বাঙালির বাংলাদেশ
সর্বশেষ

জাতীয়

মতামতমতামত

রিজিক আটকে গেছে, টেনশন পিছু ছাড়ছে না? কী করবেন

জীবনে হঠাৎ চারপাশ থেকে অন্ধকার নেমে এসেছে? রিজিকের পথটা যেন থমকে গেছে, দুশ্চিন্তার ভারে ঘুম হারাম, কিংবা শত চেষ্টা করেও মনের মতো কোনো কাজের সন্ধান পাচ্ছেন না? অনেক খেটেখাটুনি করেও সংসারের টানাটানি ঘুচছে না, কাজে মিলছে না কোনো বরকত? এমন জটিল মুহূর্তে কী করবেন?এমন একলা ও একাকী মুহূর্তে হতাশা আমাদের চারপাশ থেকে ঘিরে ধরে। মনে হয়, বুঝি সব পথ বন্ধ হয়ে গেল! কিন্তু বিশ্বাসী মানুষের জন্য কখনোই সব পথ বন্ধ হয় না। অন্ধকার রাতের পরেই যেমন ভোরের আলোর ঝলকানি দেখা যায়, ঠিক তেমনি প্রতিটি কষ্টের পরপরই রয়েছে স্বস্তির বার্তা। জীবন যখন আপনাকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেবে, তখন ভেঙে না পড়ে ফিরে আসুন আপনার সৃষ্টিকর্তার কাছে। মনের গভীর থেকে করুন— ইস্তিগফার।সব জটিলতা কাটিয়ে জীবনকে শান্তিময় ও সমৃদ্ধিশালী করার জন্য এটি একটি মহৌষধ রয়েছে, যা আল্লাহ তাআলা নিজেই আমাদের শিখিয়ে দিয়েছেন—তা হলো ‘ইস্তিগফার’ বা আল্লাহর কাছে মনেপ্রাণে ক্ষমা প্রার্থনা করা।ইস্তিগফার— এটি রিজিক ও রহমতের বন্ধ দুয়ার খোলার জাদুকরী চাবিকাঠি।ইস্তিগফার কেবল অতীতের গুনাহ ও ভুলত্রুটি মুছে ফেলার মাধ্যম নয়; এটি মানুষের জীবনে আল্লাহর অশেষ রহমত, বরকত ও রিজিকের দরজা খুলে দেওয়ার এক জাদুকরী আমল। যখন মানুষ নিজের ভুল স্বীকার করে অনুতপ্ত হৃদয়ে আল্লাহর দরবারে হাত বাড়ায়, তখন আসমানের রহমতের বৃষ্টি ঝরতে শুরু করে। কুরআন মজিদে মহান আল্লাহ তাআলা হজরত নূহ (আ.)-এর মুখ দিয়ে উম্মতকে ইস্তিগফারের অপার মহিমা শিক্ষা দিয়েছেন—فَقُلْتُ اسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ إِنَّهُ كَانَ غَفَّارًا - يُرْسِلِ السَّمَاءَ عَلَيْكُم مِّدْرَارًا - وَيُمْدِدْكُم بِأَمْوَالٍ وَبَنِينَ وَيَجْعَل لَّكُمْ جَنَّاتٍ وَيَجْعَل لَّكُمْ أَنْهَارًا‘অতঃপর আমি বলেছি, তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই তিনি মহাক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের ওপর প্রচুর বৃষ্টিধারা বর্ষণ করবেন, তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি দিয়ে সাহায্য করবেন এবং তোমাদের জন্য সৃষ্টি করবেন উদ্যান আর প্রবাহিত করবেন নদী-নালা।’ (সুরা নূহ: আয়াত ১০-১২)এই আয়াত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়—ক্ষমা চাওয়ার এই সুবাসিত অভ্যাসের ভেতরেই লুকিয়ে আছে ধন-সম্পদের বৃদ্ধি, সন্তানের মাধ্যমে সুখ লাভ এবং সার্বিক জীবনের অভাব দূর হওয়ার মূল রহস্য।সংকট মুক্তির আমল: যা বলছেন প্রিয়নবী (সা.)হতাশার সাগরে ডুবে থাকা মনকে সান্ত্বনা দিতে এবং কর্মজীবনে নতুন আশার আলো জ্বালাতে আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) চমৎকার দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, যে ব্যক্তি ইস্তিগফারকে নিজের জীবনের নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত করে, আল্লাহ তাআলা কীভাবে তার কঠিন সংকটগুলোকে সহজ করে দেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন—مَنْ لَزِمَ الاِسْتِغْفَارَ جَعَلَ اللَّهُ لَهُ مِنْ كُلِّ ضِيقٍ مَخْرَجًا وَمِنْ كُلِّ هَمٍّ فَرَجًا وَرَزَقَهُ مِنْ حَيْثُ لاَ يَحْتَسِبُঅর্থ: ‘যে ব্যক্তি নিয়মিত ইস্তিগফার করবে (অর্থাৎ ইস্তিগফারকে আঁকড়ে ধরে রাখবে), আল্লাহ তাআলা তাকে প্রতিটি কঠিন পরিস্থিতি ও সংকীর্ণতা থেকে বের হওয়ার পথ তৈরি করে দেবেন, তার যাবতীয় চিন্তা-দুশ্চিন্তা দূর করে দেবেন এবং তাকে এমন উৎস থেকে রিজিক দান করবেন যা সে কল্পনাও করতে পারেনি।’ (আবু দাউদ ১৫১৮)আজ থেকেই শুরু হোক আপনার জীবনের এক নতুন অধ্যায়। যখনই মন খারাপ হবে, কাজের অভাব বা কোনো জটিলতায় হতাশ লাগবে— তখনই জিভে জপতে থাকুন—أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ উচ্চারণ: ‘আস্তাগফিরুল্লাহ।’অর্থ: ‘আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।’অথবা পড়ুন সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার, কিংবা মন থেকে নিজের ভাষায় আল্লাহর সঙ্গে কথা বলুন। হেঁটে-চলে, কাজের ফাঁকে, কিংবা নিরিবিলি রাতে দু'ফোটা চোখের জল ফেলে রবের কাছে নিজের মনের সব কষ্ট ও অভাবের কথা খুলে বলুন।জীবন আমাদের সবসময় আমাদের মনের মতো চলে না, মাঝেমধ্যে পথগুলো কেমন যেন আটকে যায়। কিন্তু সেই থমকে যাওয়া মানেই সব শেষ হয়ে যাওয়া নয়; বরং তা হতে পারে আল্লাহর আরও কাছে যাওয়ার এক সুন্দর উসিলা। তাই হতাশাকে বিদায় জানান, দুশ্চিন্তার পাহাড় সরিয়ে রেখে জিকিরে মুখরিত রাখুন আপনার দুটো ঠোঁট। প্রিয় রবের দরবারে হাত তুলে বলুন—‘হে আমার রব! আমি অনুতপ্ত, আমাকে ক্ষমা করো এবং আমার রিজিক ও জীবনে বরকত দাও।’মনে রাখবেন, যে হাত আল্লাহর দরবারে অনুশোচনা নিয়ে প্রসারিত হয়, দয়াময় আল্লাহ তাকে কখনো খালি হাতে ফিরিয়ে দেন না। কেননা তিনি বান্দাকে খালি হাতে ফিরিয়ে দিতে লজ্জাবোধ করেন। আপনার ইস্তিগফারই হোক আল্লাহর রহমত ও রিজিকে বরকত লাভেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল। সব সংকট কাটিয়ে আলোর মুখ দেখার  কার্যকরী হাতিয়ার।

‘কাজ শেষ না করে আমরা কোথাও যাচ্ছি না’

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগ করছেন না উল্লেখ করে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, আমরা আমাদের কাজ শেষ না করে কোথাও যাচ্ছি না। শনিবার একনেক বৈঠকের পর হওয়া উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে শুরু হওয়া বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টিকারী বিষয়গুলো চিহ্নিত করা এবং সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগের বিষয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, তিনি চলে যাবেন বলেননি। তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) বলেছেন, আমরা যে কাজ করছি, আমাদের সামনে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাতে অনেক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু আমরা সব বাধা অতিক্রম করব।অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর অর্পিত দায়িত্বের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ এর ওপর নির্ভর করছে। আমরা এ দায়িত্ব ছেড়ে যেতে পারি না।পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, আমরা দেখছি বিভিন্ন জায়গা থেকে কী কী বাধা আসছে, কে কী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং আমরা এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কী কী প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে।উপদেষ্টা রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, বিচার বিভাগ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসহ সব পক্ষের সমর্থন চেয়ে বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে থাকা সব শক্তি এবং সব রাষ্ট্রীয় সংস্থাকে আমরা এ লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করার আহ্বান জানাব। এটা শুধু আমাদের একার দায়িত্ব নয়।ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ আরও বলেন, উপদেষ্টারা স্বপ্রণোদিতভাবে এখানে আসেননি। তবে তাদের একটি জাতীয় দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে এবং তারা তা ছেড়ে যাবেন না।আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের রূপরেখা নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করেননি উপদেষ্টা।

এলডিসির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নীতির পুনর্মূল্যায়ন জরুরি

বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি নীতিমালা  : এলডিসি পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয়তা এবং চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত অধ্যাপক লুৎফে সিদ্দিকী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান।মূল প্রবন্ধে ড. সেলিম রায়হান বলেন, রাজস্ব খাতে সংস্কারের অভাব এবং প্রত্যক্ষ করের মাধ্যমে কর বৃদ্ধিতে সরকারের ব্যর্থতার ফলে পরোক্ষ কর ও আমদানি করের ওপর ব্যাপক নির্ভরতা দেখা দিচ্ছে। প্রতিযোগী দেশগুলোর চেয়ে বাংলাদেশের আমদানি শুল্ক হার অনেক বেশি। রপ্তানি খাতও শুধু তৈরি পোশাকে সীমাবদ্ধ। তাও আবার পোশাকের প্রবৃদ্ধি নগদ প্রণোদনা ও কর ছাড়ের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এলডিসি উত্তরণ পরবর্তী চাপ সামলাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি নতুন রপ্তানি পণ্য ও নতুন বাজার খোঁজা উচিত।প্রধান অতিথির বক্তব্যে লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যকার কাঠামোগত সংস্কার জরুরি। তবে যে গতিতে বর্তমানে সংস্কার কার্যক্রম সম্পন্ন হচ্ছে তা প্রয়োজনের তুলনায় বেশ কম। সত্যিকার অর্থে শিল্প খাতসহ অন্য সেক্টরে কোনো দীর্ঘমেয়াদে রোডম্যাপ নেই, যা হতাশার বিষয়। এলডিসি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের পাশাপাশি সরকারের সংস্থাগুলোর মধ্যকার সমন্বয় বাড়ানো প্রয়োজন।প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশকে এলডিসি উত্তরণ করতেই হবে। এখান থেকে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই। তবে এলডিসি পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের উচ্চমানের তৈরি পোশাক, ওষুধ এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের ওপর বেশি হারে মনোযোগী হতে হবে। তিনি আরও বলেন, এলডিসি উত্তরণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিল্প-কারখানা এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা মধ্যে সমন্বয় ও পারস্পরিক আস্থা-বিশ্বাস বৃদ্ধির বিকল্প নেই। সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য (কাস্টমস) কাজী মোস্তাফিজুর রহমান এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানে নির্ধারিত আলোচনায় অংশ নেন বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ফজলুল হক, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের জয়েন্ট চিফ (ইন্টারন্যাশাল কো-অপারেশন ডিভিশন) মসিউল ইসলাম, বেসিসের সাবেক সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর, ডেল্টা ফার্মা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. জাকির হোসেন এবং ফকির ফ্যাশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফকির কামরুজ্জামান নাহিদ প্রমুখ।

অনিয়মে জর্জরিত ‘ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স’, ঝুঁকিতে ব্যান্ডউইথ নিরাপত্তা

নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়মকানুন উপেক্ষা করে একে একে আইআইজি, আইটিসি, আইজিডব্লিউসহ ইন্টারনেট-টেলিকম খাতের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ লাইসেন্স দখলে নেয় আওয়ামী সুবিধাভোগী এ প্রতিষ্ঠান। এসব লাইসেন্স অর্জনে রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রশাসনিক সুবিধা ব্যবহার করা হয়েছে বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা।সংশ্লিষ্ট সূত্র ও নথি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি), দেশের অভ্যন্তরের আইটিসি প্রতিষ্ঠান এবং এয়ারটেল ও টাটার মতো শীর্ষ ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে ওয়ান এশিয়ার মোট বকেয়ার পরিমাণ ২৩ কোটি টাকারও বেশি। বিটিআরসির কাছেই এর বকেয়া প্রায় ৪ কোটি টাকা। বিএসসিসিএল-এর কাছে রয়েছে আরও ১ কোটি টাকার বেশি। অপরদিকে টেলিকম জায়ান্ট এয়ারটেল তাদের ১৩ কোটি টাকার এবং টাটা ৫ কোটি টাকার বকেয়া দাবি করছে। এদিকে বকেয়া আদায়ে নানাভাবে চেষ্টা করে না পেয়ে ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স-এর বিরুদ্ধে বিএসসিপিএলসি ঢাকা জেলা জজ আদালতে ‘আরবিট্রেশন মামলা’ দায়ের করে। এর রায়ে তারা জয়ী হয়। সেই রায়ের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি ‘অ্যাওয়ার্ড এক্সিকিউশন মামলা’ করে, যা এখনো চলমান রয়েছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তারা সরকারের নীতিনির্ধারকদের কাছে বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, যেন লাইসেন্স বাতিল না হয় এবং তাদের ব্যবসা চালু রাখা যায়। ইতোমধ্যে নিয়মবহির্ভূতভাবে তারা এনওসিও নিয়েছে বলে জানিয়েছে বিটিআরসির একটি সূত্র।ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স একসময় আইআইজি, আইটিসি ও আইজিডব্লিউ লাইসেন্স নিয়ে টেলিকম বাজারে প্রবেশ করলেও সময়ের সঙ্গে শর্ত লঙ্ঘন করে একাধিক অনিয়মে জড়িয়ে পড়ে। তাদের মালিকানাধীন বেঙ্গল ব্রডব্যান্ড ২০১৬ সালে ডিভিশনাল আইএসপি লাইসেন্স পেলেও নবায়ন না করেই বর্তমানে অবৈধভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি এর মালিকানাধীন প্রিজমা ডিজিটাল নেটওয়ার্কের রয়েছে ন্যাশন ওয়াইড আইএসপি লাইসেন্স।এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বারবার মোবালইল ফোনে কল, হোয়াটসঅ্যাপ ও এসএমএসে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় ওয়ান এশিয়া অ্যালায়ন্সের মূল প্রতিষ্ঠান বেঙ্গল কমিউনিকেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসফারিয়া খায়েরের সঙ্গে। তবে তিনি সাড়া দেননি। পরে পুনরায় চেষ্টা করলে দেখা যায়, তিনি প্রতিবেদকের নম্বরই ব্লক করে দিয়েছেন।বিটিআরসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্সকে মোট বকেয়ার ৫০ শতাংশ এককালীন পরিশোধ এবং বাকি অংশ কিস্তিতে পরিশোধের শর্তে এনওসি প্রদান করা হয়েছে। তবে নির্ধারিত ১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠানটি এ পর্যন্ত মাত্র ১ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে বলে তিনি জানান।ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি) সভাপতি ইমদাদুল হক বলেন, আইএসপি সেক্টরের সেবাদান নির্ভর করে আইআইজি ও ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারীদের ওপর। কেউ যদি কোটি টাকা বকেয়া রেখে অনিয়ম করে, তা গ্রাহকের নিরাপত্তা ও নিরবচ্ছিন্ন সংযোগের জন্য হুমকি। তবে নেপথ্যে যদি নীতিগত বা কাঠামোগত কোনো সমস্যা থাকে, সেটাও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, টেলিযোগাযোগ খাতের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম নিয়ম ও নীতিমালার আলোকে পর্যালোচনা জরুরি। এক্ষেত্রে যদি কোনো প্রতিষ্ঠান বকেয়া বা নীতিগত ব্যত্যয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাহলে তা ন্যায্যতার ভিত্তিতে সমাধান হওয়া উচিত। বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসলাম হোসেন যুগান্তরকে বলেন, দীর্ঘদিন তাগাদা দিলেও প্রতিষ্ঠানটি পাওনা পরিশোধ করেনি, চিঠির জবাবও দেয়নি। এখন তাদের কাউকে খুঁজেও পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে মামলা করেছি।ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব যুগান্তরকে বলেন, আমরা চাই, ব্যবসায়ীরা স্বচ্ছন্দে ব্যবসা করুক, গ্রাহকদের সেবা দিক। কিন্তু সরকারের পাওনা পরিশোধ না করে কেউ যদি অনিয়মে জড়ায়, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

অধ্যাদেশ বিলুপ্তির দাবিতে কর্মবিরতি কর্মসূচি চলবে

ন কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে তাদের স্লোগান দিতে দেখা যায়। এনবিআরের অধীনস্থ সারা দেশের অন্য সব অফিসেও একইভাবে কর্মসূচি পালিত হয়। ঢাকা ও চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে বিকাল ৩টা পর্যন্ত কোনো কাজ হয়নি। ভ্যাট ও কর অফিসেও সেবা বন্ধ ছিল। তবে রপ্তানি ও আন্তর্জাতিক যাত্রীসেবা কাযক্রম চলমান ছিল। শনিবার এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন কাস্টমসের অতিরিক্ত কমিশনার এদিপ বিল্লাহ, উপকর কমিশনার মোস্তফিজুর রহমান, সহকারী কর কমিশনার ইশতিয়াক হোসেন। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক, যা ইতোমধ্যেই দেশের প্রথিতযশা অর্থনীতিবিদ ও থিংকট্যাংকসহ সর্বমহলে স্বীকৃতি পেয়েছে। এনবিআর তথা রাজস্ব প্রশাসনের আমূল সংস্কার আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি। তবে এই সংস্কার হতে হবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বীকৃত সর্বোত্তম ব্যবস্থা ও পদ্ধতির অনুরূপ। দেশের স্বার্থ ও উন্নয়ন দর্শন এতে সঠিকভাবে প্রতিফলিত হতে হবে। এছাড়া রাজস্ব প্রশাসন অধিকতর কার্যকর, প্রগতিশীল ও দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে এবং এ সংস্কার বিশেষ কারও স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হবে না। কিন্তু রাজস্ব ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের স্বার্থে আমাদের এমন যৌক্তিক দাবি মেনে নিতে সরকার কেন, কী কারণে এবং কাদের প্ররোচনায় বিলম্ব করছে, তা বোধগম্য নয়।    এতে আরও বলা হয়, আজ (শনিবার) সকাল থেকেই এনবিআর ভবনের অভ্যন্তরে এবং বাইরে বিপুলসংখ্যক পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি রয়েছে। এ বিষয়টি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মনে নানা ধরনের প্রশ্নের উদ্রেক করেছে। ক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলছেন, এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আন্দোলন করতে বাধ্য হয়েছে। কিন্তু এখন দেখছি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা হচ্ছে। তবে রোববারও একইভাবে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেখানে হস্তক্ষেপ করবে, সেখানে তারা প্রেস ব্রিফিং করবেন।ভিন্নমত যাদের: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর ও কাস্টমস ক্যাডারের কয়েকজন সিনিয়র কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, ‘দাবি আদায়ের নামে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এখন যা হচ্ছে তা রীতিমতো সরকার ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অবস্থান। এটি সম্পূর্ণ শৃঙ্খলাপরিপন্থি কাজ, সরকারি কর্মচারী আচরণবিধি এসব কর্মকাণ্ড পারমিট করে না।’ তারা মনে করেন, এনবিআর বিলুপ্ত করে যে গেজেট করা হয়েছে সেখানে প্রত্যাশার অনেক কিছু চলে এসেছে। যেটুকু অবশিষ্ট আছে তা পরবর্তী সংশোধনী ও বিধি প্রণয়নের মাধ্যমে সংযোজন করা সম্ভব। এজন্য এভাবে আন্দোলন করার প্রয়োজন ছিল না। বিষয়টিকে পুনরায় আলোচনার টেবিলে নিয়ে গেলে ভালো হতো। 

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ২ জন
১

খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে আইন বাস্তবায়নের ওপর জোর দিলেন প্রতিমন্ত্রী

২

মালয়েশিয়ায় যেতে চাওয়া কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষা শুরু ৩১ অক্টোবর

৩

লিবিয়ার সিংহাসনে বসতে চাওয়া সাদ্দাম হাফতার কে?

৪

মানিক পশারীর কবর খোঁড়া ও দাফন ঘিরে আসলে কী ঘটেছিল? বেরিয়ে এলো আসল সত্য

৫

রাজধানীতে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে ডিএসসিসির উচ্ছেদ অভিযান

৬

লুটপাট করে স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস করেছে ফ্যাসিস্ট সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

৭

তানজিন তিশাকে আইনি নোটিশ

৮

যুক্তরাষ্ট্রের সাহায্য ছাড়াই মধ্যপ্রাচ্যের সংকট সমাধান সম্ভব: পেজেশকিয়ান

৯

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ইউনিক্লোর শীর্ষ নির্বাহীরা, বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণের আহ্বান

১০

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে জেটরোর প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

সর্বশেষ সব খবর
১

নীরব ঘাতক থাইরয়েড ক্যানসার, এই ৬ লক্ষণ দেখলেই সতর্ক হোন

২

ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

৩

পরবর্তী ধাপ নিয়ে সিদ্ধান্তের অপেক্ষা মালয়েশিয়ায় বিনা খরচে ১০ হাজার কর্মী পাঠানোর উদ্যোগ

৪

আজকের স্বর্ণের দাম: ৮ অক্টোবর ২০২৬

৫

ডিসেম্বরের আগে গঙ্গা চুক্তি, মার্চের মধ্যে পদ্মা ব্যারেজ

৬

সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে বার্তা, প্রস্তুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

৭

রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১২

৮

শিশুদের মেধা বিকাশে সুযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

৯

বলিউডের খ্যাতিমান অভিনেতা নানা পাটেকর মারা গেছেন

১০

মারুবেনি করপোরেশনের সঙ্গে বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা প্রধানমন্ত্রীর

জনপ্রিয় সব খবর
লিংক কপি করা হয়েছে!

জাতীয়

খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে আইন বাস্তবায়নের ওপর জোর দিলেন প্রতিমন্ত্রী

খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে আইন বাস্তবায়নের ওপর জোর দিলেন প্রতিমন্ত্রী

খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে দ্রুত আইন প্রণয়ন ও তা বাস্তবায়নের ওপর জোর দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। বিশেষ করে চাল ও আটা-ময়দায় পুষ্টি উপাদান যুক্ত করা বা ফর্টিফিকেশন বাধ্যতামূলক করতে কার্যকর বিধিমালা তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশে ফর্টিফিকেশন অ্যালায়েন্স অব বাংলাদেশ (এফএবি) আয়োজিত ‘কনভেনিং পার্টনারশিপ অন ফুড ফর্টিফিকেশন’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথ বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম।খাদ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে মীর শাহে আলম বলেন, জনগণের কাছে পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার পৌঁছে দিতে সচেতনতার পাশাপাশি আইনি বাধ্যবাধকতা অত্যন্ত জরুরি। লবণ ও ভোজ্যতেলে আয়োডিন ও ভিটামিন যুক্ত করার উদ্যোগ সফল হলেও চাল ও আটার ক্ষেত্রে তা এখনো পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি।দেশে বছরে প্রায় তিন কোটি ৯২ লাখ মেট্রিক টন চাল উৎপাদিত হয় এবং চাহিদা রয়েছে তিন কোটি ২৫ থেকে তিন কোটি ২৬ লাখ মেট্রিক টন উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, চালের উৎপাদন ও মজুত পর্যাপ্ত থাকায় সঠিক পরিকল্পনা ও সময়োপযোগী রূপরেখার মাধ্যমে চালের ফর্টিফিকেশন বাস্তবায়ন করা সম্ভব।তিনি আরও বলেন, হাসপাতাল, এতিমখানা, শিশু সদন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর রেশনসহ সরকারি বিভিন্ন খাদ্য সহায়তা কর্মসূচিতে সরবরাহ করা চাল ও আটায় পর্যায়ক্রমে ফর্টিফিকেশন বাধ্যতামূলক করা যেতে পারে।খাদ্যনিরাপত্তা ও পুষ্টি কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কাজের পরিধি ও পারস্পরিক সমন্বয় জোরদার করার আহ্বানও জানান প্রতিমন্ত্রী।

রাজধানীতে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে ডিএসসিসির উচ্ছেদ অভিযান

রাজধানীতে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে ডিএসসিসির উচ্ছেদ অভিযান

রাজধানীর গুলিস্তানে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযান পরিচালনা করছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)।বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে গুলিস্তানের ঢাকা ট্রেড সেন্টারে সামনে থেকে অভিযান শুরু হয়।এসময়, শপিং সেন্টারের বাইরে চার পাশে অবৈধভাবে পরিচালিত দোকানপাট উচ্ছেদ ও নকশা বহির্ভূত বর্ধিত অংশ ভেঙ্গে ফেলা হয়। একইসঙ্গে হানিফ ফ্লাইওভারের নিচের অংশ দখল করে বসানো ভ্রাম্যমাণ দোকানপাটও গুঁড়িয়ে দেয় সিটি করপোরেশন।অবশ্য অভিযানের খবর আগেই চাউর হওয়ায় নিজেদের দোকানপাট সরিয়ে নেয় দোকানীরা। এর আগে বেশ কয়েক দফায় উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালিত হলেও আবারও পুরনো চেহারায় ফেরে ফুটপাত।সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পথচারীদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখার এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

লুটপাট করে স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস করেছে ফ্যাসিস্ট সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

লুটপাট করে স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস করেছে ফ্যাসিস্ট সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

লুটপাট করে ফ্যাসিস্ট সরকার স্বাস্থ্য খাতকে ধ্বংস করে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবাকে শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়া হবে।বুধবার (২৮ অক্টোবর) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলা সফরকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।রহমান ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের (আরডিএফ) উদ্যোগে কসবা-আখাউড়া উপজেলায় মোবাইল হাসপাতালের কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমান।মোবাইল হাসপাতালটির মাধ্যমে সাধারণ চিকিৎসা, মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা, দাঁতের চিকিৎসা, ডায়াগনস্টিক পরীক্ষা এবং বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণের সেবা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে আয়োজক প্রতিষ্ঠানটি।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ইউনিক্লোর শীর্ষ নির্বাহীরা, বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণের আহ্বান

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ইউনিক্লোর শীর্ষ নির্বাহীরা, বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণের আহ্বান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জাপানের বিশ্বখ্যাত পোশাক প্রস্তুতকারক ও খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ইউনিক্লোর মূল প্রতিষ্ঠান ফাস্ট রিটেইলিং কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান, প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) তাদাশি ইয়ানাইয়ের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল।বুধবার (২৮ অক্টোবর) জাপানের স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টায় এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রতি ইউনিক্লোর আস্থা এবং ফাস্ট রিটেইলিংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক সম্পৃক্ততার প্রশংসা করেন। এসময়, বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পে আরও বিনিয়োগের জন্য ইউনিক্লোকে আহ্বান জানানো হয়। বিশেষ করে ম্যান-মেড ফাইবার (কৃত্রিম তন্তু), টেকনিক্যাল টেক্সটাইল এবং টেকসই পোশাক উৎপাদন খাতে বিনিয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।এ ছাড়া প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষতা উন্নয়ন, পণ্যে উদ্ভাবন, উন্নত উৎপাদনব্যবস্থা এবং পরিবেশবান্ধব উৎপাদন প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে ইউনিক্লোর কার্যক্রম সম্প্রসারণে সরকার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত। এ ক্ষেত্রে জমির ব্যবস্থা, বিনিয়োগের অনুমোদন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক অনুমোদনপ্রক্রিয়া সহজীকরণে সহযোগিতার কথা তুলে ধরেন তিনি।বৈঠকে বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) বাস্তবায়নের গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করে উভয় পক্ষ। এ চুক্তি দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক সম্প্রসারণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।

 আন্তর্জাতিক আন্তর্জাতিক

মালয়েশিয়ায় যেতে চাওয়া কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষা শুরু ৩১ অক্টোবর

মালয়েশিয়ায় যেতে চাওয়া কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষা শুরু ৩১ অক্টোবর

মালয়েশিয়ায় কাজ করতে ইচ্ছুক কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষা আগামী ৩১ অক্টোবর থেকে শুরু হবে। অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারগুলোতে এ পরীক্ষা নেয়া হবে।বুধবার (২৮ অক্টোবর) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।এতে বলা হয়, অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারের তালিকা শিগগিরই ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। এর আগে কোনো মেডিকেল পরীক্ষা করা হলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না এবং ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্সের জন্য প্রক্রিয়াকরণ করা হবে না।এমতাবস্থায়, মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে তালিকাভুক্ত মেডিকেল সেন্টারগুলোর বিষয়ে খোঁজখবর রাখার জন্য কর্মীদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

১৫ মিনিট আগে
নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...

 সারাদেশ সারাদেশ

১৫০ কিমি গতিতে এগোচ্ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব, বাংলাদেশে কতটা প্রভাব পড়বে?

১৫০ কিমি গতিতে এগোচ্ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব, বাংলাদেশে কতটা প্রভাব পড়বে?

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে বাংলাদেশে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা না থাকলেও দেশের বিভিন্ন এলাকায় আগামী তিন দিন থেমে থেমে বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে। বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার কারণে বুধবার থেকে তাপমাত্রা কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ ও বাংলাদেশের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক।তিনি জানান, বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুর নাগাদ ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব। এর সরাসরি বড় ধরনের প্রভাব বাংলাদেশে পড়ার আশঙ্কা নেই। তবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে।আবুল কালাম মল্লিক বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ইতোমধ্যে চট্টগ্রামের মিরসরাইসহ দেশের কয়েকটি উপকূলীয় এলাকার কিছু অংশে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি হচ্ছে। উপকূলীয় এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। আগামী তিন দিন দেশের কিছু কিছু জায়গায় থেমে থেমে বৃষ্টি অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া শুরু হলে তাপমাত্রা কমে আসতে পারে বলে জানিয়েছেন এই আবহাওয়াবিদ। তার ভাষ্য, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে তাপমাত্রা বেশি ছিল। তবে বুধবার থেকে বৃষ্টি ও বাতাসের কারণে তাপমাত্রা কমতে পারে।তবে এই বৃষ্টির পরপরই দেশে শীতের আমেজ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে জানান তিনি। নভেম্বরের শেষের দিকে শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে। বর্তমানে কার্তিক মাস হওয়ায় ভোররাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কিছু এলাকায় হালকা শীত অনুভূত হওয়া এবং কুয়াশার মতো আবহ তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেতআবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তির ১২ নম্বর বুলেটিনে বলা হয়েছে, পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় অর্ণব পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে।মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ১৩০ কিলোমিটার, কক্সবাজার থেকে ১ হাজার ৯৫ কিলোমিটার, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৬৫ কিলোমিটার এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৮৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বুধবার দুপুর নাগাদ ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে।বুলেটিনে আরও জানানো হয়, ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার। দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে এ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছে। ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের কাছাকাছি সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।এ পরিস্থিতিতে দেশের চার সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচলের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

২ ঘণ্টা আগে

 রাজনীতি রাজনীতি

রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে ইইউ রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে ইইউ রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার।মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।এসময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবকে শুভেচ্ছা জানান ইইউ রাষ্ট্রদূত। বৈঠকে রাজনৈতিক ও চলমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি চলমান উন্নয়ন কাজ আরো গতিশীল হবে বলেও আশাবাদ জানান ইইউ রাষ্ট্রদূত।এছাড়া বৈঠকে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান ও স্হানীয় নির্বাচন এবং এলডিসি গ্রাজুয়েশনের মতো বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়।এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাজনৈতিক কর্মকর্তা মিস কামিলা পার্টিকা।

আওয়ামী লীগ পুনর্বাসন করছেন নজরুল ইসলাম এমপি

আওয়ামী লীগ পুনর্বাসন করছেন নজরুল ইসলাম এমপি

রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ-সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের পুনর্বাসন করছেন। আর এসব নিয়ে কথা বললেই নিজ দলের নেতাকর্মীদের মামলা, বহিষ্কারসহ নানা হয়রানি করছেন। সোমবার রাজশাহী মহানগরীর অলোকার মোড়ের একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির নেতাকর্মীরা এসব অভিযোগ করেছেন। রাজশাহী-৫ আসনের ভুক্তভোগী বিএনপি নেতাকর্মীর ব্যানারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নেতারা পুঠিয়া থানার ওসি ফরিদুল ইসলামের প্রত্যাহারও দাবি করেছেন। তাদের দাবি, এমপির কথায় তাদের বিরুদ্ধে ওসি মিথ্যা মামলা রেকর্ড করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন পুঠিয়া উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার সরকার আল-আমীন, বানেশ্বর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নুরুল ইসলাম নবী ও সাবেক ছাত্রনেতা আহসান হাবিব প্রমুখ।লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, এমপি নজরুল সম্প্রতি পুঠিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পল্লব সেনগুপ্ত ও আওয়ামী লীগকর্মী মাজহারুল ইসলাম মিন্টুকে সংসদে নিয়ে যান। তার এই কাজ প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার জন্যও হুমকিস্বরূপ ছিল। তাছাড়া বেশির ভাগ সরকারি পুকুর আওয়ামী লীগের একজন অর্থদাতাকে দিয়ে চাষ করাচ্ছেন এমপি। টাকার বিনিময়ে তিনি ‘ফ্যাসিবাদ ও রাজাকার ঘরানার লোকদের’ ডিলার নিয়োগ দিতে সহায়তা দিচ্ছেন। পুঠিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের রিশাদ হোসেন কেতাব ডিলারশিপ পেয়েছেন। পুঠিয়া পৌরসভা এলাকায় ডিলারশিপ পেয়েছেন শাহেদ হাসান। তার বাড়ি ময়মনসিংহ। তিনি এমপির নাতিজামাই। এমপির সুপারিশে ভাল্লুকগাছি ইউনিয়নে ডিলারশিপ পেয়েছেন শফিউল ইসলাম। তিনি জামায়াতের রাজনীতি করেন।সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ, এলাকার স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটিতে এমপির পরিবারের সদস্য, ফ্যাসিবাদের দোসর কিংবা জামায়াতের কাউকে সভাপতি ও সদস্য মনোনীত করেছেন। যুবদল নেতা দেলোয়ার সরকার আল-আমীন বলেন, ‘এমপির নানা অনিয়ম ও আওয়ামীপ্রীতির ব্যাপারে দলীয় নেতাকর্মীদের কেউ ফেসবুকে মন্তব্য করলে তাকে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। গত ১৩ আগস্ট বিড়ালদহ পশ্চিমপাড়া গ্রামের একটি পারিবারিক ঘটনায় আমাকেসহ বিএনপির ৯ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। হয়রানি করতেই এ মামলা।’ অন্যদিকে গত ১১ অক্টোবর চার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা হয়েছে। এসব মামলার পেছনে সংসদ-সদস্যের চাপ রয়েছে বলে দাবি দেলোয়ারের। তার অভিযোগ, মামলার বাদী খন্দকার সোহেল মাহমুদ ফ্যাসিবাদের দোসর।সাবেক ছাত্রনেতা আহসান হাবিব বলেন, রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হাবিব খান এমপি নজরুলের ভাতিজা আজাদ মন্ডলের জামাতা। হাবিব খান শ্বশুরবাড়িতে বসে সরকার পতনের হুঙ্কার দিচ্ছেন। বানেশ্বর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নুরুল ইসলাম নবী সংবাদ সম্মেলনে বলেন, নির্বাচনে যারা এমপির পক্ষে ছিলেন না, তাদেরই হয়রানি করা হচ্ছে।সংবাদ সম্মেলন থেকে এসব অভিযোগের তদন্ত ও সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিএনপির নীতিনির্ধারকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। সোমবার দুপুরে এমপি নজরুলের মোবাইল ফোনে কল দিলে তার ভাতিজা তানজিম আরিন রিসিভ করে জানান, এমপি বিশ্রামে আছেন। তাকে পাওয়া যাবে না।

ভারতীয় গোয়েন্দার সঙ্গে বৈঠকের অভিযোগ তুললেন রাশেদ, 'আজগুবি' বললেন পরওয়ার

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ভারতের উচ্চপর্যায়ের গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে ‘গোপন বৈঠক’ করেছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। একই সঙ্গে, এই জামায়াত নেতাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেছেন– বৈঠকের তথ্য যদি মিথ্যা হয়, তবে মিয়া গোলাম পরওয়ার যেন তার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন।সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভ্যারিফায়েড পেজে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খাঁন এ কথা বলেন।পোস্টে তিনি লেখেন, ভারতীয় উচ্চপর্যায়ের গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠকের তথ্য যদি মিথ্যা হয়, তবে মিয়া গোলাম পরওয়ার যেন আমার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন। মিয়া গোলাম পরওয়ার এই বৈঠকে অংশগ্রহণ করতে কয়েকবার গাড়ি পরিবর্তন করেছেন। একটি দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা কেন চোরের মতো পালিয়ে ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করবেন?রাশেদ খাঁন আরও লেখেন, ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে মিয়া গোলাম পরওয়ার ও এটিএম মা’ছুমের বৈঠকের বিষয়টি নিয়ে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সবার কাছে তথ্য রয়েছে। একটি ইসলামিক দলের নেতা হিসেবে তার উচিত হবে, বিষয়টি স্বীকার করে আলোচনার বিষয়বস্তু সম্পর্কে জাতিকে খোলাসা করা।পোস্টের শেষে তিনি যোগ করেন, নাকি জামায়াত এখন ‘বাঁচার জন্য মিথ্যা বলা জায়েজ’ এই থিউরি অবলম্বন করে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করবে?এর আগে, সোমবার দুপুরে ফেসবুকে দেওয়া আরেক পোস্টে রাশেদ খাঁন দাবি করেন, গত ১৬ অক্টোবর রাজধানীর বারিধারায় ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে জামায়াত নেতাদের ওই বৈঠক হয়।বিষয়টি অস্বীকার করে গোলাম পরওয়ার এ দাবির পক্ষে প্রমাণ দিতে বলেছেন। বিবিসিকে তিনি বলেছেন– এটা পুরোপুরিভাব অসত্য ও আজগুবি একটা দাবি। এ ধরনের বৈঠক করার প্রশ্নই আসে না।এরপর রাশেদ খাঁন তার দেওয়া তথ্য ‘শতভাগ সত্য’ বলে অন্য এক পোস্টে দাবি করেন।

ভারতীয় গোয়েন্দার সঙ্গে বৈঠকের অভিযোগ তুললেন রাশেদ, 'আজগুবি' বললেন পরওয়ার

পল্টনে সিপিবির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ

রাজধানীর পল্টনে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলেছে দলটি। সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে ঘটিত এই হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সিপিবির শীর্ষ নেতারা।ঘটনার পর মধ্যরাতে সিপিবির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক জরুরি ব্রিফিংয়ে দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল কাফী অভিযোগ করেন, সরকারদলীয় নেতাকর্মী পরিচয়ে পল্টনে একটি ‘মব’ বা সংঘবদ্ধ দল তৈরি করে এই হামলা চালানো হয়। তবে স্থানীয় বিএনপি নেতারা এই অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন।জানা যায়, সুনামগঞ্জে নারী বাউলশিল্পীদের গান গাইতে বাধা দেওয়ার প্রতিবাদে সংস্কৃতিকর্মীদের ব্যানারে সোমবার বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে একটি মানববন্ধনের ডাক দেওয়া হয়। সেই কর্মসূচি থেকে ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি দীপক শীলকে আটক করে পুলিশ। পরে রাত ৯টার দিকে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।দীপক শীল মুক্তি পাওয়ার পর পল্টনে তাকে অভ্যর্থনা জানাতে ও সংহতি জানিয়ে ছাত্র ও যুব ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা একটি মিছিল বের করেন। মিছিলে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার অজুহাত তুলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়। এ সময় মব সৃষ্টি করে ঢাকা মহানগর উত্তর যুব ইউনিয়নের সভাপতি ইরান মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক সোহেল ফকিরকে ধরে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়। পরবর্তীতে মধ্যরাতে পুলিশ তাদের ছেড়ে দেয়।সংবাদ ব্রিফিংয়ে সিপিবির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল কাফী বলেন, মিছিলে স্লোগান দেওয়ার অজুহাতে নেতাকর্মীদের ওপর এভাবে হামলা চালানো এবং মব তৈরি করে হয়রানি করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। তিনি অবিলম্বে এ ধরনের দমনপীড়ন ও হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

পল্টনে সিপিবির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ

দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের বৈঠক

দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং আগামী ৩১ অক্টোবর অনুষ্ঠাতব্য ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ বৈঠক চলছে।মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবন ২৯ মিন্টো রোডে এ বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর জেনারেল সেক্রেটারি মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা অংশ নিয়েছেন।  

দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের বৈঠক

মিষ্টির শূন্য আসনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শূন্য ঘোষিত সংরক্ষিত নারী আসনে উপনির্বাচনে বিএনপি ও জোটের প্রার্থী হয়েছেন এলিজা জামান।বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান যুগান্তরকে এ তথ্য জানিয়েছেন।এছাড়া সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।এলিজা জামান বর্তমানে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও পিরোজপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক। পাশাপাশি তিনি জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় সম্পৃক্ততার অভিযোগকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে গত ১ অক্টোবর ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেন।এরপর আসনটিতে উপ-নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গত ১২ অক্টোবর ইসির ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আজ ২৬ অক্টোবর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। ২৭ অক্টোবর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই, ১ নভেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহার এবং ২ নভেম্বর প্রতীক বরাদ্দের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। সব প্রক্রিয়া সেরে আগামী ১২ নভেম্বর ভোটের তারিখ রাখা হয়েছে তফসিলে।তবে বাছাই ও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর একজন বৈধ প্রার্থী থাকলে তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে।সংরক্ষিত নারী আসনের এই উপ-নির্বাচনকে ঘিরে গত ১৬ অক্টোবর দলীয় মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুরু করে বিএনপি। ৭০ জন নারী দলটির ফরম সংগ্রহ করেন। তাদের মধ্যে ৬৮ জন আবেদন জমা দেন।এলিজা জামান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পিরোজপুর-১ (পিরোজপুর, নাজিরপুর ও ইন্দুরকানি) আসনে ধানের শীর্ষ প্রতীকে ভোট করতে চেয়েছিলেন। তবে ১২ জানুয়ারির ভোটে শেষ পর্যন্ত তিনি দলের মনোনয়ন পাননি।তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য। তার পিতা সরদার সুলতান মাহমুদ সাবেক সংসদ সদস্য ছিলেন।

মিষ্টির শূন্য আসনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা
.
আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...

আইন-কানুন

সকল জেলার খবর

আর্কাইভ

 অর্থনীতি অর্থনীতি

ই-টিন থাকলেও আয় নেই, ঘরে বসে অনলাইনে ‘জিরো রিটার্ন’ দাখিল করবেন যেভাবে

ই-টিন থাকলেও আয় নেই, ঘরে বসে অনলাইনে ‘জিরো রিটার্ন’ দাখিল করবেন যেভাবে

টিন সার্টিফিকেট থাকলেই আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রয়োজন হতে পারে। তবে রিটার্ন দাখিল করা আর আয়কর পরিশোধ করা এক বিষয় নয়। আয় করমুক্ত সীমার মধ্যে থাকলে রিটার্ন দাখিল করেও করের পরিমাণ শূন্য হতে পারে। সাধারণভাবে এটিই ‘জিরো ট্যাক্স রিটার্ন’ হিসেবে পরিচিত।২০২৬-২০২৭ করবর্ষের জন্য ব্যক্তি করদাতাদের ই-রিটার্ন ব্যবস্থা চালু করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ২২ জুলাই ২০২৬ থেকে নতুন করবর্ষের ই-রিটার্ন দাখিলের সুযোগ চালু হয়েছে। ফলে ঘরে বসেই অনলাইনে রিটার্ন জমা দিতে পারবেন করদাতারা।তবে ‘জিরো রিটার্ন’ মানে রিটার্নের সব ঘরে শূন্য বসিয়ে দেওয়া নয়। আয়, ব্যয়, সম্পদ ও দায়ের প্রকৃত তথ্যই দিতে হবে। ভুল বা মিথ্যা তথ্য দিলে পরবর্তীতে জটিলতায় পড়তে হতে পারে।১. এনবিআরের ই-রিটার্ন পোর্টালে প্রবেশ করুনপ্রথমে এনবিআরের নির্ধারিত ই-রিটার্ন পোর্টালে প্রবেশ করতে হবে। আগে নিবন্ধন করা থাকলে টিন ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন। প্রথমবার নিবন্ধনের ক্ষেত্রে সাধারণত ১২ ডিজিটের টিন, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এবং এনআইডিতে বায়োমেট্রিকভাবে নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর প্রয়োজন হবে। নিবন্ধন সম্পন্ন হলে টিন ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে পরবর্তী সময়ে সিস্টেমে প্রবেশ করা যাবে।২. ‘রিটার্ন সাবমিশন’ নির্বাচন করুনলগইন করার পর ‘রিটার্ন সাবমিশন’ অপশনে যেতে হবে। এরপর ধাপে ধাপে অ্যাসেসমেন্টের তথ্য এবং আয়ের বিভিন্ন খাত পূরণের সুযোগ আসবে। সব তথ্য একসঙ্গে পূরণ করতে না পারলে ধাপে ধাপে তথ্য দিয়ে সেভ করে রাখা যায়। পরে আবার লগইন করে বাকি তথ্য পূরণ করা সম্ভব।৩. আয় না থাকলেও সব ঘর ফাঁকা রাখবেন নাএ পর্যায়েই অনেক করদাতা ভুল করেন। আয় নেই বা করযোগ্য আয় নেই—এমন পরিস্থিতিতে সব ঘর ফাঁকা রেখে দেওয়া ঠিক নয়। নিজের প্রকৃত আর্থিক অবস্থার সঙ্গে মিল রেখে আয়, ব্যয়, সম্পদ ও দায়ের তথ্য দিতে হবে।মনে রাখতে হবে, জিরো ট্যাক্স মানে সবকিছু শূন্য নয়। আপনার ব্যাংক হিসাবে টাকা থাকলে, কোনো সম্পদ থাকলে বা বাস্তবে কোনো ব্যয় হয়ে থাকলে তা সঠিকভাবে উল্লেখ করতে হবে।৪. ২০২৬-২০২৭ করবর্ষের করমুক্ত সীমা জানুন২০২৬-২০২৭ করবর্ষে সাধারণ ব্যক্তি করদাতার প্রথম ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করমুক্ত। নারী ও ৬৫ বছর বয়সী বা তার বেশি বয় করদাতার জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা।প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও তৃতীয় লিঙ্গের করদাতাদের ক্ষেত্রে এই সীমা ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা। আর গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও গেজেটভুক্ত জুলাই যোদ্ধাদের জন্য করমুক্ত সীমা ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা।প্রতিবন্ধী ব্যক্তির মা-বাবা বা আইনানুগ অভিভাবকের ক্ষেত্রে প্রত্যেক সন্তান বা পোষ্যের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা নির্দিষ্ট সীমার চেয়ে আরও ৫০ হাজার টাকা বাড়ানোর বিধান রয়েছে। তবে মা-বাবা দুজনই করদাতা হলে এ সুবিধা একজনই পাবেন। তবে আয় করমুক্ত সীমার মধ্যে থাকলেও রিটার্নে সম্পদ, ব্যয় ও দায়ের তথ্য শূন্য দেখানো যাবে না।৫. ‘ট্যাক্স অ্যান্ড পেমেন্ট’ অংশ যাচাই করুনসব তথ্য দেওয়ার পর রিটার্নের হিসাব অনুযায়ী সিস্টেম প্রদেয় করের পরিমাণ দেখাবে। প্রকৃত তথ্যের ভিত্তিতে যদি প্রদেয় করের পরিমাণ শূন্য আসে, তাহলে সেটিই জিরো ট্যাক্স রিটার্নের পরিস্থিতি। কোনো উৎসে কর কাটা হয়ে থাকলে বা অগ্রিম কর পরিশোধ করা থাকলে সেটিও সঠিকভাবে ‘ট্যাক্স অ্যান্ড পেমেন্ট’ অংশে উল্লেখ করতে হবে।৬. সাবমিটের আগে পুরো রিটার্ন দেখে নিনসব তথ্য পূরণ করার পর ‘রিটার্ন ভিউ’ থেকে পুরো রিটার্নটি দেখে নিতে হবে। বিশেষ করে নিজের নাম, টিন, আয়, ব্যয়, সম্পদ, দায় এবং করের হিসাব ভালোভাবে মিলিয়ে দেখুন। কোনো ভুল থাকলে সাবমিট করার আগেই সংশোধন করুন।৭. সাবমিট করলেই রিটার্ন দাখিল সম্পন্নসব তথ্য সঠিক থাকলে রিটার্ন সাবমিট করুন। এনবিআরের নিয়ম অনুযায়ী, অনলাইনে রিটার্ন সাবমিট করার পর অ্যাসেসমেন্ট সম্পন্ন হয় এবং অ্যাকনলেজমেন্ট স্লিপ পাওয়া যায়। একই সঙ্গে ট্যাক্স সার্টিফিকেটও তৈরি হয়।পরে ট্যাক্স রেকর্ড মেনু থেকে এসব নথি দেখা, সংরক্ষণ ও প্রয়োজন হলে প্রিন্ট করা যায়। ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দিলে প্রণোদনার সুযোগ ২০২৬-২০২৭ করবর্ষে আরেকটি বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ। এনবিআর জানিয়েছে, ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ পর্যন্ত কর প্রণোদনা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।তবে জিরো ট্যাক্স রিটার্ন দাখিল করলেই নিশ্চিতভাবে ৫ শতাংশ টাকা ফেরত পাওয়া যাবে—এমনটা ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। প্রণোদনা ব্যক্তির করযোগ্য আয় ও প্রদেয় করের ওপর নির্ভর করবে।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জিরো ট্যাক্স রিটার্ন দেওয়ার সময় আয়, সম্পদ, ব্যয় বা দায় ইচ্ছাকৃতভাবে শূন্য দেখাবেন না। আপনার আয় করমুক্ত সীমার নিচে হলেও রিটার্নে প্রকৃত তথ্য দিতে হবে। কারণ রিটার্নে শুধু আয় নয়, বাংলাদেশ ও বিদেশে থাকা সম্পদ ও দায় এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে জীবনযাপন-সংক্রান্ত ব্যয়ের তথ্যও উল্লেখ করার বিষয় রয়েছে।অর্থাৎ, জিরো ট্যাক্স রিটার্নের সঠিক পদ্ধতি হলো—প্রকৃত তথ্য দিয়ে ই-রিটার্ন পূরণ করা, হিসাব শেষে প্রদেয় কর শূন্য আসা নিশ্চিত করা এবং এরপর অনলাইনে রিটার্ন সাবমিট করে অ্যাকনলেজমেন্ট স্লিপ সংরক্ষণ করা।