২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সাবেক যুগ্মসচিব ধনঞ্জয় কুমার দাসের কোনো সন্ধান পায়নি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ অবস্থায় তাকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ জানিয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবিরের একক বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। তার সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর মামুনুর রশিদ।
প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ধনঞ্জয় কুমার দাসের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল। কিন্তু স্থায়ী ও অস্থায়ী ঠিকানায় গেলেও তার খোঁজ পাননি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। ফলে নন-এক্সিকিউশন রিপোর্ট (এনইআর) দিয়েছেন তারা। তাই তাকে হাজিরের জন্য দু’টি জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ প্রয়োজন। একইসঙ্গে পরবর্তী শুনানির জন্য সময় চায় প্রসিকিউশন।
পরে ধনঞ্জয় কুমারকে আত্মসমর্পণের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়।
এদিকে, মামলার অপর আসামি সাবেক স্বরাষ্ট্রসচিব জাহাংগীর আলম গ্রেপ্তার রয়েছেন। তিনি আজ ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, ২৭ আগস্ট এই দুই আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-২। একই দিন ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন।
মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় তৎকালীন এই দুই কর্মকতার বিরুদ্ধে উচ্চতর দায়িত্বসহ জুলাই-আগস্ট আন্দোলন ঘিরে হত্যাযজ্ঞে উসকানি, প্ররোচনা ও ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এনেছে প্রসিকিউশন।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সাবেক যুগ্মসচিব ধনঞ্জয় কুমার দাসের কোনো সন্ধান পায়নি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ অবস্থায় তাকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ জানিয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবিরের একক বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। তার সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর মামুনুর রশিদ।
প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ধনঞ্জয় কুমার দাসের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল। কিন্তু স্থায়ী ও অস্থায়ী ঠিকানায় গেলেও তার খোঁজ পাননি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। ফলে নন-এক্সিকিউশন রিপোর্ট (এনইআর) দিয়েছেন তারা। তাই তাকে হাজিরের জন্য দু’টি জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ প্রয়োজন। একইসঙ্গে পরবর্তী শুনানির জন্য সময় চায় প্রসিকিউশন।
পরে ধনঞ্জয় কুমারকে আত্মসমর্পণের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়।
এদিকে, মামলার অপর আসামি সাবেক স্বরাষ্ট্রসচিব জাহাংগীর আলম গ্রেপ্তার রয়েছেন। তিনি আজ ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, ২৭ আগস্ট এই দুই আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-২। একই দিন ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন।
মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় তৎকালীন এই দুই কর্মকতার বিরুদ্ধে উচ্চতর দায়িত্বসহ জুলাই-আগস্ট আন্দোলন ঘিরে হত্যাযজ্ঞে উসকানি, প্ররোচনা ও ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এনেছে প্রসিকিউশন।

মতামত