বাঙালির বাংলাদেশ
প্রকাশ : সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

মন্ত্রিসভার যে কাউকে পদত্যাগ করতে বলার ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর রয়েছে

মন্ত্রিসভার যে কাউকে পদত্যাগ করতে বলার ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর রয়েছে

মন্ত্রিসভার যেকোনো সদস্যকে পদত্যাগ করতে বলার বৈধ ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো রুহুল কুদ্দুস কাজল। 

সোমবার (১৯ অক্টোবর) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। 

তিনি বলেন, মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়োগ ও দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর সাংবিধানিক ভূমিকা রয়েছে। এ কারণে কোনো মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে বলার ক্ষমতাও প্রধানমন্ত্রীর রয়েছে। 

বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৮ অনুচ্ছেদে প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীর পদে থাকা এবং পদত্যাগের বিষয়ে বিধান রয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে বা দায়িত্ব পালন বন্ধ করলে অন্য মন্ত্রীদেরও পদত্যাগ করতে হয়। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী কোনো মন্ত্রীকে পদত্যাগের অনুরোধ জানালে এবং ওই মন্ত্রী তা না করলে রাষ্ট্রপতি তাকে তার পদ থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন।

প্রসঙ্গত, গেন্ডারিয়া থানার ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডের রেললাইনের পাশের একটি মাঠের কোণায় পলিথিনের ছাউনির ঘরে শনিবার মাদকবিরোধী অভিযান চালান ইশরাক হোসেন ও তার সহযোগীরা। ওই ঘটনার ভিডিওতে দেখা যায় ইশরাক হোসেন অস্ত্র হাতে মাদকাসক্ত ও বিক্রেতাদের তাড়া করছেন।

পরে তীব্র সমালোচনা শুরু হলে তার পক্ষ দেওয়া বিবৃতিতে প্রতিমন্ত্রী ওই ঘটনার ব্যাখ্যা দেন।

তিনি বলেন, শনিবার ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নিজস্ব গোয়েন্দা সূত্রে ইশরাক হোসেনের নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং মাদক কারবারিরা ছাদ থেকে আকস্মিক গুলিবর্ষণ করতে পারে, এমন আশঙ্কার বিষয়ে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল।এমতাবস্থায় সুনির্দিষ্ট হামলার আশঙ্কা এবং জানমালের নিরাপত্তায় আমি এবং আমার সরকারি নিরাপত্তারক্ষীরা গাড়ি থেকে নেমে অত্যন্ত স্বল্প সময়ের জন্য আত্মরক্ষার্থে অস্ত্র উঁচিয়ে ধরি। 

কিন্তু ঘটনাটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার পর রোববার বিকেলে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী তাকে ডেকে পদত্যাগের নির্দেশনা দেন বলে খবর প্রকাশ হয়।তবে তাৎক্ষণিক বিবৃতিতে ইরশাক জানান, এ ধরনের সংবাদ সর্বৈব মিথ্যা। 

তবে সোমবার সকালে ইশরাক জানান যে, তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। 

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

মন্ত্রিসভার যে কাউকে পদত্যাগ করতে বলার ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর রয়েছে
0:00 0:00
1.0x
বাঙালির বাংলাদেশ

সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬


মন্ত্রিসভার যে কাউকে পদত্যাগ করতে বলার ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর রয়েছে

প্রকাশের তারিখ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

মন্ত্রিসভার যেকোনো সদস্যকে পদত্যাগ করতে বলার বৈধ ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো রুহুল কুদ্দুস কাজল। 

সোমবার (১৯ অক্টোবর) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। 

তিনি বলেন, মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়োগ ও দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর সাংবিধানিক ভূমিকা রয়েছে। এ কারণে কোনো মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে বলার ক্ষমতাও প্রধানমন্ত্রীর রয়েছে। 

বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৮ অনুচ্ছেদে প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীর পদে থাকা এবং পদত্যাগের বিষয়ে বিধান রয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে বা দায়িত্ব পালন বন্ধ করলে অন্য মন্ত্রীদেরও পদত্যাগ করতে হয়। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী কোনো মন্ত্রীকে পদত্যাগের অনুরোধ জানালে এবং ওই মন্ত্রী তা না করলে রাষ্ট্রপতি তাকে তার পদ থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন।

প্রসঙ্গত, গেন্ডারিয়া থানার ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডের রেললাইনের পাশের একটি মাঠের কোণায় পলিথিনের ছাউনির ঘরে শনিবার মাদকবিরোধী অভিযান চালান ইশরাক হোসেন ও তার সহযোগীরা। ওই ঘটনার ভিডিওতে দেখা যায় ইশরাক হোসেন অস্ত্র হাতে মাদকাসক্ত ও বিক্রেতাদের তাড়া করছেন।

পরে তীব্র সমালোচনা শুরু হলে তার পক্ষ দেওয়া বিবৃতিতে প্রতিমন্ত্রী ওই ঘটনার ব্যাখ্যা দেন।

তিনি বলেন, শনিবার ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নিজস্ব গোয়েন্দা সূত্রে ইশরাক হোসেনের নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং মাদক কারবারিরা ছাদ থেকে আকস্মিক গুলিবর্ষণ করতে পারে, এমন আশঙ্কার বিষয়ে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল।এমতাবস্থায় সুনির্দিষ্ট হামলার আশঙ্কা এবং জানমালের নিরাপত্তায় আমি এবং আমার সরকারি নিরাপত্তারক্ষীরা গাড়ি থেকে নেমে অত্যন্ত স্বল্প সময়ের জন্য আত্মরক্ষার্থে অস্ত্র উঁচিয়ে ধরি। 

কিন্তু ঘটনাটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার পর রোববার বিকেলে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী তাকে ডেকে পদত্যাগের নির্দেশনা দেন বলে খবর প্রকাশ হয়।তবে তাৎক্ষণিক বিবৃতিতে ইরশাক জানান, এ ধরনের সংবাদ সর্বৈব মিথ্যা। 

তবে সোমবার সকালে ইশরাক জানান যে, তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। 


বাঙালির বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মো: মনিরুজ্জামান (মনির)
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত