বাঙালির বাংলাদেশ
সর্বশেষ

জাতীয়

মতামতমতামত

‘কাজ শেষ না করে আমরা কোথাও যাচ্ছি না’

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগ করছেন না উল্লেখ করে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, আমরা আমাদের কাজ শেষ না করে কোথাও যাচ্ছি না। শনিবার একনেক বৈঠকের পর হওয়া উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে শুরু হওয়া বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টিকারী বিষয়গুলো চিহ্নিত করা এবং সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগের বিষয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, তিনি চলে যাবেন বলেননি। তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) বলেছেন, আমরা যে কাজ করছি, আমাদের সামনে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাতে অনেক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু আমরা সব বাধা অতিক্রম করব।অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর অর্পিত দায়িত্বের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ এর ওপর নির্ভর করছে। আমরা এ দায়িত্ব ছেড়ে যেতে পারি না।পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, আমরা দেখছি বিভিন্ন জায়গা থেকে কী কী বাধা আসছে, কে কী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং আমরা এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কী কী প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে।উপদেষ্টা রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, বিচার বিভাগ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসহ সব পক্ষের সমর্থন চেয়ে বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে থাকা সব শক্তি এবং সব রাষ্ট্রীয় সংস্থাকে আমরা এ লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করার আহ্বান জানাব। এটা শুধু আমাদের একার দায়িত্ব নয়।ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ আরও বলেন, উপদেষ্টারা স্বপ্রণোদিতভাবে এখানে আসেননি। তবে তাদের একটি জাতীয় দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে এবং তারা তা ছেড়ে যাবেন না।আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের রূপরেখা নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করেননি উপদেষ্টা।

এলডিসির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নীতির পুনর্মূল্যায়ন জরুরি

বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি নীতিমালা  : এলডিসি পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয়তা এবং চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত অধ্যাপক লুৎফে সিদ্দিকী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান।মূল প্রবন্ধে ড. সেলিম রায়হান বলেন, রাজস্ব খাতে সংস্কারের অভাব এবং প্রত্যক্ষ করের মাধ্যমে কর বৃদ্ধিতে সরকারের ব্যর্থতার ফলে পরোক্ষ কর ও আমদানি করের ওপর ব্যাপক নির্ভরতা দেখা দিচ্ছে। প্রতিযোগী দেশগুলোর চেয়ে বাংলাদেশের আমদানি শুল্ক হার অনেক বেশি। রপ্তানি খাতও শুধু তৈরি পোশাকে সীমাবদ্ধ। তাও আবার পোশাকের প্রবৃদ্ধি নগদ প্রণোদনা ও কর ছাড়ের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এলডিসি উত্তরণ পরবর্তী চাপ সামলাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি নতুন রপ্তানি পণ্য ও নতুন বাজার খোঁজা উচিত।প্রধান অতিথির বক্তব্যে লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যকার কাঠামোগত সংস্কার জরুরি। তবে যে গতিতে বর্তমানে সংস্কার কার্যক্রম সম্পন্ন হচ্ছে তা প্রয়োজনের তুলনায় বেশ কম। সত্যিকার অর্থে শিল্প খাতসহ অন্য সেক্টরে কোনো দীর্ঘমেয়াদে রোডম্যাপ নেই, যা হতাশার বিষয়। এলডিসি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের পাশাপাশি সরকারের সংস্থাগুলোর মধ্যকার সমন্বয় বাড়ানো প্রয়োজন।প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশকে এলডিসি উত্তরণ করতেই হবে। এখান থেকে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই। তবে এলডিসি পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের উচ্চমানের তৈরি পোশাক, ওষুধ এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের ওপর বেশি হারে মনোযোগী হতে হবে। তিনি আরও বলেন, এলডিসি উত্তরণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিল্প-কারখানা এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা মধ্যে সমন্বয় ও পারস্পরিক আস্থা-বিশ্বাস বৃদ্ধির বিকল্প নেই। সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য (কাস্টমস) কাজী মোস্তাফিজুর রহমান এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানে নির্ধারিত আলোচনায় অংশ নেন বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ফজলুল হক, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের জয়েন্ট চিফ (ইন্টারন্যাশাল কো-অপারেশন ডিভিশন) মসিউল ইসলাম, বেসিসের সাবেক সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর, ডেল্টা ফার্মা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. জাকির হোসেন এবং ফকির ফ্যাশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফকির কামরুজ্জামান নাহিদ প্রমুখ।

অনিয়মে জর্জরিত ‘ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স’, ঝুঁকিতে ব্যান্ডউইথ নিরাপত্তা

নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়মকানুন উপেক্ষা করে একে একে আইআইজি, আইটিসি, আইজিডব্লিউসহ ইন্টারনেট-টেলিকম খাতের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ লাইসেন্স দখলে নেয় আওয়ামী সুবিধাভোগী এ প্রতিষ্ঠান। এসব লাইসেন্স অর্জনে রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রশাসনিক সুবিধা ব্যবহার করা হয়েছে বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা।সংশ্লিষ্ট সূত্র ও নথি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি), দেশের অভ্যন্তরের আইটিসি প্রতিষ্ঠান এবং এয়ারটেল ও টাটার মতো শীর্ষ ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে ওয়ান এশিয়ার মোট বকেয়ার পরিমাণ ২৩ কোটি টাকারও বেশি। বিটিআরসির কাছেই এর বকেয়া প্রায় ৪ কোটি টাকা। বিএসসিসিএল-এর কাছে রয়েছে আরও ১ কোটি টাকার বেশি। অপরদিকে টেলিকম জায়ান্ট এয়ারটেল তাদের ১৩ কোটি টাকার এবং টাটা ৫ কোটি টাকার বকেয়া দাবি করছে। এদিকে বকেয়া আদায়ে নানাভাবে চেষ্টা করে না পেয়ে ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স-এর বিরুদ্ধে বিএসসিপিএলসি ঢাকা জেলা জজ আদালতে ‘আরবিট্রেশন মামলা’ দায়ের করে। এর রায়ে তারা জয়ী হয়। সেই রায়ের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি ‘অ্যাওয়ার্ড এক্সিকিউশন মামলা’ করে, যা এখনো চলমান রয়েছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তারা সরকারের নীতিনির্ধারকদের কাছে বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, যেন লাইসেন্স বাতিল না হয় এবং তাদের ব্যবসা চালু রাখা যায়। ইতোমধ্যে নিয়মবহির্ভূতভাবে তারা এনওসিও নিয়েছে বলে জানিয়েছে বিটিআরসির একটি সূত্র।ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স একসময় আইআইজি, আইটিসি ও আইজিডব্লিউ লাইসেন্স নিয়ে টেলিকম বাজারে প্রবেশ করলেও সময়ের সঙ্গে শর্ত লঙ্ঘন করে একাধিক অনিয়মে জড়িয়ে পড়ে। তাদের মালিকানাধীন বেঙ্গল ব্রডব্যান্ড ২০১৬ সালে ডিভিশনাল আইএসপি লাইসেন্স পেলেও নবায়ন না করেই বর্তমানে অবৈধভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি এর মালিকানাধীন প্রিজমা ডিজিটাল নেটওয়ার্কের রয়েছে ন্যাশন ওয়াইড আইএসপি লাইসেন্স।এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বারবার মোবালইল ফোনে কল, হোয়াটসঅ্যাপ ও এসএমএসে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় ওয়ান এশিয়া অ্যালায়ন্সের মূল প্রতিষ্ঠান বেঙ্গল কমিউনিকেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসফারিয়া খায়েরের সঙ্গে। তবে তিনি সাড়া দেননি। পরে পুনরায় চেষ্টা করলে দেখা যায়, তিনি প্রতিবেদকের নম্বরই ব্লক করে দিয়েছেন।বিটিআরসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্সকে মোট বকেয়ার ৫০ শতাংশ এককালীন পরিশোধ এবং বাকি অংশ কিস্তিতে পরিশোধের শর্তে এনওসি প্রদান করা হয়েছে। তবে নির্ধারিত ১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠানটি এ পর্যন্ত মাত্র ১ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে বলে তিনি জানান।ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি) সভাপতি ইমদাদুল হক বলেন, আইএসপি সেক্টরের সেবাদান নির্ভর করে আইআইজি ও ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারীদের ওপর। কেউ যদি কোটি টাকা বকেয়া রেখে অনিয়ম করে, তা গ্রাহকের নিরাপত্তা ও নিরবচ্ছিন্ন সংযোগের জন্য হুমকি। তবে নেপথ্যে যদি নীতিগত বা কাঠামোগত কোনো সমস্যা থাকে, সেটাও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, টেলিযোগাযোগ খাতের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম নিয়ম ও নীতিমালার আলোকে পর্যালোচনা জরুরি। এক্ষেত্রে যদি কোনো প্রতিষ্ঠান বকেয়া বা নীতিগত ব্যত্যয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাহলে তা ন্যায্যতার ভিত্তিতে সমাধান হওয়া উচিত। বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসলাম হোসেন যুগান্তরকে বলেন, দীর্ঘদিন তাগাদা দিলেও প্রতিষ্ঠানটি পাওনা পরিশোধ করেনি, চিঠির জবাবও দেয়নি। এখন তাদের কাউকে খুঁজেও পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে মামলা করেছি।ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব যুগান্তরকে বলেন, আমরা চাই, ব্যবসায়ীরা স্বচ্ছন্দে ব্যবসা করুক, গ্রাহকদের সেবা দিক। কিন্তু সরকারের পাওনা পরিশোধ না করে কেউ যদি অনিয়মে জড়ায়, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

অধ্যাদেশ বিলুপ্তির দাবিতে কর্মবিরতি কর্মসূচি চলবে

ন কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে তাদের স্লোগান দিতে দেখা যায়। এনবিআরের অধীনস্থ সারা দেশের অন্য সব অফিসেও একইভাবে কর্মসূচি পালিত হয়। ঢাকা ও চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে বিকাল ৩টা পর্যন্ত কোনো কাজ হয়নি। ভ্যাট ও কর অফিসেও সেবা বন্ধ ছিল। তবে রপ্তানি ও আন্তর্জাতিক যাত্রীসেবা কাযক্রম চলমান ছিল। শনিবার এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন কাস্টমসের অতিরিক্ত কমিশনার এদিপ বিল্লাহ, উপকর কমিশনার মোস্তফিজুর রহমান, সহকারী কর কমিশনার ইশতিয়াক হোসেন। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক, যা ইতোমধ্যেই দেশের প্রথিতযশা অর্থনীতিবিদ ও থিংকট্যাংকসহ সর্বমহলে স্বীকৃতি পেয়েছে। এনবিআর তথা রাজস্ব প্রশাসনের আমূল সংস্কার আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি। তবে এই সংস্কার হতে হবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বীকৃত সর্বোত্তম ব্যবস্থা ও পদ্ধতির অনুরূপ। দেশের স্বার্থ ও উন্নয়ন দর্শন এতে সঠিকভাবে প্রতিফলিত হতে হবে। এছাড়া রাজস্ব প্রশাসন অধিকতর কার্যকর, প্রগতিশীল ও দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে এবং এ সংস্কার বিশেষ কারও স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হবে না। কিন্তু রাজস্ব ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের স্বার্থে আমাদের এমন যৌক্তিক দাবি মেনে নিতে সরকার কেন, কী কারণে এবং কাদের প্ররোচনায় বিলম্ব করছে, তা বোধগম্য নয়।    এতে আরও বলা হয়, আজ (শনিবার) সকাল থেকেই এনবিআর ভবনের অভ্যন্তরে এবং বাইরে বিপুলসংখ্যক পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি রয়েছে। এ বিষয়টি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মনে নানা ধরনের প্রশ্নের উদ্রেক করেছে। ক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলছেন, এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আন্দোলন করতে বাধ্য হয়েছে। কিন্তু এখন দেখছি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা হচ্ছে। তবে রোববারও একইভাবে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেখানে হস্তক্ষেপ করবে, সেখানে তারা প্রেস ব্রিফিং করবেন।ভিন্নমত যাদের: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর ও কাস্টমস ক্যাডারের কয়েকজন সিনিয়র কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, ‘দাবি আদায়ের নামে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এখন যা হচ্ছে তা রীতিমতো সরকার ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অবস্থান। এটি সম্পূর্ণ শৃঙ্খলাপরিপন্থি কাজ, সরকারি কর্মচারী আচরণবিধি এসব কর্মকাণ্ড পারমিট করে না।’ তারা মনে করেন, এনবিআর বিলুপ্ত করে যে গেজেট করা হয়েছে সেখানে প্রত্যাশার অনেক কিছু চলে এসেছে। যেটুকু অবশিষ্ট আছে তা পরবর্তী সংশোধনী ও বিধি প্রণয়নের মাধ্যমে সংযোজন করা সম্ভব। এজন্য এভাবে আন্দোলন করার প্রয়োজন ছিল না। বিষয়টিকে পুনরায় আলোচনার টেবিলে নিয়ে গেলে ভালো হতো। 

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ২ জন
১

‘রোগের প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করাই দক্ষ চিকিৎসকের পরিচয়’

২

তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ

৩

রিয়াদের আকাশে তিন ড্রোন ভূপাতিত করেছে সৌদি

৪

বিশ্ব ইজতেমার তারিখ ঘোষণাসহ ছয় দফা দাবি সাদপন্থিদের

৫

মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে

৬

দেশে আটকে পড়া সৌদি প্রবাসীদের ভিসার মেয়াদ নিয়ে যা বললেন প্রতিমন্ত্রী

৭

চুয়েটে না ফেরার শর্তে পুলিশি পাহারায় ক্যাম্পাস ছাড়লেন ভিসি

৮

নতুন রূপে নগদ অ্যাপ, অবারিত হবে সম্ভাবনার দুয়ার

৯

বিএনপির সংসদীয় দলের সভা আজ

১০

প্রায় দেড় কোটি টাকার ভারতীয় জিরাসহ কাভার্ডভ্যান আটক

সর্বশেষ সব খবর
১

নীরব ঘাতক থাইরয়েড ক্যানসার, এই ৬ লক্ষণ দেখলেই সতর্ক হোন

২

ডিসেম্বরের আগে গঙ্গা চুক্তি, মার্চের মধ্যে পদ্মা ব্যারেজ

৩

রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১২

৪

সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে বার্তা, প্রস্তুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

৫

‘শিক্ষাঝুঁকিতে’ দেড় লাখ রোহিঙ্গা শিশু, অন্ধকারেও আলো ছড়াচ্ছে অদম্যরা

৬

আজকের স্বর্ণের দাম: ৮ অক্টোবর ২০২৬

৭

বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠক আজ

৮

ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

৯

শিশুদের মেধা বিকাশে সুযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

১০

পরবর্তী ধাপ নিয়ে সিদ্ধান্তের অপেক্ষা মালয়েশিয়ায় বিনা খরচে ১০ হাজার কর্মী পাঠানোর উদ্যোগ

জনপ্রিয় সব খবর
লিংক কপি করা হয়েছে!

জাতীয়

তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ

তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ

তিস্তা প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা এবং প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে নেদারল্যান্ডস। এ বিষয়ে দেশটির সরকারের আগ্রহকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ।মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের বৈদেশিক বাণিজ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতাবিষয়ক মন্ত্রী শুর্দ শুর্দসমার নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন এ তথ্য জানান।তিনি বলেন, বৈঠকে বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, তিস্তা প্রকল্পে সম্ভাব্য কারিগরি সহায়তা, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, কৃষি এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।বৈঠকে নেদারল্যান্ডসের মন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগ ও সহযোগিতা সম্প্রসারণের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার করার এখনই উপযুক্ত সময়। পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, আন্তঃসীমান্ত নদী ব্যবস্থাপনা, গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করতে পারে।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডস উভয়ই বদ্বীপ রাষ্ট্র। তাই অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের সহযোগিতা সম্প্রসারণের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। এ সময় ভূমি পুনরুদ্ধারে নেদারল্যান্ডসের অভিজ্ঞতার বিষয়ে বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।নেদারল্যান্ডসের মন্ত্রী পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, ভূমি পুনরুদ্ধার, চর উন্নয়ন ও অভিযোজনক্ষম নদীব্যবস্থাপনায় দুই দেশের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।বৈঠকে মুক্ত বাণিজ্য এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা হয়। মুক্ত বাণিজ্যের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন নেদারল্যান্ডসের মন্ত্রী। এ সময় ইইউর সঙ্গে বাংলাদেশের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয় এবং এ ক্ষেত্রে নেদারল্যান্ডসের সহযোগিতা কামনা করে বাংলাদেশ।বাংলাদেশের চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারের নেওয়া উদ্যোগ সম্পর্কেও জানতে চান নেদারল্যান্ডসের মন্ত্রী। একই সঙ্গে বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানিবিষয়ক পরিকল্পনার প্রশংসা করেন তিনি।বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও আলোচনা হয়। বাংলাদেশ জানায়, এ সংকটের মূল উৎস মিয়ানমারে এবং এর টেকসই সমাধানও সেখানেই নিহিত। রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করার বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করা হয়। এ সংকট সমাধানে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় পর্যায়ে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদারের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।কৃষি খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়েও আলোচনা হয়। এ খাতে বাংলাদেশকে সহায়তা দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে নেদারল্যান্ডস। দেশটির অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা কাজে লাগিয়ে দুই দেশের সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়েও কথা হয়।প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জানান, বৈঠকে বাংলাদেশের গণতন্ত্র সুসংহত করা এবং মানবাধিকার সুরক্ষার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি অতীতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে তাঁর সরকার দেশে মানবাধিকার সুরক্ষা ও সুসংহত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।বৈঠকের শেষ পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নেদারল্যান্ডস সফরের আমন্ত্রণ জানান দেশটির মন্ত্রী শুর্দ শুর্দসমার।বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদি আমীন এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত ইওরিস ভ্যান বোমেলসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে

মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে

বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের পরিত্যক্ত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে রাষ্ট্রের কল্যাণে কাজে লাগানো হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।তিনি বলেন, এসব সম্পদে নতুন প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি সরকারের রাজস্ব আয় বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের সম্পত্তি ও পাহাড়ি জমি পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন মন্ত্রী।আহমেদ আযম খান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী দেশের সরকারি স্থাপনা ও সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের অধীন সম্পদগুলো কীভাবে রাষ্ট্রের কল্যাণে সর্বোত্তমভাবে ব্যবহার করা যায়, তা নিয়ে সরকার কাজ করছে।তিনি বলেন, বিগত ১৭ বছরে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের সম্পদগুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছিল। এসব সম্পদ বিক্রি করে মন্ত্রণালয় ও ট্রাস্টকে ক্রমেই শূন্যের দিকে নিয়ে যাওয়ার ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত ছিল।ইস্টার্ন কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের প্রায় ১০ একর জমি দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত রয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এত বড় সম্পদ অব্যবহৃত পড়ে থাকলে রাষ্ট্রের ব্যাপক ক্ষতি হয়। এই ক্ষতি আর হতে দেওয়া হবে না। জমিটিতে কী ধরনের প্রকল্প গ্রহণ করা যায় এবং এর মাধ্যমে রাষ্ট্রের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ কীভাবে সৃষ্টি করা সম্ভব, তা যাচাই করতেই সরেজমিন পরিদর্শন করা হয়েছে।মন্ত্রী আরও বলেন, ঢাকায় ফিরে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে রাষ্ট্রের স্বার্থ, স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান এবং ১০ একর জমির সর্বোত্তম ব্যবহার—এই তিনটি বিষয় বিবেচনায় নিয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।এ সময় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের সম্পত্তিতে ভবিষ্যতে গঠনমূলক ও উৎপাদনশীল প্রকল্প গ্রহণের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে স্থানীয় কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধিতে অবদান রাখার লক্ষ্য রয়েছে।তিনি বলেন, ইস্টার্ন কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পরিত্যক্ত কারখানা পরিদর্শনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হচ্ছে। এসব তথ্য পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণের পর সম্ভাব্যতা সমীক্ষার (ফিজিবিলিটি স্টাডি) মাধ্যমে কী ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন করা যায়, তা নির্ধারণ করা হবে।পরিদর্শনকালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং রাঙ্গুনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উপস্থিত ছিলেন।

দেশে আটকে পড়া সৌদি প্রবাসীদের ভিসার মেয়াদ নিয়ে যা বললেন প্রতিমন্ত্রী

দেশে আটকে পড়া সৌদি প্রবাসীদের ভিসার মেয়াদ নিয়ে যা বললেন প্রতিমন্ত্রী

রিয়াদ বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনায় ফ্লাইট স্থগিত হওয়ায় কয়েক হাজার সৌদি প্রবাসী দেশে আটকা পড়েছেন। তাদের মধ্যে অনেকের ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আটকে পড়া বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসার মেয়াদ বাড়িয়ে কর্মস্থলে ফেরানোর জন্য দ্বিপক্ষীয় আলোচনার চেষ্টা করছে সরকার। তবে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতিতে এই আলোচনা কিছুটা কঠিন বলে জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক।মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অভিবাসনবিষয়ক গবেষণা সংস্থা রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিটের (রামরু) একটি অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা জানান।প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বলেন, যেসব কর্মীর ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার উপক্রম হয়েছে, তাদের ভিসার মেয়াদ বাড়িয়ে কর্মসংস্থানে ফেরানোর বিষয়ে সৌদি আরবসহ সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা চলছে। এর আগে ভিসার মেয়াদ বাড়িয়ে কর্মীদের কর্মস্থলে ফেরার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।নুরুল হক বলেন, সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো এ ধরনের বিষয়ে সাধারণত আন্তরিক থাকে। তবে সাম্প্রতিক ঘটনার পর পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে। সৌদি আরবও বর্তমানে সংকটের মধ্যে থাকায় আলোচনা চালানো কঠিন। তারপরও একটি সমাধান হবে বলে আশা করছি।রিয়াদে সাম্প্রতিক হামলায় বাংলাদেশি নাগরিকদের হতাহত হওয়ার ঘটনায় সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাস সক্রিয়ভাবে কাজ করছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, ঘটনার পর থেকেই রাষ্ট্রদূত ও দূতাবাসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসাধীন বাংলাদেশিদের খোঁজখবর নিয়েছেন।

বিএনপির সংসদীয় দলের সভা আজ

বিএনপির সংসদীয় দলের সভা আজ

সংসদের পরবর্তী অধিবেশনের তারিখ চূড়ান্ত না হলেও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সংসদীয় দলের সভা ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টায় জাতীয় সংসদ ভবনে সরকারি দলের সভাকক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।সভায় সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রীও সংসদ নেতা  তারেক রহমান।  বিএনপির  দায়িত্বশীল নেতাদের তথ্যে জানা যায় সভায় দলের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সংবিধান সংশোধন এবং আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হতে পারে।সাধারণত জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরুর এক বা দুই দিন আগে কিংবা অধিবেশন চলাকালে সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হয়।  তবে এবার পরবর্তী অধিবেশনের দিনক্ষণ নির্ধারণের আগেই এ সভা আহ্বান করা হয়েছে।

 আন্তর্জাতিক আন্তর্জাতিক

রিয়াদের আকাশে তিন ড্রোন ভূপাতিত করেছে সৌদি

রিয়াদের আকাশে তিন ড্রোন ভূপাতিত করেছে সৌদি

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের আকাশে আরও তিনটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে দেশটির নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি এ তথ্য জানান।তবে ড্রোনগুলো কোথা থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল কিংবা রিয়াদের কোন স্থাপনা লক্ষ্য করে পাঠানো হয়েছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি তিনি।গত এক সপ্তাহে ইয়েমেনের হুথি নিয়ন্ত্রিত এলাকা থেকে রিয়াদে একাধিকবার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে গত রোববারের হামলাটি ছিল সবচেয়ে প্রাণঘাতী। ওই দিন রিয়াদ বিমানবন্দরের একটি টার্মিনালে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানলে ১২ জন নিহত এবং তিন শতাধিক মানুষ আহত হন। নিহতদের মধ্যে দুজন বাংলাদেশি ছিলেন। এ ছাড়া গুরুতর আহত চার বাংলাদেশি বর্তমানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।হুথিদের বিরুদ্ধে ইসরাইলের সহায়তা নিতে রাজি হননি সৌদি যুবরাজইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে সৌদি আরবকে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছিলেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তবে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান সেই প্রস্তাবে সম্মতি দেননি। ইসরাইলের সহায়তা গ্রহণ করলে সৌদি জনগণের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই তিনি প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেন বলে জানা গেছে।মঙ্গলবার ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম ‘হারেৎজ’ এক কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করেছে।সূত্রের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে নেতানিয়াহু সৌদিকে সহায়তা করার উদ্দেশ্যে হুথিদের ওপর হামলার প্রস্তাব দেন। সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করা এবং ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে।তবে সৌদি যুবরাজের আশঙ্কা ছিল, ইসরাইলের সঙ্গে এ ধরনের সামরিক সহযোগিতা দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। এ কারণেই তিনি প্রস্তাবে রাজি হননি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।২০২০ সালে আব্রাহাম চুক্তির আওতায় সুদান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মরক্কোর সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে ইসরাইল। তবে দেশটির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা। ইসলামি বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী দেশটির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক গড়ে তুলতে দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুও আব্রাহাম চুক্তির আওতা আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়ে আসছেন।

১২ ঘণ্টা আগে
নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...

 সারাদেশ সারাদেশ

‘রোগের প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করাই দক্ষ চিকিৎসকের পরিচয়’

‘রোগের প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করাই দক্ষ চিকিৎসকের পরিচয়’

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, রোগীর তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দেওয়াই একজন চিকিৎসকের একমাত্র দায়িত্ব নয়। রোগের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান, পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণ এবং চিকিৎসার পরবর্তী ধাপগুলো অনুসরণ করাও জরুরি। পাশাপাশি রোগীর প্রতি মানবিক আচরণ, নিয়মিত জ্ঞানচর্চা ও গবেষণার মাধ্যমে নিজেদের দক্ষ করে তুলতে হবে।মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল মেডিকেল কলেজের ১৫তম ব্যাচের (২০২৫-২০২৬) ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ইন্টার্নশিপ সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, এমবিবিএস পাসের পর এক বছরের ইন্টার্নশিপ চিকিৎসকদের পেশাগত জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এ সময়ে অর্জিত ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা তাদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের ভিত্তি তৈরি করে। তাই ইন্টার্নশিপের প্রতিটি ধাপে নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। চিকিৎসক হিসেবে দক্ষতা বাড়াতে ইন্টার্নশিপ শেষ হওয়ার পরও পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হবে। এফসিপিএস, এমডি ও এমএসের মতো উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি গবেষণায়ও মনোযোগী হতে হবে।তিনি আরও বলেন, রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শুধু উপসর্গের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিলে চলবে না। রোগের প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে হবে। উদাহরণ হিসেবে ফুসফুসে পানি জমার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের সংক্রমণ, যক্ষ্মা কিংবা ক্যানসারসহ বিভিন্ন কারণে এ সমস্যা হতে পারে। তাই প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণ করে রোগের কারণ নির্ণয় করতে হবে।তিনি বলেন, রোগীর নমুনা সংগ্রহ থেকে শুরু করে পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণ এবং পরবর্তী চিকিৎসার সিদ্ধান্ত— প্রতিটি ধাপে শেখার মানসিকতা বজায় রাখা জরুরি। চিকিৎসাবিজ্ঞানের জ্ঞান প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। তাই একজন চিকিৎসককে পেশাগত জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে জ্ঞানচর্চা অব্যাহত রাখতে হবে।ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার পরিস্থিতি তুলে ধরে মেয়র বলেন, সংক্রামক রোগের বিস্তার ও প্রকৃতি বুঝতে তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং গবেষণার বিকল্প নেই। বিভিন্ন বছরের রোগী ও মৃত্যুর পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করলে রোগের প্রবণতা এবং প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমের কার্যকারিতা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।মেয়র জানান, ডেঙ্গু পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও গবেষণার জন্য চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন একটি দল নিয়ে কাজ করছে। রোগের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরতে অনুমাননির্ভর বক্তব্যের পরিবর্তে যাচাই করা তথ্য ও নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করতে হবে।তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম জেলায় ডেঙ্গুতে ২০২২ সালে ৪১ জন, ২০২৩ সালে ১০৭ জন, ২০২৪ সালে ৪৫ জন এবং ২০২৫ সালে ২৭ জনের মৃত্যু হয়। চলতি বছরের আগের দিন পর্যন্ত জেলায় ডেঙ্গুতে ২৪ জনের মৃত্যুর তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, তাদের মধ্যে ১০ জন নগরের বাসিন্দা এবং ১৪ জন জেলার অন্যান্য এলাকার।মেয়র বলেন, রোগের পরিস্থিতি সম্পর্কে সঠিক তথ্য উপস্থাপন করা চিকিৎসকদের দায়িত্বের অংশ। নির্ভরযোগ্য তথ্য জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি কার্যকর প্রতিরোধমূলক পরিকল্পনা গ্রহণেও সহায়তা করে।জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরে মেয়র বলেন, চিকিৎসকদের শুধু রোগের চিকিৎসা দিলেই হবে না, রোগ প্রতিরোধেও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। এ জন্য টিকাদান, স্বাস্থ্যশিক্ষা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও গবেষণার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।তিনি জানান, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে শিশুদের নিয়মিত টিকাদান, কিশোরীদের জরায়ুমুখ ক্যানসার প্রতিরোধে এইচপিভি টিকাদান এবং কুকুরের টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। এ ছাড়া অক্টোবর মাসজুড়ে স্তন ক্যানসার সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।মেয়র বলেন, সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমাতে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। জনস্বাস্থ্যবিষয়ক গবেষণা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধে আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব।নবীন চিকিৎসকদের রোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মেয়র বলেন, চিকিৎসকের জ্ঞান ও দক্ষতার পাশাপাশি তার আচরণও রোগীর আস্থা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে সুন্দরভাবে কথা বলা, রোগের অবস্থা সহজ ভাষায় বোঝানো এবং চিকিৎসা সম্পর্কে তাদের আশ্বস্ত করা প্রয়োজন।বিশেষ করে জটিল রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে সংবেদনশীল আচরণ করতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পেশাগত দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধ ও নৈতিকতার চর্চাও অব্যাহত রাখতে হবে।দেশের ওষুধশিল্পের গুণগত মান বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়ে মেয়র আরও বলেন, রোগীদের জন্য নিরাপদ ও কার্যকর ওষুধ নিশ্চিত করা জরুরি। ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে গুণগত মানের বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। এতে চিকিৎসার কার্যকারিতা বজায় থাকবে এবং চিকিৎসাব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা অটুট থাকবে।ডা. শাহাদাত হোসেন আশা প্রকাশ করেন, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল মেডিকেল কলেজের নবীন চিকিৎসকেরা ইন্টার্নশিপে অর্জিত অভিজ্ঞতা, গবেষণামুখী চিন্তা, পেশাগত নিষ্ঠা ও মানবিক মূল্যবোধ কাজে লাগিয়ে দেশের চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়নে অবদান রাখবেন। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের চিকিৎসকেরা নতুন রোগের প্রতিষেধক ও টিকা উদ্ভাবনেও নেতৃত্ব দেবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি, মেডিকেল কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকা, বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসক এবং ১৫তম ব্যাচের ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা উপস্থিত ছিলেন।

১২ ঘণ্টা আগে

 রাজনীতি রাজনীতি

বিএনপির সংসদীয় দলের সভা আজ

বিএনপির সংসদীয় দলের সভা আজ

সংসদের পরবর্তী অধিবেশনের তারিখ চূড়ান্ত না হলেও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সংসদীয় দলের সভা ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টায় জাতীয় সংসদ ভবনে সরকারি দলের সভাকক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।সভায় সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রীও সংসদ নেতা  তারেক রহমান।  বিএনপির  দায়িত্বশীল নেতাদের তথ্যে জানা যায় সভায় দলের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সংবিধান সংশোধন এবং আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হতে পারে।সাধারণত জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরুর এক বা দুই দিন আগে কিংবা অধিবেশন চলাকালে সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হয়।  তবে এবার পরবর্তী অধিবেশনের দিনক্ষণ নির্ধারণের আগেই এ সভা আহ্বান করা হয়েছে।

বিএনপিকে হুঁশিয়ারি নাহিদ ইসলামের

বিএনপিকে হুঁশিয়ারি নাহিদ ইসলামের

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বিএনপিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যদি দলের চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম প্রতিহত করতে না পারেন, তাহলে আপনাদেরও আওয়ামী লীগের পরিণতি ভোগ করতে হবে।মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) শরীয়তপুর জেলা শাখার উদ্যোগে পৌরসভা মিলনায়তনে আয়োজিত এক নাগরিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।নাহিদ ইসলাম বলেন, স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বিএনপি ক্ষমতায় এসে নতুন স্বৈরাচারে পরিণত হয়েছে।তিনি আক্ষেপ করে বলেন, দেশের মানুষ আশা করেছিল একটি বৈষম্যহীন, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসমুক্ত দেশ পাবে। এ কারণেই জুলাই আন্দোলনে ছাত্র-জনতা জীবন দিয়েছিল; কিন্তু গণমানুষের সেই আশা আজ পূরণ হচ্ছে না।শরীয়তপুর জেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে নাগরিক সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, রাজনৈতিক পর্ষদ সদস্য আরিফুল ইসলাম, এনসিপি নেত্রী শামসুন নাহার, ইমরান আল নাজির, জাতীয় শ্রমিক শক্তির সদস্য সচিব রিয়াজ মুর্শেদ প্রমুখ।

নতুন পদ পাচ্ছেন নাসীরুদ্দীন-হাসনাত-আসিফ ও সারজিস

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় কমিটি পুনর্গঠন করা হচ্ছে। দলটির শীর্ষ কয়েকটি পদের নাম ও নেতা পরিবর্তন হচ্ছে। দলটির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব আগের মতো থাকলেও দলে গুরুত্বপূর্ণ পদ মুখ্য সংগঠক, মুখ্য সমন্বয়ক, মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চলের) ও মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চলে) পদগুলো বিলুপ্ত হতে যাচ্ছে বলে একাধিক সূত্র ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেছে।জানা গেছে, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণার পর থেকে দলটিতে প্রায় ২০০ শতাধিক নেতাকর্মী স্থান পেয়েছে। বিভিন্ন সময়ে কমিটির আকার বাড়াতে গিয়ে বিভিন্ন পদও সৃষ্টি করেছিল দলটি। সবশেষ দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, উত্তরাঞ্চলে মুখ্য সংগঠকের দায়িত্ব পালন করেছিল সারজিস আলম। এনসিপির দলীয় কার্যালয়ে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম ‘রাজনৈতিক পর্ষদ’-এর সভায় চারটি পদ বিলুপ্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।এসব বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমাদের বেশ কয়েকটি পদ পরিবর্তন করা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক দুটি ও সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব দুটি পদ তৈরি করা হয়েছে। আর অনেকগুলো উপ কমিটির প্রধান ঘোষণা করা হবে।সূত্র মতে, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কেন্দ্রীয় কমিটির পুনর্গঠন ও দায়িত্ব বণ্টন আজ রাতে ঘোষণা করা হবে। বর্তমান মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পুনর্গঠিত কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হতে যাচ্ছেন। একই পদে দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহও দায়িত্ব পেতে যাচ্ছে। অন্যদিকে সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব পদে দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন বর্তমান মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও উত্তরাঞ্চলে মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।সূত্রে আরও জানা গেছে, দলটির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব হয়ে সারজিস আলম সাংগঠনিক বিষয় দেখভাল করবেন। এছাড়া আরিফুল ইসলাম আদীব ও আলী আহসান জুনায়েদ সহপ্রধান হিসেবে কাজ করবেন।সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২৩ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন নাহিদ ইসলাম। এতে দলের শীর্ষ নেতারাও অংশ নেবেন।এদিকে, আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে ঢাকাসহ সারা দেশের পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে কাজ করবেন এনসিপি ও দলটির অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতারা। দলের শীর্ষ নেতারা নিজ নিজ নির্বাচনী আসনের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।গত রোববার অনুষ্ঠিত সভায় আরও জানানো হয়, এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির পুনর্গঠন ও দায়িত্ব বণ্টনের কাজ চূড়ান্ত হয়েছে। ১৩ অক্টোবরের মধ্যে পুনর্গঠিত কমিটি ঘোষণা করা হবে।সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ, আবদুল্লাহ আল আমিন ও নুসরাত তাবাসসুম। এ ছাড়া দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতা সারজিস আলম, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া, আরিফুল ইসলাম আদীব, সারোয়ার তুষার, আলী আহসান জুনায়েদ ও সালেহউদ্দিন সিফাতও সভায় অংশ নেন।

নতুন পদ পাচ্ছেন নাসীরুদ্দীন-হাসনাত-আসিফ ও সারজিস

সিলভিয়াকে নিয়ে কলকাতায় বিলাসী জীবন শাহরিয়ারের, টাকা আসে যেভাবে

সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনের সাবেক এমপি শাহরিয়ার আলম ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট খুব ভোরে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আঁচ করতে পারেন। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেই তিনি রাজশাহী ছেড়ে সড়কপথে গেদে সীমান্তে পৌঁছান। এরপর ভারতে প্রবেশ করেন। সেখান থেকে থাইল্যান্ড হয়ে রাশিয়ায় চলে যান। শাহরিয়ার বর্তমানে ভারতের কলকাতার নিউটাউনে সাড়ে তিন হাজার স্কয়ার ফুটের আলিশান একটি ফ্ল্যাটে দ্বিতীয় স্ত্রী সিলভিয়া পারভীন লেনিকে নিয়ে বিলাসী জীবনযাপন করছেন। সেখানে গড়েছেন স্থায়ী নিবাস। তার জন্য হুন্ডির মাধ্যমে দেশ থেকে টাকা পাঠানো হচ্ছে। তার বিশাল ফ্ল্যাটে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী, এমপি, কেন্দ্র এবং রাজশাহী অঞ্চলের নির্বাসিত নেতারা নিয়মিত যাতায়াত করছেন। দেশকে অস্থিতিশীল করতে নেওয়া হচ্ছে নানা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। বাংলাদেশি পাসপোর্ট ব্যবহার করে শাহরিয়ার চীন, রাশিয়া ও ব্রাজিল সফর করছেন। রাজশাহীতে শাহরিয়ারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরই রাজশাহীর তিনটি থানায় শাহরিয়ার আলমের বিরুদ্ধে চারটি মামলা হয়। জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গত বছরের ২৪ এপ্রিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা করে। এছাড়া শাহরিয়ারের ছয়টি ব্যাংক হিসাবে ২৬০ কোটি ৯৪ লাখ ৯৬ হাজার ৩৭০ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। শাহরিয়ার বাঘার পার্শ্ববর্তী নাটোরের লালপুর উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম মর্ত্তুজা বাবুর মেয়ে সিলভিয়া পারভীন লেনিকে ২০১৯ সালের দিকে বিয়ে করেন। এটি ছিল তার দ্বিতীয় বিয়ে। মন্ত্রিত্বের দাপট, দলীয় ক্ষমতা আর প্রভাব খাটিয়ে লেনির মা রোকসানা মর্ত্তুজাকে ২০২১ সালে লালপুরের গোপালপুর পৌরসভার মেয়র বানান শাহরিয়ার। লেনিকে লালপুরে কোটি টাকা ব্যয়ে বাড়ি করে দেন।  এছাড়া ঢাকার গুলশানে তাকে ৩৬০০ স্কয়ার ফুটের রাজকীয় একটি ফ্ল্যাট উপহার দেন। দেশে বর্তমানে শাহরিয়ারের ব্যবসার বিশাল সাম্রাজ্য এবং আর্থিক বিষয়টি সামলাচ্ছেন তার আপন ভাই সাইফুল ইসলাম বাদল, ব্যবসায়িক পার্টনার বিএনপিপন্থি ব্যবসায়ী নাঈমুল বাশার চৌধুরী, মুহাম্মদ সাঈদ, রাজশাহীর ছাত্রলীগ নেতা হাসানুর সজল, বাঘা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ফাতেমা খাতুন লতার ছেলে তানজিম এবং চারঘাটের তসিকুল নামের এক ব্যক্তিসহ একটি শক্তিশালী চক্র। অনুসন্ধান এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে পাওয়া গেছে এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য।২০০৮ সালের নির্বাচনে এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর শাহরিয়ারকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। কৌশলী শাহরিয়ার রাজনৈতিক ক্ষমতা ব্যবহার শুরু করেন। ঘটতে থাকে তার অর্থনৈতিক উত্থান। দ্রুত তার গার্মেন্ট ব্যবসা ফুলেফেঁপে ওঠে। প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় তৈরি পোশাক প্রতিষ্ঠান রেনেসাঁ গ্রুপ। তবে বর্তমানে গ্রুপটির মূল পরিচালনা পর্ষদ এবং ব্যবস্থাপনার নেতৃত্বে (মালিকানায়) কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। গ্রুপটির বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) বিএনপিপন্থি ব্যবসায়ী নাঈমুল বাশার চৌধুরী। আর পরিচালকদের মধ্যে অন্যতম মুহাম্মদ সাঈদ। এ প্রতিষ্ঠানটিতে শাহরিয়ারের ব্যবসা দেখভাল করছেন এমডি বাশার এবং পরিচালক মুহাম্মদ সাঈদ।ইন্টারস্টফ অ্যাপারেলস লিমিটেড দেশের আরেকটি শীর্ষস্থানীয় রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানটির মূল মালিক হলেন চারজন। এ প্রতিষ্ঠানটির এমডি শাহরিয়ার আলম। এই প্রতিষ্ঠানটিতেও শাহরিয়ারের অনুপস্থিতিতে তার প্রতিনিধিত্ব করছেন নাঈমুল বাশার চৌধুরী।ইন্টারস্টফ অ্যাপারেলস লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান সাউথইস্ট টেক্সটাইলস লিমিটেড। এই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ারের রয়েছে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ। এখানেও তার পক্ষে আর্থিক বিষয় দেখভাল করেন নাঈমুল বাশার চৌধুরী। এ ব্যাপারে বক্তব্যের জন্য তার (নাঈমুল) দুটি নম্বরে ফোন দেওয়া হলেও তিনি ধরেননি। তবে রেনেসাঁ গ্রুপের পরিচালনা পর্ষদের অন্যতম পরিচালক মুহাম্মদ সাঈদ বলেন, ‘শাহরিয়ার আলম শেয়ারহোল্ডার। উনি এখন নেই। ব্যবসা চলছে। লোকজন কাজ করছেন।’ শাহরিয়ারের ব্যবসা দেখার ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ‘তিনি ব্যবসাতে অনেকদিন থেকেই নেই। ব্যবসা আমরা চালাচ্ছি। এখন মিটিংয়ে আছি। পরে কথা বলব।’আওয়ামী লীগ শাসনমালে অংশীদারত্বে ব্যবসা ছাড়াও শাহরিয়ার ব্যক্তিগতভাবে গড়ে তোলেন নানা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠান দেখভাল করছেন শাহরিয়ারের বাবা মো. শামসুদ্দিন, তার আপন ভাই সাইফুল ইসলাম বাদল, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য ও রাজশাহী জেলার সাবেক যুগ্ম সম্পাদক হাসানুর সজল, বাঘা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ফাতেমা খাতুন লতার ছেলে তানজিম এবং চারঘাটের তসিকুল নামের এক ব্যক্তিসহ একটি শক্তিশালী চক্র।আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে রাজশাহী মহানগরীর অভিজাত এলাকায় দুইশ কোটি টাকা ব্যয়ে শাহরিয়ার গড়ে তোলেন বারিন্দ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। এ চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদের এমডি শাহরিয়ারের বাবা হলেও এখন বিএনপিপন্থি সংগঠন ড্যাবের চিকিৎসকরা এটি নিয়ন্ত্রণ করছেন। চাউর রয়েছে, গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে রাজশাহীতে শীর্ষ দুটি রাজনৈতিক দলের ফান্ডে মোটা অঙ্কের অর্থ দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে কোনো ঝামেলা ছাড়া নির্বিঘ্নে ব্যবসা করছেন শাহরিয়ার।রাজশাহীর বাঘার ব্যবসায়ী গোলাম হোসেন ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করতে পারছিলেন না। ২০২০ সালে গোলাম হোসেনের শতকোটি টাকা মূল্যের প্রায় ৪০ বিঘা জমি ক্ষমতা আর প্রতারণার মাধ্যমে নামমাত্র মূল্যে জোরপূর্বক নিয়ে নেন শাহরিয়ার। এরপর সেখানে গড়ে তোলেন বরেন্দ্র এগ্রো ফার্ম। গোলাম হোসেন সে সময় আওয়ামী লীগ নেতাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও জমি উদ্ধার করতে পারেননি।শাহরিয়ার এছাড়া কিনেছেন শতাধিক বিঘা জমি। রাজশাহী এবং ঢাকায় রয়েছে তার কয়েকটি প্লট ও ফ্ল্যাট। বাঘা ও চারঘাট উপজেলা সদরে শতকোটি টাকার মূল্যবান জমি কিনেছেন তিনি। পার্শ্ববর্তী লালপুর ও ঈশ্বরদীতে নামে-বেনামে শাহরিয়ারের জমি কেনার আরও তথ্য পাওয়া গেছে। ঢাকার গুলশানে নিজের নামে দুটি এবং ছেলের নামে একটি ফ্ল্যাট কেনেন তিনি।শাহরিয়ারের বাবা শামসুদ্দিন এবং ভাই সাইফুল ইসলাম বাদলসহ তার রাজনৈতিক সহযোগীরা ঢাকা ও রাজশাহীতে এসব সম্পদ দেখভাল করছেন। এ ব্যাপারে শামসুদ্দিন ও তার ছেলে বাদলকে একাধিকবার ফোন দিলেও তারা সাড়া দেননি।

সিলভিয়াকে নিয়ে কলকাতায় বিলাসী জীবন শাহরিয়ারের, টাকা আসে যেভাবে

সুশাসন ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে ইউএনডিপির সহায়তা চাইলেন ইসমাইল জবিউল্লাহ

সুশাসন প্রতিষ্ঠা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সরকারি কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) আরও সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।সোমবার (১২ অক্টোবর) সচিবালয়ে ইউএনডিপি বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিগসের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ সহযোগিতা চান।একই সঙ্গে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নাগরিককেন্দ্রিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন ও সরকারি সেবা সহজীকরণে সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।বৈঠকে ইউএনডিপির প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের চলমান কার্যক্রম তুলে ধরেন।বিশেষ করে সরকারি খাতের সংস্কার, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নাগরিককেন্দ্রিক সেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গভর্ন্যান্স ইনোভেশন ইউনিটের (জিআইইউ) সঙ্গে অংশীদারিত্ব নিয়ে আলোচনা হয়।বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় ইউএনডিপির অব্যাহত সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান উপদেষ্টা।অন্যদিকে, সরকারের অগ্রাধিকারভিত্তিক খাত ও সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইউএনডিপি।বৈঠকে ইউএনডিপির উপ-আবাসিক প্রতিনিধি সোনালী দায়ারত্নে, সহকারী আবাসিক প্রতিনিধি আনোয়ারুল হক, সিনিয়র গভর্ন্যান্স স্পেশালিস্ট তানভীর মাহমুদ এবং সংস্থাটির ‘স্ট্রেনদেনিং ইনস্টিটিউশনস, পলিসিস অ্যান্ড সার্ভিসেস’ (এসআইপিএস) প্রকল্পের ব্যবস্থাপক মাহমুদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গভর্ন্যান্স ইনোভেশন ইউনিটের (জিআইইউ) মহাপরিচালক ড. দেলোয়ার হোসেনও বৈঠকে অংশ নেন।

সুশাসন ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে ইউএনডিপির সহায়তা চাইলেন ইসমাইল জবিউল্লাহ

পদত্যাগ করা বিএনপির সংরক্ষিত এমপি মিষ্টির আসনে ভোট ১২ নভেম্বর

বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগে শূন্য আসনে আগামী ১২ নভেম্বর ভোটগ্রহণ করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।সোমবার (১২ অক্টোবর) ইসি সচিব আখতার আহমদের সই করা তফসিল থেকে বিষয়টি জানা গেছে।তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৬ অক্টোবর। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ২৭ অক্টোবর। বাছাইয়ের বিরুদ্ধে আপিল ২৮ অক্টোবর। আপিল নিষ্পত্তি ২৯ অক্টোবর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১ নভেম্বর। প্রতীক বরাদ্দ হবে ২ নভেম্বর। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হব ১২ নভেম্বর।রাজধানীর মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনায় মিষ্টির নাম আসায় বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন। এরপর তিনি পদত্যাগ করায় আসনটি শূন্য ঘোষণা করে সংসদ সচিবালয়। এখন ভোটের তফসিল দিল ইসি।

পদত্যাগ করা বিএনপির সংরক্ষিত এমপি মিষ্টির আসনে ভোট ১২ নভেম্বর
.
আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...

আইন-কানুন

সকল জেলার খবর

আর্কাইভ

 অর্থনীতি অর্থনীতি

নতুন রূপে নগদ অ্যাপ, অবারিত হবে সম্ভাবনার দুয়ার

নতুন রূপে নগদ অ্যাপ, অবারিত হবে সম্ভাবনার দুয়ার

গ্রাহকদের ডিজিটাল আর্থিক লেনদেনকে আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ করতে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে নতুন অ্যাপ চালু করেছে ডাক বিভাগের মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান 'নগদ'। গ্রাহকবান্ধব ইন্টারফেস এবং সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে তৈরি নতুন এই অ্যাপ মানুষের দৈনন্দিন আর্থিক চাহিদাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নতুন অ্যাপটি দেশের আর্থিক খাতের অন্যতম নিরাপদ অ্যাপ হিসেবে তৈরি করা হয়েছে, যা ধাপে ধাপে আরও উন্নত ও গ্রাহকবান্ধব করার প্রক্রিয়া চলমান থাকবে। সেই ধারাবাহিকতায় ভবিষ্যতে এতে আরও অনেক নতুন সুবিধা বা ফিচার যুক্ত হবে।নতুন নগদ অ্যাপটি বর্তমানে গুগল প্লে স্টোর ও অ্যাপল অ্যাপ স্টোরে উন্মুক্ত রয়েছে। নতুন লেনদেন করার আগে গ্রাহকদের অ্যাপটি আপডেট করে নিতে হবে, যা তাদের নিরবচ্ছিন্ন ডিজিটাল লেনদেনের নিশ্চয়তা দেবে।বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, নতুন অ্যাপের মাধ্যমে নগদের লেনদেন অভিজ্ঞতা আরও সহজ এবং স্বাচ্ছন্দ্যময় হয়েছে। অ্যাপটির রেসপন্স, লোড ও ল্যাগ টাইম অন্যান্য আর্থিক সেবার অ্যাপের তুলনায় বেশ কম। ব্যবহারকারীদের সুবিধার্থে বহুল ব্যবহৃত ফিচারগুলো ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে সুন্দরভাবে সুবিন্যস্ত করা হয়েছে। অ্যাপের সহজ ও জটিলতাহীন ডিজাইনের কারণে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষও এটি সহজে ব্যবহার করতে পারবেন।এছাড়া অ্যাপটিতে পেমেন্ট, সেন্ড মানি, মোবাইল রিচার্জ, ক্যাশ আউট কিংবা ইউটিলিটি বিল পরিশোধ এবং ইন্টার অপারেবিলিটি সেবার মাধ্যমে গ্রাহকের লেনদেনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে। এটি দেশের ক্যাশলেস যাত্রাকে আরো বেগবান করতে সহায়তা করবে। স্বল্প সময়ের মধ্যে আরো আর্থিক সেবা যেমন গ্রাহকদের লোন দেওয়া, ফিক্সড ডিপোজিট ও ইন্স্যুরেন্সের মতো সেবা যুক্ত হবে। পাশাপাশি লেনদেনজনিত প্রতারণার ঝুঁকি কমাতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে অ্যাপটিতে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে ডিভাইস বাইন্ডিং সুবিধা চালু করা হয়েছে যা গ্রাহকের অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা দেবে।এছাড়াও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অ্যাপটিতে যুক্ত রয়েছে বহুস্তরীয় আন্তর্জাতিক মানের নিরাপত্তা কাঠামো। উন্নত প্রযুক্তিভিত্তিক জালিয়াতি প্রতিরোধ ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিটি অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে, যাতে গ্রাহকরা সম্পূর্ণ নিশ্চিন্তে লেনদেন করতে পারেন। প্রতারণা ও এআই-ভিত্তিক হ্যাকিং রোধে অ্যাপটির নিরাপত্তায় যুক্ত রয়েছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স; যা রিয়েল-টাইমে সন্দেহজনক নিরাপত্তা ঝুঁকি চিহ্নিত করবে এবং প্রতিরোধ করবে।এসব বিষয়ে নগদে বাংলাদেশ ব্যাংক নিযুক্ত প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ বলেন, “গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সুবিধা দেওয়ার পাশাপাশি তাদের আর্থিক নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নতুন অ্যাপ চালু করা হয়েছে। নতুন অ্যাপে আমরা আধুনিক ইউজার ফ্রেন্ডলি অভিজ্ঞতার পাশাপাশি শক্তিশালী নিরাপত্তা কাঠামো যুক্ত করেছি। ফলে গ্রাহকরা আরও সহজে, দ্রুত এবং একই সঙ্গে নিজের তথ্য ও অর্থকে সুরক্ষিত রেখে তাদের দৈনন্দিন সব ডিজিটাল লেনদেন সম্পন্ন করতে পারবেন।”তিনি আরও বলেন, নগদের মূল লক্ষ্য হলো এমন একটি ইকোসিস্টেম তৈরি করা, যাতে গ্রাহকরা এই একটি অ্যাপ থেকেই দৈনন্দিন সব আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করতে পারেন। গ্রাহকদের পরিবর্তনশীল আর্থিক চাহিদার কথা বিবেচনায় রেখে এই অ্যাপে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন সেবা ও নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য যুক্ত হতে থাকবে বলেও জানান তিনি।