বাঙালির বাংলাদেশ
সর্বশেষ

জাতীয়

মতামতমতামত

‘কাজ শেষ না করে আমরা কোথাও যাচ্ছি না’

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগ করছেন না উল্লেখ করে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, আমরা আমাদের কাজ শেষ না করে কোথাও যাচ্ছি না। শনিবার একনেক বৈঠকের পর হওয়া উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে শুরু হওয়া বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টিকারী বিষয়গুলো চিহ্নিত করা এবং সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগের বিষয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, তিনি চলে যাবেন বলেননি। তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) বলেছেন, আমরা যে কাজ করছি, আমাদের সামনে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাতে অনেক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু আমরা সব বাধা অতিক্রম করব।অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর অর্পিত দায়িত্বের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ এর ওপর নির্ভর করছে। আমরা এ দায়িত্ব ছেড়ে যেতে পারি না।পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, আমরা দেখছি বিভিন্ন জায়গা থেকে কী কী বাধা আসছে, কে কী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং আমরা এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কী কী প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে।উপদেষ্টা রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, বিচার বিভাগ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসহ সব পক্ষের সমর্থন চেয়ে বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে থাকা সব শক্তি এবং সব রাষ্ট্রীয় সংস্থাকে আমরা এ লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করার আহ্বান জানাব। এটা শুধু আমাদের একার দায়িত্ব নয়।ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ আরও বলেন, উপদেষ্টারা স্বপ্রণোদিতভাবে এখানে আসেননি। তবে তাদের একটি জাতীয় দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে এবং তারা তা ছেড়ে যাবেন না।আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের রূপরেখা নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করেননি উপদেষ্টা।

এলডিসির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নীতির পুনর্মূল্যায়ন জরুরি

বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি নীতিমালা  : এলডিসি পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয়তা এবং চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত অধ্যাপক লুৎফে সিদ্দিকী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান।মূল প্রবন্ধে ড. সেলিম রায়হান বলেন, রাজস্ব খাতে সংস্কারের অভাব এবং প্রত্যক্ষ করের মাধ্যমে কর বৃদ্ধিতে সরকারের ব্যর্থতার ফলে পরোক্ষ কর ও আমদানি করের ওপর ব্যাপক নির্ভরতা দেখা দিচ্ছে। প্রতিযোগী দেশগুলোর চেয়ে বাংলাদেশের আমদানি শুল্ক হার অনেক বেশি। রপ্তানি খাতও শুধু তৈরি পোশাকে সীমাবদ্ধ। তাও আবার পোশাকের প্রবৃদ্ধি নগদ প্রণোদনা ও কর ছাড়ের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এলডিসি উত্তরণ পরবর্তী চাপ সামলাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি নতুন রপ্তানি পণ্য ও নতুন বাজার খোঁজা উচিত।প্রধান অতিথির বক্তব্যে লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যকার কাঠামোগত সংস্কার জরুরি। তবে যে গতিতে বর্তমানে সংস্কার কার্যক্রম সম্পন্ন হচ্ছে তা প্রয়োজনের তুলনায় বেশ কম। সত্যিকার অর্থে শিল্প খাতসহ অন্য সেক্টরে কোনো দীর্ঘমেয়াদে রোডম্যাপ নেই, যা হতাশার বিষয়। এলডিসি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের পাশাপাশি সরকারের সংস্থাগুলোর মধ্যকার সমন্বয় বাড়ানো প্রয়োজন।প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশকে এলডিসি উত্তরণ করতেই হবে। এখান থেকে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই। তবে এলডিসি পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের উচ্চমানের তৈরি পোশাক, ওষুধ এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের ওপর বেশি হারে মনোযোগী হতে হবে। তিনি আরও বলেন, এলডিসি উত্তরণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিল্প-কারখানা এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা মধ্যে সমন্বয় ও পারস্পরিক আস্থা-বিশ্বাস বৃদ্ধির বিকল্প নেই। সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য (কাস্টমস) কাজী মোস্তাফিজুর রহমান এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানে নির্ধারিত আলোচনায় অংশ নেন বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ফজলুল হক, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের জয়েন্ট চিফ (ইন্টারন্যাশাল কো-অপারেশন ডিভিশন) মসিউল ইসলাম, বেসিসের সাবেক সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর, ডেল্টা ফার্মা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. জাকির হোসেন এবং ফকির ফ্যাশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফকির কামরুজ্জামান নাহিদ প্রমুখ।

অনিয়মে জর্জরিত ‘ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স’, ঝুঁকিতে ব্যান্ডউইথ নিরাপত্তা

নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়মকানুন উপেক্ষা করে একে একে আইআইজি, আইটিসি, আইজিডব্লিউসহ ইন্টারনেট-টেলিকম খাতের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ লাইসেন্স দখলে নেয় আওয়ামী সুবিধাভোগী এ প্রতিষ্ঠান। এসব লাইসেন্স অর্জনে রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রশাসনিক সুবিধা ব্যবহার করা হয়েছে বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা।সংশ্লিষ্ট সূত্র ও নথি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি), দেশের অভ্যন্তরের আইটিসি প্রতিষ্ঠান এবং এয়ারটেল ও টাটার মতো শীর্ষ ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে ওয়ান এশিয়ার মোট বকেয়ার পরিমাণ ২৩ কোটি টাকারও বেশি। বিটিআরসির কাছেই এর বকেয়া প্রায় ৪ কোটি টাকা। বিএসসিসিএল-এর কাছে রয়েছে আরও ১ কোটি টাকার বেশি। অপরদিকে টেলিকম জায়ান্ট এয়ারটেল তাদের ১৩ কোটি টাকার এবং টাটা ৫ কোটি টাকার বকেয়া দাবি করছে। এদিকে বকেয়া আদায়ে নানাভাবে চেষ্টা করে না পেয়ে ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স-এর বিরুদ্ধে বিএসসিপিএলসি ঢাকা জেলা জজ আদালতে ‘আরবিট্রেশন মামলা’ দায়ের করে। এর রায়ে তারা জয়ী হয়। সেই রায়ের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি ‘অ্যাওয়ার্ড এক্সিকিউশন মামলা’ করে, যা এখনো চলমান রয়েছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তারা সরকারের নীতিনির্ধারকদের কাছে বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, যেন লাইসেন্স বাতিল না হয় এবং তাদের ব্যবসা চালু রাখা যায়। ইতোমধ্যে নিয়মবহির্ভূতভাবে তারা এনওসিও নিয়েছে বলে জানিয়েছে বিটিআরসির একটি সূত্র।ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স একসময় আইআইজি, আইটিসি ও আইজিডব্লিউ লাইসেন্স নিয়ে টেলিকম বাজারে প্রবেশ করলেও সময়ের সঙ্গে শর্ত লঙ্ঘন করে একাধিক অনিয়মে জড়িয়ে পড়ে। তাদের মালিকানাধীন বেঙ্গল ব্রডব্যান্ড ২০১৬ সালে ডিভিশনাল আইএসপি লাইসেন্স পেলেও নবায়ন না করেই বর্তমানে অবৈধভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি এর মালিকানাধীন প্রিজমা ডিজিটাল নেটওয়ার্কের রয়েছে ন্যাশন ওয়াইড আইএসপি লাইসেন্স।এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বারবার মোবালইল ফোনে কল, হোয়াটসঅ্যাপ ও এসএমএসে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় ওয়ান এশিয়া অ্যালায়ন্সের মূল প্রতিষ্ঠান বেঙ্গল কমিউনিকেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসফারিয়া খায়েরের সঙ্গে। তবে তিনি সাড়া দেননি। পরে পুনরায় চেষ্টা করলে দেখা যায়, তিনি প্রতিবেদকের নম্বরই ব্লক করে দিয়েছেন।বিটিআরসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্সকে মোট বকেয়ার ৫০ শতাংশ এককালীন পরিশোধ এবং বাকি অংশ কিস্তিতে পরিশোধের শর্তে এনওসি প্রদান করা হয়েছে। তবে নির্ধারিত ১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠানটি এ পর্যন্ত মাত্র ১ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে বলে তিনি জানান।ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি) সভাপতি ইমদাদুল হক বলেন, আইএসপি সেক্টরের সেবাদান নির্ভর করে আইআইজি ও ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারীদের ওপর। কেউ যদি কোটি টাকা বকেয়া রেখে অনিয়ম করে, তা গ্রাহকের নিরাপত্তা ও নিরবচ্ছিন্ন সংযোগের জন্য হুমকি। তবে নেপথ্যে যদি নীতিগত বা কাঠামোগত কোনো সমস্যা থাকে, সেটাও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, টেলিযোগাযোগ খাতের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম নিয়ম ও নীতিমালার আলোকে পর্যালোচনা জরুরি। এক্ষেত্রে যদি কোনো প্রতিষ্ঠান বকেয়া বা নীতিগত ব্যত্যয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাহলে তা ন্যায্যতার ভিত্তিতে সমাধান হওয়া উচিত। বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসলাম হোসেন যুগান্তরকে বলেন, দীর্ঘদিন তাগাদা দিলেও প্রতিষ্ঠানটি পাওনা পরিশোধ করেনি, চিঠির জবাবও দেয়নি। এখন তাদের কাউকে খুঁজেও পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে মামলা করেছি।ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব যুগান্তরকে বলেন, আমরা চাই, ব্যবসায়ীরা স্বচ্ছন্দে ব্যবসা করুক, গ্রাহকদের সেবা দিক। কিন্তু সরকারের পাওনা পরিশোধ না করে কেউ যদি অনিয়মে জড়ায়, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

অধ্যাদেশ বিলুপ্তির দাবিতে কর্মবিরতি কর্মসূচি চলবে

ন কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে তাদের স্লোগান দিতে দেখা যায়। এনবিআরের অধীনস্থ সারা দেশের অন্য সব অফিসেও একইভাবে কর্মসূচি পালিত হয়। ঢাকা ও চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে বিকাল ৩টা পর্যন্ত কোনো কাজ হয়নি। ভ্যাট ও কর অফিসেও সেবা বন্ধ ছিল। তবে রপ্তানি ও আন্তর্জাতিক যাত্রীসেবা কাযক্রম চলমান ছিল। শনিবার এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন কাস্টমসের অতিরিক্ত কমিশনার এদিপ বিল্লাহ, উপকর কমিশনার মোস্তফিজুর রহমান, সহকারী কর কমিশনার ইশতিয়াক হোসেন। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক, যা ইতোমধ্যেই দেশের প্রথিতযশা অর্থনীতিবিদ ও থিংকট্যাংকসহ সর্বমহলে স্বীকৃতি পেয়েছে। এনবিআর তথা রাজস্ব প্রশাসনের আমূল সংস্কার আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি। তবে এই সংস্কার হতে হবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বীকৃত সর্বোত্তম ব্যবস্থা ও পদ্ধতির অনুরূপ। দেশের স্বার্থ ও উন্নয়ন দর্শন এতে সঠিকভাবে প্রতিফলিত হতে হবে। এছাড়া রাজস্ব প্রশাসন অধিকতর কার্যকর, প্রগতিশীল ও দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে এবং এ সংস্কার বিশেষ কারও স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হবে না। কিন্তু রাজস্ব ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের স্বার্থে আমাদের এমন যৌক্তিক দাবি মেনে নিতে সরকার কেন, কী কারণে এবং কাদের প্ররোচনায় বিলম্ব করছে, তা বোধগম্য নয়।    এতে আরও বলা হয়, আজ (শনিবার) সকাল থেকেই এনবিআর ভবনের অভ্যন্তরে এবং বাইরে বিপুলসংখ্যক পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি রয়েছে। এ বিষয়টি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মনে নানা ধরনের প্রশ্নের উদ্রেক করেছে। ক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলছেন, এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আন্দোলন করতে বাধ্য হয়েছে। কিন্তু এখন দেখছি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা হচ্ছে। তবে রোববারও একইভাবে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেখানে হস্তক্ষেপ করবে, সেখানে তারা প্রেস ব্রিফিং করবেন।ভিন্নমত যাদের: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর ও কাস্টমস ক্যাডারের কয়েকজন সিনিয়র কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, ‘দাবি আদায়ের নামে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এখন যা হচ্ছে তা রীতিমতো সরকার ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অবস্থান। এটি সম্পূর্ণ শৃঙ্খলাপরিপন্থি কাজ, সরকারি কর্মচারী আচরণবিধি এসব কর্মকাণ্ড পারমিট করে না।’ তারা মনে করেন, এনবিআর বিলুপ্ত করে যে গেজেট করা হয়েছে সেখানে প্রত্যাশার অনেক কিছু চলে এসেছে। যেটুকু অবশিষ্ট আছে তা পরবর্তী সংশোধনী ও বিধি প্রণয়নের মাধ্যমে সংযোজন করা সম্ভব। এজন্য এভাবে আন্দোলন করার প্রয়োজন ছিল না। বিষয়টিকে পুনরায় আলোচনার টেবিলে নিয়ে গেলে ভালো হতো। 

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ২ জন
সর্বশেষ সব খবর
১

শেখ হা‌সিনাকে আশ্রয় দেওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প ছিল না : দীনেশ ত্রিবেদী

২

অক্টোবরের সঙ্গে ৩ মাসের বকেয়াসহ বেতন পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা

৩

সরকারের বার্তায় তাদের মধ্যে ঢুকে গেছে ভয়

৪

প্রাণ বাঁচাতে ব্যস্ত ছিলেন ভারতীয় পাইলট, এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

৫

সরকারি সেবা পেতে মানুষ‌কে যেন দরজায় দরজায় ঘুরতে না হয়-প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

৬

বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

৭

বাংলা‌দেশ‌কে দাতা-গ্রহীতার দৃষ্টিকোণ থেকে দে‌খে না ইইউ: মাইকেল মিলার

৮

পঞ্চগড়-কক্সবাজার: ১০৭৭ কিমি রেলে জুড়ছে দেশের দুই প্রান্ত

৯

'কারওর গায়ে জ্বালা ধরলে ধরুক...,' গোবিন্দার সঙ্গে নাম জড়াতেই বিস্ফোরক কোমল! কী বললেন?

১০

'দেখি, টিকিট দেখান...', হঠাৎ বাসে চেপেই কন্ডাক্টরের ভূমিকায় মুখ্যমন্ত্রী বিজয়!

জনপ্রিয় সব খবর
লিংক কপি করা হয়েছে!

জাতীয়

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।রোববার (৪ অক্টোবর) বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।এসময় বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সার্বিক বিষয়াদি এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করা হয়।সাক্ষাতে দুই দেশের মধ্যকার ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় ও বহুমাত্রিক করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, অভিবাসন ও মানবসম্পদ উন্নয়নসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়।বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চলমান রাখা এবং ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পরিধি আরও সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়েও মতবিনিময় করা হয়।সাক্ষাৎকালে তারা দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়া এবং পারস্পরিক স্বার্থে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সরকারি কর্মচারীদের তদবির না করতে এনবিআরের নির্দেশনা

সরকারি কর্মচারীদের তদবির না করতে এনবিআরের নির্দেশনা

চাকরির নানা বিষয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে তদবির বা সুপারিশের জন্য লোকজন পাঠানো কিংবা ফোন করার প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় কঠোর অবস্থান নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯ সঠিকভাবে প্রতিপালন এবং অসদাচরণ রোধে এই কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।সম্প্রতি এনবিআর প্রশাসন-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করা হয়। এর আগে গত ১৭ সেপ্টেম্বর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকেও এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছিল।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সেই নির্দেশনার সূত্র ধরেই এনবিআর এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।এনবিআরের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, সরকারি কর্মচারীদের কেউ কেউ তাদের চাকরি সংক্রান্ত নানা বিষয়ে বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার দফতরে তদবিরের জন্য প্রেরণ করেন অথবা ফোন করেন।এটি ‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯’-এর বিধি ২০-এর স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’-এর ২(ঘ) অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’-এর শামিল।এ অবস্থায় সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯-এর যথাযথ প্রতিপালন নিশ্চিত করতে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছে এনবিআর।

দল চাইলে মেয়র নির্বাচন করতে প্রস্তুত ইশরাক হোসেন

দল চাইলে মেয়র নির্বাচন করতে প্রস্তুত ইশরাক হোসেন

দল প্রয়োজন মনে করলে মেয়র নির্বাচনে অংশ নিতে প্রস্তুত আছেন, আবার দল অন্য কাউকে প্রার্থী করলে তাকেও জয়ী করতে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবেন বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।রোববার (৪ অক্টোবর) মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।ইশরাক হোসেন বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার সময় অনেক রাস্তা অর্ধসমাপ্ত ছিল। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর অনেক ঠিকাদার চলে যাওয়ায় কাজগুলো আটকে যায়।বেশির ভাগ রাস্তার কাজ এরই মধ্যে শেষ হয়েছে, কিছু জায়গায় ফিনিশিং চলছে।যানজট ও অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে ইশরাক বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং সংশ্লিষ্টদের নিয়ে কমিটি করে কাজ করছেন।শুধু নীতিমালা করলেই হবে না, তা বাস্তবায়নও করতে হবে। প্রয়োজনীয় এলাকায় জোনভিত্তিক সীমিতসংখ্যক রিকশা চলাচলের সুযোগ দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা চলছে।সিটি করপোরেশনের সক্ষমতা নিয়ে তিনি বলেন, ঢাকায় প্রায় তিন কোটি মানুষ বসবাস করে। তাই সিটি করপোরেশনকে দোষারোপ না করে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে হবে। বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে তারা কাজ করছেন।ইশরাক বলেন, ঢাকায় সাতটি মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৪০টির বেশি সেবাদানকারী সংস্থা কাজ করে। সমন্বিত পরিকল্পনার অভাবে নগরের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তাই দীর্ঘমেয়াদি সমন্বিত পরিকল্পনা প্রয়োজন।মেয়র নির্বাচন প্রসঙ্গে ইশরাক হোসেন বলেন, দল প্রয়োজন মনে করলে তিনি মেয়র নির্বাচনে অংশ নিতে প্রস্তুত। আবার দল অন্য কাউকে প্রার্থী করলে তাকেও জয়ী করতে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবেন।

হাসিনাকে ফেরাতে আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি ভারতের রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন-শামা ওবায়েদ

হাসিনাকে ফেরাতে আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি ভারতের রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন-শামা ওবায়েদ

ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বাংলাদেশের প্রত্যাশিত আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি ভারতের রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।তিনি বলেছেন, আসামিদের ফেরত আনার জন্য যে প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া চলছে, তা দ্রুত সম্পন্ন করতে ভারত সরকার নজর দেবে বলে বাংলাদেশ আশা করে।রোববার (৪ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।সম্প্রতি ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনারের বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে এক সাংবাদিক জানতে চান, ২০২৪ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দিয়েছে এবং বিষয়টি আইনি ও রাজনৈতিক, এমন অবস্থানের পর প্রত্যর্পণের বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা আছে কি না।জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, আইনি প্রক্রিয়ার বিষয় তো রয়েছেই, তবে এর পাশাপাশি রাজনৈতিক সদিচ্ছাও থাকতে হবে।তিনি বলেন, আসামিদের ফেরত আনার জন্য যে এক্সট্রাডিশন (প্রত্যর্পণ) প্রক্রিয়া চলছে, তা যেন আরও দ্রুত সম্পন্ন হয়—ভারত সরকার সেই দিকে নজর দেবে বলেই আমরা আশা করি।বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান প্রত্যর্পণ চুক্তির ভিত্তিতে আসামিদের ফেরত আনা সম্ভব কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অবশ্যই, চুক্তি অনুযায়ী আসামিদের ফেরত আনা সম্ভব এবং সেই প্রক্রিয়াই এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।এদিকে প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফর নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুঞ্জনও নাকচ করেন শামা ওবায়েদ।প্রধানমন্ত্রী স্যান ফ্রান্সিসকো যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন, কিন্তু এফবিআইয়ের মামলা বা ভিসা জটিলতার কারণে যেতে পারেননি—এমন গুঞ্জনের বিষয়ে তিনি বলেন, গুঞ্জনে কান দেওয়া ঠিক নয়। আপনারা মিডিয়ার প্রতিনিধিরা সত্য যাচাই করে খবর প্রকাশ করবেন, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।তিনি বলেন, গত ছয় মাসে প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করেছেন। চীন ও মালয়েশিয়া সফরের পাশাপাশি জাতিসংঘ সফরও তিনি সংক্ষিপ্ত ও প্রয়োজনীয়ভাবে সম্পন্ন করেছেন। প্রয়োজনীয় দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় বৈঠক শেষে তিনি দেশে ফিরেছেন।শামা ওবায়েদ জানান, স্যান ফ্রান্সিসকোতে প্রধানমন্ত্রীর যাওয়ার কোনো পরিকল্পনাই ছিল না। বরং সেখানে আইসিটি উপদেষ্টা, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী, অর্থ উপদেষ্টা ও তিনি নিজে সমন্বয়ে একটি প্রতিনিধিদল পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল।যুক্তরাষ্ট্র সফরে ইউসি বার্কলে ও অ্যারিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক হলে শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলবে। হাই-টেক কোম্পানিগুলো বিনিয়োগ বা যৌথ উদ্যোগে এলে এর সুফলও পাওয়া যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।প্রধানমন্ত্রীর আগামী তুরস্ক সফর প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর তুরস্ক সফর রয়েছে। তবে কখন কোথায় সফর হবে, তা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবে।

 আন্তর্জাতিক আন্তর্জাতিক

সুরা আদিয়াতে মানুষের জন্য যে শিক্ষা রয়েছে

সুরা আদিয়াতে মানুষের জন্য যে শিক্ষা রয়েছে

মানুষের জীবনে প্রাপ্তি ও প্রত্যাশার হিসাব যেন কখনো শেষ হয় না। যা আছে, তার চেয়ে যা নেই অনেক সময় সেটিই আমাদের বেশি ভাবায়। জীবিকার পেছনে ছুটতে গিয়ে মানুষ ভুলে যায় জীবনের প্রকৃত উদ্দেশ্য। সম্পদ, সাফল্য ও ভোগের আকাঙ্ক্ষা কখনো এমন পর্যায়ে পৌঁছে যায় যে, মহান আল্লাহর অগণিত নেয়ামতের কথাই মানুষ ভুলে বসে। মাত্র ১১ আয়াতের সুরা আদিয়াত মানুষের এই দুর্বলতাগুলো অত্যন্ত শক্তিশালী ভাষায় তুলে ধরেছে।সুরাটি শুরু হয়েছে দ্রুতগতিতে ছুটে চলা ঘোড়ার দৃশ্য দিয়ে। এরপর আল্লাহ মানুষের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বভাবের কথা বলেছেন—‘নিশ্চয়ই মানুষ তার রবের প্রতি অকৃতজ্ঞ।’ (সুরা আদিয়াত, আয়াত ৬) তাফসিরকাররা ‘কানুদ’ শব্দের ব্যাখ্যায় এমন মানুষকে বোঝান, যে বিপদ-আপদ মনে রাখে, কিন্তু আল্লাহর দেওয়া অসংখ্য নেয়ামত ভুলে যায়।নেয়ামতের প্রতি কৃতজ্ঞ হতে হবেসুস্থতা, পরিবার, নিরাপদ জীবন, রিজিক, জ্ঞান ও সময়—এসবই আল্লাহর নেয়ামত। কিন্তু মানুষ অনেক সময় একটি অপূর্ণতার কারণে অসংখ্য প্রাপ্তিকে উপেক্ষা করে। সুরা আদিয়াত আমাদের শেখায়, শুধু মুখে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলাই যথেষ্ট নয়; বরং আচরণ ও জীবনযাপনের মাধ্যমেও আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে হবে।কৃতজ্ঞতার অন্যতম প্রকাশ হলো নেয়ামতকে সঠিক কাজে ব্যবহার করা। অর্থ পেয়েছি—তাই অন্যায় পথে ব্যয় করব না; জ্ঞান পেয়েছি—তাই মানুষের উপকারে কাজে লাগাব; ক্ষমতা পেয়েছি—তাই দুর্বলকে দমন করব না।সম্পদের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি বিপজ্জনকসুরাটির অষ্টম আয়াতে বলা হয়েছে, মানুষ সম্পদের ভালোবাসায় অত্যন্ত প্রবল। ইসলাম সম্পদ অর্জনকে নিষিদ্ধ করেনি। বরং হালাল উপায়ে উপার্জন ও প্রয়োজনীয় সম্পদ সংরক্ষণ বৈধ। কিন্তু সম্পদের প্রতি এমন আসক্তি, যা মানুষকে আল্লাহর বিধান, দায়িত্ব ও পরকালের কথা ভুলিয়ে দেয়—সেটিই বিপজ্জনক।সূরা আদিয়াতে মানুষের যে অকৃতজ্ঞ স্বভাবের কথা বর্ণিত হয়েছে আজকের জীবনে এই শিক্ষা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। বেশি আয়, বড় বাড়ি, দামি গাড়ি কিংবা সামাজিক মর্যাদা অর্জনের প্রতিযোগিতা যেন মানুষের বিবেক ও নৈতিকতাকে গ্রাস না করে। সম্পদ মানুষের হাতে থাকবে, কিন্তু মানুষের হৃদয়ের নিয়ন্ত্রক হয়ে যাবে না।গোপন কাজও একদিন প্রকাশ পাবেসুরার শেষ আয়াতগুলো মানুষকে আখিরাতের বাস্তবতার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। কবর থেকে মানুষকে পুনরুত্থিত করা হবে এবং অন্তরের গোপন বিষয়গুলো প্রকাশ করা হবে। সেদিন আল্লাহ মানুষের সব কর্মকাণ্ড সম্পর্কে পূর্ণ অবগত থাকবেন।এই শিক্ষা মানুষকে আত্মসংযমী হতে সাহায্য করে। মানুষের চোখ এড়িয়ে কোনো কাজ করা গেলেও আল্লাহর কাছ থেকে তা গোপন করা সম্ভব নয়। তাই প্রকাশ্য জীবনের পাশাপাশি অন্তরকেও পরিশুদ্ধ করা জরুরি।

৯ ঘণ্টা আগে
নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...

 সারাদেশ সারাদেশ

খাবার পরিবেশনে ওয়ান টাইম প্লেটে বাডছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি

খাবার পরিবেশনে ওয়ান টাইম প্লেটে বাডছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি

এখন বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় অনুষ্ঠানে খাবার টেবিলে বহুল ব্যবহৃত প্লেটের নাম ওয়ান টাইম প্লেট। যেটি দামে সস্তা ও পরিস্কারের ঝামেলা কম থাকায় সবাই ব্যবহার করেছেন। যদিও এগুলো মানব স্ব্যাস্থের ও পরিবেশের জন্য বিষসম তথাপি অবাধে ব্যবহার হচ্ছে। যে কোনো আচার অনুষ্ঠান যেমন বিয়ে, সুন্নাতে-খাতনা, মৃত্যুবার্ষিকী, মিলাদ-মাফিল, পিকনিক সহ হোটেল-রেস্তোরাঁয় খাবার পরিবেশনে বিষসম প্লাস্টিকের ওয়ান টাইম প্লেট দেওয়া হয়। এতে প্লেট থেকে খাবারে প্লাস্টিক মিশে মানবদেহে বিভিন্ন রোগ ব্যাধি ছড়িয়ে পড়ছে। কারণ প্লাস্টিকের তৈরি প্লেট গুলোতে প্লাস্টিক এবং রাসায়নিক উপাদান থাকে যা গরম খাবার রাখলে বা বেশি সময় ধরে খাবার রাখলে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। প্লাস্টিক প্লেটের একটি বড় সমস্যা হলো এগুলো পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এবং প্রায়শই এগুলো যত্রতত্র ফেলা হয়। এই প্লেটগুলো প্রায়ই পলিস্টাইরিন বা বিভিন্ন ধরনের প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি হয়। গরম খাবার পরিবেশনের সময় এদের থেকে বিষাক্ত রাসায়নিক, যেমন বিসফেনল-এ, স্টাইরিন নির্গত হতে পারে যা ক্যান্সার, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা সহ নানা রোগের কারণ হতে পারে। প্লাস্টিক কণার প্রভাবে মানবদেহে হতে পারে হৃদ্‌রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও হরমোনের সমস্যা। শিশুদের বিকাশেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। গর্ভের শিশুও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আবার সন্তান ধারণক্ষমতা কমে যাওয়ার কারণও হতে পারে প্লাস্টিক কণা। অন্যদিকে এই প্লেটগুলো বায়োডিগ্রেডেবল নয়, সহজে মাটিতে মিশে না, ফলে মাটি ও পানিদূষণ করে। এগুলোর পচন হতে শত বছর লেগে যায়। এতে পরিবেশের মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে ও কৃষি উৎপাদন ব্যহত করে। আবার প্লেট ব্যবহার শেষে সেগুলো ফেল হচ্ছে পুকুর, ডোবা, ড্রেন কিম্বা রাস্তার পাশে। ফলে দূষণ হচ্ছে পরিবেশ। সরেজমিনে কাশিনাথপুর  বাজার ঘুরে দোকানীদের সাথে কথা বলে জানা যায় ,  খাবার টেবিলে যে ওয়ান টাইম প্লেট ব্যবহার করা করা হয়, তার চাহিদা দিন-দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। যে কোনো ধরনের অনুষ্ঠানে খাবার পরিবেশনে প্লাস্টিকের তৈরি ওয়ান টাইম প্লেট ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে প্লেট পরিস্কারের ঝামেলা নেই তার পরেও দামে সস্তা। বাজারে আকার ভেদে  ওয়ান টাইম প্লেট  ১০০টি বড় প্লটের দাম ২৪০, ১০০ মাঝারি ১৬০ এবং ১০০ ছোট প্লেট ৯০ টাকায় বিক্রি হয়। সহজলভ্য ও ঝামেলাহীন হবার কারণে যে কোনো অনুষ্ঠানে ধনী-গরীব ব্যবহারে উদ্ভুদ্ধ হচ্ছে। বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতিসহ (বেলা) ১১টি সংগঠনের করা রিট আবেদনসুএে জানা যায়, প্লাস্টিক পণ্যের ব্যবহার নিষিদ্ধ করতে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিলো হাইকোর্ট। সেখানে বলা হয়েছিল এক বছরের মধ্যে দেশের সব  হোটেল, মোটেল এবং রেস্তোরাঁয় সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে একবার ব্যবহারযোগ্য এবং একই সঙ্গে সব উপকূলীয় অঞ্চলে ওয়ান টাইম প্লেট, পলিথিন, প্লাস্টিকের ব্যাগ বহন, বিক্রয়, ব্যবহার, বিপণন সম্পুর্ণ রূপে  নিষিদ্ধ করতে। অথচ দেশের প্রচলিত আইনের কোনো তোয়াক্কা না করেই অবাধে সারাদেশে এগুলো ব্যবহার, ক্রয়-বিক্রয় করা হচ্ছে। এতে দেশের জনগণের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি বয়ে আনছে। এ অবস্থায় ওয়ান টাইম প্লেটের বিকল্প হিসেবে কাগজের তৈরি প্লেট বা পণ্যর কথা ভাবছেন পরিবেশবিদরা।চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের অভিমত, খাবার টেবিলের ওয়ান টাইম প্লেটে রাখা গরম খাবার ও পানিয় গ্রহণে রক্তনালীর অসুখ, হৃদরোগ, নারীদের ব্রেস্ট ও অভারিয়ান ক্যান্সার, পুরুষের প্রোস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুকি থেকে যায়। এছাড়াও ওয়ান টাইম প্লেট মানবদেহের বিভিন্ন জটিল ও কঠিন  রোগ তৈরির জন্য দায়ী। এ বিষয়ে ফুলকুঁডি মডেল স্কুলের প্রধান  শিক্ষক আনিছুর রহমান (আনিছ) বলেন, গ্রামেও এখন বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্লাস্টিকের ওয়ান টাইম প্লেটে খাবার পরিবেশন করা হয়। কারণ এটি ব্যবহার সহজ পরিস্কারের ঝামেলা নেই।  যদিও পরিবেশ ও মানব স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতি কর প্লাস্টিকের ওয়ান টাইম প্লেট। তারপরেও মানুষ অবাধে এই ওয়ান টাইম প্লেট ব্যবহার করছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে, মোঃ মাহবুবুর রহমান (জনস্বাস্থ্য পুষ্টিবিদ) এমপিএইচ (মাস্টার্স অফ পাবলিক হেলথ) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, সাভার, ঢাকা। তিনি বলেন, ওয়ান টাইম প্লাস্টিক প্লেট বিসফেনল , স্টাইরিন এবং থ্যালেটস  সহ আরও অন্যান্য রাসায়নিক দিয়ে তৈরি হয়। তাই এই প্লেটে খাবার খেলে আমাদের শরীরে এই রাসায়নিকগুলো ঢুকে থাকে। আর এটি শরীরের হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে, হজমে সমস্যা, ডায়রিয়া, এমনকি দীর্ঘ মেয়াদি পেটে জ্বালাপোড়া তৈরি করে। এছাড়াও এই প্লেট নিয়মিত ব্যবহার করলে এটি ক্যান্সারের ঝুঁকিও বাড়ায়। তাই খাবার টেবিলে সিরামিকের প্লেট ব্যবহার করা উচিত । তিনি আরও বলেন শরীর সুস্থ থাকলেই জীবন উপভোগ করতে পারবেন। মনে রাখবেন, আরামের চাইতেও শরীরের সুস্থতা বড়।

১০ ঘণ্টা আগে

 রাজনীতি রাজনীতি

 শেখ হা‌সিনাকে আশ্রয় দেওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প ছিল না : দীনেশ ত্রিবেদী

শেখ হা‌সিনাকে আশ্রয় দেওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প ছিল না : দীনেশ ত্রিবেদী

২০২৪-এর ৫ আগস্টে বাংলা‌দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনাকে আশ্রয় দেওয়া ছাড়া ভারতের হাতে কোনো বিকল্প ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনা দীনেশ ত্রিবেদী।তি‌নি বলে‌ন, ‘শেখ হাসিনা যখন ভারত যান তিনি তখনও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তা‌কে আশ্রয় দেওয়া ছাড়া ভার‌তের কাছে তেমন কোনো বিকল্প ছিল না।’শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীতে পঞ্চম বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনে এক সেশনে প্রশ্নের জবা‌বে ভারতীয় হাইক‌মিশনার এ কথা ব‌লেন। শেখ হাসিনাকে প্রত্যার্পণ নি‌য়ে এক প্রশ্নের জবা‌বে দী‌নেশ ত্রিবেদী ব‌লেন, ‘এটা বলতে গেলে আমাদের একটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের মধ্য দিয়ে যেতে হবে। ভারত সরকার তাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের মাধ্যমে বারবার এর উত্তর দিয়েছে যে, এর একটি নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে এবং এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে আইনি বৈধতা জড়িত ও এটি বেশ সুগঠিত।’ তি‌নি ব‌লেন, ‘এ বিষয়ে বলতে গেলে প্রক্রিয়াটি চলছে এবং এটি আদালতের সঙ্গে জড়িত। তাই কেউ আপনাকে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা দিতে পারবে না।’দিনেশ ত্রিবেদী বলেন, ইতিহাসের দিকে ফিরে তাকালে শেখ হাসিনাকে আমাদের বিমানবাহিনী বা সেনাবাহিনী ভারতে নিয়ে যায়নি। সেসময় বাংলাদেশের মর্মান্তিক পরিস্থিতির কারণেই এমনটা হয়েছিল এবং আমরা আশা করি, প্রার্থনা করি যে, এমনটা যেন আর কখনো না ঘটে, যেখানে নির্দোষ মানুষ নিহত হয়। সেটা পৃথিবীর যে প্রান্তেই হোক না কেন।তি‌নি ব‌লেন, ‘সামরিক বিমানটি ভারতে এসেছিল, যার জন্য ভারত প্রস্তুত ছিল না। আমি টেলিভিশনে দেখছিলাম এবং স্ক্রলে লেখা আসছিল যে তিনি অন্য কোথাও, অন্য কোনো দেশে যাচ্ছেন। তাই সেই সময়ে, শেখ হাসিনা তখনও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। এ ব্যাপারে আমাদের কাছে তেমন কোনো বিকল্প ছিল না। প্রতিবেশী হিসেবে বাস্তবতাকে মেনে নেওয়া আমাদের দায়িত্ব ছিল।’ভারতীয় হাইক‌মিশনার ব‌লেন, ‘অনেক সময় পরিস্থিতি এমন হয় যেখানে আপনি এর জন্য প্রস্তুত থাকেন না। আমাদের কাছে আর কী বিকল্প ছিল? আমরা যদি বলতাম যে, না আমরা তাকে গ্রহণ করব না, আমরা ল্যান্ডিংয়ের অনুমতি দেব না, তবে পরিস্থিতি যে কী দাঁড়াতো তা আমার জানা নেই। সুতরাং এটিই হলো ঐতিহাসিক কারণ।’ তি‌নি আরও ব‌লেন, ‘বাকিটা আমার জানা নেই। আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, সে বিষয়ে আপনি পুরোপুরি নিশ্চিত থাকতে পারেন। বাংলাদেশের মতো ভারতও একটি প্রাণবন্ত গণতান্ত্রিক দেশ এবং আপনিও আইনি ব্যবস্থাকে সম্মান করবেন বলে আশা করি। আর আইনি ব্যবস্থা তার কাজ করছে।’ 

জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান ইনকিলাব মঞ্চের

জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান ইনকিলাব মঞ্চের

শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে দেশের চলমান সংকট মোকাবিলায় জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক দল নিয়ে জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়ে শরিফ ওসমান হাদি বলেন, বিএনপি অসহযোগিতা করলে তাদের জাতির কাছে জবাবদিহি করতে হবে। জামায়াত অসহযোগিতা করলে জবাবদিহি করতে হবে তাদেরও। এই সরকারের মেয়াদ হবে ১০ মাস থেকে এক বছর। যদি জাতীয় সরকার না করতে পারেন তাহলে জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল গড়ে তোলেন। জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল প্রধান হবেন ড. ইউনূস। সব রাজনৈতিক দল থেকে সেখানে প্রতিনিধি থাকবে সদস্য হিসাবে। তাদের সাংবিধানিক মর্যাদা হবে ক্যাবিনেট মন্ত্রী পরিষদের মতো। তারা মন্ত্রী হবেন না, উপদেষ্টা হবেন না কিন্তু ওয়াচডগ হিসাবে কাজ করবেন।জুলাই ঘোষণাপত্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত জুলাই ঘোষণাপত্রের কার্যক্রম না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে কোনো লাভ নেই। যদি জুলাই ঘোষণাপত্র না আসে, যারা জুলাইয়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন দিল্লির সঙ্গে মিলে আওয়ামী লীগ তাদের কচুকাটা করবে। জুলাই ঘোষণাপত্র সাংবিধানিক স্বীকৃতি পেলেই আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ হবে।

সরকারের কাছে পাঁচ দাবি জানিয়েছে এনসিপি

দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত

সরকারের কাছে পাঁচ দাবি জানিয়েছে এনসিপি

সরকারের কাছে পাঁচ দাবি জানিয়েছে এনসিপি

দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত

সরকারের কাছে পাঁচ দাবি জানিয়েছে এনসিপি

প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগ আমরা চাই না: নুর

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে যে ঐক্য গড়ে উঠেছিল সেখানে ফাটল দেখা দিয়েছে মন্তব্য করে নুর বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ছাত্রদের ওপর বিরক্ত। গণহত্যার বিচার, রাষ্ট্রীয় সংস্কার, নির্বাচন সবই প্রয়োজন। কিন্তু নির্বাচন নিয়ে কথা বললেই কোনো সদুত্তর নেই। প্রধান উপদেষ্টাকে ঘিরে আছে ওয়ান ইলেভেনের দুষ্টু চক্র।নুর বলেন, বাংলাদেশে অনির্বাচিত সরকার থাকলে সংকট কাটবে না। সংকট কাটাতে নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ প্রয়োজন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ আলোচনা না করেই করিডরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কীভাবে! বিভিন্ন প্রসঙ্গে এর আগে জাতীয় সংলাপ হয়েছে, কিন্তু এখন কেন ডাকা হচ্ছে 

প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগ আমরা চাই না: নুর

ইশরাককে শপথ না করালে আদালত অবমাননা মামলা: ব্যারিস্টার মাহবুব

উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু হানিফের সভাপতিত্বে পৌরসভার দৌলতপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহাবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদ, আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী রাবেয়া বসরী প্রমুখ।

ইশরাককে শপথ না করালে আদালত অবমাননা মামলা: ব্যারিস্টার মাহবুব
.
আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...

আইন-কানুন

সকল জেলার খবর

আর্কাইভ

 অর্থনীতি অর্থনীতি

এলপি গ্যাসের দাম আরও বাড়ছে, ঘোষণা আসছে

এলপি গ্যাসের দাম আরও বাড়ছে, ঘোষণা আসছে

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম আরও বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ১২ কেজির এলপিজির সিলিন্ডারের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা। যা এতদিন ছিল ১ হাজার ৫৮৫ টাকা। সে হিসাবে দাম বাড়ছে ২৫২ টাকা। সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আজ (৪ অক্টোবর) কিছুক্ষণের মধ্যেই এলপিজির নতুন দাম (অক্টোবরের জন্য) ঘোষণা করবে।বাজারে গ্যাস সিলিন্ডারের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে কয়েকটি এলপিজি অপারেটর (কোম্পানি) বড় ধরনের মুনাফা তুলে নিতে পাঁয়তারা করছে বলে দুটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। সংস্থা দুটি সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে জানানোয় শনিবার দেশের এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোটাব) সঙ্গে বৈঠক করেছেন জ্বালানিমন্ত্রী। সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এলপিজি মজুতের বিষয়টি তোলা হয়। বিভিন্ন সংস্থা ও এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী দেশে চাহিদামতো এলপিজি আমদানি করা হয়েছে উল্লেখ করে বলা হয়-তবে সংকট কেন? কেনই বা বাড়তি দাম নেওয়া হচ্ছে। এ ব্যাপারে লোটাব নেতাদের কাছে জবাব চাওয়া হয়। অভিযোগ অস্বীকার করে লোটাব নেতারা জানান, এলপিজির দাম বেশি বাড়ানো হলে কিছুটা স্থিতিশীলতা আসতে পারে। কারণ আন্তুর্জাতিক বাজারে এলপিজির দাম অনেক বেশি। বৈঠকের পর এ ব্যাপারে জানতে জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের কাছে বারবার প্রশ্ন করা হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।বৈঠকে উপস্থিত একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, অপারেটরা আজ (রোববার) থেকে এক লাফে বেশি দাম বাড়ানোর পক্ষে। দাম বাড়ালে তাদের আমদানির সুবিধা হবে। এ ক্ষেত্রে তাদের চাহিদামতো দাম বিইআরসি বাড়াচ্ছে না বলে জ্বালানিমন্ত্রীর কাছে লোটাব নেতারা অভিযোগ করেন।জানা গেছে, ২২ সেপ্টেম্বরের পর বাজারে এলপিজির মহাসংকট চলছে। ১ হাজার ৫৮৫ টাকার এলপিজি বিক্রি হচ্ছে আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ ও জাহাজ ভাড়া বৃদ্ধির কারণে বিশ্ববাজারে এলপিজির আমদানি খরচ কিছুটা বেড়েছে। এ সুযোগে অনেক অপারেটর এলপিজি মজুত করে রেখেছে। সরকারি গোয়েন্দা এজেন্সিগুলোর তথ্য অনুযায়ী-অনেক এলপিজি অপারেটর আগেভাগে তাদের ট্যাংকারে এলপিজি মজুত করেছে অথবা ৩০ সেপ্টেম্বরের আগে বঙ্গোপসাগরের সীমার কাছে এলপিজির জাহাজ ভাসিয়ে রেখেছে।