চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মৈষাদী মৌজায় একটি সমবায় সমিতির ক্রয়কৃত জমির সীমানা নির্ধারণকালে বাধা প্রদান এবং মানবাধিকার কর্মী ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক সুমন চন্দ্র পোদ্দারকে জনসম্মুখে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজসহ প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক সার্ভেয়ারের বিরুদ্ধে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সমিতি সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (১০ অক্টোবর ২০২৬) সকাল ১০টার দিকে মৈষাদী মৌজায় প্রায় ২৫ বছর পূর্বে ১৪০৭ নম্বর দলিল মূলে ক্রয়কৃত ৫ শতাংশ জমিতে সীমানা নির্ধারণের জন্য মাপজোখের কাজ শুরু করে ‘নবজাগরণ বহুমুখী সমবায় সমিতি লি.’। স্থানীয় গজরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য এবং সমিতির সভাপতিসহ গণ্যমান্য ২০ থেকে ২৫ জন ব্যক্তির উপস্থিতিতে এ পরিমাপ কার্যক্রম চলছিল। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দলিল লেখক ও সার্ভেয়ার নাছির উদ্দিন ভূঁইয়া দলবল নিয়ে এসে উগ্র মনোভাব দেখিয়ে মাপজোখের কাজ বন্ধ করার নির্দেশ দেন। সমিতির নেতৃবৃন্দ তাদের বৈধ দলিলপত্র প্রদর্শন করে জানান যে, ২০০২ সালে স্বর্গীয় সন্তোষ চন্দ্র পোদ্দারের সন্তানদের কাছ থেকে তারা জমিটি কিনেছেন এবং এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য থাকলে তা যেন ওয়ারিশ সুমন চন্দ্র পোদ্দারকে বলা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, এ কথা শোনার পরপরই নাছির উদ্দিন ভূঁইয়া ও তাঁর সহযোগীরা উত্তেজিত হয়ে সাংবাদিক সুমন চন্দ্র পোদ্দারের প্রয়াত মাকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য করেন এবং সুমন পোদ্দারকে এলাকায় পেলে পায়ের নিচে পিষে মেরে ফেলার প্রকাশ্য হুমকি দেন। ঘটনাটি পরবর্তীতে মতলব উত্তরের স্থানীয় সাংবাদিকরা গজরা বাজারে গিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান ও সমিতির কর্মকর্তাদের বক্তব্যে নিশ্চিত হন।
এদিকে ঘটনা প্রসঙ্গে নাছির উদ্দিন ভূঁইয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনা অস্বীকার করেন এবং একপর্যায়ে ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
সমিতির নেতৃবৃন্দ ও ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, নাছির উদ্দিন ভূঁইয়া ও তাঁর সহযোগীরা জাল দলিলের মাধ্যমে প্রভাব খাটিয়ে ও হুমকি দিয়ে বৈধ ওয়ারিশদের পৈতৃক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। প্রকাশ্য দিবালোকে একজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিককে জীবননাশের হুমকি দেওয়ার ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার এ বিষয়ে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ ও আইনি পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছে।

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মৈষাদী মৌজায় একটি সমবায় সমিতির ক্রয়কৃত জমির সীমানা নির্ধারণকালে বাধা প্রদান এবং মানবাধিকার কর্মী ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক সুমন চন্দ্র পোদ্দারকে জনসম্মুখে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজসহ প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক সার্ভেয়ারের বিরুদ্ধে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সমিতি সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (১০ অক্টোবর ২০২৬) সকাল ১০টার দিকে মৈষাদী মৌজায় প্রায় ২৫ বছর পূর্বে ১৪০৭ নম্বর দলিল মূলে ক্রয়কৃত ৫ শতাংশ জমিতে সীমানা নির্ধারণের জন্য মাপজোখের কাজ শুরু করে ‘নবজাগরণ বহুমুখী সমবায় সমিতি লি.’। স্থানীয় গজরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য এবং সমিতির সভাপতিসহ গণ্যমান্য ২০ থেকে ২৫ জন ব্যক্তির উপস্থিতিতে এ পরিমাপ কার্যক্রম চলছিল। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দলিল লেখক ও সার্ভেয়ার নাছির উদ্দিন ভূঁইয়া দলবল নিয়ে এসে উগ্র মনোভাব দেখিয়ে মাপজোখের কাজ বন্ধ করার নির্দেশ দেন। সমিতির নেতৃবৃন্দ তাদের বৈধ দলিলপত্র প্রদর্শন করে জানান যে, ২০০২ সালে স্বর্গীয় সন্তোষ চন্দ্র পোদ্দারের সন্তানদের কাছ থেকে তারা জমিটি কিনেছেন এবং এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য থাকলে তা যেন ওয়ারিশ সুমন চন্দ্র পোদ্দারকে বলা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, এ কথা শোনার পরপরই নাছির উদ্দিন ভূঁইয়া ও তাঁর সহযোগীরা উত্তেজিত হয়ে সাংবাদিক সুমন চন্দ্র পোদ্দারের প্রয়াত মাকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য করেন এবং সুমন পোদ্দারকে এলাকায় পেলে পায়ের নিচে পিষে মেরে ফেলার প্রকাশ্য হুমকি দেন। ঘটনাটি পরবর্তীতে মতলব উত্তরের স্থানীয় সাংবাদিকরা গজরা বাজারে গিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান ও সমিতির কর্মকর্তাদের বক্তব্যে নিশ্চিত হন।
এদিকে ঘটনা প্রসঙ্গে নাছির উদ্দিন ভূঁইয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনা অস্বীকার করেন এবং একপর্যায়ে ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
সমিতির নেতৃবৃন্দ ও ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, নাছির উদ্দিন ভূঁইয়া ও তাঁর সহযোগীরা জাল দলিলের মাধ্যমে প্রভাব খাটিয়ে ও হুমকি দিয়ে বৈধ ওয়ারিশদের পৈতৃক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। প্রকাশ্য দিবালোকে একজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিককে জীবননাশের হুমকি দেওয়ার ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার এ বিষয়ে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ ও আইনি পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছে।

মতামত