বাঙালির বাংলাদেশ
প্রকাশ : শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনৈতিকতা ধামাচাপা দেওয়া দ্বিগুণ ক্ষতিকর: আব্দুল হাই মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনৈতিকতা ধামাচাপা দেওয়া দ্বিগুণ ক্ষতিকর: আব্দুল হাই মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ

শিক্ষার্থীদের প্রতি শাসন, স্নেহ ও যত্নেরও নির্দিষ্ট সীমারেখা রয়েছে। বিশেষ করে ধর্মীয় শিক্ষকদের ক্ষেত্রে নৈতিকতার এই মানদণ্ড আরও কঠোর হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন রাজধানীর পল্লবীর মসজিদুল জুম'আ-এর খতিব আব্দুল হাই মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইল থেকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আব্দুল হাই মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ বলেন, ‘পিতার মতো’ কিংবা ‘বড় ভাইয়ের মতো’— এ ধরনের কোনো পরিচয়ই সীমালঙ্ঘনের বৈধতা দিতে পারে না। যিনি স্নেহ ও শাসনের সীমা বোঝেন না, শিক্ষকতার নৈতিক দায়িত্ব পালনের যোগ্যতা নিয়েই তার প্রশ্নের মুখে পড়া উচিত।

তিনি বলেন, কোনো অভিযোগ উঠলে নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে। অপরাধ প্রমাণিত হলে নিশ্চিত করতে হবে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি। একই সঙ্গে তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই পক্ষপাতদুষ্ট সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকেও বিরত থাকতে হবে। সত্য উদ্‌ঘাটন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই হওয়া উচিত মূল লক্ষ্য।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনৈতিকতার ঘটনা ধামাচাপা দেওয়াকে দ্বিগুণ ক্ষতিকর উল্লেখ করে তিনি বলেন, এতে একদিকে অপরাধের বিচার বাধাগ্রস্ত হয়, অন্যদিকে প্রতিষ্ঠানের গ্রহণযোগ্যতাও নষ্ট হয়।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘নিজেদের অন্যায় আড়াল করব, আর অন্যের অন্যায়ে সরব হব— এ কেমন নৈতিকতা? এটা আবার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান কেমনে হবে? কোদালকে কোদাল বলতে না পারলে আমরা নিজেরাই শুধরাতে পারিনি। বাকিদের ওয়াজ করব কোন যোগ্যতায়!’

ন্যায়বিচারের মানদণ্ড ব্যক্তি, পদ কিংবা প্রতিষ্ঠানভেদে বদলাতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সবশেষে সন্তানের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আব্দুল হাই মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ বলেন, ‘নিজ সন্তানের নিরাপত্তায় কোনো কোনো ছাড় নাই— এটাই শেষ কথা। কে কী ভাবল আর বলল, তাতে গুলি মারেন।’

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনৈতিকতা ধামাচাপা দেওয়া দ্বিগুণ ক্ষতিকর: আব্দুল হাই মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ
0:00 0:00
1.0x
বাঙালির বাংলাদেশ

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬


ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনৈতিকতা ধামাচাপা দেওয়া দ্বিগুণ ক্ষতিকর: আব্দুল হাই মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ

প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

শিক্ষার্থীদের প্রতি শাসন, স্নেহ ও যত্নেরও নির্দিষ্ট সীমারেখা রয়েছে। বিশেষ করে ধর্মীয় শিক্ষকদের ক্ষেত্রে নৈতিকতার এই মানদণ্ড আরও কঠোর হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন রাজধানীর পল্লবীর মসজিদুল জুম'আ-এর খতিব আব্দুল হাই মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইল থেকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আব্দুল হাই মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ বলেন, ‘পিতার মতো’ কিংবা ‘বড় ভাইয়ের মতো’— এ ধরনের কোনো পরিচয়ই সীমালঙ্ঘনের বৈধতা দিতে পারে না। যিনি স্নেহ ও শাসনের সীমা বোঝেন না, শিক্ষকতার নৈতিক দায়িত্ব পালনের যোগ্যতা নিয়েই তার প্রশ্নের মুখে পড়া উচিত।

তিনি বলেন, কোনো অভিযোগ উঠলে নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে। অপরাধ প্রমাণিত হলে নিশ্চিত করতে হবে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি। একই সঙ্গে তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই পক্ষপাতদুষ্ট সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকেও বিরত থাকতে হবে। সত্য উদ্‌ঘাটন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই হওয়া উচিত মূল লক্ষ্য।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনৈতিকতার ঘটনা ধামাচাপা দেওয়াকে দ্বিগুণ ক্ষতিকর উল্লেখ করে তিনি বলেন, এতে একদিকে অপরাধের বিচার বাধাগ্রস্ত হয়, অন্যদিকে প্রতিষ্ঠানের গ্রহণযোগ্যতাও নষ্ট হয়।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘নিজেদের অন্যায় আড়াল করব, আর অন্যের অন্যায়ে সরব হব— এ কেমন নৈতিকতা? এটা আবার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান কেমনে হবে? কোদালকে কোদাল বলতে না পারলে আমরা নিজেরাই শুধরাতে পারিনি। বাকিদের ওয়াজ করব কোন যোগ্যতায়!’

ন্যায়বিচারের মানদণ্ড ব্যক্তি, পদ কিংবা প্রতিষ্ঠানভেদে বদলাতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সবশেষে সন্তানের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আব্দুল হাই মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ বলেন, ‘নিজ সন্তানের নিরাপত্তায় কোনো কোনো ছাড় নাই— এটাই শেষ কথা। কে কী ভাবল আর বলল, তাতে গুলি মারেন।’


বাঙালির বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মো: মনিরুজ্জামান (মনির)
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত