দেশের যোগাযোগব্যবস্থা ও পানি ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু, দ্বিতীয় যমুনা সেতু এবং পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দেন।
বৈঠকে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু ওয়াই-আকৃতিতে নির্মাণের সম্ভাবনা যাচাইয়ের পাশাপাশি দ্বিতীয় যমুনা সেতুর ক্ষেত্রে রংপুরসহ উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগ উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
সভা শেষে ব্রিফিং করেন সড়ক পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, এরমধ্যেই এই তিন প্রকল্পের সমীক্ষা শুরু হয়েছে। আগামী বছরের সেপ্টেম্বরে এ সমীক্ষা শেষ হবে। এরপর অবস্থান এবং প্রকল্প ব্যয় নিয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলেও জানান মন্ত্রী।
২০৩২ সালের মধ্যে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু, ২০৩৩ সালে দ্বিতীয় যমুনা সেতু প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা সরকারের।
মূলত, সরকার গঠনের আগে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে অন্যতম প্রতিশ্রুতি ছিল পদ্মায় ব্যারেজ নির্মাণ। সরকার গঠনের পর পরই রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়। এরমধ্যেই নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে একনেক সভায়। ব্যারেজের পাশাপাশি সিদ্ধান্ত আসে দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু নির্মাণেও।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬
দেশের যোগাযোগব্যবস্থা ও পানি ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু, দ্বিতীয় যমুনা সেতু এবং পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দেন।
বৈঠকে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু ওয়াই-আকৃতিতে নির্মাণের সম্ভাবনা যাচাইয়ের পাশাপাশি দ্বিতীয় যমুনা সেতুর ক্ষেত্রে রংপুরসহ উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগ উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
সভা শেষে ব্রিফিং করেন সড়ক পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, এরমধ্যেই এই তিন প্রকল্পের সমীক্ষা শুরু হয়েছে। আগামী বছরের সেপ্টেম্বরে এ সমীক্ষা শেষ হবে। এরপর অবস্থান এবং প্রকল্প ব্যয় নিয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলেও জানান মন্ত্রী।
২০৩২ সালের মধ্যে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু, ২০৩৩ সালে দ্বিতীয় যমুনা সেতু প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা সরকারের।
মূলত, সরকার গঠনের আগে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে অন্যতম প্রতিশ্রুতি ছিল পদ্মায় ব্যারেজ নির্মাণ। সরকার গঠনের পর পরই রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়। এরমধ্যেই নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে একনেক সভায়। ব্যারেজের পাশাপাশি সিদ্ধান্ত আসে দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু নির্মাণেও।

মতামত