মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার কলিয়া ইউনিয়নে সারের জন্য চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। বিপুলসংখ্যক কৃষকের উপস্থিতি দেখে ডিলার সার বিতরণ না করে পুলিশে খবর দিলে সেখানে উত্তেজনা ও বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়।
বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল ৭টা থেকে কলিয়া বাজারের সার ডিলার মেসার্স রাজ্জাক অ্যান্ড কোং-এর সার দেওয়ার আশ্বাসে শত শত কৃষক সার কিনতে দোকানের সামনে জড়ো হন।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, সার ডিলার আব্দুর রাজ্জাক বেশ কিছুদিন ধরে সারের সংকটের কথা বলে সার গুদামে নেই বলে আসছিলেন। একপর্যায়ে কৃষকদের সার দেওয়ার কথা জানালে সেই আশ্বাসের ভিত্তিতে বুধবার সকাল থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে কৃষকরা সার কিনতে তার দোকানের সামনে জড়ো হন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে কৃষকের সংখ্যাও বাড়তে থাকে।
একপর্যায়ে শত শত কৃষকের বিশাল সমাগম দেখে আতঙ্কিত হয়ে ডিলার সার বিক্রি বন্ধ করে পুলিশে খবর দেন। এতে অপেক্ষমাণ কৃষকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে কিছু কৃষক সারের গোডাউনে প্রবেশের চেষ্টা করেন।
খবর পেয়ে দৌলতপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রবীর বিশ্বাস, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. লুৎফে আল মুঈজ ও পুলিশের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. লুৎফে আল মুঈজ যুগান্তরকে জানান, নির্ধারিত ডিলার আব্দুর রাজ্জাক তাকেসহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) জানান- তার উত্তোলিত ৭০৬ বস্তা বিভিন্ন ধরনের সার বিতরণ চলছিল। এ সময় আকস্মিকভাবে কয়েক শত নারী-পুরুষ সারের জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে সার নিতে আসা কৃষকরা গোডাউন ঘরের দরজা-জানালা ভেঙে ফেলার উপক্রম হলে তাদের অবহিত করে। পরে তিনিসহ এসিল্যান্ড ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে কৃষকদের প্রয়োজনীয় সংখ্যক সার দেওয়ার আশ্বাস দিলে তারা শান্ত হয়। পরে গ্রাম পুলিশ দিয়ে আগত কৃষকদের মধ্যে পুরুষদের নয়টি ও নারীদের পৃথক একটি লাইন করে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে সার বিতরণ করা হয়।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার কলিয়া ইউনিয়নে সারের জন্য চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। বিপুলসংখ্যক কৃষকের উপস্থিতি দেখে ডিলার সার বিতরণ না করে পুলিশে খবর দিলে সেখানে উত্তেজনা ও বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়।
বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল ৭টা থেকে কলিয়া বাজারের সার ডিলার মেসার্স রাজ্জাক অ্যান্ড কোং-এর সার দেওয়ার আশ্বাসে শত শত কৃষক সার কিনতে দোকানের সামনে জড়ো হন।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, সার ডিলার আব্দুর রাজ্জাক বেশ কিছুদিন ধরে সারের সংকটের কথা বলে সার গুদামে নেই বলে আসছিলেন। একপর্যায়ে কৃষকদের সার দেওয়ার কথা জানালে সেই আশ্বাসের ভিত্তিতে বুধবার সকাল থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে কৃষকরা সার কিনতে তার দোকানের সামনে জড়ো হন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে কৃষকের সংখ্যাও বাড়তে থাকে।
একপর্যায়ে শত শত কৃষকের বিশাল সমাগম দেখে আতঙ্কিত হয়ে ডিলার সার বিক্রি বন্ধ করে পুলিশে খবর দেন। এতে অপেক্ষমাণ কৃষকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে কিছু কৃষক সারের গোডাউনে প্রবেশের চেষ্টা করেন।
খবর পেয়ে দৌলতপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রবীর বিশ্বাস, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. লুৎফে আল মুঈজ ও পুলিশের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. লুৎফে আল মুঈজ যুগান্তরকে জানান, নির্ধারিত ডিলার আব্দুর রাজ্জাক তাকেসহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) জানান- তার উত্তোলিত ৭০৬ বস্তা বিভিন্ন ধরনের সার বিতরণ চলছিল। এ সময় আকস্মিকভাবে কয়েক শত নারী-পুরুষ সারের জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে সার নিতে আসা কৃষকরা গোডাউন ঘরের দরজা-জানালা ভেঙে ফেলার উপক্রম হলে তাদের অবহিত করে। পরে তিনিসহ এসিল্যান্ড ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে কৃষকদের প্রয়োজনীয় সংখ্যক সার দেওয়ার আশ্বাস দিলে তারা শান্ত হয়। পরে গ্রাম পুলিশ দিয়ে আগত কৃষকদের মধ্যে পুরুষদের নয়টি ও নারীদের পৃথক একটি লাইন করে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে সার বিতরণ করা হয়।

মতামত