চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে পাঁচ দিন ধরে নিখোঁজ থাকা চান মিয়া ওরফে চান্দ আলী (৫৫) নামে এক ভ্যানচালকের মাথাবিহীন গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার শাহাপুর পুলিশ ক্যাম্পের অদূরে কোটচাঁদপুর সড়কের পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত চান মিয়া জীবননগর উপজেলার হাসাদহ বালিগর্ত পাড়ার মৃত জোনাব আলীর ছেলে। তিনি পেশায় রিকশাভ্যানচালক ছিলেন।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) থেকে চান মিয়া নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাননি। নিখোঁজের পর থেকে তাঁর রিকশাভ্যানটিরও কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে জীবননগর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
সোমবার সকালে শাহাপুর পুলিশ ক্যাম্পের অদূরে কোটচাঁদপুর সড়কের পাশে একটি মাথাবিহীন গলিত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে। নিখোঁজ ভ্যানচালক চান মিয়ার মরদেহ বলে জানা গেছে। রিকশাভ্যান ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে তাঁকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে হত্যার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখ বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেছে। নিখোঁজের ঘটনায় এর আগে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছিল। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে পাঁচ দিন ধরে নিখোঁজ থাকা চান মিয়া ওরফে চান্দ আলী (৫৫) নামে এক ভ্যানচালকের মাথাবিহীন গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার শাহাপুর পুলিশ ক্যাম্পের অদূরে কোটচাঁদপুর সড়কের পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত চান মিয়া জীবননগর উপজেলার হাসাদহ বালিগর্ত পাড়ার মৃত জোনাব আলীর ছেলে। তিনি পেশায় রিকশাভ্যানচালক ছিলেন।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) থেকে চান মিয়া নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাননি। নিখোঁজের পর থেকে তাঁর রিকশাভ্যানটিরও কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে জীবননগর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
সোমবার সকালে শাহাপুর পুলিশ ক্যাম্পের অদূরে কোটচাঁদপুর সড়কের পাশে একটি মাথাবিহীন গলিত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে। নিখোঁজ ভ্যানচালক চান মিয়ার মরদেহ বলে জানা গেছে। রিকশাভ্যান ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে তাঁকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে হত্যার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখ বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেছে। নিখোঁজের ঘটনায় এর আগে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছিল। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

মতামত