রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও মর্যাদাপূর্ণভাবে নিজ দেশ মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে আরও জোরালো আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে বাংলাদেশ বিষয়ক ‘অল-পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপ’ (এপিপিজি)-এর চেয়ার ও এমপি আফসানা বেগমের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এলে তিনি এই আহ্বান জানান।
বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভিত্তি সুদৃঢ়করণ ও চলমান সংস্কার উদ্যোগের প্রতি যুক্তরাজ্য সরকারের অব্যাহত সমর্থনের বিষয়টি তুলে ধরেন। পাশাপাশি যুক্তরাজ্য পার্লামেন্ট, বাংলাদেশ সরকার এবং যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ব্রিটিশ-বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের মধ্যে সুদৃঢ় সেতুবন্ধন হিসেবে এপিপিজি-র ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন তিনি। এছাড়া বাংলাদেশে চলমান উন্নয়ন অগ্রগতি ও প্রকৃত পরিস্থিতি যুক্তরাজ্য পার্লামেন্টে সঠিকভাবে তুলে ধরার ক্ষেত্রে এপিপিজির সহযোগিতা কামনা করেন প্রতিমন্ত্রী।
এ সময় রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়টি উল্লেখ করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘস্থায়ী এই সংকট এখন কেবল মানবিক উদ্বেগের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অনিয়মিত অভিবাসনের মতো বিস্তৃত ঝুঁকি তৈরি করছে।
ব্রিটিশ প্রতিনিধিদল বুধবার (৭ অক্টোবর) রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের পরিকল্পনা সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করে। এ সময় তারা রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের সংকট লাঘবে নিজেদের অকুণ্ঠ সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। একইসঙ্গে মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখা এবং রোহিঙ্গাদের নিজ ভূখণ্ডে টেকসই প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে যুক্তরাজ্য পার্লামেন্টসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রতিশ্রুতি দেয় প্রতিনিধিদল।
আলোচনায় বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে সংসদীয় সহযোগিতা ও পারস্পরিক আদান-প্রদান জোরদার করার পাশাপাশি গণতান্ত্রিক ভিত্তি সুদৃঢ়করণ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, অভিবাসন, দক্ষতা উন্নয়ন ও মানবধিকারের মতো পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো প্রাধান্য পায়।
উভয় পক্ষই আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয়েও মতবিনিময় করে এবং সংশ্লিষ্ট দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক মাধ্যমের সাহায্য সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করে।
উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্যের এই প্রতিনিধিদলে অন্যান্যের মধ্যে এমপি শওকত আদম এবং হাউস অফ লর্ডসের সদস্য লর্ড কুরবান হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও মর্যাদাপূর্ণভাবে নিজ দেশ মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে আরও জোরালো আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে বাংলাদেশ বিষয়ক ‘অল-পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপ’ (এপিপিজি)-এর চেয়ার ও এমপি আফসানা বেগমের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এলে তিনি এই আহ্বান জানান।
বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভিত্তি সুদৃঢ়করণ ও চলমান সংস্কার উদ্যোগের প্রতি যুক্তরাজ্য সরকারের অব্যাহত সমর্থনের বিষয়টি তুলে ধরেন। পাশাপাশি যুক্তরাজ্য পার্লামেন্ট, বাংলাদেশ সরকার এবং যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ব্রিটিশ-বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের মধ্যে সুদৃঢ় সেতুবন্ধন হিসেবে এপিপিজি-র ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন তিনি। এছাড়া বাংলাদেশে চলমান উন্নয়ন অগ্রগতি ও প্রকৃত পরিস্থিতি যুক্তরাজ্য পার্লামেন্টে সঠিকভাবে তুলে ধরার ক্ষেত্রে এপিপিজির সহযোগিতা কামনা করেন প্রতিমন্ত্রী।
এ সময় রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়টি উল্লেখ করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘস্থায়ী এই সংকট এখন কেবল মানবিক উদ্বেগের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অনিয়মিত অভিবাসনের মতো বিস্তৃত ঝুঁকি তৈরি করছে।
ব্রিটিশ প্রতিনিধিদল বুধবার (৭ অক্টোবর) রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের পরিকল্পনা সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করে। এ সময় তারা রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের সংকট লাঘবে নিজেদের অকুণ্ঠ সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। একইসঙ্গে মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখা এবং রোহিঙ্গাদের নিজ ভূখণ্ডে টেকসই প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে যুক্তরাজ্য পার্লামেন্টসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রতিশ্রুতি দেয় প্রতিনিধিদল।
আলোচনায় বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে সংসদীয় সহযোগিতা ও পারস্পরিক আদান-প্রদান জোরদার করার পাশাপাশি গণতান্ত্রিক ভিত্তি সুদৃঢ়করণ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, অভিবাসন, দক্ষতা উন্নয়ন ও মানবধিকারের মতো পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো প্রাধান্য পায়।
উভয় পক্ষই আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয়েও মতবিনিময় করে এবং সংশ্লিষ্ট দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক মাধ্যমের সাহায্য সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করে।
উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্যের এই প্রতিনিধিদলে অন্যান্যের মধ্যে এমপি শওকত আদম এবং হাউস অফ লর্ডসের সদস্য লর্ড কুরবান হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

মতামত