বাঙালির বাংলাদেশ
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬

আঘাত হানার দ্বারপ্রান্তে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’, চার সমুদ্রবন্দরে সতর্কতা

আঘাত হানার দ্বারপ্রান্তে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’, চার সমুদ্রবন্দরে সতর্কতা

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলের দিকে ধেয়ে যাচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবার (২ নভেম্বর) মধ্যরাত থেকে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ভোরের মধ্যে যেকোনো সময় এটি উপকূলে আঘাত হানতে পারে। ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে বাংলাদেশেও আবহাওয়ার কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে।

এ পরিস্থিতিতে দেশের চার সমুদ্রবন্দর—চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রায় ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের বিশেষ বিজ্ঞপ্তি-৯-এ এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার দুপুর ১২টায় প্রবল ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৪৭৫ কিলোমিটার, কক্সবাজার থেকে ১ হাজার ৪৪০ কিলোমিটার, মোংলা থেকে ১ হাজার ৩০০ কিলোমিটার এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৩২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।

এ সময় ঘূর্ণিঝড়টির অবস্থান ছিল পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায়। এর কেন্দ্রের অবস্থান নির্ণয় করা হয় ১৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, প্রবল ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার। দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে এ গতিবেগ ঘণ্টায় ১১৭ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে।

এ অবস্থায় উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

আঘাত হানার দ্বারপ্রান্তে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’, চার সমুদ্রবন্দরে সতর্কতা
0:00 0:00
1.0x
বাঙালির বাংলাদেশ

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


আঘাত হানার দ্বারপ্রান্তে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’, চার সমুদ্রবন্দরে সতর্কতা

প্রকাশের তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলের দিকে ধেয়ে যাচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবার (২ নভেম্বর) মধ্যরাত থেকে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ভোরের মধ্যে যেকোনো সময় এটি উপকূলে আঘাত হানতে পারে। ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে বাংলাদেশেও আবহাওয়ার কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে।

এ পরিস্থিতিতে দেশের চার সমুদ্রবন্দর—চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রায় ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের বিশেষ বিজ্ঞপ্তি-৯-এ এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার দুপুর ১২টায় প্রবল ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৪৭৫ কিলোমিটার, কক্সবাজার থেকে ১ হাজার ৪৪০ কিলোমিটার, মোংলা থেকে ১ হাজার ৩০০ কিলোমিটার এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৩২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।

এ সময় ঘূর্ণিঝড়টির অবস্থান ছিল পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায়। এর কেন্দ্রের অবস্থান নির্ণয় করা হয় ১৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, প্রবল ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার। দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে এ গতিবেগ ঘণ্টায় ১১৭ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে।

এ অবস্থায় উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।


বাঙালির বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মো: মনিরুজ্জামান (মনির)
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত