আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে নতুন ঋণচুক্তি নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ সরকার। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা ও প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়নেও সরকারের সম্মতি রয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
সোমবার (১২ অক্টোবর) থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সম্মেলনের ফাঁকে বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট জোহানেস জুটের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
ব্যাংককে স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, চলমান সংস্কার কার্যক্রম এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হয়।
অর্থমন্ত্রী বলেন, অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা, আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার। এসব সংস্কারের বিষয়ে সরকারের সম্মতি রয়েছে বলেও জানান তিনি।
নতুন ঋণচুক্তি নিয়ে আলোচনায় অগ্রগতি আনতে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে সরকার। তবে ঋণের পরিমাণ, চুক্তির শর্ত এবং অর্থ ছাড়ের সময়সীমা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
এসব বিষয় চলমান আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
এদিকে, আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের ২০২৬ সালের বার্ষিক সম্মেলন ১২ থেকে ১৮ অক্টোবর ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন বিভিন্ন দেশের অর্থমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ও অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারকেরা।

সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৬
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে নতুন ঋণচুক্তি নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ সরকার। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা ও প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়নেও সরকারের সম্মতি রয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
সোমবার (১২ অক্টোবর) থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সম্মেলনের ফাঁকে বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট জোহানেস জুটের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
ব্যাংককে স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, চলমান সংস্কার কার্যক্রম এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হয়।
অর্থমন্ত্রী বলেন, অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা, আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার। এসব সংস্কারের বিষয়ে সরকারের সম্মতি রয়েছে বলেও জানান তিনি।
নতুন ঋণচুক্তি নিয়ে আলোচনায় অগ্রগতি আনতে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে সরকার। তবে ঋণের পরিমাণ, চুক্তির শর্ত এবং অর্থ ছাড়ের সময়সীমা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
এসব বিষয় চলমান আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
এদিকে, আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের ২০২৬ সালের বার্ষিক সম্মেলন ১২ থেকে ১৮ অক্টোবর ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন বিভিন্ন দেশের অর্থমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ও অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারকেরা।

মতামত