বাঙালির বাংলাদেশ

জাতীয়

মতামতমতামত

‘কাজ শেষ না করে আমরা কোথাও যাচ্ছি না’

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগ করছেন না উল্লেখ করে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, আমরা আমাদের কাজ শেষ না করে কোথাও যাচ্ছি না। শনিবার একনেক বৈঠকের পর হওয়া উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে শুরু হওয়া বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টিকারী বিষয়গুলো চিহ্নিত করা এবং সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগের বিষয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, তিনি চলে যাবেন বলেননি। তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) বলেছেন, আমরা যে কাজ করছি, আমাদের সামনে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাতে অনেক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু আমরা সব বাধা অতিক্রম করব।অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর অর্পিত দায়িত্বের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ এর ওপর নির্ভর করছে। আমরা এ দায়িত্ব ছেড়ে যেতে পারি না।পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, আমরা দেখছি বিভিন্ন জায়গা থেকে কী কী বাধা আসছে, কে কী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং আমরা এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কী কী প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে।উপদেষ্টা রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, বিচার বিভাগ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসহ সব পক্ষের সমর্থন চেয়ে বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে থাকা সব শক্তি এবং সব রাষ্ট্রীয় সংস্থাকে আমরা এ লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করার আহ্বান জানাব। এটা শুধু আমাদের একার দায়িত্ব নয়।ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ আরও বলেন, উপদেষ্টারা স্বপ্রণোদিতভাবে এখানে আসেননি। তবে তাদের একটি জাতীয় দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে এবং তারা তা ছেড়ে যাবেন না।আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের রূপরেখা নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করেননি উপদেষ্টা।

এলডিসির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নীতির পুনর্মূল্যায়ন জরুরি

বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি নীতিমালা  : এলডিসি পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয়তা এবং চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত অধ্যাপক লুৎফে সিদ্দিকী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান।মূল প্রবন্ধে ড. সেলিম রায়হান বলেন, রাজস্ব খাতে সংস্কারের অভাব এবং প্রত্যক্ষ করের মাধ্যমে কর বৃদ্ধিতে সরকারের ব্যর্থতার ফলে পরোক্ষ কর ও আমদানি করের ওপর ব্যাপক নির্ভরতা দেখা দিচ্ছে। প্রতিযোগী দেশগুলোর চেয়ে বাংলাদেশের আমদানি শুল্ক হার অনেক বেশি। রপ্তানি খাতও শুধু তৈরি পোশাকে সীমাবদ্ধ। তাও আবার পোশাকের প্রবৃদ্ধি নগদ প্রণোদনা ও কর ছাড়ের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এলডিসি উত্তরণ পরবর্তী চাপ সামলাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি নতুন রপ্তানি পণ্য ও নতুন বাজার খোঁজা উচিত।প্রধান অতিথির বক্তব্যে লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যকার কাঠামোগত সংস্কার জরুরি। তবে যে গতিতে বর্তমানে সংস্কার কার্যক্রম সম্পন্ন হচ্ছে তা প্রয়োজনের তুলনায় বেশ কম। সত্যিকার অর্থে শিল্প খাতসহ অন্য সেক্টরে কোনো দীর্ঘমেয়াদে রোডম্যাপ নেই, যা হতাশার বিষয়। এলডিসি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের পাশাপাশি সরকারের সংস্থাগুলোর মধ্যকার সমন্বয় বাড়ানো প্রয়োজন।প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশকে এলডিসি উত্তরণ করতেই হবে। এখান থেকে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই। তবে এলডিসি পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের উচ্চমানের তৈরি পোশাক, ওষুধ এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের ওপর বেশি হারে মনোযোগী হতে হবে। তিনি আরও বলেন, এলডিসি উত্তরণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিল্প-কারখানা এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা মধ্যে সমন্বয় ও পারস্পরিক আস্থা-বিশ্বাস বৃদ্ধির বিকল্প নেই। সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য (কাস্টমস) কাজী মোস্তাফিজুর রহমান এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানে নির্ধারিত আলোচনায় অংশ নেন বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ফজলুল হক, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের জয়েন্ট চিফ (ইন্টারন্যাশাল কো-অপারেশন ডিভিশন) মসিউল ইসলাম, বেসিসের সাবেক সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর, ডেল্টা ফার্মা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. জাকির হোসেন এবং ফকির ফ্যাশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফকির কামরুজ্জামান নাহিদ প্রমুখ।

অনিয়মে জর্জরিত ‘ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স’, ঝুঁকিতে ব্যান্ডউইথ নিরাপত্তা

নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়মকানুন উপেক্ষা করে একে একে আইআইজি, আইটিসি, আইজিডব্লিউসহ ইন্টারনেট-টেলিকম খাতের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ লাইসেন্স দখলে নেয় আওয়ামী সুবিধাভোগী এ প্রতিষ্ঠান। এসব লাইসেন্স অর্জনে রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রশাসনিক সুবিধা ব্যবহার করা হয়েছে বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা।সংশ্লিষ্ট সূত্র ও নথি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি), দেশের অভ্যন্তরের আইটিসি প্রতিষ্ঠান এবং এয়ারটেল ও টাটার মতো শীর্ষ ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে ওয়ান এশিয়ার মোট বকেয়ার পরিমাণ ২৩ কোটি টাকারও বেশি। বিটিআরসির কাছেই এর বকেয়া প্রায় ৪ কোটি টাকা। বিএসসিসিএল-এর কাছে রয়েছে আরও ১ কোটি টাকার বেশি। অপরদিকে টেলিকম জায়ান্ট এয়ারটেল তাদের ১৩ কোটি টাকার এবং টাটা ৫ কোটি টাকার বকেয়া দাবি করছে। এদিকে বকেয়া আদায়ে নানাভাবে চেষ্টা করে না পেয়ে ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স-এর বিরুদ্ধে বিএসসিপিএলসি ঢাকা জেলা জজ আদালতে ‘আরবিট্রেশন মামলা’ দায়ের করে। এর রায়ে তারা জয়ী হয়। সেই রায়ের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি ‘অ্যাওয়ার্ড এক্সিকিউশন মামলা’ করে, যা এখনো চলমান রয়েছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তারা সরকারের নীতিনির্ধারকদের কাছে বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, যেন লাইসেন্স বাতিল না হয় এবং তাদের ব্যবসা চালু রাখা যায়। ইতোমধ্যে নিয়মবহির্ভূতভাবে তারা এনওসিও নিয়েছে বলে জানিয়েছে বিটিআরসির একটি সূত্র।ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স একসময় আইআইজি, আইটিসি ও আইজিডব্লিউ লাইসেন্স নিয়ে টেলিকম বাজারে প্রবেশ করলেও সময়ের সঙ্গে শর্ত লঙ্ঘন করে একাধিক অনিয়মে জড়িয়ে পড়ে। তাদের মালিকানাধীন বেঙ্গল ব্রডব্যান্ড ২০১৬ সালে ডিভিশনাল আইএসপি লাইসেন্স পেলেও নবায়ন না করেই বর্তমানে অবৈধভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি এর মালিকানাধীন প্রিজমা ডিজিটাল নেটওয়ার্কের রয়েছে ন্যাশন ওয়াইড আইএসপি লাইসেন্স।এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বারবার মোবালইল ফোনে কল, হোয়াটসঅ্যাপ ও এসএমএসে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় ওয়ান এশিয়া অ্যালায়ন্সের মূল প্রতিষ্ঠান বেঙ্গল কমিউনিকেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসফারিয়া খায়েরের সঙ্গে। তবে তিনি সাড়া দেননি। পরে পুনরায় চেষ্টা করলে দেখা যায়, তিনি প্রতিবেদকের নম্বরই ব্লক করে দিয়েছেন।বিটিআরসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্সকে মোট বকেয়ার ৫০ শতাংশ এককালীন পরিশোধ এবং বাকি অংশ কিস্তিতে পরিশোধের শর্তে এনওসি প্রদান করা হয়েছে। তবে নির্ধারিত ১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠানটি এ পর্যন্ত মাত্র ১ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে বলে তিনি জানান।ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি) সভাপতি ইমদাদুল হক বলেন, আইএসপি সেক্টরের সেবাদান নির্ভর করে আইআইজি ও ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারীদের ওপর। কেউ যদি কোটি টাকা বকেয়া রেখে অনিয়ম করে, তা গ্রাহকের নিরাপত্তা ও নিরবচ্ছিন্ন সংযোগের জন্য হুমকি। তবে নেপথ্যে যদি নীতিগত বা কাঠামোগত কোনো সমস্যা থাকে, সেটাও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, টেলিযোগাযোগ খাতের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম নিয়ম ও নীতিমালার আলোকে পর্যালোচনা জরুরি। এক্ষেত্রে যদি কোনো প্রতিষ্ঠান বকেয়া বা নীতিগত ব্যত্যয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাহলে তা ন্যায্যতার ভিত্তিতে সমাধান হওয়া উচিত। বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসলাম হোসেন যুগান্তরকে বলেন, দীর্ঘদিন তাগাদা দিলেও প্রতিষ্ঠানটি পাওনা পরিশোধ করেনি, চিঠির জবাবও দেয়নি। এখন তাদের কাউকে খুঁজেও পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে মামলা করেছি।ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব যুগান্তরকে বলেন, আমরা চাই, ব্যবসায়ীরা স্বচ্ছন্দে ব্যবসা করুক, গ্রাহকদের সেবা দিক। কিন্তু সরকারের পাওনা পরিশোধ না করে কেউ যদি অনিয়মে জড়ায়, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

অধ্যাদেশ বিলুপ্তির দাবিতে কর্মবিরতি কর্মসূচি চলবে

ন কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে তাদের স্লোগান দিতে দেখা যায়। এনবিআরের অধীনস্থ সারা দেশের অন্য সব অফিসেও একইভাবে কর্মসূচি পালিত হয়। ঢাকা ও চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে বিকাল ৩টা পর্যন্ত কোনো কাজ হয়নি। ভ্যাট ও কর অফিসেও সেবা বন্ধ ছিল। তবে রপ্তানি ও আন্তর্জাতিক যাত্রীসেবা কাযক্রম চলমান ছিল। শনিবার এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন কাস্টমসের অতিরিক্ত কমিশনার এদিপ বিল্লাহ, উপকর কমিশনার মোস্তফিজুর রহমান, সহকারী কর কমিশনার ইশতিয়াক হোসেন। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক, যা ইতোমধ্যেই দেশের প্রথিতযশা অর্থনীতিবিদ ও থিংকট্যাংকসহ সর্বমহলে স্বীকৃতি পেয়েছে। এনবিআর তথা রাজস্ব প্রশাসনের আমূল সংস্কার আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি। তবে এই সংস্কার হতে হবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বীকৃত সর্বোত্তম ব্যবস্থা ও পদ্ধতির অনুরূপ। দেশের স্বার্থ ও উন্নয়ন দর্শন এতে সঠিকভাবে প্রতিফলিত হতে হবে। এছাড়া রাজস্ব প্রশাসন অধিকতর কার্যকর, প্রগতিশীল ও দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে এবং এ সংস্কার বিশেষ কারও স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হবে না। কিন্তু রাজস্ব ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের স্বার্থে আমাদের এমন যৌক্তিক দাবি মেনে নিতে সরকার কেন, কী কারণে এবং কাদের প্ররোচনায় বিলম্ব করছে, তা বোধগম্য নয়।    এতে আরও বলা হয়, আজ (শনিবার) সকাল থেকেই এনবিআর ভবনের অভ্যন্তরে এবং বাইরে বিপুলসংখ্যক পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি রয়েছে। এ বিষয়টি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মনে নানা ধরনের প্রশ্নের উদ্রেক করেছে। ক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলছেন, এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আন্দোলন করতে বাধ্য হয়েছে। কিন্তু এখন দেখছি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা হচ্ছে। তবে রোববারও একইভাবে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেখানে হস্তক্ষেপ করবে, সেখানে তারা প্রেস ব্রিফিং করবেন।ভিন্নমত যাদের: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর ও কাস্টমস ক্যাডারের কয়েকজন সিনিয়র কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, ‘দাবি আদায়ের নামে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এখন যা হচ্ছে তা রীতিমতো সরকার ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অবস্থান। এটি সম্পূর্ণ শৃঙ্খলাপরিপন্থি কাজ, সরকারি কর্মচারী আচরণবিধি এসব কর্মকাণ্ড পারমিট করে না।’ তারা মনে করেন, এনবিআর বিলুপ্ত করে যে গেজেট করা হয়েছে সেখানে প্রত্যাশার অনেক কিছু চলে এসেছে। যেটুকু অবশিষ্ট আছে তা পরবর্তী সংশোধনী ও বিধি প্রণয়নের মাধ্যমে সংযোজন করা সম্ভব। এজন্য এভাবে আন্দোলন করার প্রয়োজন ছিল না। বিষয়টিকে পুনরায় আলোচনার টেবিলে নিয়ে গেলে ভালো হতো। 

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ২ জন
১

এবার কলকাতা থেকে সরাসরি ইউরোপের বিমান! কেন্দ্রের সঙ্গে সমঝোতাপত্র স্বাক্ষর শুভেন্দুর সরকারের

২

সীমান্তের কাঁটাতার পেরিয়ে আজও অমলিন ২২৫ বছরের ঐতিহ্য, পাঁচ রাউন্ড গুলি চালিয়েই শুরু হয় এই জমিদার বাড়ির পুজো

৩

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের শেষ প্রান্তে তাঁতিদের পুজো: পাঁচ গ্রামের মেলবন্ধন কালিয়াচকের ষষানিতে

৪

রোহিঙ্গাদের ওপর অমানবিক নির্যাতনের ন্যায়বিচার চাইলেন ত্রাণমন্ত্রী

৫

ডেঙ্গুতে একদিনে ৯ জনের মৃত্যু

৬

ভিডিওতে চেহারা স্পষ্ট, তবুও অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে মামলা-রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা

৭

কেনিয়ায় শিক্ষকদের জন্য সাশ্রয়ী আবাসন প্রকল্পের ঘোষণা প্রেসিডেন্টের

৮

কেনিয়ায় শিক্ষকদের জন্য সাশ্রয়ী আবাসন প্রকল্পের ঘোষণা প্রেসিডেন্টের

৯

ইতালিতে ১ লাখ ৬৬ হাজার কর্মী নেওয়ার ঘোষণা, আবেদনের প্রক্রিয়া যেভাবে

১০

মোটরসাইকেলসহ গাড়ি মালিকদের জন্য সুখবর

সর্বশেষ সব খবর
১

শেখ হা‌সিনাকে আশ্রয় দেওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প ছিল না : দীনেশ ত্রিবেদী

২

সরকারের বার্তায় তাদের মধ্যে ঢুকে গেছে ভয়

৩

অক্টোবরের সঙ্গে ৩ মাসের বকেয়াসহ বেতন পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা

৪

প্রাণ বাঁচাতে ব্যস্ত ছিলেন ভারতীয় পাইলট, এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

৫

পঞ্চগড়-কক্সবাজার: ১০৭৭ কিমি রেলে জুড়ছে দেশের দুই প্রান্ত

৬

অতীতে অস্ট্রেলিয়ায় এ কী করেছেন ফ্লাইদুবাইয়ের অভিযুক্ত সেই পাইলট! সামনে আসতেই ফের শোরগোল বিশ্বজুড়ে

৭

বেগম রোকেয়া পদকের জন্য মনোনয়ন আহ্বান

৮

হাসিনাকে ফেরাতে আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি ভারতের রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন-শামা ওবায়েদ

৯

সবার জন্য নিরাপদ বাসস্থান নিশ্চিত করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: প্রধানমন্ত্রী

১০

'কারওর গায়ে জ্বালা ধরলে ধরুক...,' গোবিন্দার সঙ্গে নাম জড়াতেই বিস্ফোরক কোমল! কী বললেন?

জনপ্রিয় সব খবর
লিংক কপি করা হয়েছে!

জাতীয়

রোহিঙ্গাদের ওপর অমানবিক নির্যাতনের ন্যায়বিচার চাইলেন ত্রাণমন্ত্রী

রোহিঙ্গাদের ওপর অমানবিক নির্যাতনের ন্যায়বিচার চাইলেন ত্রাণমন্ত্রী

জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ন্যায়বিচার চাইলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।সোমবার (৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইনভেস্টিগেটিভ মেকানিজম ফর মায়ানমার (আইআইএমএম) এর প্রধান নিকোলাস কুজিয়ানের সাথে বৈঠককালে মন্ত্রী এ বিচার নিশ্চিতের আহ্বান জানান।এছাড়াও মন্ত্রী বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের ন্যায্য অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠাসহ মিয়ানমারে টেকসই প্রত্যাবাসনে সোচ্চার ভূমিকা রাখতে আইআইএমএম এর প্রতি আহ্বান জানান।নিকোলাস কুজিয়ান জানান, ২০২৪ সালের শুরু থেকে ১,৫৪,০০০-এর বেশি রোহিঙ্গা সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে এসেছে। তারা আগে থেকে অবস্থানরত ১০ লক্ষাধিক রোহিঙ্গার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, যারা রাখাইনে সহিংসতা ও নিরাপত্তাহীনতা অব্যাহত থাকায় নিরাপদে ফিরে যেতে পারছে না। এ পরিস্থিতি মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ ঘটনাপ্রবাহের সঙ্গে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের দীর্ঘস্থায়ী বাস্তুচ্যুত অবস্থার সম্পর্ককে তুলে ধরে।জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের ২০১৮ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর তারিখের ৩৯/২ নম্বর প্রস্তাবের মাধ্যমে মিয়ানমারবিষয়ক স্বাধীন তদন্ত ব্যবস্থা (আইআইএমএম) প্রতিষ্ঠিত হয়। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদও ৭৩/২৬৪ নম্বর প্রস্তাবের মাধ্যমে এর প্রতিষ্ঠাকে স্বাগত জানায়। জেনেভাভিত্তিক এই ব্যবস্থা জনাব নিকোলাস কুমজিয়ানের নেতৃত্বে ২০১৯ সালের আগস্টে কার্যক্রম শুরু করে।২০১১ সাল থেকে মিয়ানমারে সংঘটিত সবচেয়ে গুরুতর আন্তর্জাতিক অপরাধ এবং আন্তর্জাতিক আইনের অন্যান্য লঙ্ঘনের প্রমাণ সংগ্রহ, একত্রীকরণ, সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ। জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক আদালতে ফৌজদারি বিচার কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য প্রমাণ সুবিন্যস্ত করা ও বিশ্লেষণ প্রস্তুতের মাধ্যমে এটি ন্যায়বিচার ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে

‘এই সরকার জনগণের সরকার, তাই আস্থা রাখুন’

‘এই সরকার জনগণের সরকার, তাই আস্থা রাখুন’

বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম বলেছেন, জাতীয়তাবাদী দল জনগণের দল, এই সরকার জনগণের সরকার। তাই এই দলের প্রতি আস্থা রাখুন। সোমবার সকালে কিশোরগঞ্জের ভৈরবে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ১৩টি পরিবারকে দেখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এদিন সকালে পৌর শহরের চণ্ডিবের আবুল কালাম মিয়ার বাড়িতে গিয়ে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে কথা বলেন এবং পুড়ে যাওয়া বসতঘর পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের খেটে খাওয়া মানুষের জন্য কাজ করছেন।তিনি বলেন, গত ২ অক্টোবর চণ্ডিবের গ্রামে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের ঘটনায় ১৩টি পরিবারের বাড়িঘর ও মালামাল পুড়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। স্থানীয় নেতৃবৃন্দের মাধ্যমে খবর পেয়ে কিছু সহায়তা নিয়ে এসেছি। তবে এ সহায়তায় ক্ষয়ক্ষতি পূরণ সম্ভব নয়। পর্যায়ক্রমে ক্ষতিগ্রস্তদের আরও সহযোগিতা করা হবে।প্রতিমন্ত্রী বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের অবস্থা সম্পর্কে ত্রাণ মন্ত্রণালয়কে অবহিত করবো। ত্রাণ মন্ত্রণালয় অথবা প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে সহায়তার মাধ্যমে তাঁদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।পরে ক্ষতিগ্রস্ত ১৩টি পরিবারের প্রত্যেককে ৩০ কেজি চাল, নগদ ৩৬ হাজার টাকা, দুই বান টিন এবং ১০ হাজার টাকা মূল্যের খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়।এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক কে এম মামুনুর রশীদ, ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান, পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র হাজী শাহিন, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ভিপি মুজিবুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল হক, মো. নুরুজ্জামান ও ১০ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মাহিন সিদ্দিকসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ

১০২ গুণী শিক্ষকের হাতে সম্মাননা তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

১০২ গুণী শিক্ষকের হাতে সম্মাননা তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষ্যে দেশের প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরের ১০২ জন গুণী শিক্ষককে বিশেষ সম্মাননা দিয়েছে সরকার। সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শিক্ষকদের হাতে এ সম্মাননা তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সম্মানিত প্রত্যেক শিক্ষককে দুই লাখ টাকা, ক্রেস্ট ও সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. সেলিম ভূঁইয়া এবং শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।দুপুর ২টায় জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং পবিত্র ধর্মগ্রন্থগুলো থেকে পাঠের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়। স্বাগত বক্তব্য ও অতিথিদের আলোচনার পর গুণী শিক্ষকদের হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। পরে সম্মাননাপ্রাপ্ত শিক্ষকদের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বক্তব্য দেওয়া হয় এবং প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়।প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, এ বছর প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি, সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়, চিকিৎসা, কৃষি, প্রকৌশল ও বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে মোট ১০২ জন শিক্ষককে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাটাগরিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়াত অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদ (মরণোত্তর), ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. অরুণ কুমার বসাক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের প্রয়াত অধ্যাপক ড. জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর) সহ বিশিষ্ট শিক্ষাবিদেরা সম্মাননা পেয়েছেন। এছাড়া চিকিৎসা শিক্ষায় অবদানের জন্য সাবেক ইএনটি সার্জন অধ্যাপক ডা. এম এ মাজেদ (মরণোত্তর), অধ্যাপক ডা. সায়েবা আক্তার এবং প্রকৌশল ও কারিগরি ক্ষেত্রে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহজাহান (মরণোত্তর) ও ড. এ.বি.এম. হারুন-উর-রশিদ সম্মাননা অর্জন করেন।পাশাপাশি বিশেষ ক্যাটাগরিতে ১৯৭৪ সাল থেকে বিনামূল্যে শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়া ‘এক টাকার শিক্ষক’ হিসেবে পরিচিত মো. লুৎফর রহমান, ‘রমনী কান্ত পাঠশালা’র রমনী কান্ত বেপারী এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষার জন্য প্রয়াস ইনস্টিটিউট অব স্পেশাল এডুকেশনের সহকারী শিক্ষক মো. মোজাম্মেল হোসেন খানসহ গুণী শিক্ষাব্রতীরাও সম্মানিত হয়েছেন।মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) পৃথক বিচারক ও সার্চ কমিটির মাধ্যমে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় এসব শিক্ষককে চূড়ান্তভাবে নির্বাচন করা হয়।

বিরোধী দলকে গঠনমূলক ভূমিকা পালনের আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের

বিরোধী দলকে গঠনমূলক ভূমিকা পালনের আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের

একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ জাতি গঠনে বিরোধী দলকে শুধুমাত্র বিরোধিতার স্বার্থে নয়, বরং গঠনমূলক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।তিনি বলেছেন, দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে এবং সরকার ও জনগণের মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক স্থাপনে সংসদীয় গণতন্ত্রে বিরোধী দলের দায়িত্বশীল আচরণ অপরিহার্য।সোমবার (৫ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে নিজ কার্যালয়ে মন্টেনিগ্রো পার্লামেন্টের সদস্য গর্ডান স্টোজোভিকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তিনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র চর্চায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে উল্লেখ করে বলেন, এই যাত্রা এদেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক মুক্তির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।ডেপুটি স্পিকার বলেন, সংসদ বা আইনসভা হচ্ছে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান। ফলে গণতান্ত্রিক চর্চা অব্যাহত রাখা, ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা করা এবং সরকার ও সাধারণ মানুষের মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক স্থাপনের জন্য সংসদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে।বাংলাদেশের আর্থসামাজিক ও সামগ্রিক উন্নয়নে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অপরিহার্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংসদীয় গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে হলে সরকারি দলের পাশাপাশি বিরোধী দলকেও দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক ভূমিকা পালন করতে হবে।বৈঠকে মন্টেনিগ্রো পার্লামেন্টের সদস্য গর্ডান স্টোজোভিক দুই দেশের সংসদীয় অভিজ্ঞতা ও বেস্ট প্র্যাকটিস বা সেরা অভিজ্ঞতাগুলো বিনিময়ের ওপর বিশেষ জোর দেন। তিনি জানান, বাংলাদেশ পার্লামেন্টের মতোই মন্টেনিগ্রোর পার্লামেন্টও এককক্ষ বিশিষ্ট এবং তাদের মোট সংসদ সদস্য ৮১ জন।তিনি দুই দেশের আইনসভার মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার, সংসদীয় চর্চা বিনিময় এবং ফ্রেন্ডশিপ বাড়াতে ‘পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ’ বা সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠনের তীব্র অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল মন্টেনিগ্রো পার্লামেন্টের এই প্রস্তাবে অত্যন্ত ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেন এবং দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার আশ্বাস দেন।সাক্ষাৎকালে মন্টেনিগ্রোর সংসদ সদস্য আরও উল্লেখ করেন যে, তাদের দেশের সংসদীয় কমিটিগুলো অত্যন্ত শক্তিশালী এবং এগুলো সরকারের নির্বাহী বিভাগের সার্বিক কর্মকাণ্ড পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে নিবিড়ভাবে কাজ করে থাকে।এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

 আন্তর্জাতিক আন্তর্জাতিক

এবার কলকাতা থেকে সরাসরি ইউরোপের বিমান! কেন্দ্রের সঙ্গে সমঝোতাপত্র স্বাক্ষর শুভেন্দুর সরকারের

এবার কলকাতা থেকে সরাসরি ইউরোপের বিমান! কেন্দ্রের সঙ্গে সমঝোতাপত্র স্বাক্ষর শুভেন্দুর সরকারের

কলকাতাকে ফের পূর্ব ভারতের বিমান যোগাযোগের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে উদ্যোগী কেন্দ্র ও রাজ্য। কলকাতা থেকে ইউরোপের বিভিন্ন শহরে সরাসরি বিমান পরিষেবা চালুর পাশাপাশি রাজ্যের আঞ্চলিক বিমান যোগাযোগ বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সেই লক্ষ্যেই সোমবার নবান্নে অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক ও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মধ্যে সমঝোতাপত্র (MOU) স্বাক্ষরিত হল।এদিন কেন্দ্রের তরফে অসামরিক মন্ত্রী কে রামমোহন নাইডু জানান, আগামী দু’বছরের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে চারটি নতুন বিমানবন্দর বা সিভিল এনক্লেভ তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। হাসিমারা, কলাইকুণ্ডা, বালুরঘাট ও পুরুলিয়াকে এই পরিকল্পনার আওতায় রাখা হয়েছে। কলাইকুণ্ডায় ইতিমধ্যেই ২৭০০ মিটারের রানওয়ে রয়েছে। সেখানে বোয়িং ৭৩৭ এবং এয়ারবাস ৩২০-এর মতো ন্যারো বডি বিমান চালানো সম্ভব বলে জানানো হয়েছে। বালুরঘাটে এয়ারপোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার জমি রয়েছে। বিদ্যমান এয়ারস্ট্রিপ সম্প্রসারণ করে সেখানে বিমান পরিষেবা চালুর পরিকল্পনা করা হয়েছে। পুরুলিয়ায় নতুন বিমানবন্দর তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে।শুধু তাই নয়, এদিন কলকাতার আন্তর্জাতিক বিমান যোগাযোগ বাড়ানোর উপর বিশেষ জোর দেন কেন্দ্রীয় অসামরিক মন্ত্রী। কলকাতা থেকে ইউরোপের বিভিন্ন গন্তব্যে সরাসরি বিমান পরিষেবা চালুর জন্য বিভিন্ন বিমান সংস্থার সঙ্গে দ্রুত আলোচনা করা হবে বলে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে। কলকাতাকে ফের পূর্ব ভারতের গুরুত্বপূর্ণ এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ।পাশাপাশি কলকাতায় দ্বিতীয় বিমানবন্দর তৈরির সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হবে বলে কেন্দ্রীয় অসামরিক মন্ত্রী জানান। দিল্লি, মুম্বই, বেঙ্গালুরু ও চেন্নাইয়ের মতো শহরে বিমান পরিষেবার চাপ সামলাতে দ্বিতীয় বিমানবন্দর তৈরির উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে কলকাতার ক্ষেত্রেও ভবিষ্যতের চাহিদা বিবেচনা করার কথা বলা হয়েছে।এছাড়াও বেহালা এয়ারস্ট্রিপকে ফ্লাইং ট্রেনিং অর্গানাইজেশন বা FTO হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে কে রামমোহন নাইডু। তিনি এদিন বেহালা ফ্লাইং ক্লাবের জায়গা পরিদর্শন করতেও যাচ্ছেন। দেশে আগামী দিনে বিপুল সংখ্যক বিমান যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় পাইলট প্রশিক্ষণের পরিকাঠামো বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা জানানো হয়েছে। মালদহের এয়ারস্ট্রিপ উন্নয়নের জন্য রাজ্যের জমি সংক্রান্ত ছাড়পত্রও চাওয়া হয়েছে।কেন্দ্রের ‘মডিফায়েড উড়ান’ প্রকল্পের আওতায় আগামী ১০ বছরে দেশে ১০০টি নতুন বিমানবন্দর তৈরির লক্ষ্য রয়েছে। এর মধ্যে চারটি পশ্চিমবঙ্গে করার পরিকল্পনা। বর্তমানে কলকাতা, বাগডোগরা, দুর্গাপুর ও কোচবিহার—এই চারটি বিমানবন্দর রয়েছে। আগামী দু’বছরে সংখ্যা আটে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা জানানো হয়েছে।বাগডোগরা বিমানবন্দরে নতুন টার্মিনাল তৈরির কাজও এগোচ্ছে। পাশাপাশি রাজ্যে বিমান পরিষেবা ও বিমান-সংক্রান্ত শিল্পে বিনিয়োগ টানতে পৃথক সিভিল এভিয়েশন পলিসি তৈরির পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্র। কেন্দ্রের বার্তা, এমওইউ শুধু স্বাক্ষরের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে আগামী দু’বছরের মধ্যে চারটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করাই মূল লক্ষ্য।

৮ ঘণ্টা আগে
নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...

 সারাদেশ সারাদেশ

মোটরসাইকেলসহ গাড়ি মালিকদের জন্য সুখবর

মোটরসাইকেলসহ গাড়ি মালিকদের জন্য সুখবর

মোটরসাইকেলসহ ও গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য সুখবর দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করার সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।বিআরটিএর সাম্প্রতিক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জরিমানা ছাড়াই শুধু মূল কর ও প্রযোজ্য ফি জমা দিয়ে মোটরযানের কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। এর আওতায় ফিটনেস সনদ, ট্যাক্স টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স রয়েছে।বিআরটিএ জানিয়েছে, মোটরযান মালিক ও চালকদের আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে বকেয়া কাগজপত্র হালনাগাদ করে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ফলে যাদের গাড়ি বা মোটরসাইকেলের কাগজপত্র মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে, তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।গাড়ি-বাইক বিক্রি করলেও মালিকানা বদল জরুরিমোটরসাইকেল বা গাড়ি বিক্রির পর নতুন মালিকের নামে মালিকানা পরিবর্তন না করলেও ঝামেলায় পড়তে পারেন পুরোনো মালিক। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী, মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন করা বাধ্যতামূলক।বিআরটিএ জানিয়েছে, অনেক ক্ষেত্রে গাড়ি বা মোটরসাইকেল কেনার পর নতুন মালিক মালিকানা পরিবর্তন না করেই সেটি ব্যবহার করছেন। এতে পরবর্তী সময়ে পুরোনো মালিককে কর ও অন্যান্য আর্থিক দায়ের মুখে পড়তে হচ্ছে।মালিকানা পরিবর্তন না হলে সংশ্লিষ্ট মোটরযানের জন্য নির্ধারিত অগ্রিম আয়কর এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অগ্রিম আয়কর ও পরিবেশ সারচার্জের দায় পুরোনো মালিকের ওপর পড়তে পারে।অনলাইনেই করা যাচ্ছে মালিকানা পরিবর্তনের আবেদনমালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া সহজ করতে অনলাইন সেবাও চালু রেখেছে বিআরটিএ। বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টালের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আবেদন ও ফি পরিশোধের সুবিধা রয়েছে।বিআরটিএর তথ্য অনুযায়ী, মালিকানা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ক্রেতা ও বিক্রেতার প্রয়োজনীয় ফরম, ফি জমার রশিদ এবং মোটরযানের সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র জমা দিতে হয়।

১০ ঘণ্টা আগে

 রাজনীতি রাজনীতি

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের শেষ প্রান্তে তাঁতিদের পুজো: পাঁচ গ্রামের মেলবন্ধন কালিয়াচকের ষষানিতে

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের শেষ প্রান্তে তাঁতিদের পুজো: পাঁচ গ্রামের মেলবন্ধন কালিয়াচকের ষষানিতে

এখনো মায়ের ভোগ ও কাপড় আসে সীমান্তের কাঁটাতারের ওপরের বাংলাদেশ থেকে,ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে তাঁতিদের দূর্গা এখন ভারতের পাঁচটি গ্রামের এক মাত্র দূর্গাপূজো। পূর্ববঙ্গের কাঁটাতারের ওপারে তাঁতিদের দূর্গাপূজো এখন ভারতের সীমান্ত এলাকার একমাত্র পূজো। এক সময়ে বাংলাদেশের অন্যতম মিষ্টি দমমিশ্রি চমচম ও ভালো তসরের শাড়ি আসতো। বর্তমানে লুচি বুঁদিয়া ও খিচুড়ী ভোগ দেওয়া হয়। এই উমার আরাধনা হয় পাচটি গ্রাম নিয়ে। সীমান্ত এলাকায় এই দূর্গাপূজতে অংশগ্রহন করেন বি এস এফ কর্তারা। মালদহের কালিয়াচকের তিন নম্বর ব্লকের ভারত বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ষষানি গ্রামে হয়ে আসছে এই প্রাচীন পুজো।জানা গিয়েছে,সীমান্ত এলাকায় এই পূজো এপার বাংলা ওপার বাংলার পুজো। অবিভক্ত ভারতের চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাসিন্দা পেশায় তাতি ভোলানাথ চৌধুরী দেশ স্বাধীন হলে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জমি বিনিময়ের মাধ্যমে চলে আসেন ভারতের এই গ্রামে। তার আগে চাঁপাইনবাবগঞ্জে তিনি এই পুজো একাই করতেন। এদেশে আসার পর স্থানীয় সুধীর জামাদার ও সুবোধ সরকারের মিলিত প্রয়াসে এই দূর্গাপূজো হয়।মন্দির থেকে প্রায় একশো মিটারের মধ্যেই ভারত- বাংলাদেশ সীমান্ত।দেশের একেবারেই শেষ সীমানা,আর এখানেই হয় শতাব্দীর প্রাচীন দূর্গাপুজো।হয়তো অনান্য পুজোর পুজোর মত জাঁকজমক আরম্ভর নেই। তবে এই পুজোকে আঁকড়ে ধরে রয়েছে সীমান্তবর্তী পাঁচটি গ্রামের বাসিন্দারা। মালদহের কালিয়াচকের ষষানি গ্রামে হয়ে আসছে এই প্রাচীন পুজো। আশেপাশের পাঁচটি গ্রাম মিলে হয় এই একটি মাত্র পুজো। আর এই পুজোকে ঘিরেই আনন্দে মেতে ওঠেন সীমান্তবর্তী গ্রামগুলির বাসিন্দারা। অন্যান্য পুজার থেকে কোন অংশে কম নেই এই পুজোর প্রস্তুতি। পুজোয় শামিল হয়ে থাকেন বিএসএফ কর্মীরাও। কারণ পাশেই রয়েছে বিএসএফ ক্যাম্প। প্রতিবছর সীমান্তের এই পুজোয় চাঁদা দেওয়া থেকে পুজোয় অংশগ্রহণ করে আসছেন স্থানীয় বিএসএফ কর্মীরা।গ্রামের পাশ দিয়েই গিয়েছে সীমান্তের তাঁর বেড়া। গ্রাম জুড়ে প্রায় নিয়মিত চলে বিএসএফ টহলদারি। একসময় যখন তার বেড়াচ্ছিল না,বাংলাদেশের নাগরিকেরাও এই পুজোয় এসে সামিল হতেন। দুই দেশের সীমান্তবর্তী এই গ্রামে বসত বিশাল মেলা। সময়ের সঙ্গে তা যেন কোথায় বিলীন হয়েছে। এখন দুই দেশের সীমান্তের তার বেড়া বাঁধা সৃষ্টি হয়েছে। ইচ্ছা থাকলেও বাংলাদেশের বাসিন্দারা আর এই পুজোয় সামিল হতে পারছেন না। তবে এই পুজোয় একটুকু খামতি রাখেননি বর্তমান উদ্যোক্তারা। পুজোকে ঘিরে পাঁচ দিনব্যাপী চলে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।ষষানি সার্বজনীন দুর্গাপুজো এই বছর ১২১ তম বর্ষ।

নতুন দায়িত্ব পেলেন আসিফ সারজিস ও মিতু

নতুন দায়িত্ব পেলেন আসিফ সারজিস ও মিতু

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শীর্ষস্থানীয় পাঁচ নেতাকে উপদেষ্টা রেখে জুলাই যোদ্ধাদের সংগঠন জুলাই ওয়ারিয়র্স অ্যালায়েন্সের কেন্দ্রীয় কমিটি (আংশিক) ঘোষণা করা হয়েছে। সংগঠনটির সভাপতি হয়েছেন সালমান হোসেন, সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হাসান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন মুস্তাইন বিল্লাহ হাবিবী।সোমবার (৫ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। আগামী এক বছরের জন্য কেন্দ্রীয় কমিটি দায়িত্ব পালন করবে বলে জানানো হয়েছে।এনসিপির পাঁচজন কেন্দ্রীয় নেতাকে নিয়ে জুলাই ওয়ারিয়র্স অ্যালায়েন্সের উপদেষ্টা পরিষদও গঠন করা হয়েছে। এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, রাজনৈতিক পর্ষদ সদস্য ডা. মাহমুদা মিতু ও নুসরাত তাবাসসুম এবং কেন্দ্রীয় সংগঠক আরমান হোসাইন সংগঠনটির উপদেষ্টা পরিষদে রয়েছেন।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা ও অর্জনকে সমুন্নত রাখা এবং জুলাইয়ের শহীদ ও আহতদের ন্যায়বিচার, মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জুলাই ওয়ারিয়র্স অ্যালায়েন্সের উপদেষ্টা পরিষদ ও কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এনসিপি নেতার পদত্যাগ

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কমিটি গঠনের আট দিন পর দল থেকে পদত্যাগ করেছেন আহ্বায়ক শাহিদ আলম।রোববার (৪ অক্টোবর) বিকালে তিনি শারীরিক অসুস্থতা ও পারিবারিক সমস্যার কথা উল্লেখ করে এনসিপির  গোপালগঞ্জ জেলা শাখার আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব বরাবরে এ পদত্যাগপত্র পাঠান। পদত্যাগ পত্রে তিনি লিখেছেন, আমি শাহিদ আলম জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গোপালগঞ্জ জেলার যুগ্ম আহ্বায়ক ও টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আহ্বায়ক পদে আছি। আমার শারীরিক অসুস্থতা ও পারিবারিক সমস্যার কারণে আমার সব পদ থেকে অব্যাহতি নিলাম। সঙ্গে সঙ্গে আর কখনো রাজনীতির সঙ্গে জড়াবো না বলে অঙ্গীকার করিলাম। এতএব বিষয়টি সবার কবিশেষ বিবেচনায় ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে নেবেন। শাহিদ আলম বলেন, শারীরিক ও পারিবারিক সমস্যার কারণে পদত্যাগ করেছি। এছাড়া আমার নিজস্ব ব্যবসা রয়েছে। রাজনীতিতে জড়িয়ে ব্যবসার অনেক ক্ষতি হয়েছে। তাই রাজনীতি পুরোপুরি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।জেলা এনসিপির সদস্য সচিব ফেরদৌস আমিনা বলেন, উনি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন কিন্তু আমরা এখনো গ্রহণ করিনি। উনি চেয়েছিল কমিটি যেন প্রকাশ না হয়। সে এনসিপি করবে তা কেউ জানবে না, আবার তার অপকর্মের দায় দলের উপর পড়বে সেটা মেনে নেওয়া হবে না। উর্ধ্বতন নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে বাকি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা শাখা এনসিপির ১১ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি গঠন করা হয়। জেলা এনসিপির আহ্বায়ক বাঁধন মিয়া, সদস্য সচিব ফেরদৌস আমিনা ও সাংগঠনিক সম্পাদক রুবেল মোল্লা শুভ যৌথভাবে এ কমিটির অনুমোদন দেন।

এনসিপি নেতার পদত্যাগ

শেখ হা‌সিনাকে আশ্রয় দেওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প ছিল না : দীনেশ ত্রিবেদী

২০২৪-এর ৫ আগস্টে বাংলা‌দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনাকে আশ্রয় দেওয়া ছাড়া ভারতের হাতে কোনো বিকল্প ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনা দীনেশ ত্রিবেদী।তি‌নি বলে‌ন, ‘শেখ হাসিনা যখন ভারত যান তিনি তখনও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তা‌কে আশ্রয় দেওয়া ছাড়া ভার‌তের কাছে তেমন কোনো বিকল্প ছিল না।’শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীতে পঞ্চম বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনে এক সেশনে প্রশ্নের জবা‌বে ভারতীয় হাইক‌মিশনার এ কথা ব‌লেন। শেখ হাসিনাকে প্রত্যার্পণ নি‌য়ে এক প্রশ্নের জবা‌বে দী‌নেশ ত্রিবেদী ব‌লেন, ‘এটা বলতে গেলে আমাদের একটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের মধ্য দিয়ে যেতে হবে। ভারত সরকার তাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের মাধ্যমে বারবার এর উত্তর দিয়েছে যে, এর একটি নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে এবং এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে আইনি বৈধতা জড়িত ও এটি বেশ সুগঠিত।’ তি‌নি ব‌লেন, ‘এ বিষয়ে বলতে গেলে প্রক্রিয়াটি চলছে এবং এটি আদালতের সঙ্গে জড়িত। তাই কেউ আপনাকে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা দিতে পারবে না।’দিনেশ ত্রিবেদী বলেন, ইতিহাসের দিকে ফিরে তাকালে শেখ হাসিনাকে আমাদের বিমানবাহিনী বা সেনাবাহিনী ভারতে নিয়ে যায়নি। সেসময় বাংলাদেশের মর্মান্তিক পরিস্থিতির কারণেই এমনটা হয়েছিল এবং আমরা আশা করি, প্রার্থনা করি যে, এমনটা যেন আর কখনো না ঘটে, যেখানে নির্দোষ মানুষ নিহত হয়। সেটা পৃথিবীর যে প্রান্তেই হোক না কেন।তি‌নি ব‌লেন, ‘সামরিক বিমানটি ভারতে এসেছিল, যার জন্য ভারত প্রস্তুত ছিল না। আমি টেলিভিশনে দেখছিলাম এবং স্ক্রলে লেখা আসছিল যে তিনি অন্য কোথাও, অন্য কোনো দেশে যাচ্ছেন। তাই সেই সময়ে, শেখ হাসিনা তখনও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। এ ব্যাপারে আমাদের কাছে তেমন কোনো বিকল্প ছিল না। প্রতিবেশী হিসেবে বাস্তবতাকে মেনে নেওয়া আমাদের দায়িত্ব ছিল।’ভারতীয় হাইক‌মিশনার ব‌লেন, ‘অনেক সময় পরিস্থিতি এমন হয় যেখানে আপনি এর জন্য প্রস্তুত থাকেন না। আমাদের কাছে আর কী বিকল্প ছিল? আমরা যদি বলতাম যে, না আমরা তাকে গ্রহণ করব না, আমরা ল্যান্ডিংয়ের অনুমতি দেব না, তবে পরিস্থিতি যে কী দাঁড়াতো তা আমার জানা নেই। সুতরাং এটিই হলো ঐতিহাসিক কারণ।’ তি‌নি আরও ব‌লেন, ‘বাকিটা আমার জানা নেই। আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, সে বিষয়ে আপনি পুরোপুরি নিশ্চিত থাকতে পারেন। বাংলাদেশের মতো ভারতও একটি প্রাণবন্ত গণতান্ত্রিক দেশ এবং আপনিও আইনি ব্যবস্থাকে সম্মান করবেন বলে আশা করি। আর আইনি ব্যবস্থা তার কাজ করছে।’ 

 শেখ হা‌সিনাকে আশ্রয় দেওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প ছিল না : দীনেশ ত্রিবেদী

জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান ইনকিলাব মঞ্চের

শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে দেশের চলমান সংকট মোকাবিলায় জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক দল নিয়ে জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়ে শরিফ ওসমান হাদি বলেন, বিএনপি অসহযোগিতা করলে তাদের জাতির কাছে জবাবদিহি করতে হবে। জামায়াত অসহযোগিতা করলে জবাবদিহি করতে হবে তাদেরও। এই সরকারের মেয়াদ হবে ১০ মাস থেকে এক বছর। যদি জাতীয় সরকার না করতে পারেন তাহলে জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল গড়ে তোলেন। জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল প্রধান হবেন ড. ইউনূস। সব রাজনৈতিক দল থেকে সেখানে প্রতিনিধি থাকবে সদস্য হিসাবে। তাদের সাংবিধানিক মর্যাদা হবে ক্যাবিনেট মন্ত্রী পরিষদের মতো। তারা মন্ত্রী হবেন না, উপদেষ্টা হবেন না কিন্তু ওয়াচডগ হিসাবে কাজ করবেন।জুলাই ঘোষণাপত্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত জুলাই ঘোষণাপত্রের কার্যক্রম না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে কোনো লাভ নেই। যদি জুলাই ঘোষণাপত্র না আসে, যারা জুলাইয়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন দিল্লির সঙ্গে মিলে আওয়ামী লীগ তাদের কচুকাটা করবে। জুলাই ঘোষণাপত্র সাংবিধানিক স্বীকৃতি পেলেই আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ হবে।

জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান ইনকিলাব মঞ্চের

সরকারের কাছে পাঁচ দাবি জানিয়েছে এনসিপি

দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত

সরকারের কাছে পাঁচ দাবি জানিয়েছে এনসিপি
.
আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...

আইন-কানুন

সকল জেলার খবর

আর্কাইভ

 অর্থনীতি অর্থনীতি

আলজেরিয়াকে বাংলাদেশ থেকে ফার্মাসিউটিক্যালস পণ্য আমদানির আহ্বান

আলজেরিয়াকে বাংলাদেশ থেকে ফার্মাসিউটিক্যালস পণ্য আমদানির আহ্বান

বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও বেগবান করতে আলজেরিয়া বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক (গার্মেন্টস) ও ফার্মাসিউটিক্যালস পণ্য আমদানি বাড়াতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ৷সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তার অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত ড. আবদেলওয়াহাব সাইদানি সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী৷সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দু'দেশের মধ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, নিরাপত্তা সহযোগিতা, মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন, অভিবাসন ব্যবস্থাপনা, অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।বৈঠকে নিরাপত্তা বাহিনীর দক্ষতা ও পেশাদারিত্ব বাড়াতে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ প্রদান, যৌথ কর্মশালা আয়োজন এবং আইনগত সহায়তা আদান-প্রদানের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। এছাড়া, বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার মধ্যে সরকারি পর্যায়ে (জি-টু-জি) দীর্ঘমেয়াদি এলএনজি এবং সার আমদানির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে বৈঠকে জানানো হয়। উভয় পক্ষই একমত পোষণ করেন যে, এই উদ্যোগ দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় উন্নীত করবে।আলোচনাকালে আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত স্মরণ করিয়ে দেন যে, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর আলজেরিয়াই প্রথম আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল। তিনি দু'দেশের মধ্যকার এই ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে আলজেরিয়ার দৃঢ় আগ্রহের কথা ব্যক্ত করেন।জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও বেগবান করতে আলজেরিয়া বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক (গার্মেন্টস) ও ফার্মাসিউটিক্যালস পণ্য আমদানি বাড়াতে পারে। পাশাপাশি, বাংলাদেশ থেকে ডাক্তার ও নার্সসহ দক্ষ জনশক্তি নেওয়ার জন্যও তিনি আলজেরিয়াকে আহ্বান জানান।বৈঠকে, বাংলাদেশে বিচারাধীন একজন আলজেরীয় নাগরিকের আইনি জটিলতার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আদালতের নিয়মানুগ প্রক্রিয়ায় আবেদন করার পরামর্শ দেন এবং এ বিষয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় আইনি সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আলজেরিয়ার রাষ্ট্রপতিকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়টি উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, আলজেরিয়ার রাষ্ট্রপতি এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করায় বাংলাদেশ আনন্দিত। তিনি এই সফরের জন্য সুবিধাজনক কূটনৈতিক তারিখ নির্ধারণের ওপর জোর দেন।বৈঠকে উভয় দেশ নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও দ্বিপক্ষীয় কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও গভীর ও সুদৃঢ় করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।সাক্ষাৎকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, রাজনৈতিক ও বহিরাগমন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আফ্রিকা অনুবিভাগের মহাপরিচালক এটিএম আব্দুর রউফ মন্ডল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।