বাঙালির বাংলাদেশ

২৪.৯৬ শতক সরকারি জমি আত্মসাৎ : ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

২৪.৯৬ শতক সরকারি জমি আত্মসাৎ : ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকার ২৪ দশমিক ৯৬ শতক সরকারি জমি আত্মসাৎ ও ভোগদখলে রাখার অভিযোগে বাগেরহাট গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। 

রোববার (৪ অক্টোবর) দুদকের সহকারী পরিচালক মো. তানজির আহমেদ মামলা অনুমোদনের বিষয়টি জানান।

অনুমোদিত মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা পরস্পরের সহযোগিতায় অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহার করে অসৎ উদ্দেশ্যে জাল-জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে ভুয়া রেকর্ডপত্র তৈরি করেন। পরে এসব নথি খাঁটি হিসেবে ব্যবহার করে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে সরকারি জমি দখলে রাখেন। এছাড়া সরকারি ওই জমির ভাড়া পরিশোধ না করে ২৩ কোটি ৬৮ লাখ ৩৯ হাজার ২৬৮ টাকা আত্মসাতের অভিযোগও রয়েছে।

অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের শাহ-আলম ফারুক চট্টগ্রাম গণপূর্ত উপ-বিভাগ-২, রহমতগঞ্জের সাবেক উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী। বর্তমানে তিনি বাগেরহাট গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত।

অপর আসামিরা হলেন- মেসার্স কনকর্ড ট্রেডিংয়ের মালিক মো. ফরিদ আহমদ, তার মা ফাতেমা বেগম, ফরিদের ভাই ও আগ্রাবাদ কনভেনশন হলের মালিক মোহাম্মদ ফাহিম আহমেদ, তাদের বোন হাসিনা মমতাজ, রোকেয়া সুলতানা ও শাহীন সুলতানা এবং ভাই মোহাম্মদ ফয়েজ আহমদ।

অনুমোদিত মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

২৪.৯৬ শতক সরকারি জমি আত্মসাৎ : ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা
0:00 0:00
1.0x
বাঙালির বাংলাদেশ

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬


২৪.৯৬ শতক সরকারি জমি আত্মসাৎ : ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকার ২৪ দশমিক ৯৬ শতক সরকারি জমি আত্মসাৎ ও ভোগদখলে রাখার অভিযোগে বাগেরহাট গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। 

রোববার (৪ অক্টোবর) দুদকের সহকারী পরিচালক মো. তানজির আহমেদ মামলা অনুমোদনের বিষয়টি জানান।

অনুমোদিত মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা পরস্পরের সহযোগিতায় অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহার করে অসৎ উদ্দেশ্যে জাল-জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে ভুয়া রেকর্ডপত্র তৈরি করেন। পরে এসব নথি খাঁটি হিসেবে ব্যবহার করে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে সরকারি জমি দখলে রাখেন। এছাড়া সরকারি ওই জমির ভাড়া পরিশোধ না করে ২৩ কোটি ৬৮ লাখ ৩৯ হাজার ২৬৮ টাকা আত্মসাতের অভিযোগও রয়েছে।

অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের শাহ-আলম ফারুক চট্টগ্রাম গণপূর্ত উপ-বিভাগ-২, রহমতগঞ্জের সাবেক উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী। বর্তমানে তিনি বাগেরহাট গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত।

অপর আসামিরা হলেন- মেসার্স কনকর্ড ট্রেডিংয়ের মালিক মো. ফরিদ আহমদ, তার মা ফাতেমা বেগম, ফরিদের ভাই ও আগ্রাবাদ কনভেনশন হলের মালিক মোহাম্মদ ফাহিম আহমেদ, তাদের বোন হাসিনা মমতাজ, রোকেয়া সুলতানা ও শাহীন সুলতানা এবং ভাই মোহাম্মদ ফয়েজ আহমদ।

অনুমোদিত মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।


বাঙালির বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মো: মনিরুজ্জামান (মনির)
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত