কোনটা নাগরিকের অধিকার, কোনটা রক্ষার ব্যাপার আর কোনটা নাগরিকের দাবি, সেটা বুঝতে অপারগ হয়েছে বিধায় জন্মের পর এই প্রথম বিরোধীদল হয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেছেন, সরকার তো পরের কথা। জামায়াতে ইসলামীর প্রথম বিরোধীদল হওয়ার সুযোগ হয়েছে ৮৫ বছর বয়সে। কারণ, তারা বুঝতে চাননি মানুষ কী চায়।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ধানমন্ডির ৩/এ-তে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।
শেখ রবিউল আলম বলেন, তারা স্বাধীনতার সময় বুঝতে চাননি, স্বাধীনতার পরেও বুঝতে চাননি, এরশাদের সময়ও বুঝতে চাননি কাকে সমর্থন দিতে হবে। আবার ওয়ান-ইলেভেন সরকারের পরও বুঝতে পারেননি। ২০২৪ সালে এসে কিছু বুঝতে পেরেছিলেন, আবার খেই হারিয়ে ফেলেছেন। এটি হচ্ছে তাদের রাজনৈতিক বদান্যতা।
অটো রিকশা প্রসঙ্গে সড়কমন্ত্রী বলেন, ঢাকা শহরে অটো রিকশার প্রসার হয়েছে। তবে ব্যাটারিচালিত রিকশার নীতিমালা হচ্ছে। এই নীতিমালার আলোকে প্রধান সড়ক, গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় চলাচল অননুমোদিত হবে। যারা কিছুদিন ধরে এই পেশায় যুক্ত হয়ে গিয়েছেন, ডেফিনেটলি তাদের কষ্ট হবে। কিন্তু বৃহত্তর স্বার্থে আমাদের একমত হয়ে এই অব্যবস্থাপনার উত্তরণ ঘটাতে হবে। কাউকে ক্ষতিগ্রস্ত করে নয়। তবে কোনো গোষ্ঠীর স্বার্থে ঢাকা সিটিকে অকার্যকর হতে দেওয়া হবে না।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
কোনটা নাগরিকের অধিকার, কোনটা রক্ষার ব্যাপার আর কোনটা নাগরিকের দাবি, সেটা বুঝতে অপারগ হয়েছে বিধায় জন্মের পর এই প্রথম বিরোধীদল হয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেছেন, সরকার তো পরের কথা। জামায়াতে ইসলামীর প্রথম বিরোধীদল হওয়ার সুযোগ হয়েছে ৮৫ বছর বয়সে। কারণ, তারা বুঝতে চাননি মানুষ কী চায়।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ধানমন্ডির ৩/এ-তে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।
শেখ রবিউল আলম বলেন, তারা স্বাধীনতার সময় বুঝতে চাননি, স্বাধীনতার পরেও বুঝতে চাননি, এরশাদের সময়ও বুঝতে চাননি কাকে সমর্থন দিতে হবে। আবার ওয়ান-ইলেভেন সরকারের পরও বুঝতে পারেননি। ২০২৪ সালে এসে কিছু বুঝতে পেরেছিলেন, আবার খেই হারিয়ে ফেলেছেন। এটি হচ্ছে তাদের রাজনৈতিক বদান্যতা।
অটো রিকশা প্রসঙ্গে সড়কমন্ত্রী বলেন, ঢাকা শহরে অটো রিকশার প্রসার হয়েছে। তবে ব্যাটারিচালিত রিকশার নীতিমালা হচ্ছে। এই নীতিমালার আলোকে প্রধান সড়ক, গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় চলাচল অননুমোদিত হবে। যারা কিছুদিন ধরে এই পেশায় যুক্ত হয়ে গিয়েছেন, ডেফিনেটলি তাদের কষ্ট হবে। কিন্তু বৃহত্তর স্বার্থে আমাদের একমত হয়ে এই অব্যবস্থাপনার উত্তরণ ঘটাতে হবে। কাউকে ক্ষতিগ্রস্ত করে নয়। তবে কোনো গোষ্ঠীর স্বার্থে ঢাকা সিটিকে অকার্যকর হতে দেওয়া হবে না।

মতামত