বাঙালির বাংলাদেশ
সর্বশেষ

জাতীয়

মতামতমতামত

‘কাজ শেষ না করে আমরা কোথাও যাচ্ছি না’

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগ করছেন না উল্লেখ করে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, আমরা আমাদের কাজ শেষ না করে কোথাও যাচ্ছি না। শনিবার একনেক বৈঠকের পর হওয়া উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে শুরু হওয়া বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টিকারী বিষয়গুলো চিহ্নিত করা এবং সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগের বিষয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, তিনি চলে যাবেন বলেননি। তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) বলেছেন, আমরা যে কাজ করছি, আমাদের সামনে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাতে অনেক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু আমরা সব বাধা অতিক্রম করব।অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর অর্পিত দায়িত্বের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ এর ওপর নির্ভর করছে। আমরা এ দায়িত্ব ছেড়ে যেতে পারি না।পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, আমরা দেখছি বিভিন্ন জায়গা থেকে কী কী বাধা আসছে, কে কী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং আমরা এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কী কী প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে।উপদেষ্টা রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, বিচার বিভাগ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসহ সব পক্ষের সমর্থন চেয়ে বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে থাকা সব শক্তি এবং সব রাষ্ট্রীয় সংস্থাকে আমরা এ লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করার আহ্বান জানাব। এটা শুধু আমাদের একার দায়িত্ব নয়।ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ আরও বলেন, উপদেষ্টারা স্বপ্রণোদিতভাবে এখানে আসেননি। তবে তাদের একটি জাতীয় দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে এবং তারা তা ছেড়ে যাবেন না।আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের রূপরেখা নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করেননি উপদেষ্টা।

এলডিসির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নীতির পুনর্মূল্যায়ন জরুরি

বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি নীতিমালা  : এলডিসি পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয়তা এবং চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত অধ্যাপক লুৎফে সিদ্দিকী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান।মূল প্রবন্ধে ড. সেলিম রায়হান বলেন, রাজস্ব খাতে সংস্কারের অভাব এবং প্রত্যক্ষ করের মাধ্যমে কর বৃদ্ধিতে সরকারের ব্যর্থতার ফলে পরোক্ষ কর ও আমদানি করের ওপর ব্যাপক নির্ভরতা দেখা দিচ্ছে। প্রতিযোগী দেশগুলোর চেয়ে বাংলাদেশের আমদানি শুল্ক হার অনেক বেশি। রপ্তানি খাতও শুধু তৈরি পোশাকে সীমাবদ্ধ। তাও আবার পোশাকের প্রবৃদ্ধি নগদ প্রণোদনা ও কর ছাড়ের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এলডিসি উত্তরণ পরবর্তী চাপ সামলাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি নতুন রপ্তানি পণ্য ও নতুন বাজার খোঁজা উচিত।প্রধান অতিথির বক্তব্যে লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যকার কাঠামোগত সংস্কার জরুরি। তবে যে গতিতে বর্তমানে সংস্কার কার্যক্রম সম্পন্ন হচ্ছে তা প্রয়োজনের তুলনায় বেশ কম। সত্যিকার অর্থে শিল্প খাতসহ অন্য সেক্টরে কোনো দীর্ঘমেয়াদে রোডম্যাপ নেই, যা হতাশার বিষয়। এলডিসি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের পাশাপাশি সরকারের সংস্থাগুলোর মধ্যকার সমন্বয় বাড়ানো প্রয়োজন।প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশকে এলডিসি উত্তরণ করতেই হবে। এখান থেকে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই। তবে এলডিসি পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের উচ্চমানের তৈরি পোশাক, ওষুধ এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের ওপর বেশি হারে মনোযোগী হতে হবে। তিনি আরও বলেন, এলডিসি উত্তরণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিল্প-কারখানা এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা মধ্যে সমন্বয় ও পারস্পরিক আস্থা-বিশ্বাস বৃদ্ধির বিকল্প নেই। সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য (কাস্টমস) কাজী মোস্তাফিজুর রহমান এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানে নির্ধারিত আলোচনায় অংশ নেন বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ফজলুল হক, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের জয়েন্ট চিফ (ইন্টারন্যাশাল কো-অপারেশন ডিভিশন) মসিউল ইসলাম, বেসিসের সাবেক সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর, ডেল্টা ফার্মা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. জাকির হোসেন এবং ফকির ফ্যাশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফকির কামরুজ্জামান নাহিদ প্রমুখ।

অনিয়মে জর্জরিত ‘ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স’, ঝুঁকিতে ব্যান্ডউইথ নিরাপত্তা

নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়মকানুন উপেক্ষা করে একে একে আইআইজি, আইটিসি, আইজিডব্লিউসহ ইন্টারনেট-টেলিকম খাতের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ লাইসেন্স দখলে নেয় আওয়ামী সুবিধাভোগী এ প্রতিষ্ঠান। এসব লাইসেন্স অর্জনে রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রশাসনিক সুবিধা ব্যবহার করা হয়েছে বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা।সংশ্লিষ্ট সূত্র ও নথি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি), দেশের অভ্যন্তরের আইটিসি প্রতিষ্ঠান এবং এয়ারটেল ও টাটার মতো শীর্ষ ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে ওয়ান এশিয়ার মোট বকেয়ার পরিমাণ ২৩ কোটি টাকারও বেশি। বিটিআরসির কাছেই এর বকেয়া প্রায় ৪ কোটি টাকা। বিএসসিসিএল-এর কাছে রয়েছে আরও ১ কোটি টাকার বেশি। অপরদিকে টেলিকম জায়ান্ট এয়ারটেল তাদের ১৩ কোটি টাকার এবং টাটা ৫ কোটি টাকার বকেয়া দাবি করছে। এদিকে বকেয়া আদায়ে নানাভাবে চেষ্টা করে না পেয়ে ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স-এর বিরুদ্ধে বিএসসিপিএলসি ঢাকা জেলা জজ আদালতে ‘আরবিট্রেশন মামলা’ দায়ের করে। এর রায়ে তারা জয়ী হয়। সেই রায়ের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি ‘অ্যাওয়ার্ড এক্সিকিউশন মামলা’ করে, যা এখনো চলমান রয়েছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তারা সরকারের নীতিনির্ধারকদের কাছে বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, যেন লাইসেন্স বাতিল না হয় এবং তাদের ব্যবসা চালু রাখা যায়। ইতোমধ্যে নিয়মবহির্ভূতভাবে তারা এনওসিও নিয়েছে বলে জানিয়েছে বিটিআরসির একটি সূত্র।ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স একসময় আইআইজি, আইটিসি ও আইজিডব্লিউ লাইসেন্স নিয়ে টেলিকম বাজারে প্রবেশ করলেও সময়ের সঙ্গে শর্ত লঙ্ঘন করে একাধিক অনিয়মে জড়িয়ে পড়ে। তাদের মালিকানাধীন বেঙ্গল ব্রডব্যান্ড ২০১৬ সালে ডিভিশনাল আইএসপি লাইসেন্স পেলেও নবায়ন না করেই বর্তমানে অবৈধভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি এর মালিকানাধীন প্রিজমা ডিজিটাল নেটওয়ার্কের রয়েছে ন্যাশন ওয়াইড আইএসপি লাইসেন্স।এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বারবার মোবালইল ফোনে কল, হোয়াটসঅ্যাপ ও এসএমএসে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় ওয়ান এশিয়া অ্যালায়ন্সের মূল প্রতিষ্ঠান বেঙ্গল কমিউনিকেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসফারিয়া খায়েরের সঙ্গে। তবে তিনি সাড়া দেননি। পরে পুনরায় চেষ্টা করলে দেখা যায়, তিনি প্রতিবেদকের নম্বরই ব্লক করে দিয়েছেন।বিটিআরসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্সকে মোট বকেয়ার ৫০ শতাংশ এককালীন পরিশোধ এবং বাকি অংশ কিস্তিতে পরিশোধের শর্তে এনওসি প্রদান করা হয়েছে। তবে নির্ধারিত ১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠানটি এ পর্যন্ত মাত্র ১ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে বলে তিনি জানান।ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি) সভাপতি ইমদাদুল হক বলেন, আইএসপি সেক্টরের সেবাদান নির্ভর করে আইআইজি ও ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারীদের ওপর। কেউ যদি কোটি টাকা বকেয়া রেখে অনিয়ম করে, তা গ্রাহকের নিরাপত্তা ও নিরবচ্ছিন্ন সংযোগের জন্য হুমকি। তবে নেপথ্যে যদি নীতিগত বা কাঠামোগত কোনো সমস্যা থাকে, সেটাও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, টেলিযোগাযোগ খাতের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম নিয়ম ও নীতিমালার আলোকে পর্যালোচনা জরুরি। এক্ষেত্রে যদি কোনো প্রতিষ্ঠান বকেয়া বা নীতিগত ব্যত্যয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাহলে তা ন্যায্যতার ভিত্তিতে সমাধান হওয়া উচিত। বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসলাম হোসেন যুগান্তরকে বলেন, দীর্ঘদিন তাগাদা দিলেও প্রতিষ্ঠানটি পাওনা পরিশোধ করেনি, চিঠির জবাবও দেয়নি। এখন তাদের কাউকে খুঁজেও পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে মামলা করেছি।ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব যুগান্তরকে বলেন, আমরা চাই, ব্যবসায়ীরা স্বচ্ছন্দে ব্যবসা করুক, গ্রাহকদের সেবা দিক। কিন্তু সরকারের পাওনা পরিশোধ না করে কেউ যদি অনিয়মে জড়ায়, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

অধ্যাদেশ বিলুপ্তির দাবিতে কর্মবিরতি কর্মসূচি চলবে

ন কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে তাদের স্লোগান দিতে দেখা যায়। এনবিআরের অধীনস্থ সারা দেশের অন্য সব অফিসেও একইভাবে কর্মসূচি পালিত হয়। ঢাকা ও চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে বিকাল ৩টা পর্যন্ত কোনো কাজ হয়নি। ভ্যাট ও কর অফিসেও সেবা বন্ধ ছিল। তবে রপ্তানি ও আন্তর্জাতিক যাত্রীসেবা কাযক্রম চলমান ছিল। শনিবার এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন কাস্টমসের অতিরিক্ত কমিশনার এদিপ বিল্লাহ, উপকর কমিশনার মোস্তফিজুর রহমান, সহকারী কর কমিশনার ইশতিয়াক হোসেন। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক, যা ইতোমধ্যেই দেশের প্রথিতযশা অর্থনীতিবিদ ও থিংকট্যাংকসহ সর্বমহলে স্বীকৃতি পেয়েছে। এনবিআর তথা রাজস্ব প্রশাসনের আমূল সংস্কার আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি। তবে এই সংস্কার হতে হবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বীকৃত সর্বোত্তম ব্যবস্থা ও পদ্ধতির অনুরূপ। দেশের স্বার্থ ও উন্নয়ন দর্শন এতে সঠিকভাবে প্রতিফলিত হতে হবে। এছাড়া রাজস্ব প্রশাসন অধিকতর কার্যকর, প্রগতিশীল ও দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে এবং এ সংস্কার বিশেষ কারও স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হবে না। কিন্তু রাজস্ব ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের স্বার্থে আমাদের এমন যৌক্তিক দাবি মেনে নিতে সরকার কেন, কী কারণে এবং কাদের প্ররোচনায় বিলম্ব করছে, তা বোধগম্য নয়।    এতে আরও বলা হয়, আজ (শনিবার) সকাল থেকেই এনবিআর ভবনের অভ্যন্তরে এবং বাইরে বিপুলসংখ্যক পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি রয়েছে। এ বিষয়টি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মনে নানা ধরনের প্রশ্নের উদ্রেক করেছে। ক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলছেন, এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আন্দোলন করতে বাধ্য হয়েছে। কিন্তু এখন দেখছি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা হচ্ছে। তবে রোববারও একইভাবে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেখানে হস্তক্ষেপ করবে, সেখানে তারা প্রেস ব্রিফিং করবেন।ভিন্নমত যাদের: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর ও কাস্টমস ক্যাডারের কয়েকজন সিনিয়র কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, ‘দাবি আদায়ের নামে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এখন যা হচ্ছে তা রীতিমতো সরকার ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অবস্থান। এটি সম্পূর্ণ শৃঙ্খলাপরিপন্থি কাজ, সরকারি কর্মচারী আচরণবিধি এসব কর্মকাণ্ড পারমিট করে না।’ তারা মনে করেন, এনবিআর বিলুপ্ত করে যে গেজেট করা হয়েছে সেখানে প্রত্যাশার অনেক কিছু চলে এসেছে। যেটুকু অবশিষ্ট আছে তা পরবর্তী সংশোধনী ও বিধি প্রণয়নের মাধ্যমে সংযোজন করা সম্ভব। এজন্য এভাবে আন্দোলন করার প্রয়োজন ছিল না। বিষয়টিকে পুনরায় আলোচনার টেবিলে নিয়ে গেলে ভালো হতো। 

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ২ জন
১

সচিবালয় যাচ্ছে পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

২

সরকারকে নয়, আজ থেকে ১৮ কোটি মানুষকে সহযোগিতা করব: জামায়াত আমির

৩

অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি সফর শেষে দেশে প্রত্যাবর্তন করলেন সেনাবাহিনী প্রধান

৪

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার

৫

অমর একুশে বইমেলা শুরু ৭ জানুয়ারি

৬

মাতুয়াইলের গ্যারেজে জবির বাসে আগুন

৭

সৌদি রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পরিস্থিতি জানতে চাইল সরকার

৮

জামায়াত নেতারা হাসিনার পথেই হাঁটতে ভালোবাসেন : রিজভী

৯

তারা ফের সক্রিয়, করছে সরকারি অর্থ লুটপাট

১০

মা ইলিশ রক্ষায় দক্ষিণাঞ্চলে কোস্ট গার্ডের বিশেষ অভিযান

সর্বশেষ সব খবর
জনপ্রিয় সব খবর
লিংক কপি করা হয়েছে!

জাতীয়

অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি সফর শেষে দেশে প্রত্যাবর্তন করলেন সেনাবাহিনী প্রধান

অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি সফর শেষে দেশে প্রত্যাবর্তন করলেন সেনাবাহিনী প্রধান

অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি সফর শেষে দেশে প্রত্যাবর্তন করলেন সেনাবাহিনী প্রধানঢাকা, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ (শনিবার): সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি সফর শেষে আজ দেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন।সফরের প্রথম পর্যায়ে সেনাবাহিনী প্রধান অস্ট্রেলিয়ার পার্থে অনুষ্ঠিত ‘The Chief of Army Symposium and Land Forces International Defence Exposition 2026’-এ অংশগ্রহণ করেন। এ সময় তিনি মেলবোর্নে অবস্থিত Deakin University পরিদর্শন করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়টির সঙ্গে বাংলাদেশের মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (MIST)-এর শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা এবং একাডেমিক বিনিময় কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা করেন। পরবর্তীতে সেনাবাহিনী প্রধান যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত ‘Association of the US Army (AUSA) Annual Meeting and Exposition’-এ অংশগ্রহণ করেন।সফরকালে সেনাবাহিনী প্রধান অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন। এ ছাড়া তিনি উভয় দেশের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা পরিদর্শন করেন। এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ও United States Army Pacific (USARPAC)-এর বিদ্যমান পেশাগত সম্পর্ক, পারস্পরিক সহযোগিতা, প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশা করা যায়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

অমর একুশে বইমেলা শুরু ৭ জানুয়ারি

অমর একুশে বইমেলা শুরু ৭ জানুয়ারি

ভাষা শহীদদের স্মরণে আয়োজিত মাসব্যাপী অমর একুশে বইমেলা শুরু হবে ৭ জানুয়ারি।রোববার (১৮ অক্টোবর) বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৩ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায় বাংলা একাডেমির শহিদ মুনীর চৌধুরী সভাকক্ষে অমর একুশে বইমেলা ২০২৭ আয়োজন বিষয়ে প্রকাশক-প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক মত-বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান ও মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমিন বেগম। সভায় প্রকাশক-প্রতিনিধিদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে আগামী ৭ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অমর একুশে বইমেলার সময় নির্ধারিত হয়।

সৌদি রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পরিস্থিতি জানতে চাইল সরকার

সৌদি রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পরিস্থিতি জানতে চাইল সরকার

সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীতে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পরিস্থিতি জানতে চেয়েছে বাংলাদেশ সরকার। একই সঙ্গে ঘটনাটির সুনির্দিষ্ট ও পূর্ণাঙ্গ তথ্য জানতে চেয়ে রাষ্ট্রদূতের কাছে একটি কূটনৈতিকপত্র দেওয়া হয়েছে।রোববার দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (দ্বিপক্ষীয় বিষয়াবলি) মো. নজরুল ইসলাম বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ বিন জাফর এইচ বিন আবিয়ার সঙ্গে এ বিষয়ে জরুরি বৈঠক করেন।  পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সৌদি আরবের মক্কায় একটি মসজিদে ‘অনৈতিক কাজ’ করার অভিযোগে ২ বাংলাদেশিকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। তবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ঠিক পরেই অথবা এর পূর্ববর্তী সময়ে এই ইস্যু সম্পর্কে অবহিত করা হয়নি বাংলাদেশকে। এর জেরে, সার্বিক ঘটনা জানতে ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূতকে ডেকেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।পাশাপাশি এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য চেয়ে গত বৃহস্পতিবার সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট।গত বুধবার সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গণমাধ্যম পবিত্র মক্কায় মসজিদ এলাকায় অনৈতিক কাজের দায়ে দুই বাংলাদেশির মৃত্যদণ্ড কার্যকর করার তথ্য প্রচার করে। এরপর এ ব্যাপারে জানতে ঢাকায় সৌদি দূতাবাসে যোগাযোগ করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।এর আগে গতকাল শনিবার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে বাংলাদেশ মিশনকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো আগাম বার্তা দেয়নি সৌদি কর্তৃপক্ষ। কনস্যুলার সম্পর্কবিষয়ক ভিয়েনা কনভেনশন অনুযায়ী কোনো বিদেশি নাগরিক গ্রেফতার হলে বা আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হলে আটককারী দেশ সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসকে অবহিত করতে বাধ্য। কিন্তু এই দুই বাংলাদেশির ক্ষেত্রে কোনো আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক তথ্য দেওয়া হয়নি এবং কেন মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পূর্বে বাংলাদেশকে অবহিত করা হয়নি।তিনি উল্লেখ করেন, জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ মিশনের শ্রম উইং থেকে জানা গেছে—মক্কার একটি মসজিদের পবিত্রতা ক্ষুণ্ন করে অনৈতিক বা ব্যভিচারজনিত কাজে লিপ্ত হওয়ার অভিযোগে সৌদি আইনি কাঠামো অনুযায়ী এই কঠোর দণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ কিছু না পাওয়ায় বিস্তারিত জানতে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

 আন্তর্জাতিক আন্তর্জাতিক

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর ভারত সফরকে কেন্দ্র করে দেশটির রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে তোলপাড় শুরু হয়েছে। দ্বিতীয়বারের মতো ভারত সফরে এলেও এবার দিল্লির মাটিতে পা রাখছেন না তিনি। এর বদলে সোমবার বাণিজ্য ও জ্বালানি বিষয়ে আলোচনার জন্য ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর মুম্বাইয়ে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে তার। সেখান থেকে তার গুজরাটের জামনগরে অবস্থিত একটি তেল শোধনাগার পরিদর্শনে যাওয়ার কথা রয়েছে।মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বক্তব্য অনুযায়ী, রুবিওর এই সফর মূলত জ্বালানি, বাণিজ্য এবং দ্বিপক্ষীয় বিনিয়োগকে কেন্দ্র করে সাজানো হয়েছে। তবে পুরো বিষয়টিকে ঘিরে বিতর্কের ঝড় ওঠে যখন ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গর এক বক্তব্যে জানান, রুবিওর সঙ্গে দেখা করতে ওয়াশিংটন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কারকে মুম্বাইয়ে উপস্থিত থাকার প্রত্যাশা জানিয়েছে।স্বদেশের মাটিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে এভাবে ডেকে নিয়ে বৈঠক করাকে কেন্দ্র করে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন দেশটির বিরোধী দলীয় নেতারা। কংগ্রেসের জ্যেষ্ঠ নেতা রাহুল গান্ধী এক প্রতিক্রিয়ায় খোঁচা মেরে বলেন, মার্কো রুবিও যেন মুম্বাইয়ে তার কোনো কর্মচারীকে তলব করেছেন। অন্য নেতাদের মতে, নিজ দেশে কোনো বিদেশি সরকারের নির্দেশে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে এভাবে সফর করতে বাধ্য করা মোদি সরকারের জন্য কূটনৈতিক চরম ব্যর্থতা।মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর অবশ্য এই সফরের মূল লক্ষ্য হিসেবে জ্বালানি খাতকে প্রাধান্য দিচ্ছে। জামনগরে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল শোধনাগার রয়েছে, যা মার্কিন জ্বালানি রাজনীতির অন্যতম কেন্দ্রে অবস্থান করছে। তাছাড়া, ভেনেজুয়েলা থেকে অপরিশোধিত তেল কেনা এবং টেক্সাসে রিলায়েন্সের নতুন বিনিয়োগের বিষয়গুলো এই সফরের পেছনের মূল কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।বাণিজ্যিক শুল্ক, রুশ তেল আমদানি বন্ধ করার মার্কিন চাপ এবং প্রযুক্তিভিত্তিক ভিসা ইস্যুতে যখন ওয়াশিংটন ও নয়াদিল্লির সম্পর্কে টানাপোড়েন চলছে, ঠিক তখনই এমন একটি সফর ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিল।

৮ ঘণ্টা আগে
নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...

 সারাদেশ সারাদেশ

ফেসবুকে বিএনপি নেতার ক্ষোভ

‘ডিলারশিপ নিয়োগে স্ত্রী-শাশুড়ি কাউকেই বাদ রাখলেন না’ / ফেসবুকে বিএনপি নেতার ক্ষোভ

জয়পুরহাটে ল্যাপটপ বণ্টন ও সারের ডিলার নিয়োগে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তুলছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ফয়সল আলিম। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘ল্যাপটপগুলো ভাগাভাগি করে নিজেদের মধ্যে খেয়ে ফেললেন।’  শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। তার পোস্ট ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার শুরু হয়েছে। ফয়সল আলিম ফেসবুকে লেখেন, ল্যাপটপগুলো ভাগাভাগি করে নিজেদের মধ্যে খেয়ে ফেললেন। বিগত ছয় মাসে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ করে খাওয়া শেষ, এখন আর কিছুই নাই খাওয়ার মতো, কারণ খাওয়া স্থগিত হয়ে গেছে।সারের ডিলার নিয়োগ নিয়ে তিনি লেখেন, জয়পুরহাট-পাঁচবিবিতে সারের ডিলারশিপ এমনভাবে দিলেন, যাতে নির্যাতিত নেতাকর্মীরা কেউ সুযোগ পেল না। আত্মীয়স্বজন, স্ত্রী, ভাই, ছেলে, মেয়ে, শাশুড়ি কাউকে বাদ রাখলেন না। আমি তো অবাক নয়নে দেখে যাচ্ছি, আমাদের জয়পুরহাটের কী হবে।’তার ওই পোস্টের মন্তব্যে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা প্রতিক্রিয়া জানান। কেউ কেউ তার বক্তব্যের প্রতি সমর্থন জানান। আবার কেউ কেউ অভিযোগের পরিবর্তে নেতাকর্মীদের জন্য কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান। স্থানীয় পুরানাপৈল ইউনিয়নের বিএনপি কর্মী উজ্জ্বল হোসাইন কমেন্টে লেখেন, ‘এসব বলার চাইতে আপনে কিছু করে দেখান ভাই।’এদিকে ফেসবুক পোস্টের বিষয়ে জানতে চাইলে ফয়সল আলিম গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতিকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেন না। তাই এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে আমি সোচ্চার থাকব এবং অনিয়মগুলো তুলে ধরবই। তিনি জানান, সারের ডিলার নিয়োগে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ পুনর্ব্যক্ত করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, তার নির্যাতিত নেতাকর্মীদের কেন ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়নি।জানতে চাইলে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলজার হোসেন বলেন, ফয়সল আলিমের ফেসবুক স্ট্যাটাসের বক্তব্য রাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত। ফয়সল আলিম যেসব অনিয়মের কথা বলেছেন, সেগুলো সত্য নয়। 

১৩ ঘণ্টা আগে

 রাজনীতি রাজনীতি

সরকারকে নয়, আজ থেকে ১৮ কোটি মানুষকে সহযোগিতা করব: জামায়াত আমির

সরকারকে নয়, আজ থেকে ১৮ কোটি মানুষকে সহযোগিতা করব: জামায়াত আমির

সরকারকে উদ্দেশ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা চাইনি তাদের পতন, চেয়েছিলাম তাদের সফলতা। তাদের সফলতা মানে দেশের সফলতা। আমরা এতদিন বলতাম, আমরা সরকারকে সহযোগিতা করব। আজকে থেকে ঘোষণা দিচ্ছি, ১৮ কোটি মানুষকে সহযোগিতা করব। এই সরকার আমাদের সহযোগিতা নিতে ব্যর্থ। ওদের কোনো যোগ্যতা নেই বিরোধী দলের সহযোগিতা নেওয়ার।’রোববার (১৮ অক্টোবর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি আয়োজিত ‘জুলাই সনদের ১ বছর: প্রতিশ্রুতি ও প্রত্যাশার সালতামামি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘তারা সবার আগে বাংলাদেশের স্লোগান দিলেও সবার আগে বাংলাদেশ নয়। সবার আগে তারা নিজে, নিজের পরিবার, তার সন্তান, তার ভাগনা, তার ভাতিজা, তার শ্বশুর, তার স্ত্রী—এগুলো সবার আগে। আমরা সিন্ডিকেটের কাছে প্রিয় বাংলাদেশকে তুলে দেব না। ওই দিন শেষ। যুবকরা জেগে উঠেছে, পূর্ণ মুক্তি না আসা পর্যন্ত ওরা ঘুমাবে না। আর আমরা যুবকদের সঙ্গে তাদের চেয়েও আরও শক্তিশালী যুবক হয়ে কাজ করব ইনশাআল্লাহ।’তিনি বলেন, ‘আমাদের সন্তানরা ২৪-এ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। জ্বালাও-পোড়াও লাগে না, খালি হাতে ঈমানি বল ও দেশপ্রেম বুকে নিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে গেলেই ফ্যাসিবাদের পতন হয়। এটা আমাদের জন্য শিক্ষা ও অনুপ্রেরণা। এ পথ ধরেই আমরা এগিয়ে যাব এবং নব্য ফ্যাসিবাদেরও পতন হবে ইনশাআল্লাহ।’বিএনপির সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, ৫ আগস্ট দুপুরবেলা পর্যন্ত বিএনপি একটি মজলুম দল ছিল। এরপর রাতারাতি তারা অতীত ভুলে গেছে। জুলাই সনদের কিছু বিষয়ে ভিন্নমত প্রকাশ করলেও গণভোটের ব্যাপারে বিএনপি কোনো ভিন্নমত জানায়নি। জামায়াত চেয়েছিল, গণভোট আগে হোক, যাতে এটি অনিশ্চয়তায় না পড়ে। কিন্তু বিএনপি একই দিনে নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের দাবি জানায়।শফিকুর রহমান বলেন, নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে অনুষ্ঠিত হওয়ার পর নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, একই দিনে একই ব্যক্তি দুটি শপথ নেবেন। কিন্তু বিএনপি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেয়নি। তার অভিযোগ, এর মধ্য দিয়ে বিএনপি জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।তিনি বলেন, ‘জাতি ভোট দিয়েছে একটি সরকার গঠন করে পাঁচ বছর দেশ পরিচালনার জন্য, আরেকটি ভোট দিয়েছে রাষ্ট্র মেরামতের জন্য। দুই ভোটের মূল্যায়ন যদি বিএনপি করত, আমাদের এক সেকেন্ডের জন্যও সংসদের বাইরে আপাতত আন্দোলন করার প্রয়োজন হতো না। এরাই তো আমাদের আন্দোলনের পথে ঠেলে দিয়েছেন।’এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জুর সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ, এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ (বীর বিক্রম) এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক প্রমুখ।

জামায়াত নেতারা হাসিনার পথেই হাঁটতে ভালোবাসেন : রিজভী

জামায়াত নেতারা হাসিনার পথেই হাঁটতে ভালোবাসেন : রিজভী

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্দেশ্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘আপনারা তো ইতিহাসে প্রমাণ রেখেছেন। আপনারা হাসিনার পথে হাঁটতে সবচেয়ে ভালোবাসেন। ক্ষমতার জন্য কখনো কখনো বিএনপির সঙ্গে জোট করার চেষ্টা করেন। কিন্তু মনের ভেতরে হাসিনার প্রদর্শিত পথেই আপনারা হাঁটেন।’রোববার (১৮ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আফসার আহমেদ সিদ্দিকীর ২৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।জামায়াতের আমিরের বক্তব্যের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, ‘জামায়াতের আমির আজকেই বোধ হয় একটা কথা বলেছেন, যে বিএনপি ফ্যাসিস্টদের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। তা আমি তাকে বলতে চাই, ফ্যাসিস্টদের পথ কী? কোনটা পথ? একটা দৃষ্টান্ত দেখান।’রিজভী বলেন, ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগের সবকিছু মাফ করে দেওয়া কিংবা ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের কথা বিএনপির কোনো নেতা বলেননি। বিএনপির প্রধান নেতা তারেক রহমানও এমন কথা বলেননি । অথচ এখন বিএনপির বিরুদ্ধে ফ্যাসিস্টদের পথে হাঁটার অভিযোগ তোলা হচ্ছে।তিনি বলেন, ‘বিএনপিকে জনগণ চেনে, বিএনপি যে প্রতিশ্রুতি দেয়, সেই প্রতিশ্রুতি থেকে বিন্দুমাত্র বিচ্যুত হয় না। কিন্তু আপনারা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, সেই প্রতিশ্রুতি আপনারা ইসলামের নামে দিয়েছেন, আল্লাহর নামে দিয়েছেন। অনেক কথা বলছেন মানুষের মনকে জয় করার জন্য। কিন্তু পরক্ষণেই উল্টো কাজ করেছেন।’রিজভী বলেন, ‘আপনারা অতীতের যত কাজ, সে কাজগুলো কিন্তু আপনারা করেছেন শেখ হাসিনার পথ ধরেই।’তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া এরশাদ সরকারকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে তার অধীনে নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। আওয়ামী লীগ ও জামায়াতও এরশাদের অধীনে নির্বাচনে না যাওয়ার কথা বলেছিল। কিন্তু পরে আওয়ামী লীগ সে অবস্থান থেকে সরে আসে এবং জামাতও সে অবস্থান থেকে সরে আসে। আপনারা (জামায়াত)তো প্রমাণ রেখেছেন ইতিহাসে। আপনারা হাসিনার পথে হাঁটতে সবচাইতে ভালোবাসেন। ক্ষমতার জন্য কখনো কখনো বিএনপির সঙ্গে জোট করার চেষ্টা করেন। কিন্তু মনের ভেতরে হাসিনার প্রদর্শিত পথেই আপনারা হাঁটেন।’রিজভী বলেন, ১৯৯৪-৯৫ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার আন্দোলনেও জামায়াত আওয়ামী লীগের সঙ্গে একই পথে হেঁটেছে। ইতিহাসের এসব উদাহরণ উপেক্ষা করে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘বিএনপির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত অসংখ্য নেতাকর্মীদের গুপ্তহত্যার আত্মদান, স্যাক্রিফাইস এবং ত্যাগের মধ্যে দিয়ে এই দল তৈরি হয়েছে। গণতন্ত্র হচ্ছে তার অভীষ্ট লক্ষ্য। গণতন্ত্র হচ্ছে তার আদর্শিক চেতনা।’জামায়াতের উদ্দেশে রিজভী বলেন, গণতন্ত্র ও দেশের স্বাধীনতার প্রশ্নে দলটির আদর্শিক অবস্থান কী, তা নিয়ে জনগণের মধ্যে সন্দেহ রয়েছে। গণতান্ত্রিক আন্দোলনগুলোতে জামায়াতের অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।আফসার আহমেদ সিদ্দিকীর সঙ্গে নিজের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা তুলে ধরে রিজভী বলেন, আফসার আহমেদকে বড় ভাই বলে ডাকলেও তাদের সম্পর্ক ছিল অনেকটা পিতা-পুত্রের মতো। তার সান্নিধ্য থেকে রাজনীতি বোঝার পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনেও অনেক কিছু শিখেছেন তিনি।সভায় বিএনপির নার্সেস ও স্বাস্থ্য সহকারী সহসম্পাদক জাহানারা সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক-বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, স্বাস্থ্য-বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম, যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন মামুনসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

আ. লীগ ভোট চুরি করেছে, বিএনপি ফলাফল: হাসনাত

সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘যারা স্বাস্থ্য সংস্কারের দায়িত্বে তারা চিকিৎসা নেয় বিদেশে। যারা শিক্ষাখাতকে সংস্কার করতে চায় তাদের ছেলেমেয়েরা পড়ে বিদেশে।’রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, ‘বিগত আওয়ামী লীগ সরকার ভোট চুরি করেছে, আর বিএনপি নির্বাচনের ফলাফল চুরি করেছে। নির্বাচের পর তারা অর্ধেক ফল মেনে নিয়েছে আর অর্ধেক মানেনি। যে অর্ধেকে বিরোধীরা জিতেছে তা তারা মানতে পারেনি।’হাসনাতের দাবি, নিজেদের পক্ষে যাওয়া ফলাফল মেনে নিলেও গণভোটের ফলাফল মানেনি বিএনপি। সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথও নেয়নি। ফলে জুলাই সনদ এখন কার্যকারিতা হারিয়ে অলংকারে পরিণত হয়েছে। অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নের কথা বলেও গত সাত মাসে ১৭ বার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে দলটি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

আ. লীগ ভোট চুরি করেছে, বিএনপি ফলাফল: হাসনাত

‘ডিলারশিপ নিয়োগে স্ত্রী-শাশুড়ি কাউকেই বাদ রাখলেন না’ / ফেসবুকে বিএনপি নেতার ক্ষোভ

জয়পুরহাটে ল্যাপটপ বণ্টন ও সারের ডিলার নিয়োগে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তুলছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ফয়সল আলিম। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘ল্যাপটপগুলো ভাগাভাগি করে নিজেদের মধ্যে খেয়ে ফেললেন।’  শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। তার পোস্ট ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার শুরু হয়েছে। ফয়সল আলিম ফেসবুকে লেখেন, ল্যাপটপগুলো ভাগাভাগি করে নিজেদের মধ্যে খেয়ে ফেললেন। বিগত ছয় মাসে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ করে খাওয়া শেষ, এখন আর কিছুই নাই খাওয়ার মতো, কারণ খাওয়া স্থগিত হয়ে গেছে।সারের ডিলার নিয়োগ নিয়ে তিনি লেখেন, জয়পুরহাট-পাঁচবিবিতে সারের ডিলারশিপ এমনভাবে দিলেন, যাতে নির্যাতিত নেতাকর্মীরা কেউ সুযোগ পেল না। আত্মীয়স্বজন, স্ত্রী, ভাই, ছেলে, মেয়ে, শাশুড়ি কাউকে বাদ রাখলেন না। আমি তো অবাক নয়নে দেখে যাচ্ছি, আমাদের জয়পুরহাটের কী হবে।’তার ওই পোস্টের মন্তব্যে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা প্রতিক্রিয়া জানান। কেউ কেউ তার বক্তব্যের প্রতি সমর্থন জানান। আবার কেউ কেউ অভিযোগের পরিবর্তে নেতাকর্মীদের জন্য কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান। স্থানীয় পুরানাপৈল ইউনিয়নের বিএনপি কর্মী উজ্জ্বল হোসাইন কমেন্টে লেখেন, ‘এসব বলার চাইতে আপনে কিছু করে দেখান ভাই।’এদিকে ফেসবুক পোস্টের বিষয়ে জানতে চাইলে ফয়সল আলিম গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতিকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেন না। তাই এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে আমি সোচ্চার থাকব এবং অনিয়মগুলো তুলে ধরবই। তিনি জানান, সারের ডিলার নিয়োগে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ পুনর্ব্যক্ত করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, তার নির্যাতিত নেতাকর্মীদের কেন ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়নি।জানতে চাইলে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলজার হোসেন বলেন, ফয়সল আলিমের ফেসবুক স্ট্যাটাসের বক্তব্য রাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত। ফয়সল আলিম যেসব অনিয়মের কথা বলেছেন, সেগুলো সত্য নয়। 

ফেসবুকে বিএনপি নেতার ক্ষোভ

অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ তিন দাবি এনসিপির

অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ তিন দাবি জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে এনসিপির কার্যালয়ে জুলাই সনদ স্বাক্ষরের বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এই তিন দাবি জানানো হয়।সংবাদ সম্মেলনে তিনটি দাবি জানিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেন, ‘অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। একদলীয় সংবিধান সংশোধন কমিটি বিলুপ্ত করে অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করতে হবে। একদলীয় সংবিধান সংশোধন কমিটিতে এনসিপি যাবে না। এ নিয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান।’এতে উপস্থিত ছিলেন– এনসিপির রাজনৈতিক পর্ষদ সদস্য এবং যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, রাজনৈতিক পর্ষদ সদস্য সালেহ উদ্দিন সিফাত, যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন ও যুগ্ম সদস্যসচিব ফরিদুল হক।

অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ তিন দাবি এনসিপির

মিষ্টির শূন্য আসন: ফরম নিলেন ৭০ নেত্রী, তারা কারা?

ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির ছেড়ে দেওয়া শূন্য আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পেতে প্রকাশি হয়েছে জোর প্রতিযোগিতা। আসনটিতে লড়াইয়ের উদ্দেশ্যে অন্তত ৭০ জন প্রার্থী ফরম সংগ্রহ করেছেন।মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে সিংহভাগই সাবেক ও বর্তমান ছাত্রদল নেত্রী। পাশাপাশি জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের বিভিন্ন স্তরের নেত্রীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। এছাড়া হেভিওয়েট বিএনপি নেতাদের স্ত্রী ও কন্যারাও যুক্ত হয়েছেন মনোনয়নের এই দৌড়ে।শুক্রবার (দিনটি নির্দিষ্ট থাকলে বসানো যাবে) সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ ফরম বিতরণ করা হয়। সকাল থেকেই কার্যালয় প্রাঙ্গণে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। সারা দিন ধরে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় নেত্রীরা ফরম সংগ্রহ করেন। মনোনয়ন ফরমটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫ হাজার টাকা।বিএনপি দপ্তরের দায়িত্বে থাকা তারিকুল ইসলাম তেনজিং যুগান্তরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এদিকে আজ শনিবার সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম পূরণ করে জমা দেওয়া যাবে। এজন্য জামানত হিসাবে ৫০ হাজার টাকা জমা দিতে হবে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের।ফরম বিতরণকে কেন্দ্র করে শুক্রবার বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় এলাকায় ছিল কর্মচাঞ্চল্য। ছিল নেতাকর্মীদের স্লোগান, বিভিন্ন স্থানে ছোট ছোট জটলা। কেউ ফরম সংগ্রহ করছেন, কেউ আবার সম্ভাব্য প্রার্থী ও মনোনয়ন পাওয়ার হিসাবনিকাশ নিয়ে ব্যস্ত। সব মিলিয়ে সংরক্ষিত নারী এক আসনের মনোনয়ন ঘিরে বিএনপির নেত্রীদের মধ্যে দেখা গেছে ব্যাপক আগ্রহ।এদিন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় স্বনির্ভরবিষয়ক সহসম্পাদক ও সাবেক ছাত্রদল নেত্রী অ্যাডভোকেট আসমা আজিজ। এছাড়া মহিলা দলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক শাহিনুর নার্গিস এবং ঢাকা মহানগর উত্তর মহিলা দলের সভাপতি রুনা লায়লাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেত্রীরা ফরম সংগ্রহ করেন।উল্লেখ্য, ঢাকার মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনায় তৎকালীন সংসদ-সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনার পর দলীয় প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে ১ অক্টোবর সংসদ সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। পরে আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। আগামী ১২ নভেম্বর এ আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

মিষ্টির শূন্য আসন: ফরম নিলেন ৭০ নেত্রী, তারা কারা?
.
আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...

আইন-কানুন

সকল জেলার খবর

আর্কাইভ

 অর্থনীতি অর্থনীতি

তারা ফের সক্রিয়, করছে সরকারি অর্থ লুটপাট

তারা ফের সক্রিয়, করছে সরকারি অর্থ লুটপাট

নতুন শিক্ষাবর্ষের বিনামূল্যের পাঠ্যবই ছাপানোর দরপত্র সিন্ডিকেটের কবজায়। দরপত্রে বড় ধরনের কারসাজি করে চক্রটি পছন্দের প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অধিকাংশ কাজ বাগিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রভাব খাটিয়ে এভাবেই দরপত্রের প্রায় ৯৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন করে ফেলা হয়েছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) একশ্রেণির কর্মকর্তা ও প্রেস মালিকদের দীর্ঘদিনের পরিকল্পিত যোগসাজশে কৌশলে কাজটি সম্পন্ন করা হয়েছে। আর এ কাজে সরকারের প্রায় ৩০০ কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে বলে অভিযোগও রয়েছে। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এনসিটিবিতে অভিযান চালিয়ে বেশকিছু নথিপত্র উদ্ধার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।এনসিটিবির দরপত্রের নথি বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের বিভিন্ন শ্রেণির বই মুদ্রণ ও সরবরাহের জন্য আহ্বান করা ৪৫টি দরপত্রের মধ্যে ৩০টিতেই মাত্র একজন করে দরদাতা প্রস্তাব জমা দিয়েছেন। এছাড়া ১৩টি দরপত্রে দুটি এবং বাকি দুটি দরপত্রে তিনটি করে প্রস্তাব জমা পড়ে। কয়েকটি প্রেস মালিকের অনুরোধে নিয়মবহির্ভূতভাবে দরপত্র চলাকালে প্রাক্কলিত দর বাড়ানো হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, এটা নজিরবিহীন। ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই ছাপানোর দরপত্রের কোনোটিতেই একক দরদাতা ছিল না। পুরোনো চক্র ফের সক্রিয় হয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট করেছে।বাংলাদেশ মুদ্রণশিল্প সমিতির সাবেক সভাপতি তোফায়েল খান যুগান্তরকে বলেন, এবার বইয়ের দরপত্রে কোনো প্রতিযোগিতা হয়নি। এনসিটিবি ও কিছু মুদ্রণপ্রতিষ্ঠানের পারস্পরিক যোগসাজশে সরকারের শত শত কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হচ্ছে। এসব দেখার কেউ নেই। সরকার ক্ষমতায় আসার পর দুর্নীতি কমানোর চেষ্টা করলে এক্ষেত্রে এনসিটিবি উলটো পথে হাঁটছে। দরপত্রে প্রতিযোগিতা কমে যাওয়ার পাশাপাশি মাধ্যমিক স্তরের বইয়ের ফর্মাপ্রতি গড় মুদ্রণমূল্যও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে যেখানে ফর্মাপ্রতি গড় দর ছিল ২ টাকা ৩১ পয়সা, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ টাকা ৩২ পয়সা। গত বছরের তুলনায় দর বেড়েছে প্রায় ৪৩ দশমিক ৭ শতাংশ। একই সঙ্গে দরপত্র প্রক্রিয়া চলাকালে বিধিবহির্ভূতভাবে প্রাক্কলিত মূল্য পুনর্নির্ধারণের অভিযোগ উঠেছে, যা এনসিটিবির ক্ষেত্রে নজিরবিহীন বলে সংশ্লিষ্টরা দাবি করছেন। এতে পাঠ্যবই মুদ্রণ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।এনসিটিবির পাঠ্যবই ছাপানোর কাজ বণ্টন ও দরপত্র নিয়ন্ত্রণে একটি চক্র সক্রিয় রয়েছে। এই চক্রে মুদ্রণশিল্প সমিতির সাধারণ সম্পাদক কাওসারুজ্জামান রুবেল, প্রেস মালিক দুলাল সরকার, এসএম মহসিন, মিন্টু মোল্লা, হুমায়ুন কবির, শেখ সিরাজ, পারভেজ ও সুহেলের নাম এসেছে। যখন যে সরকার ক্ষমতায় আসে, তাদের সঙ্গে মিশে যাওয়ায় তাদের জুড়ি মেলা ভার। চক্রটি ইতোমধ্যে এনসিটিবির প্রায় হাজার কোটি টাকার কাজ বাগিয়ে নিয়েছে।সিন্ডিকেটের অভিযোগ অস্বীকার করে প্রমা ও ব্রাইট প্রিন্টিং প্রেসের মালিক এসএম মহসিন যুগান্তরকে বলেন, এনসিটিবিতে সিন্ডিকেট বলতে কিছু নেই। আমি এবার খুব বেশি কাজ পাইনি। তবে অনিয়মের বিষয়ে আমি কিছু জানি না। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এবার তিনি প্রায় ১২০ কোটি টাকার কাজ পেয়েছেন।এসব অনিয়মে এনসিটিবির সদস্য (পাঠ্যপুস্তক) মোহাম্মদ আবু নাসের টুকু, প্রতিষ্ঠানটির সচিব ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যোগসাজশের অভিযোগও রয়েছে। এছাড়া প্রেস মালিকদের এ চক্রটির এনসিটিবির গুরুত্বপূর্ণ পদে নিজেদের পছন্দের কর্মকর্তাদের পদায়নে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে। কয়েক কোটি অর্থের বিনিময়ে শিক্ষা প্রশাসনের সর্বোচ্চ পর্যায়ের একজন কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে এসব কর্মকর্তাকে পদে বসানোর অভিযোগ ওপেন সিক্রেট। প্রেস চক্রটির বিরুদ্ধে পছন্দের লোকদের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসিয়ে দরপত্র প্রক্রিয়া চলাকালে প্রাক্কলিত দর বাড়ানো এবং এনসিটিবির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও রয়েছে। আওয়ামী লিগ সরকারের সময়ও এই চক্রের বিরুদ্ধে শত শত কোটি টাকা বাগিয়ে নেওয়ার অভিযোগ দুদকে জমা রয়েছে। দরপত্রে লুটপাটের অর্থ বিভিন্ন মহলে ভাগবাঁটোয়ারা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।চলমান দরপত্রে বিধিবহির্ভূতভাবে দর বাড়ানো এবং গোপন দর ফাঁসের অভিযোগ উঠেছে এনসিটিবির সদস্য (পাঠ্যপুস্তক) মোহাম্মদ আবু নাসের টুকুর বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে জানতে তাকে একাধিকবার কল ও খুদে বার্তা পাঠানো হলেও তিনি কোনো উত্তর দেননি।অভিযোগ সম্পর্কে এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা যুগান্তরকে বলেন, আমরা যথাসময়ে বই দেওয়ার চেষ্টা করছি। যেসব অভিযোগ করা হয়েছে, সেগুলো সত্য নয়।বই ছাপানোর চুক্তি অনুযায়ী, ৪০ দিনের মধ্যে ৫০ শতাংশ বই সরবরাহের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু সময় পেরিয়ে গেলেও কয়েকটি প্রেস বই সরবরাহ করছে না। চুক্তি ভঙ্গ করলে জরিমানার বিধান রয়েছে। তবে বই সরবরাহের চুক্তির সময়সীমা তুলে দিতে এনসিটিবির ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে প্রেস চক্রের বিরুদ্ধে। দরপত্র বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রাথমিক স্তরের ৩৩৭ ও ৪০৪ নম্বর লট এবং মাধ্যমিক স্তরের ৬৭১ নম্বর লটে কাওসারুজ্জামান রুবেলের মালিকানাধীন দুটি প্রতিষ্ঠান অগ্রণী ও কর্ণফুলী প্রেস অংশ নেয়। অভিযোগ রয়েছে, পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে তুলনামূলক বেশি দর দিয়ে প্রতিষ্ঠান দুটি কাজ পেয়েছে। প্রতিষ্ঠান দুটি এবার প্রায় তিন কোটি বই ছাপানোর কাজ পেয়েছে।সম্প্রতি দরপত্রে অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হলে প্রেস মালিকদের এই চক্রটি সতর্ক হয়ে যায়। পরে চলতি মাসে নতুন চারটি বইয়ের দরপত্র প্রক্রিয়া শুরু হলে সেখানে ভিন্নচিত্র দেখা যায়। ৯২১, ৯৩২, ৯৪৫, ৯৪৭ ও ১০১২ নম্বর লটে ৩১ থেকে ৩৪টি প্রেস প্রতিষ্ঠান দরপত্রে অংশ নেয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আগের ও পরের দরপত্রের তথ্য বিশ্লেষণ করলে প্রতিযোগিতার চিত্রে বড় ধরনের অনিয়ম স্পষ্ট হয়। এসব দরপত্রে দর ও অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যার ব্যবধানও দৃশ্যমান। তবে বই ছাপানোর কাজে কার্যকর প্রতিযোগিতা থাকলে সরকারের বিপুল পরিমাণ অর্থ ও অতিরিক্ত ব্যয়ের ঝুঁকি কমত। এনসিটিবির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে ৩০ কোটি ৬১ লাখ ৯৮ হাজার ১০১ কপি বই ছাপানো হচ্ছে। এ কাজে সরকারের ব্যয় প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা। গত শিক্ষাবর্ষে ব্যয় হয় প্রায় এক হাজার ৬ শ কোটি টাকা।এনসিটিবির ইনস্পেকশন এজেন্টদের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার পর্যন্ত কয়েকটি প্রেস চুক্তি অনুযায়ী বই সরবরাহ করতে পারেনি। এ পরিস্থিতিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এনসিটিবি তদারকি বাড়িয়েছে। সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী কয়েকটি প্রেস পরিদর্শন করেছেন এবং মুদ্রণকারীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। নিুমানের বই ছাপানোর অভিযোগে ২০টির বেশি মুদ্রণপ্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশও দিয়েছে এনসিটিবি।