বাঙালির বাংলাদেশ

পুরনো ফর্মুলাতেই বাজিমাত, সুস্মিতাদের ছকেই কোয়েলকে রাজ্যসভায় প্রার্থী করল বিজেপি!

পুরনো ফর্মুলাতেই বাজিমাত, সুস্মিতাদের ছকেই কোয়েলকে রাজ্যসভায় প্রার্থী করল বিজেপি!

মমতা ব্যানার্জি রাজ্যসভার প্রার্থী করেছিলেন। মমতা ক্ষমতা থেকে সরতেই, আরও একাধিক রাজ্যসভার সাংসদদের মতোই সেখান থেকে সরে যান কোয়েলও। তবে জল্পনায় সিলমোহর রবিবারেই দিল বিজেপি। সুস্মিতা দেবদের মতোই, তৃণমূল থেকে পদত্যাগের পর, বিজেপির হয়ে রাজ্যসভায় উপনির্বাচনের প্রার্থী সেই কোয়েলই। 

রবিবার, বিজ্ঞপ্তি জারি করে বিজেপি জানিয়ে দেয়, পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যসভার আসনে উপনির্বাচনে গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী হচ্ছেন রুক্মিণী মল্লিক, অর্থাৎ অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। কোয়েলের আগেই, তৃণমূল রাজ্যসভার তিন সাংসদ- সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব এবং প্রকাশ চিক বরাইক ইস্তিফা দিয়েছিলেন। ওই তিন আসনের উপ নির্বাচনে, তাঁদেরকেই প্রার্থী করেছিল গেরুয়া শিবির। তাঁরাই ফের বিজেপির সাংসদ হয়ে রাজ্যসভায় গিয়েছেন। সেই সময়েই কোয়েলের ইস্তফা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছিল। তবে জল্পনা জিইয়ে রেখে তিনি ইস্তফা দেন জুলাই মাসে। 

১৬ জুলাই রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেন কোয়েল। তাঁর আসনের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০৩২ সালের ২রা এপ্রিল। ফলে মেয়াদ শেষের অনেক আগেই আসনটি শূন্য হয়ে যায়।  ইস্তফার পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ ঘিরে নয়া রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। জল্পনা ছড়ায়, সুস্মিতাদের মতোই, তিনিও রাজ্যসভায় ফিরবেন, বিজেপির টিকিটেই। জুলাই থেকে যে জল্পনা জারি ছিল, তাতে সিলমোহর পড়ল অক্টোবরে। বিজেপির প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণা করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। 

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাজ্যসভা নির্বাচনে প্রার্থিতালিকা ঘোষণা করেছিল তৃণমূল৷ তালিকায় বাবুল সুপ্রিয়, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী, রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমারের সঙ্গে নাম ছিল অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিকেরও৷ প্রার্থীতালিকা ঘোষণার কয়েকদিন আগে কোয়েলের বাবা রঞ্জিত মল্লিকের ভবানীপুরের বাড়িতেও গিয়েছিলে অভিষেক ব্যানার্জি। এপ্রিল মাসে কোয়েল দিল্লিতে গিয়ে রাজ্যসভার সাংসদ পদে শপথগ্রহণ করেন৷ শপথ নিয়ে কোয়েল বলেছিলেন, 'অনেক ভেবে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম তা নয়। এটা একটা মহৎ দায়িত্ব, দেশের সেবা, মানুষের সেবা। এর থেকে তো বড় মহৎ কাজ হতে পারে না৷ সেই জায়গা থেকে আমি নিজেকে ভীষণ ভাগ্যবতী মনে করি যে, আমার নাম মনোনীত হয়েছে এবং আমি এত গুরুত্বপূর্ণ একটা জায়গায় আসতে পেরেছি।' 

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

পুরনো ফর্মুলাতেই বাজিমাত, সুস্মিতাদের ছকেই কোয়েলকে রাজ্যসভায় প্রার্থী করল বিজেপি!
0:00 0:00
1.0x
বাঙালির বাংলাদেশ

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬


পুরনো ফর্মুলাতেই বাজিমাত, সুস্মিতাদের ছকেই কোয়েলকে রাজ্যসভায় প্রার্থী করল বিজেপি!

প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

মমতা ব্যানার্জি রাজ্যসভার প্রার্থী করেছিলেন। মমতা ক্ষমতা থেকে সরতেই, আরও একাধিক রাজ্যসভার সাংসদদের মতোই সেখান থেকে সরে যান কোয়েলও। তবে জল্পনায় সিলমোহর রবিবারেই দিল বিজেপি। সুস্মিতা দেবদের মতোই, তৃণমূল থেকে পদত্যাগের পর, বিজেপির হয়ে রাজ্যসভায় উপনির্বাচনের প্রার্থী সেই কোয়েলই। 

রবিবার, বিজ্ঞপ্তি জারি করে বিজেপি জানিয়ে দেয়, পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যসভার আসনে উপনির্বাচনে গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী হচ্ছেন রুক্মিণী মল্লিক, অর্থাৎ অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। কোয়েলের আগেই, তৃণমূল রাজ্যসভার তিন সাংসদ- সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব এবং প্রকাশ চিক বরাইক ইস্তিফা দিয়েছিলেন। ওই তিন আসনের উপ নির্বাচনে, তাঁদেরকেই প্রার্থী করেছিল গেরুয়া শিবির। তাঁরাই ফের বিজেপির সাংসদ হয়ে রাজ্যসভায় গিয়েছেন। সেই সময়েই কোয়েলের ইস্তফা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছিল। তবে জল্পনা জিইয়ে রেখে তিনি ইস্তফা দেন জুলাই মাসে। 

১৬ জুলাই রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেন কোয়েল। তাঁর আসনের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০৩২ সালের ২রা এপ্রিল। ফলে মেয়াদ শেষের অনেক আগেই আসনটি শূন্য হয়ে যায়।  ইস্তফার পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ ঘিরে নয়া রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। জল্পনা ছড়ায়, সুস্মিতাদের মতোই, তিনিও রাজ্যসভায় ফিরবেন, বিজেপির টিকিটেই। জুলাই থেকে যে জল্পনা জারি ছিল, তাতে সিলমোহর পড়ল অক্টোবরে। বিজেপির প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণা করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। 

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাজ্যসভা নির্বাচনে প্রার্থিতালিকা ঘোষণা করেছিল তৃণমূল৷ তালিকায় বাবুল সুপ্রিয়, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী, রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমারের সঙ্গে নাম ছিল অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিকেরও৷ প্রার্থীতালিকা ঘোষণার কয়েকদিন আগে কোয়েলের বাবা রঞ্জিত মল্লিকের ভবানীপুরের বাড়িতেও গিয়েছিলে অভিষেক ব্যানার্জি। এপ্রিল মাসে কোয়েল দিল্লিতে গিয়ে রাজ্যসভার সাংসদ পদে শপথগ্রহণ করেন৷ শপথ নিয়ে কোয়েল বলেছিলেন, 'অনেক ভেবে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম তা নয়। এটা একটা মহৎ দায়িত্ব, দেশের সেবা, মানুষের সেবা। এর থেকে তো বড় মহৎ কাজ হতে পারে না৷ সেই জায়গা থেকে আমি নিজেকে ভীষণ ভাগ্যবতী মনে করি যে, আমার নাম মনোনীত হয়েছে এবং আমি এত গুরুত্বপূর্ণ একটা জায়গায় আসতে পেরেছি।' 


বাঙালির বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মো: মনিরুজ্জামান (মনির)
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত