃত্যে যাওয়ার জন্য তাকে অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না।

সিজেপির কর্মসূচি ঘিরে দিল্লি পুলিশ ও কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনীর অন্তত ২৫,০০০ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছিল, দিল্লির ৪৫টি মেট্রো স্টেশনের গেট বন্ধ রাখা হয়েছিল, ২৫০টিরও বেশি ট্রেন বাতিল করা হয়েছিল এবং যন্তর মন্তরের ৪ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে ইন্টারনেট পরিষেবা স্থগিত রাখা হয়েছিল। পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, নারী ও প্রবীণ নাগরিকদের প্রথমে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে, তবে রোববারেও এই মোতায়েন বজায় থাকবে।

চেন্নাইয়ে একটি অনুষ্ঠানে থাকা রাহুল গান্ধী এক্সে লিখেছেন, ‘সব নেতাদের গ্রেপ্তার করুন। সব তরুণ-যুবকদের গ্রেপ্তার করুন। আমাদের সবাইকে গ্রেপ্তার করুন। আমরা আপনাদের ঘিরে ফেলছি এবং আমরা পিছু হটব না... ভারতের যুবসমাজ, আমি তোমাদের নিয়ে গর্বিত। প্রতিবাদ চালিয়ে যাও।’

আটক হওয়ার আগে কেজরিওয়াল বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে বলেন, ‘মোদী জি আপনাদের যেখানেই আটকে দেবেন, সেখানেই বসে পড়বেন। সেই জায়গাটিকে যন্তর মন্তরে পরিণত করবেন।’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, পরিস্থিতি ‘জরুরি অবস্থাকেও ছাড়িয়ে গেছে, এটি একটি সুপার ইমার্জেন্সিতে পরিণত হয়েছে।’


বাঙালির বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মো: মনিরুজ্জামান (মনির)
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত