আমেরিকার রাজনীতির ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক তৈরি করলেন ডেমোক্র্যাট নেত্রী কেইশা ল্যান্স বটমস। জর্জিয়ার গভর্নর নির্বাচনে জয়ী হয়ে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ মহিলা গভর্নর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। রিপাবলিকান প্রার্থী তথা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রিক জ্যাকসনকে হারিয়ে এই নজরকাড়া সাফল্য ছিনিয়ে নিয়েছেন আটলান্টার প্রাক্তন এই মেয়র।
এই জয়ের গুরুত্ব জর্জিয়ার রাজনীতিতে অত্যন্ত গভীর। দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে সেখানে কোনও ডেমোক্র্যাট প্রার্থী গভর্নর পদে জিততে পারেননি; ১৯৯৮ সালের পর এই প্রথম কোনও ডেমোক্র্যাট নেতা রাজ্যটির শীর্ষ পদে বসতে চলেছেন। রিপাবলিকান গভর্নর ব্রায়ান কেম্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর এই আসনটির দিকে নজর ছিল পুরো দেশের। নির্বাচনটি একেবারেই সহজ ছিল না; বিপুল আর্থিক ও প্রচার ক্ষমতার অধিকারী প্রতিদ্বন্দ্বীকে পরাস্ত করে সাধারণ মানুষের সমর্থন আদায় করে নেন কেইশা।
নির্বাচনী লড়াইয়ে তিনি স্বাস্থ্যবীমা পরিষেবা মেডিকেড সম্প্রসারণ, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর কর ছাড় এবং গর্ভপাতের অধিকার পুনরুদ্ধারের মতো জনকল্যাণমূলক বিষয়গুলোকে সামনে রেখেছিলেন। জয়ের পর দেওয়া এক ভাষণে আবেগাপ্লুত কেইশা জানান, এই লড়াই ছিল রাজ্যের প্রতিটি প্রান্তের খেটে খাওয়া মানুষের—ছাত্রছাত্রী, প্রবীণ স্বাস্থ্যসেবাকর্মী ও সাধারণ নাগরিকদের অধিকার রক্ষার লড়াই। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, কোনও রাজনৈতিক বিভাজন না রেখে তিনি জর্জিয়ার প্রতিটি মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করবেন।
একসময় বিচারক হিসেবে কাজ করা এবং পরবর্তীতে জো বাইডেনের প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা কেইশা ল্যান্স বটমসের এই ঐতিহাসিক উত্থান কৃষ্ণাঙ্গ সম্প্রদায় তথা আমেরিকার নারী নেতৃত্বের ইতিহাসে এক অনুপ্রেরণাদায়ী অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে রইল।

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬
আমেরিকার রাজনীতির ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক তৈরি করলেন ডেমোক্র্যাট নেত্রী কেইশা ল্যান্স বটমস। জর্জিয়ার গভর্নর নির্বাচনে জয়ী হয়ে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ মহিলা গভর্নর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। রিপাবলিকান প্রার্থী তথা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রিক জ্যাকসনকে হারিয়ে এই নজরকাড়া সাফল্য ছিনিয়ে নিয়েছেন আটলান্টার প্রাক্তন এই মেয়র।
এই জয়ের গুরুত্ব জর্জিয়ার রাজনীতিতে অত্যন্ত গভীর। দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে সেখানে কোনও ডেমোক্র্যাট প্রার্থী গভর্নর পদে জিততে পারেননি; ১৯৯৮ সালের পর এই প্রথম কোনও ডেমোক্র্যাট নেতা রাজ্যটির শীর্ষ পদে বসতে চলেছেন। রিপাবলিকান গভর্নর ব্রায়ান কেম্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর এই আসনটির দিকে নজর ছিল পুরো দেশের। নির্বাচনটি একেবারেই সহজ ছিল না; বিপুল আর্থিক ও প্রচার ক্ষমতার অধিকারী প্রতিদ্বন্দ্বীকে পরাস্ত করে সাধারণ মানুষের সমর্থন আদায় করে নেন কেইশা।
নির্বাচনী লড়াইয়ে তিনি স্বাস্থ্যবীমা পরিষেবা মেডিকেড সম্প্রসারণ, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর কর ছাড় এবং গর্ভপাতের অধিকার পুনরুদ্ধারের মতো জনকল্যাণমূলক বিষয়গুলোকে সামনে রেখেছিলেন। জয়ের পর দেওয়া এক ভাষণে আবেগাপ্লুত কেইশা জানান, এই লড়াই ছিল রাজ্যের প্রতিটি প্রান্তের খেটে খাওয়া মানুষের—ছাত্রছাত্রী, প্রবীণ স্বাস্থ্যসেবাকর্মী ও সাধারণ নাগরিকদের অধিকার রক্ষার লড়াই। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, কোনও রাজনৈতিক বিভাজন না রেখে তিনি জর্জিয়ার প্রতিটি মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করবেন।
একসময় বিচারক হিসেবে কাজ করা এবং পরবর্তীতে জো বাইডেনের প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা কেইশা ল্যান্স বটমসের এই ঐতিহাসিক উত্থান কৃষ্ণাঙ্গ সম্প্রদায় তথা আমেরিকার নারী নেতৃত্বের ইতিহাসে এক অনুপ্রেরণাদায়ী অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে রইল।

মতামত