বাঙালির বাংলাদেশ
সর্বশেষ

জাতীয়

মতামতমতামত

‘কাজ শেষ না করে আমরা কোথাও যাচ্ছি না’

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগ করছেন না উল্লেখ করে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, আমরা আমাদের কাজ শেষ না করে কোথাও যাচ্ছি না। শনিবার একনেক বৈঠকের পর হওয়া উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে শুরু হওয়া বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টিকারী বিষয়গুলো চিহ্নিত করা এবং সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগের বিষয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, তিনি চলে যাবেন বলেননি। তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) বলেছেন, আমরা যে কাজ করছি, আমাদের সামনে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাতে অনেক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু আমরা সব বাধা অতিক্রম করব।অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর অর্পিত দায়িত্বের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ এর ওপর নির্ভর করছে। আমরা এ দায়িত্ব ছেড়ে যেতে পারি না।পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, আমরা দেখছি বিভিন্ন জায়গা থেকে কী কী বাধা আসছে, কে কী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং আমরা এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কী কী প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে।উপদেষ্টা রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, বিচার বিভাগ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসহ সব পক্ষের সমর্থন চেয়ে বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে থাকা সব শক্তি এবং সব রাষ্ট্রীয় সংস্থাকে আমরা এ লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করার আহ্বান জানাব। এটা শুধু আমাদের একার দায়িত্ব নয়।ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ আরও বলেন, উপদেষ্টারা স্বপ্রণোদিতভাবে এখানে আসেননি। তবে তাদের একটি জাতীয় দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে এবং তারা তা ছেড়ে যাবেন না।আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের রূপরেখা নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করেননি উপদেষ্টা।

এলডিসির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নীতির পুনর্মূল্যায়ন জরুরি

বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি নীতিমালা  : এলডিসি পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয়তা এবং চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত অধ্যাপক লুৎফে সিদ্দিকী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান।মূল প্রবন্ধে ড. সেলিম রায়হান বলেন, রাজস্ব খাতে সংস্কারের অভাব এবং প্রত্যক্ষ করের মাধ্যমে কর বৃদ্ধিতে সরকারের ব্যর্থতার ফলে পরোক্ষ কর ও আমদানি করের ওপর ব্যাপক নির্ভরতা দেখা দিচ্ছে। প্রতিযোগী দেশগুলোর চেয়ে বাংলাদেশের আমদানি শুল্ক হার অনেক বেশি। রপ্তানি খাতও শুধু তৈরি পোশাকে সীমাবদ্ধ। তাও আবার পোশাকের প্রবৃদ্ধি নগদ প্রণোদনা ও কর ছাড়ের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এলডিসি উত্তরণ পরবর্তী চাপ সামলাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি নতুন রপ্তানি পণ্য ও নতুন বাজার খোঁজা উচিত।প্রধান অতিথির বক্তব্যে লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যকার কাঠামোগত সংস্কার জরুরি। তবে যে গতিতে বর্তমানে সংস্কার কার্যক্রম সম্পন্ন হচ্ছে তা প্রয়োজনের তুলনায় বেশ কম। সত্যিকার অর্থে শিল্প খাতসহ অন্য সেক্টরে কোনো দীর্ঘমেয়াদে রোডম্যাপ নেই, যা হতাশার বিষয়। এলডিসি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের পাশাপাশি সরকারের সংস্থাগুলোর মধ্যকার সমন্বয় বাড়ানো প্রয়োজন।প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশকে এলডিসি উত্তরণ করতেই হবে। এখান থেকে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই। তবে এলডিসি পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের উচ্চমানের তৈরি পোশাক, ওষুধ এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের ওপর বেশি হারে মনোযোগী হতে হবে। তিনি আরও বলেন, এলডিসি উত্তরণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিল্প-কারখানা এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা মধ্যে সমন্বয় ও পারস্পরিক আস্থা-বিশ্বাস বৃদ্ধির বিকল্প নেই। সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য (কাস্টমস) কাজী মোস্তাফিজুর রহমান এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানে নির্ধারিত আলোচনায় অংশ নেন বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ফজলুল হক, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের জয়েন্ট চিফ (ইন্টারন্যাশাল কো-অপারেশন ডিভিশন) মসিউল ইসলাম, বেসিসের সাবেক সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর, ডেল্টা ফার্মা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. জাকির হোসেন এবং ফকির ফ্যাশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফকির কামরুজ্জামান নাহিদ প্রমুখ।

অনিয়মে জর্জরিত ‘ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স’, ঝুঁকিতে ব্যান্ডউইথ নিরাপত্তা

নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়মকানুন উপেক্ষা করে একে একে আইআইজি, আইটিসি, আইজিডব্লিউসহ ইন্টারনেট-টেলিকম খাতের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ লাইসেন্স দখলে নেয় আওয়ামী সুবিধাভোগী এ প্রতিষ্ঠান। এসব লাইসেন্স অর্জনে রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রশাসনিক সুবিধা ব্যবহার করা হয়েছে বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা।সংশ্লিষ্ট সূত্র ও নথি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি), দেশের অভ্যন্তরের আইটিসি প্রতিষ্ঠান এবং এয়ারটেল ও টাটার মতো শীর্ষ ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে ওয়ান এশিয়ার মোট বকেয়ার পরিমাণ ২৩ কোটি টাকারও বেশি। বিটিআরসির কাছেই এর বকেয়া প্রায় ৪ কোটি টাকা। বিএসসিসিএল-এর কাছে রয়েছে আরও ১ কোটি টাকার বেশি। অপরদিকে টেলিকম জায়ান্ট এয়ারটেল তাদের ১৩ কোটি টাকার এবং টাটা ৫ কোটি টাকার বকেয়া দাবি করছে। এদিকে বকেয়া আদায়ে নানাভাবে চেষ্টা করে না পেয়ে ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স-এর বিরুদ্ধে বিএসসিপিএলসি ঢাকা জেলা জজ আদালতে ‘আরবিট্রেশন মামলা’ দায়ের করে। এর রায়ে তারা জয়ী হয়। সেই রায়ের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি ‘অ্যাওয়ার্ড এক্সিকিউশন মামলা’ করে, যা এখনো চলমান রয়েছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তারা সরকারের নীতিনির্ধারকদের কাছে বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, যেন লাইসেন্স বাতিল না হয় এবং তাদের ব্যবসা চালু রাখা যায়। ইতোমধ্যে নিয়মবহির্ভূতভাবে তারা এনওসিও নিয়েছে বলে জানিয়েছে বিটিআরসির একটি সূত্র।ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স একসময় আইআইজি, আইটিসি ও আইজিডব্লিউ লাইসেন্স নিয়ে টেলিকম বাজারে প্রবেশ করলেও সময়ের সঙ্গে শর্ত লঙ্ঘন করে একাধিক অনিয়মে জড়িয়ে পড়ে। তাদের মালিকানাধীন বেঙ্গল ব্রডব্যান্ড ২০১৬ সালে ডিভিশনাল আইএসপি লাইসেন্স পেলেও নবায়ন না করেই বর্তমানে অবৈধভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি এর মালিকানাধীন প্রিজমা ডিজিটাল নেটওয়ার্কের রয়েছে ন্যাশন ওয়াইড আইএসপি লাইসেন্স।এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বারবার মোবালইল ফোনে কল, হোয়াটসঅ্যাপ ও এসএমএসে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় ওয়ান এশিয়া অ্যালায়ন্সের মূল প্রতিষ্ঠান বেঙ্গল কমিউনিকেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসফারিয়া খায়েরের সঙ্গে। তবে তিনি সাড়া দেননি। পরে পুনরায় চেষ্টা করলে দেখা যায়, তিনি প্রতিবেদকের নম্বরই ব্লক করে দিয়েছেন।বিটিআরসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্সকে মোট বকেয়ার ৫০ শতাংশ এককালীন পরিশোধ এবং বাকি অংশ কিস্তিতে পরিশোধের শর্তে এনওসি প্রদান করা হয়েছে। তবে নির্ধারিত ১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠানটি এ পর্যন্ত মাত্র ১ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে বলে তিনি জানান।ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি) সভাপতি ইমদাদুল হক বলেন, আইএসপি সেক্টরের সেবাদান নির্ভর করে আইআইজি ও ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারীদের ওপর। কেউ যদি কোটি টাকা বকেয়া রেখে অনিয়ম করে, তা গ্রাহকের নিরাপত্তা ও নিরবচ্ছিন্ন সংযোগের জন্য হুমকি। তবে নেপথ্যে যদি নীতিগত বা কাঠামোগত কোনো সমস্যা থাকে, সেটাও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, টেলিযোগাযোগ খাতের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম নিয়ম ও নীতিমালার আলোকে পর্যালোচনা জরুরি। এক্ষেত্রে যদি কোনো প্রতিষ্ঠান বকেয়া বা নীতিগত ব্যত্যয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাহলে তা ন্যায্যতার ভিত্তিতে সমাধান হওয়া উচিত। বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসলাম হোসেন যুগান্তরকে বলেন, দীর্ঘদিন তাগাদা দিলেও প্রতিষ্ঠানটি পাওনা পরিশোধ করেনি, চিঠির জবাবও দেয়নি। এখন তাদের কাউকে খুঁজেও পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে মামলা করেছি।ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব যুগান্তরকে বলেন, আমরা চাই, ব্যবসায়ীরা স্বচ্ছন্দে ব্যবসা করুক, গ্রাহকদের সেবা দিক। কিন্তু সরকারের পাওনা পরিশোধ না করে কেউ যদি অনিয়মে জড়ায়, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

অধ্যাদেশ বিলুপ্তির দাবিতে কর্মবিরতি কর্মসূচি চলবে

ন কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে তাদের স্লোগান দিতে দেখা যায়। এনবিআরের অধীনস্থ সারা দেশের অন্য সব অফিসেও একইভাবে কর্মসূচি পালিত হয়। ঢাকা ও চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে বিকাল ৩টা পর্যন্ত কোনো কাজ হয়নি। ভ্যাট ও কর অফিসেও সেবা বন্ধ ছিল। তবে রপ্তানি ও আন্তর্জাতিক যাত্রীসেবা কাযক্রম চলমান ছিল। শনিবার এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন কাস্টমসের অতিরিক্ত কমিশনার এদিপ বিল্লাহ, উপকর কমিশনার মোস্তফিজুর রহমান, সহকারী কর কমিশনার ইশতিয়াক হোসেন। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক, যা ইতোমধ্যেই দেশের প্রথিতযশা অর্থনীতিবিদ ও থিংকট্যাংকসহ সর্বমহলে স্বীকৃতি পেয়েছে। এনবিআর তথা রাজস্ব প্রশাসনের আমূল সংস্কার আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি। তবে এই সংস্কার হতে হবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বীকৃত সর্বোত্তম ব্যবস্থা ও পদ্ধতির অনুরূপ। দেশের স্বার্থ ও উন্নয়ন দর্শন এতে সঠিকভাবে প্রতিফলিত হতে হবে। এছাড়া রাজস্ব প্রশাসন অধিকতর কার্যকর, প্রগতিশীল ও দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে এবং এ সংস্কার বিশেষ কারও স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হবে না। কিন্তু রাজস্ব ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের স্বার্থে আমাদের এমন যৌক্তিক দাবি মেনে নিতে সরকার কেন, কী কারণে এবং কাদের প্ররোচনায় বিলম্ব করছে, তা বোধগম্য নয়।    এতে আরও বলা হয়, আজ (শনিবার) সকাল থেকেই এনবিআর ভবনের অভ্যন্তরে এবং বাইরে বিপুলসংখ্যক পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি রয়েছে। এ বিষয়টি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মনে নানা ধরনের প্রশ্নের উদ্রেক করেছে। ক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলছেন, এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আন্দোলন করতে বাধ্য হয়েছে। কিন্তু এখন দেখছি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা হচ্ছে। তবে রোববারও একইভাবে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেখানে হস্তক্ষেপ করবে, সেখানে তারা প্রেস ব্রিফিং করবেন।ভিন্নমত যাদের: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর ও কাস্টমস ক্যাডারের কয়েকজন সিনিয়র কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, ‘দাবি আদায়ের নামে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এখন যা হচ্ছে তা রীতিমতো সরকার ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অবস্থান। এটি সম্পূর্ণ শৃঙ্খলাপরিপন্থি কাজ, সরকারি কর্মচারী আচরণবিধি এসব কর্মকাণ্ড পারমিট করে না।’ তারা মনে করেন, এনবিআর বিলুপ্ত করে যে গেজেট করা হয়েছে সেখানে প্রত্যাশার অনেক কিছু চলে এসেছে। যেটুকু অবশিষ্ট আছে তা পরবর্তী সংশোধনী ও বিধি প্রণয়নের মাধ্যমে সংযোজন করা সম্ভব। এজন্য এভাবে আন্দোলন করার প্রয়োজন ছিল না। বিষয়টিকে পুনরায় আলোচনার টেবিলে নিয়ে গেলে ভালো হতো। 

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ২ জন
১

আজিমপুর সরকারি কোয়ার্টারের অপরিচ্ছন্নতায় ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, সময় দিলেন ২ সপ্তাহ

২

কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুনের ঘটনায় ইনচার্জ আটক

৩

বৈধ বিদেশি কর্মীর সংখ্যা জানাল মালয়েশিয়া

৪

মাদকের আস্তানায় প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের অভিযান, ধরলেন ৬ জনকে

৫

বেদখল হওয়া সরকারি ভূমি উদ্ধারে তৎপর হওয়ার নির্দেশ

৬

বিমানবন্দরে লাগেজের গতিবিধি এবার যাত্রীদের চোখের সামনে

৭

অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ তিন দাবি এনসিপির

৮

গাজীপুরে ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসের কারখানায় আগুন

৯

শিশু হাসপাতালে চিকিৎসকের কক্ষে ধূমপান, বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

১০

‘পেনশন নিয়ে বাড়ি ফেরা হবে না’— পুলিশ কর্মকর্তাকে ছাত্রলীগ নেতা

সর্বশেষ সব খবর
জনপ্রিয় সব খবর
লিংক কপি করা হয়েছে!

জাতীয়

আজিমপুর সরকারি কোয়ার্টারের অপরিচ্ছন্নতায় ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, সময় দিলেন ২ সপ্তাহ

আজিমপুর সরকারি কোয়ার্টারের অপরিচ্ছন্নতায় ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, সময় দিলেন ২ সপ্তাহ

রাজধানীর আজিমপুর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কোয়ার্টারের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ দেখে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। পুরো এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দুই সপ্তাহের সময় বেঁধে দিয়েছেন তিনি।শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর আজিমপুর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কোয়ার্টার আকস্মিক পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশ দেন।পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী কোয়ার্টারের এলাকা, চলাচলের পথ ও সার্বিক পরিবেশ ঘুরে দেখেন। এ সময় পরিচ্ছন্নতার ঘাটতি দেখে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এর কারণ জানতে চান। কোয়ার্টারের রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থাপনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে কোয়ার্টারের সার্বিক পরিচ্ছন্নতা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।এ সময় কোয়ার্টারের বাসিন্দারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে এলাকার অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন। তারা আবাসিক এলাকার পরিবেশ উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানান।প্রধানমন্ত্রী বাসিন্দাদের অভিযোগ মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সমস্যাগুলো সমাধানের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেন।পরিদর্শনের একপর্যায়ে কোয়ার্টারে বসবাসরত শিশুদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী।এ সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম উপস্থিত ছিলেন।

মাদকের আস্তানায় প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের অভিযান, ধরলেন ৬ জনকে

মাদকের আস্তানায় প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের অভিযান, ধরলেন ৬ জনকে

গেন্ডারিয়া রেললাইন সংলগ্ন চিহ্নিত মাদকের আস্তানায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে মাদক বিক্রেতাদের পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। এ সংক্রান্ত দুটি ভিডিও নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশ করেছেন তিনি। ভিডিওতে প্রতিমন্ত্রীর হাতে পিস্তল দেখা গেছে। তবে, পিস্তলের কিছু অংশ ভিডিওতে ঝাপসা করে দেওয়া হয়েছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) ঢাকা-৬ আসনের গেন্ডারিয়া থানার ৪৫ নাম্বার ওয়ার্ডের রেললাইন সংলগ্ন একটি বস্তিতে মাদকের আস্তানায় আকস্মিক অভিযান চালান প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। এ সময় মাদক কারবারে জড়িত সন্দেহে ছয়জনকে আটক করা হয়। প্রকাশিত ভিডিওতে বলা হয়, গেন্ডারিয়া রেললাইন সংলগ্ন এলাকায় মাদক আস্তানা গুড়িয়ে বিক্রেতাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। অপর একটি ভিডিওতে বেশ কয়েকজনকে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে পুলিশকে নিয়ে যেতে দেখা গেছে।ভিডিওতে প্রতিমন্ত্রীর হাতে থাকা পিস্তলটির কিছু অংশ ব্লার করা থাকলেও সেটি কী ধরনের অস্ত্র, তা ভিডিও থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অভিযানের সময় তার হাতে অস্ত্রটি থাকার কারণ এবং সেটি ব্যবহারের কোনো ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। পরে ইশরাকের মিডিয়া সেলের পক্ষে পাঠানো এক বার্তায় বলা হয়, রাজধানীর ঢাকা-৬ আসনকে মাদকমুক্ত না করা পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন।তিনি বলেছেন, মাদক কারবারিরা যে দলেরই হোক, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। এমনকি তার নিজের দলের কেউ মাদক কারবারে জড়িত থাকলে তার শাস্তি আরও বড় হবে।অভিযানকালে এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে ইশরাক হোসেন বলেন, এলাকায় যারা মাদক বিক্রি করে, তাদের স্থান আমার এই ঢাকা-৬ আসনে নাই। স্বৈরাচার সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে সরকার পতন করেছি। আর এই মাদক কারবারিদের কোনো টাইম আছে? এই এলাকায় যত বড় মাদক কারবারি হোক না কেন, তারা যে দলেরই হোক না কেন, যদি আমার দলের হয়, তাহলে তাদের শাস্তি আরও বড় হবে।মাদকাসক্তির কারণে তরুণ সমাজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই মাদকের কারণে আমাদের তরুণ সমাজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। গত ছয় মাস ধরে গোয়েন্দা দিয়ে তথ্য সংগ্রহ করছি। যারা বাইরে থেকে এসে মাদক দিয়ে যায়, তাদের আটক করতে পারবে—এমন ব্যক্তিদের আমার মাথায় করে রাখব। আমার এই এলাকা থেকে মাদকবিরোধী অভিযান শুরু হয়েছে। সারা বাংলাদেশ অভিযান চলবে,বাংলাদেশে কোথাও মাদকের জায়গা হবে না।অভিযানের সময় আটক ব্যক্তিরা ছেড়ে দেওয়ার জন্য হাতজোড় করলে তাদের আশ্বস্ত করেন ইশরাক হোসেন। তিনি বলেন, তোমাদের গায়ে কেউ হাত দেবে না, তোমাদের কেউ কিছু করবে না। তোমরা থানায় যাবা, পুলিশ তোমাদের ব্যবস্থা নেবে। তোমাদের মারার জন্য আমরা আসি নাই। এই দেশ আইনের মাধ্যমে চলবে। তাদের বিচার হবে, বিচারের মাধ্যমে তাদের শাস্তি হবে। এর আগেও ঢাকা-৬ আসনের বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। আসনটিকে মাদকমুক্ত করতে এ অভিযান অব্যাহত রাখার পাশাপাশি এলাকাবাসীর সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।এ বিষয়ে গেন্ডারিয়া থানার ওসি মনিরুজ্জামান মনির বলেন, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন ছয়জনকে আটক করে থানায় ফোন দেন। পরে থানা থেকে পুলিশ সদস্যরা গিয়ে তাদের নিয়ে আসেন।ওসি বলেন, আটক ব্যক্তিদের কাছে সাদা পাউডারজাতীয় পদার্থ পাওয়া গেছে। সেগুলো হেরোইন কিনা, তা পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

বেদখল হওয়া সরকারি ভূমি উদ্ধারে তৎপর হওয়ার নির্দেশ

বেদখল হওয়া সরকারি ভূমি উদ্ধারে তৎপর হওয়ার নির্দেশ

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বেদখল হওয়া সরকারি জমি উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থাগুলোকে তৎপর হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং পরিত্যক্ত সম্পত্তির ডেটাবেজ ও রেজিস্টার তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এছাড়া সরকারি জমির নামজারি ও রেকর্ড হালনাগাদ, শূন্য পদে নিয়োগ ও পদোন্নতি, অডিট আপত্তি নিষ্পত্তি এবং উন্নয়ন প্রকল্পের গুণগত মান নিশ্চিত করার বিষয়েও একাধিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমানের সভাপতিত্বে গত ২৯ সেপ্টেম্বর মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত মাসিক সমন্বয় সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।পাশাপাশি সরকারি সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, প্রশাসনিক কার্যক্রম, অডিট আপত্তি, মামলা নিষ্পত্তি এবং দাপ্তরিক কাজে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়সহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। সভার কার্যবিবরণী এসব তথ্য জানা গেছে।সভায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন অব্যবহৃত জমি উদ্ধারের বাস্তবায়ন অগ্রগতি উপস্থাপন করা হয়। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়, সরকারি ভূমি উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট সবাইকে তৎপর হতে হবে এবং কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন অব্যবহৃত জমির তথ্য ছক আকারে পরবর্তী সমন্বয় সভায় দাখিল করতে হবে। একই সঙ্গে অবৈধ দখলে থাকা জমি উদ্ধারে উচ্ছেদ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও সংস্থাকে।সভায় নিষ্কণ্টক জমির গেজেট প্রকাশ, পরিত্যক্ত সম্পত্তির ডেটাবেজ তৈরি এবং অ্যাসেট রেজিস্টার (সম্পদ নিবন্ধন) প্রস্তুতের বিষয়েও আলোচনা হয়। সিদ্ধান্ত হয়, মন্ত্রণালয়ের পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা অধিশাখার তত্ত্বাবধানে পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা বোর্ড ও গণপূর্ত অধিদপ্তর পরিত্যক্ত সম্পত্তির ডেটাবেজ ও রেজিস্টার তৈরি করা হবে।এছাড়া পরিত্যক্ত সম্পত্তির ডেটাবেজ তৈরির লক্ষ্যে মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) শাখার উদ্যোগে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি সভা আহ্বান করতে হবে। এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা অধিশাখা, গণপূর্ত অধিদপ্তর, পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা বোর্ড এবং সিস্টেম অ্যানালিস্টকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।মাঠপর্যায়ে উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের বিষয়ে সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রকল্পের গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং কাজের গতিশীলতা বাড়ানোর লক্ষ্যে সব দপ্তর ও সংস্থার প্রধানদের নিয়মিত মাঠপর্যায়ের প্রকল্প পরিদর্শন করতে হবে। পরিদর্শনের মাধ্যমে প্রকল্পের সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে প্রতিবেদন তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রকল্প পরিদর্শনের প্রতিবেদনের একটি অনুলিপি মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে হবে। এ নির্দেশনা বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও সংস্থাকে। পাশাপাশি পরিকল্পনা ও উন্নয়ন অধিশাখা-২-এর যুগ্ম সচিব এ বিষয়ে দায়িত্ব পালন করবেন।মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার শূন্য পদ পূরণে গৃহীত কার্যক্রম সম্পর্কে সভাকে অবহিত করেন সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থার প্রধানরা। শূন্য পদ পূরণে ভবিষ্যতে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, তা নিয়েও আলোচনা হয়।সভায় সিদ্ধান্ত হয়, সব শূন্য পদে নিয়োগ ও পদোন্নতির কার্যক্রম দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। শূন্য পদ পূরণের লক্ষ্যে কোন দপ্তর, সংস্থা বা কর্তৃপক্ষ কতটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে, সে বিষয়ে পরবর্তী সভায় তথ্য উপস্থাপন করতে হবে। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সব দপ্তর ও সংস্থাকে।গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সব দপ্তর ও সংস্থার জমির গেজেট প্রকাশ, দখল এবং নামজারির বিষয়ে সভায় সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থার প্রধানেরা অগ্রগতি তুলে ধরেন।এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়, মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সব দপ্তর ও সংস্থাকে তাদের মালিকানাধীন জমির নামজারি ও রেকর্ড দ্রুত সম্পন্ন করার উদ্যোগ নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী মাসে নামজারি ও রেকর্ড সম্পন্ন হওয়া জমির পরিমাণ উল্লেখ করে নির্ধারিত ছক অনুযায়ী প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ছক অনুসরণ করে এ প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সব দপ্তর ও সংস্থাকে।বর্তমান সরকারের ১৮০ দিনের ও পরবর্তী এক বছরের কর্মসূচির আওতায় অডিট আপত্তি নিষ্পত্তির কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়। এ ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ অডিট আপত্তি নিষ্পত্তির কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ এবং দপ্তর ও সংস্থা থেকে পাওয়া জবাব সন্তোষজনক হলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে সাত দিনের মধ্যে তা পাঠানোর বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।সভায় সিদ্ধান্ত হয়, অডিট বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যথাযথ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। ২০২৪ ও ২০২৫ সালে উত্থাপিত অডিট আপত্তির সংখ্যা এবং ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত উত্থাপিত অডিট আপত্তির সংখ্যা সেপ্টেম্বর মাসের সমন্বয় সভায় উপস্থাপন করতে হবে।অডিট আপত্তি নিষ্পত্তির লক্ষ্যে আগামী তিন মাসে কমপক্ষে নয়টি ত্রিপক্ষীয় সভা আহ্বান করতে হবে। পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা পরিদপ্তরকে অভ্যন্তরীণ অডিটের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করতে হবে।পরবর্তী মাসের মাসিক সমন্বয় সভায় পূর্ত অডিট অধিদপ্তরের একজন প্রতিনিধিকে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানানোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে অডিট অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব, অডিট শাখা-১ ও ২-এর উপসচিব ও সহকারী সচিব এবং অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা পরিদপ্তরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।সভায় মামলা-সংক্রান্ত কার্যক্রমের বাস্তবায়ন অগ্রগতি উপস্থাপন করা হয়। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়, অনিষ্পন্ন মামলাগুলোর তথ্য প্রতি মাসের সমন্বয় সভায় নির্ধারিত ছক অনুযায়ী দিতে হবে।রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) নকশা অনুমোদন প্রক্রিয়া শতভাগ অনলাইনে সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আবেদন পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে নকশা অনুমোদন নিশ্চিত করতে হবে।এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি মাসের সমন্বয় সভায় কতটি আবেদন পাওয়া গেছে এবং কতটি আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়েছে, তার সুনির্দিষ্ট প্রমাণকসহ তথ্য উপস্থাপন করতে হবে।এ ছাড়া মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন সব দপ্তর ও সংস্থার ওয়েবপোর্টাল নিয়মিত হালনাগাদ ও সময়োপযোগী রাখতে হবে। মন্ত্রণালয় এবং আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থাগুলোর সব সেবা পর্যায়ক্রমে ই-সেবা বা ডিজিটাল সেবায় রূপান্তর করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে প্রশাসন-১ অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব, সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থার প্রধান এবং আইসিটি শাখার সিস্টেম অ্যানালিস্টকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।সভায় ই-টেন্ডারিংয়ের বাস্তবায়ন অগ্রগতি উপস্থাপন করা হয়। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়, নতুন সরকারি ক্রয় বিধিমালা (পিপিআর), ২০২৫ যথাযথভাবে অনুসরণ করে মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সব দপ্তর ও সংস্থাকে ক্রয় কার্যক্রম সম্পাদন করতে হবে। মন্ত্রিসভার বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্তগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি যথাসময়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানোর বিষয়েও সভায় আলোচনা হয়।সভায় সিদ্ধান্ত হয়, মন্ত্রিসভার বৈঠকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সিদ্ধান্তগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি প্রতিবেদন নিয়মিত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো অব্যাহত রাখতে হবে। এ ছাড়া গত ছয় মাসে মন্ত্রিসভার বৈঠকে গৃহীত কোনো সিদ্ধান্ত অনিষ্পন্ন রয়েছে কি না, সে বিষয়ে পরবর্তী সমন্বয় সভায় তথ্য উপস্থাপন করতে হবে।সভায় ডি-নথির বাস্তবায়ন অগ্রগতি উপস্থাপন করা হয়। এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, মন্ত্রণালয়ের সব শাখা এবং নিয়ন্ত্রণাধীন সব দপ্তর ও সংস্থাকে কমপক্ষে ৮০ শতাংশ ডাক ডি-নথির মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে হবে।ডি-নথিতে নথি নিষ্পত্তির কার্যক্রম বাড়ানোর জন্য শাখা কর্মকর্তাদের বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অফিস ব্যবস্থাপনা ও শৃঙ্খলা বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানেরা সভাকে অবহিত করেন।এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়, ছয় মাস ও ১২ মাস মেয়াদি বিভাগীয় মামলাগুলোর তথ্য সেপ্টেম্বর মাসের সমন্বয় সভায় উপস্থাপন করতে হবে। একই সঙ্গে ১২ মাসের বেশি সময় ধরে অনিষ্পন্ন বিভাগীয় মামলাগুলো পরবর্তী সমন্বয় সভার আগে নিষ্পত্তির কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, দাপ্তরিক দৈনন্দিন কাজে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়।সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থার সব কর্মকর্তাকে দাপ্তরিক কাজে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী ও দায়িত্বশীল হতে হবে। পাশাপাশি অধীনস্থ কর্মচারীদের এ বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিতে হবে।দপ্তর ও সংস্থাগুলোকে নিজ নিজ কার্যালয়ে গত তিন মাসে বিদ্যুৎ ব্যবহারের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন তৈরি করতে হবে। ওই প্রতিবেদনে বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ ইউনিট উল্লেখ করে পরবর্তী সমন্বয় সভায় উপস্থাপন করতে হবে।এছাড়া সাধারণ শৌচাগার, সম্মেলনকক্ষ এবং অন্যান্য সাধারণ স্থানে ফ্যান, বাতি ও শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসব স্থানে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার জন্য সহায়ক কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে হবে।দাপ্তরিক কাজে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধ করার লক্ষ্যে মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সব দপ্তর, সংস্থা ও কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এ লক্ষ্যে প্রতিটি দপ্তর, সংস্থা ও কর্তৃপক্ষকে একজন ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা মনোনয়ন দিতে হবে। ওই কর্মকর্তার মাধ্যমে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ ও সমন্বয় করা হবে, সভায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব ওবায়দুর রহমান বলেন, এসব সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।

বিমানবন্দরে লাগেজের গতিবিধি এবার যাত্রীদের চোখের সামনে

বিমানবন্দরে লাগেজের গতিবিধি এবার যাত্রীদের চোখের সামনে

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন, লাগেজের নিরাপত্তা জোরদার এবং লাগেজ হ্যান্ডলিং কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। এ উদ্যোগের আওতায় বিমানবন্দরের ৮টি লাগেজ বেল্ট এলাকায় ৩২টি সিসিটিভি ক্যামেরা এবং ৬৫ ইঞ্চি আকারের ১৮টি মনিটর স্থাপন করা হয়েছে। নতুন এ ব্যবস্থার মাধ্যমে যাত্রীরা লাগেজ হ্যান্ডলিং কার্যক্রমের বিভিন্ন ধাপ সরাসরি পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন।  উড়োজাহাজ থেকে লাগেজ নামানো, নির্ধারিত স্থানে পরিবহন, বাছাই এবং লাগেজ বেল্টে পৌঁছানো পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ার দৃশ্য স্থাপিত মনিটরে সরাসরি (লাইভ) দেখার সুযোগ পাবেন। ফলে যাত্রীরা তাদের লাগেজ পরিবহনের কার্যক্রম সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা লাভ করবেন এবং লাগেজ সংগ্রহের প্রতিটি পর্যায়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সম্পর্কে অবগত থাকতে পারবেন। এ উদ্যোগের মাধ্যমে লাগেজ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও জবাবদিহি আরও বৃদ্ধি পাবে।বেবিচক যাত্রীদের স্বার্থ সুরক্ষা, নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় ভ্রমণ নিশ্চিতকরণ এবং আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিশেষ করে প্রবাসীসহ দেশি-বিদেশি সব যাত্রী যেন ভ্রমণ শেষে নির্বিঘ্নে ও নিশ্চিন্তে তাদের লাগেজ সংগ্রহ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে প্রযুক্তিনির্ভর ও যাত্রীবান্ধব সেবার সম্প্রসারণে বেবিচকের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এ উদ্যোগ দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীসেবার মান আরও উন্নত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

 আন্তর্জাতিক আন্তর্জাতিক

বৈধ বিদেশি কর্মীর সংখ্যা জানাল মালয়েশিয়া

বৈধ বিদেশি কর্মীর সংখ্যা জানাল মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ায় বৈধভাবে কর্মরত বিদেশি কর্মীদের মধ্যে মিয়ানমারের নাগরিক রয়েছেন ১ লাখ ৫৪ হাজার ৭৫৮ জন। চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশটির অভিবাসন বিভাগের (জেআইএম) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বৈধ অস্থায়ী কর্মানুমতিধারী বিদেশি কর্মীদের উৎসদেশের তালিকায় মিয়ানমারের অবস্থান চতুর্থ।মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (কেডিএন) অধীন অভিবাসন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে বর্তমানে বৈধ অস্থায়ী কর্মানুমতি (পিএলকেএস) নিয়ে কাজ করছেন ২০ লাখ ৭৯ হাজার ৮৫৯ জন বিদেশি নাগরিক। তাঁদের মধ্যে মিয়ানমারের নাগরিকের হার ৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ।বিদেশি কর্মীদের ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করতে নিবন্ধন, কর্মানুমতির শর্ত প্রতিপালন এবং অভিবাসন আইন বাস্তবায়নে নজরদারি জোরদার করেছে মালয়েশিয়া সরকার।দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সেরি সাইফুদ্দিন নাসুতিওন ইসমাইল বলেছেন, বৈধ কর্মানুমতিধারী বিদেশি কর্মীদের সঙ্গে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনকারীদের পৃথকভাবে বিবেচনা করতে হবে।মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিদেশি কর্মীদের উপস্থিতি ও কর্মানুমতির তথ্য যথাযথভাবে নথিভুক্ত করা এবং নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী তাঁদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা সুশৃঙ্খল অভিবাসন ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।এ লক্ষ্যে তথ্যনির্ভর নজরদারি, আইন মেনে চলা নিশ্চিত করা এবং সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক অভিযান পরিচালনার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে অভিবাসন বিভাগ। এসব কার্যক্রমের আওতায় বৈধ কর্মীদের তথ্য ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের ঘটনাও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মাদানি সরকারের অঙ্গীকার অনুযায়ী বিদেশি কর্মীদের ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও সততা নিশ্চিত করার উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। এর মাধ্যমে জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা এবং মালয়েশিয়ার নাগরিকদের কল্যাণ নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।

৮ ঘণ্টা আগে
নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...

 সারাদেশ সারাদেশ

গাজীপুরে ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসের কারখানায় আগুন

গাজীপুরে ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসের কারখানায় আগুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ইবনেসিনা ফার্মাসিউটিক্যালসের কারখানায় আগুন লেগেছে। নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট। শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে জেলার কালিয়াকৈর উপজেলা সফিপুরে অবস্থিত ইবনেসিনা ফার্মাসিউটিক্যালসের হারবাল সেকশনে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা ইফতেখার হোসেন রায়হান চৌধুরী ঢাকা পোস্টকে বলেন, শনিবার বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে ইবনেসিনা ফার্মাসিউটিক্যালসের ওই কারখানার একটি ভবনে আগুন লাগলে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের তিন ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে কাজ শুরু করেছে। তিনি আরও বলেন, এখনো আগুন লাগার কারণ ও কোনো হতাহতের খবর জানা যায়নি৷ 

৯ ঘণ্টা আগে

 রাজনীতি রাজনীতি

অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ তিন দাবি এনসিপির

অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ তিন দাবি এনসিপির

অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ তিন দাবি জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে এনসিপির কার্যালয়ে জুলাই সনদ স্বাক্ষরের বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এই তিন দাবি জানানো হয়।সংবাদ সম্মেলনে তিনটি দাবি জানিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেন, ‘অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। একদলীয় সংবিধান সংশোধন কমিটি বিলুপ্ত করে অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করতে হবে। একদলীয় সংবিধান সংশোধন কমিটিতে এনসিপি যাবে না। এ নিয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান।’এতে উপস্থিত ছিলেন– এনসিপির রাজনৈতিক পর্ষদ সদস্য এবং যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, রাজনৈতিক পর্ষদ সদস্য সালেহ উদ্দিন সিফাত, যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন ও যুগ্ম সদস্যসচিব ফরিদুল হক।

মিষ্টির শূন্য আসন: ফরম নিলেন ৭০ নেত্রী, তারা কারা?

মিষ্টির শূন্য আসন: ফরম নিলেন ৭০ নেত্রী, তারা কারা?

ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির ছেড়ে দেওয়া শূন্য আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পেতে প্রকাশি হয়েছে জোর প্রতিযোগিতা। আসনটিতে লড়াইয়ের উদ্দেশ্যে অন্তত ৭০ জন প্রার্থী ফরম সংগ্রহ করেছেন।মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে সিংহভাগই সাবেক ও বর্তমান ছাত্রদল নেত্রী। পাশাপাশি জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের বিভিন্ন স্তরের নেত্রীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। এছাড়া হেভিওয়েট বিএনপি নেতাদের স্ত্রী ও কন্যারাও যুক্ত হয়েছেন মনোনয়নের এই দৌড়ে।শুক্রবার (দিনটি নির্দিষ্ট থাকলে বসানো যাবে) সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ ফরম বিতরণ করা হয়। সকাল থেকেই কার্যালয় প্রাঙ্গণে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। সারা দিন ধরে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় নেত্রীরা ফরম সংগ্রহ করেন। মনোনয়ন ফরমটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫ হাজার টাকা।বিএনপি দপ্তরের দায়িত্বে থাকা তারিকুল ইসলাম তেনজিং যুগান্তরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এদিকে আজ শনিবার সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম পূরণ করে জমা দেওয়া যাবে। এজন্য জামানত হিসাবে ৫০ হাজার টাকা জমা দিতে হবে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের।ফরম বিতরণকে কেন্দ্র করে শুক্রবার বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় এলাকায় ছিল কর্মচাঞ্চল্য। ছিল নেতাকর্মীদের স্লোগান, বিভিন্ন স্থানে ছোট ছোট জটলা। কেউ ফরম সংগ্রহ করছেন, কেউ আবার সম্ভাব্য প্রার্থী ও মনোনয়ন পাওয়ার হিসাবনিকাশ নিয়ে ব্যস্ত। সব মিলিয়ে সংরক্ষিত নারী এক আসনের মনোনয়ন ঘিরে বিএনপির নেত্রীদের মধ্যে দেখা গেছে ব্যাপক আগ্রহ।এদিন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় স্বনির্ভরবিষয়ক সহসম্পাদক ও সাবেক ছাত্রদল নেত্রী অ্যাডভোকেট আসমা আজিজ। এছাড়া মহিলা দলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক শাহিনুর নার্গিস এবং ঢাকা মহানগর উত্তর মহিলা দলের সভাপতি রুনা লায়লাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেত্রীরা ফরম সংগ্রহ করেন।উল্লেখ্য, ঢাকার মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনায় তৎকালীন সংসদ-সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনার পর দলীয় প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে ১ অক্টোবর সংসদ সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। পরে আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। আগামী ১২ নভেম্বর এ আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

মহাসচিবসহ দুই শীর্ষ নেতা বহিষ্কার, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আমিনুল

দলীয় নীতি ও আদর্শবিরোধী কর্মকাণ্ড, ধর্মের নাম ব্যবহার করে ষড়যন্ত্র, দলের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি এবং দলকে বিভক্ত করার অপচেষ্টার অভিযোগে ভাসানী জনশক্তি পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য  অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী ও মহাসচিব ড. আবু ইউসুফ সেলিমকে বহিষ্কার করা হয়েছে। শুক্রবার দলটির এক জরুরি সাংগঠনিক বিজ্ঞপ্তিতেও এসব তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় নীতিমালা অনুযায়ী ওই দুই নেতার বিরুদ্ধে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্যে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।দলের ঐক্য, সংহতি ও আদর্শ রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকারও আহ্বান জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।এদিকে প্রেসিডিয়াম সদস্য আমিনুল ইসলাম সেলিমকে পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার রাতে দলটির চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি জানান, কানাডাপ্রবাসী মেয়ের অসুস্থতার কারণে ১০ থেকে ২০ দিনের জন্য কানাডা যাচ্ছেন। তার অনুপস্থিতিতে আমিনুল ইসলাম সেলিম এ দায়িত্ব পালন করবেন।

মহাসচিবসহ দুই শীর্ষ নেতা বহিষ্কার, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আমিনুল

হাসিনার দুপুরে খরচ সাড়ে ১০ লাখ, তারেক রহমান খান ১৫০ টাকায়: চিফ হুইপ

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেখানে প্রতিদিন দুপুরের খাবারে সাড়ে ১০ লাখ টাকা এবং বছরে ৩৫ কোটি টাকা খরচ করতেন, সেখানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাত্র ১৫০ টাকায় দুপুরের খাবার সারেন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলাম মনি।তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কিছুদিন আগেই স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন—তিনি দায়িত্বে থাকা অবস্থায় দেশের একটি পয়সাও নষ্ট হতে দেবেন না।বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে আট দিনের সফরে বরগুনায় এসে সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি বলেন, কেয়ামতের ময়দানে মহান আল্লাহ মানুষের বাহ্যিক রূপ—কে মোটা, শুকনা, কালো, ফর্সা, লম্বা নাকি খাটো ছিলেন, তা দেখে বিচার করবেন না; দেখবেন অন্তরের অবস্থা ও ইমান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপন করেন। গত পরশু দুপুরেও তার সঙ্গে ঢ্যাঁড়শ ভাজি, মিষ্টি কুমড়া ভর্তা আর ডাল দিয়ে খাবার খেয়ে এসেছি।তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের মানুষের বড় প্রাপ্তি যে তারেক রহমানের মতো একজন মানুষ দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। এমন সুযোগ হেলায় নষ্ট করা ঠিক হবে না।সংসদীয় দলের সভার প্রসঙ্গ টেনে চিফ হুইপ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পার্লামেন্টের বিশেষ একটি সভায় সংসদ সদস্যদের স্পষ্ট ও কঠোর বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন—আপনারা এমপি হয়েছেন, সম্মানিত হয়েছেন; কিন্তু আপনারা যদি কর্মীবান্ধব না হন, কর্মীদের মূল্যায়ন না করেন, তবে দল চলবে কিভাবে? তৃণমূলের কর্মীরা ১৭ বছর লড়াই-সংগ্রাম করে আমাদের আজকের এই অবস্থানে এনেছেন। এখন তাদের দেখভালের দায়িত্ব আপনাদেরই নিতে হবে।তিনি আরও জানান, কোনো ধরনের চাঁদাবাজি, দখলদারি কিংবা সন্ত্রাস বরদাশত করা হবে না বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির বিষয়ে তিনি বলেন, দল থেকে মিষ্টির বহিষ্কার হওয়াই শেষ কথা নয়; পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে চিফ হুইপ বলেন, স্থানীয় নির্বাচনে সমাজের জনপ্রিয় ব্যক্তিরাই অংশ নেবেন। সেখানে দলীয় প্রতীকের লড়াই থাকবে না; ধানের শীষ, নৌকা কিংবা অন্য কোনো প্রতীক ছাড়াই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। মূলত দলীয় প্রতীকের কারণে সামাজিক সম্প্রীতি নষ্ট হয়। তাই উৎসবমুখর পরিবেশে সর্বস্তরের মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে এবং সামাজিক সম্পর্ক অটুট রাখতেই প্রতীক তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এতে কোনো ব্যক্তি বিএনপি না করেও যদি জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে নির্বাচিত হতে চান, তবে কোনো বাধা থাকবে না। এটিই একটি সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক চর্চা।চিফ হুইপ আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যখন দায়িত্ব নিয়েছিলেন, তখন দেশে দুর্ভিক্ষের মর্মান্তিক চিত্র আমরা দেখেছি। সেই পরিস্থিতি থেকে মাত্র তিন বছরের মধ্যে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে সেনেগালেও খাদ্য ও চাল রপ্তানি করার নজির তৈরি করেছিলেন তিনি। আর বিগত ১৭ বছরে দেশের অর্থনীতি, সমাজ ও গণতন্ত্রকে পুরোপুরি ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল। সেই ধ্বংসস্তূপ থেকেই দায়িত্ব নিয়ে দেশকে পুনরুদ্ধারের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

হাসিনার দুপুরে খরচ সাড়ে ১০ লাখ, তারেক রহমান খান ১৫০ টাকায়: চিফ হুইপ

প্রকৃত ব্যবসায়ীদের বঞ্চিত করে দলীয় লোকদের ডিলার নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে: গোলাম পরওয়ার

সারের ডিলার নিয়োগে দলীয় বিবেচনা, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘প্রকৃত সার ব্যবসায়ীদের বঞ্চিত করে দলীয় নেতা ও সংসদ সদস্যদের আত্মীয়-স্বজনদের ডিলার নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর সকালে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।সবার আগে বাংলাদেশে বিএনপির এ স্লোগান নিয়ে তিনি বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ নয়, বরং সবার আগে বিএনপি এই নীতিতে দেশ পরিচালনা করছে সরকার।’তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, ‘সারের ডিলার নিয়োগে যোগ্যতা ও নীতিমালার পরিবর্তে দলীয় বিবেচনাকে প্রাধান্য দিচ্ছে সরকার। এমনকি টাকার বিনিময়ে ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে ভাগ-বাটোয়ারা করা হচ্ছে।’দলীয় চাপের মুখে নিয়ম ভেঙে ডিলার নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে এ ঘটনায় দুর্নীতির সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল।এছাড়া জামায়াতের ছয় দফা দাবি জানিয়েছেন তিনি। দাবির মধ্যে রয়েছে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি, রাজনৈতিক প্রভাব ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ তদন্ত করে দায়ীদের শাস্তি দেওয়া; নিয়োগের যোগ্যতা ও লাইসেন্স প্রদানের ভিত্তি প্রকাশ; অর্থ আদায়ের অভিযোগে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া; সারসংকট নিয়ে সরকারি বক্তব্য ও মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতির অসংগতি যাচাই; দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের লিখিত ব্যাখ্যা এবং তদন্তের অগ্রগতি প্রকাশ; পাশাপাশি অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রমাণভিত্তিক যাচাই নিশ্চিত করা।

প্রকৃত ব্যবসায়ীদের বঞ্চিত করে দলীয় লোকদের ডিলার নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে: গোলাম পরওয়ার

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির কমিটি, আলোচনায় যারা

রাড্ডা সেন্টারের ঘটনাসহ নানা ইস্যুতে গত ৩০ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়। একই দিন বিলুপ্ত করা হয় মহানগর উত্তর যুবদল ও পশ্চিম ছাত্রদলের কমিটিও। এসব কমিটি বিলুপ্তির পর উত্তর ও দক্ষিণ মহানগর বিএনপির নতুন নেতৃত্ব নিয়ে দলটির অভ্যন্তরে আলোচনা জোরালো হয়েছে।নতুন কমিটিতে আহ্বায়ক বা সভাপতি এবং সদস্যসচিব বা সাধারণ সম্পাদক পদে কারা আসতে পারেন, তা নিয়ে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ। সম্ভাব্য নেতৃত্বের তালিকায় পুরোনো কমিটির পরিচিত নেতাদের পাশাপাশি উঠে আসছে বেশ কয়েকজন নতুন মুখের নামও। কাঙ্ক্ষিত পদ পেতে এরই মধ্যে বিএনপির নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে যোগাযোগ ও তদবির শুরু করেছেন কেউ কেউ।ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সম্ভাব্য নতুন কমিটির শীর্ষ পদে পুরোনো মুখ নিয়ে আলোচনা বেশি হচ্ছে। সভাপতি কিংবা আহ্বায়ক পদে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন সদ্য বিলুপ্ত কমিটির আহ্বায়ক আমিনুল হক। ফলে পুরোনো নেতাকর্মীদের একটি অংশ তাকে ঘিরে নতুন সমীকরণ তৈরির চেষ্টা করছে। গত ৫ অক্টোবর গুলশানে থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীরা তাকে সভাপতি করার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন। বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ ইউসুফ এবং ১ নম্বর সদস্য আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ারও আমিনুল হকের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তাদের বক্তব্য, দলের কঠিন সময়ে মাঠে সক্রিয় ছিলেন আমিনুল হক। নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার যোগাযোগও রয়েছে। সভাপতি পদের আলোচনায় আরও রয়েছেন ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ-সদস্য ও সদ্য বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম জাহাঙ্গীর, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মামুন হাসান, মহানগর উত্তরের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন, বিলুপ্ত কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সেগুনের নামও।অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক বা সদস্যসচিব পদের আলোচনায় এগিয়ে রয়েছেন বিলুপ্ত কমিটির সদস্যসচিব মোস্তফা জামান। তার সঙ্গে যুগ্ম আহ্বায়ক আফাজ উদ্দিনের নামও আলোচনায় রয়েছে। এছাড়া সাবেক কমিশনার ও বিলুপ্ত কমিটির ১ নম্বর সদস্য আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, মহানগর উত্তরের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হাজি ইউসুফ ও সাবেক দপ্তর সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক এবং যুবদল মহানগর উত্তরের সাবেক আহ্বায়ক শরিফ উদ্দিন জুয়েলের নামও আলোচনায় রয়েছে। এর বাইরে আরও অনেকে নতুন কমিটিতে জায়গা পেতে লবিং করছেন বলে জানা গেছে।এস এম জাহাঙ্গীর যুগান্তরকে বলেন, দলের নীতিনির্ধারকরাই সাংগঠনিক দক্ষতা ও অতীতের ভূমিকা মূল্যায়ন করে সঠিক সিদ্ধান্ত নেবেন। এর আগে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমাকে যখন যে দায়িত্ব দিয়েছেন, তা আমি সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে যথাযথভাবে পালন করেছি। প্রতিটি থানা ও ওয়ার্ড নেতাকর্মীদের সঙ্গে আমার নিয়মিত যোগাযোগ আছে।

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির কমিটি, আলোচনায় যারা
.
আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...

আইন-কানুন

সকল জেলার খবর

আর্কাইভ

 অর্থনীতি অর্থনীতি

আজ কতক্ষণ চলবে ব্যাংক লেনদেন

আজ কতক্ষণ চলবে ব্যাংক লেনদেন

শারদীয় দুর্গাপূজা আর সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে সামনে টানা পাঁচ দিন দেশের ব্যাংক বন্ধ থাকবে। দীর্ঘ এই ছুটির কথা মাথায় রেখেই আজ শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও ব্যাংক খোলা রাখা হয়েছে। অন্য যেকোনো সাধারণ কর্মদিবসের মতোই আজ স্বাভাবিক নিয়মে ব্যাংক লেনদেন ও সব ধরনের সেবা চালু থাকবে।বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর দুর্গাপূজার ছুটি। এরপর ২৩ ও ২৪ অক্টোবর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে টানা পাঁচ দিন ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।তবে ছুটির মধ্যেও আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সচল রাখতে সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দর এলাকার ব্যাংক শাখা ও বুথে সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং সেবা চালু থাকবে।উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২০ থেকে ২২ অক্টোবর সরকারি ছুটি ঘোষণা করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে আজ শনিবার সরকারি-বেসরকারি অফিস খোলা রাখার সিদ্ধান্ত জানানো হয়।