পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে সচিবালয় করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আবারও ভাঙচুর করেছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) শিক্ষার্থীরা। সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুর ১২টা থেকে সাড়ে ১২টার দিকে প্রায় ২৫০ শিক্ষার্থী মাঠটিতে গিয়ে বিভিন্ন স্থাপনা ভাঙচুর করেন।
শিক্ষার্থীরা প্রথমে মাঠের প্রবেশপথে থাকা বড় গেটটি ভেঙে ফেলেন। পরে মেলার জন্য তৈরি করা বিভিন্ন স্টল ও স্টলের টিনের অংশ ভাঙচুর করেন। মাঠের বিভিন্ন স্থাপনাতেও ভাঙচুর চালান তারা।
জানা যায়, পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে এশিয়ান বাণিজ্য মেলা আয়োজনের প্রস্তুতি চলছিল। এ উপলক্ষে সেখানে গেট ও বিভিন্ন স্টল তৈরি করা হয়েছিল। শিক্ষার্থীরা সেসব স্থাপনা ভাঙচুর করেন।
শিক্ষার্থীদের দাবি, পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠটি তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের জায়গা। খেলাধুলা, শিক্ষা কার্যক্রম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের জন্য জায়গাটি তাদের ফিরিয়ে দিতে হবে।
শিক্ষার্থীরা জানান, মাঠটি তাদের ব্যবহারের সুযোগ দিতে হবে, যাতে সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত শিক্ষা ও অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালনা করা যায়।
সরকারের পক্ষ থেকে পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে সচিবালয় করার সিদ্ধান্তের কথা জানানোর পর থেকেই এ জায়গা নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে আসছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এর আগে দুই দফায় সেখানে বিভিন্ন স্থাপনা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। সোমবারের ঘটনাসহ এ নিয়ে তিন দফায় মাঠটিতে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটল।
পুলিশের পক্ষ থেকে অনানুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়, মেলা আয়োজকদের গণপূর্ত অধিদফতরের আনুষ্ঠানিক অনুমতি ছিল। সেই অনুমতির ভিত্তিতেই সেখানে মেলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৬
পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে সচিবালয় করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আবারও ভাঙচুর করেছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) শিক্ষার্থীরা। সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুর ১২টা থেকে সাড়ে ১২টার দিকে প্রায় ২৫০ শিক্ষার্থী মাঠটিতে গিয়ে বিভিন্ন স্থাপনা ভাঙচুর করেন।
শিক্ষার্থীরা প্রথমে মাঠের প্রবেশপথে থাকা বড় গেটটি ভেঙে ফেলেন। পরে মেলার জন্য তৈরি করা বিভিন্ন স্টল ও স্টলের টিনের অংশ ভাঙচুর করেন। মাঠের বিভিন্ন স্থাপনাতেও ভাঙচুর চালান তারা।
জানা যায়, পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে এশিয়ান বাণিজ্য মেলা আয়োজনের প্রস্তুতি চলছিল। এ উপলক্ষে সেখানে গেট ও বিভিন্ন স্টল তৈরি করা হয়েছিল। শিক্ষার্থীরা সেসব স্থাপনা ভাঙচুর করেন।
শিক্ষার্থীদের দাবি, পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠটি তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের জায়গা। খেলাধুলা, শিক্ষা কার্যক্রম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের জন্য জায়গাটি তাদের ফিরিয়ে দিতে হবে।
শিক্ষার্থীরা জানান, মাঠটি তাদের ব্যবহারের সুযোগ দিতে হবে, যাতে সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত শিক্ষা ও অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালনা করা যায়।
সরকারের পক্ষ থেকে পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে সচিবালয় করার সিদ্ধান্তের কথা জানানোর পর থেকেই এ জায়গা নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে আসছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এর আগে দুই দফায় সেখানে বিভিন্ন স্থাপনা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। সোমবারের ঘটনাসহ এ নিয়ে তিন দফায় মাঠটিতে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটল।
পুলিশের পক্ষ থেকে অনানুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়, মেলা আয়োজকদের গণপূর্ত অধিদফতরের আনুষ্ঠানিক অনুমতি ছিল। সেই অনুমতির ভিত্তিতেই সেখানে মেলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল।

মতামত