চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে এক মাস ধরে নিখোঁজ থাকার পর চান মিঞা (৫৫) নামে এক ভ্যানচালকের মাথাবিহীন গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে উপজেলার শাহাপুর পুলিশ ক্যাম্পের অদূরে কোটচাঁদপুর সড়কের পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত চান মিঞা জীবননগর উপজেলার হাসাদাহ গ্রামের মৃত জোনাব আলীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন ভ্যানচালক ছিলেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ১৫ সেপ্টেম্বর ব্যাটারিচালিত ভ্যান নিয়ে উপার্জনের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন চান মিঞা। এরপর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে তার ব্যবহৃত ভ্যানটিরও কোনো হদিস মেলেনি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে স্থানীয় লোকজন কোটচাদপুর সড়কের পাশে একটি মাথাবিহীন গলিত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে পরনের পোশাক ও অন্যান্য আলামত দেখে স্বজনেরা মরদেহ শনাক্ত করেন।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ভ্যান ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে তিনি কীভাবে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন এবং এর পেছনে কী কারণ রয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। নিখোঁজ হওয়ার পর তার ভ্যানের সন্ধান না মেলায় সেটি ছিনতাইয়ের সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
জীবননগর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলাইমান শেখ বলেন, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড কি না, ভ্যান ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে তাকে হত্যা করা হয়েছে, নাকি অন্য কোনো বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে—সব বিষয় সামনে রেখে তদন্ত করা হচ্ছে।

সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে এক মাস ধরে নিখোঁজ থাকার পর চান মিঞা (৫৫) নামে এক ভ্যানচালকের মাথাবিহীন গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে উপজেলার শাহাপুর পুলিশ ক্যাম্পের অদূরে কোটচাঁদপুর সড়কের পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত চান মিঞা জীবননগর উপজেলার হাসাদাহ গ্রামের মৃত জোনাব আলীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন ভ্যানচালক ছিলেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ১৫ সেপ্টেম্বর ব্যাটারিচালিত ভ্যান নিয়ে উপার্জনের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন চান মিঞা। এরপর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে তার ব্যবহৃত ভ্যানটিরও কোনো হদিস মেলেনি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে স্থানীয় লোকজন কোটচাদপুর সড়কের পাশে একটি মাথাবিহীন গলিত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে পরনের পোশাক ও অন্যান্য আলামত দেখে স্বজনেরা মরদেহ শনাক্ত করেন।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ভ্যান ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে তিনি কীভাবে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন এবং এর পেছনে কী কারণ রয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। নিখোঁজ হওয়ার পর তার ভ্যানের সন্ধান না মেলায় সেটি ছিনতাইয়ের সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
জীবননগর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলাইমান শেখ বলেন, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড কি না, ভ্যান ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে তাকে হত্যা করা হয়েছে, নাকি অন্য কোনো বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে—সব বিষয় সামনে রেখে তদন্ত করা হচ্ছে।

মতামত